আরো কিছু ফেইসবুক স্টেটাস...
ক)
আমার ল্যাপটপের নাম দিলাম তবে "ঘুম"। বিছানার নাম "স্বপ্ন"। ঘরটার নাম "ভালো বাসা"। আর যে মেয়েটা সিলিং ফ্যানে ওড়না বেঁধে ঝুলে পড়েছিলো বলে বাড়িটার নাম হয়েছে ভুতের বাড়ি; তাকে "পড়শী" বললে, খারাপ শোনায় না...
খ)
বহুদিন আকাশের মাঠে মেঘের রহস্য নেই,
বহুদিন পথের খরখরে গায়ে জলের আচড় নেই।
বহুদিন নাচে নাই উলুখড়-কাশফুল, টোকাই শিশুরা।
বহুদিন প্রাণের অভাবে ভুগে বেহুদা নিথর রহমান।
বহুদিন চা'র কাপে চামচ প্রলয় তুলে
তিতকুটে পাণীয় দিতে ভুলে গেছে মুকিম-বাশার।
আর তাই, আমার ক্যামেরা পড়ে আছে অগোছালো
যত্নহীন, তার গায়ে জমেছে ধুলোর দানা, দুষ্টুমিতে
যারে বলি শহরের ঘাম। সয়ে যায় সকল উপেক্ষা আমার নিকন;
বহুদিন...
গ)
দিক ভুলে শহরের গোলক ধাঁধাঁয় ঘুরতে ঘুরতে
জেনে গেছি এ শহরে কারা কারা লুকিয়ে চুরিয়ে
ললিপপ চোষে, কারা কারা ক্যানাবিস চাষ করে
পেছনের বারান্দায়, সুর্যের আলোকে কার চামড়া
পুড়ে দগদগে ঘা থেকে অবিরল পুঁজ ঝরে; কারা
বায়না ধরেছিলো "লাল জুতো কবে কিনে দেবে বাবা?"
এতোকিছু জেনে ফেলে কেমন অপরাধের বোধ
ছেয়ে গেছে শরীরে শরীরে, আঙুল শীর্ষেই যদি
পথের নিশানা ধরা না দিলো, তাহলে বলো আর কীসে
মানুষের পরিচয় লেখা হয়, আর কীসে তারে পৃথক জেনেছি!?
ঘ)
কেনো জানি কাছিমের মতো মাথা গুজে থির থাকি
যদিও ভয়ের কোনো উপলক্ষ্য নেই, নেই কোনো
বিশ্রামের প্রয়োজন; তবু আতঙ্কের ঘ্রাণ ভেসে আসে
সম্ভাবনা নামের দূরদেশ থেকে। বরফের মতো হিম
ভয়ের বাতাসে-গিলোটিন ঘ্রাণে দিশেহারা কাছিম হৃদয়।
যেনো না দেখা দিয়ে ফিরে যাবে শীতের পাখিরা
নিজের উঠোনে খুদকুড়ো ছিটাতে ছিটাতে আমি
ভালোবেসে ফেলেছি যাদের...
ঙ)
প্রতিহিংসার চে' মেধাহীন কিছু নাই, এই কথা প্রায়শঃ গিয়েছি ভুলে
তার চেয়ে ভালো স্মৃতির শহরে বিলি কাটা যাক তোমার এলানো চুলে...
চ)
Life is a miracle, life is a X file, Life is a X-Box, Life is stranger than fiction, Life cannot be resumed... bla, bla bla; I have learned all these with the cost of my life...the paradox of life is that, when you'd not have a life of your own you might know everything of life...
ছ)
একটা পাতাও নড়বেনা, বাড়তি জল ঝরবে না
কখনো মলিন ঝর্ণায়। তোমার ছায়ায় ঠিক যেভাবে আশ্রয়
নিতো পিপীলিকা-প্রজাপতি দল, তারা
আগের রুটিনে চলবে ভাবনাবিহীন;
ক্ষণিকের ক্রোধ প্রতিহিংসাগুলো কখনো হবে না ইতিহাস
আমি-তুমি ও সে সকলেই ভুলে যাবো
আমাদের মাঝে আজ একটা দূরত্বের রেখা বাড়ে
নিভৃতে প্রতিমুহুর্তে, আমরা একটু একটু করে সরে যাই
নিজেদের কাছ থেকে মুহুর্তে মুহুর্তে...
তোমার পথের ধুলোটাও উড়ে যাবে না কোথাও
থাক না তোমার ধুলিতে এলার্জি
আমার কারনে ভেঙে যাবে জাহাজের মাস্তুল অথবা প্রপেলার
তোমাদের যাত্রা থেমে যাবে শুরুতেই...কখনো তেমন ঘটবে না!
জ)
কেবল তোমাকে দেখতে শহরের
পাতার পর পাতা উল্টে গেছি,
কখনো ধূপের ঘ্রাণে মিস করে যাই,
কখনো বা চকিতে ফিরেও কেবল দেখেছি
পিছে পিছে ধেয়ে চলা অবিচ্ছেদ্য ছায়াটাকে।
তোমাকে দেখার জন্য শহরের
ইতিহাস খুলে রাখি, কেউ লিখতে
গেলেই নজরে পড়বে বলে
ওৎ পেতে বসে থেকে,
আবারো ডুবেছি ভাবনায়; অস্থির তোমার জন্য
ওলোট-পালোট শহরে ট্রাফিক জ্যাম লেগে গেলো
শুধু তোমাকে আড়চোখে একবার দেখবো,
তারপর চায়ের কাপ নাহয় ছলকে যাবে...
ঝ)
মাঝেসাঝে তোমার মতোন করে নিজেকে দেখেছি
শিং আর দাঁতের ঝলকে চোখ ঝলসে গেলে
নিজের বার্ধক্য ভেসে উঠেছে পায়ের কাছে ছায়ার মতোন;
লোলচর্ম শয়তান কেমন বিকলাঙ্গ মাটিময় গড়াচ্ছিলো।
ঞ)
১.
ঘরে ঢুকতেই, হঠাৎ মনে পড়ে যায়
ফেলে রেখে এসেছি তোমাকে...
২.
বিছানায় শরীর এলিয়ে দিলে মনে পড়ে
এইখানে এইভাবে তুমি ছিলে না কখনো...
৩.
যেসব মানুষ খুঁজে পেতে ফেইসবুক খুলে বসি
তারা ফেইসবুক ছেড়ে চলে গেছে দূর সমূদ্রে, অবকাশে...





এইটা দূর্দান্ত লাগে
শুরুরটা আর শেষেরটা আমার বেশি দূর্দান্ত লেগেছে
চমতকার!!
ভাস্করদা' নতুন কোনো সিরিজে হাত দিচ্ছেন না অনেককাল। আপনার অনুবাদ সিরিজগুলা দূর্দান্ত হইতো।
শুরু আর শেষেরটা অনেক ভাল।
মন্তব্য করুন