ডাইরী ৫৬
পাহাড় জ্বলছে আগুনে,
মানুষ পুড়ছে আগুনে।
ধিক! বাঙালি, ধিক!
এক.
লাঠিয়ালে ছেয়ে যাবে পাহাড়-পাহাড়ী পথ-বনভূমি। এইবার তবে চূক্তিমতো আবারো দ্বিতীয় শ্রেণীতেই থাকবে সেইসব মানুষেরা, যারা সমতলে বিদ্যুতের ঝলক পৌছাতে হারিয়েছিলো ঘরবাড়ি। বন্ধু ক্যহল্লা-রূপক কিম্বা পুলক বনভূমির আড়ালে লুকাইতে পারবে কীনা ভেবে আমি অস্থির হয়ে উঠি। এইবার জলে নয়, আগুনে পুড়েছে তাদের আবাস। তবু কি তাদের বুকে আগুন জ্বলবে না বলো!? নাকি লাঠিয়ালেরা তাতেও খুঁজে পাবে অপরাধের রেখা...
দুই.
আমি অস্থিরতায় এপাশ-ওপাশ করেছি সারাটা বিকেল। বাঙালিগো ঘৃণা ছাড়া আর কিছুই কি করতে পারি না আর? নাকি অথর্ব সেইসব শিয়ালের মতো আমরাও ঘ্রাণ শুঁকে মুরগীর ঝোল রেধে খাবো! দূরে দেখেছি আলো আর এইখানে চাল চড়িয়ে দিয়েছি চুলোয়...বন্ধু আলোময় বিড়বিড় করে শপথ নেয়, আবারো অস্ত্র তুলে নেবে হাতে। লাঠিয়ালের রক্ত মেখে হাতে এইবার স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখবে তারা...
তিন.
চিঙ তোর বাড়িতে থাকার প্ল্যান করতেছিলাম ১৯ ফেব্রুয়ারি...সামনের মাসে সাঙ্গুর স্রোতের সাথে আমিও তোর বাড়িতে পৌছতে চেয়েছিলাম সন্ধ্যার নীরবতায়। তারপর তোর মায়ের হাতের এক পেয়ালা কাঞ্জির সাথে শামুকের ঝোল...কিন্তু এখন নিজের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছি ধীরে ধীরে...মনে হয় আমার ধমনীতেও বইছে বাঙালির রক্ত। যদি কখনো আমিও তোরে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক ভেবে বসি!!





আমরা আসলে তো দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিকই ভাবি ; ভান ধরি যে ভাবি না
বেশীর ভাগ সময়েই...ওদের দ্বিতীয় শ্রেণীর ভাবি বইলাই তাগো শিক্ষা-দীক্ষা-সংস্কৃতি সবকিছুর মান আমরা ঠিক কইরা দিতে চাই...
ঝাজা কাঁকনকে।
পাহাড়ের এই আগুনটা কতদিন চলবে? নাকি নতুন এক শান্তিবাহিনী পর্বের সূচনা হবে? একটা মৃত্যু দশটা মৃত্যুকে ডেকে আনে।
সরকারের ব্যর্থতায় আবারো শান্তিবাহিনী সংগঠিত হইলে অবাক হওনের কিছু নাই...আক্রমণ আর আন্দোলনের গতিপথ কোনদিকে যাইতেছে বুঝতেছি না।
অসাধারণ একটা লেখা পড়লাম সাত সকালবেলা...
আপনের প্রশংসা পাইলে কেরম জানি লাগে...ধন্যবাদ...
এখন নিজের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছি ধীরে ধীরে...মনে হয় আমার ধমনীতেও বইছে
বাঙালির রক্ত। যদি কখনো আমিও তোরে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক ভেবে বসি!!
আসলেই তাই। দারুন লাগলো ভাস্করদা।
ধন্যবাদ রাকিব...
চমৎকার উপস্থাপনা বস
তবে আমার মনে হয় সরকার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সময়ের অনেক পরিবর্তন এখন। সরকার চপে পরবে নি:সন্দেহে। ভালো কোন সিদ্ধান্ত তাকে নিতেই হবে
সরকার হয়তো ব্যবস্থা নিবো। ধীরে ধীরে শান্ত হইয়া আসবো সব। মনে অবদমিত হইবো পরস্পরের প্রতি দ্বেষ। একটা তদন্ত কমিটি গঠিত হইবো ঘটনার শেকড় বিশ্লেষণে। কিন্তু এই যে ঘরহারা হইলো শ'য়ে শ'য়ে পাহাড়ি...কতোজন নিহত তার কোন সঠিক নাই...আর অবিশ্বাস...তারে ফিরা পাওয়ার উপায় কি বলেন!?
....আমরা বাঙ্গালী!!!....।একটা জাতির কাছে এইটা একটা গালি হৈয়া গেলাম আমরা....আমরা যেমন দেই অন্য কাউরে.....
হুমম...
অফ টপিক:
লাল্দার ফেব্রুয়ারিতে প্রোবলেম। মার্চের প্রথম সপ্তাহে।
উনি না কবে চইলা যাইবেন আমাগো ছাইড়া?
মার্চেই তবে পরের দিকে।
আমার কোন সমস্যা নাই...খালি জানাইয়েন কবে গরুর মাংস রান্না করতে হইবো...
কী ব্যাপার, কাহিনী কি?
লজ্জায় মাথা হেট হয়ে আছে, মানবাধিকার পায়ে দলে দানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্যস্ত রাক্ষস-খোক্কসের দল।
লজ্জিত আমি ।
কেমন আছেন ভাস্করদা ?
আমি ভালো আছি...ঢাকার বাইরে ছিলাম কয়দিন, এখন আমরা বন্ধু'র নতুন বন্ধু আর পুরান বন্ধুগো লেখার লগে তাল মিলাইতে কষ্ট হইতাছে...
আপনের কি অবস্থা?
অসহায়।
ki bolbo. nijer upori ghrina dhore jai.
মন্তব্য করুন