ফেইসবুক স্টেটাসমালা ৩
১.
যে ঘুড়িটা উড়তে উড়তে দৃষ্টি সীমানার শেষপ্রান্তে থাকে,
তার নাম প্রত্যাশা...
দূরে গেলে সব রং পাল্টে যায়,
দূরবর্তী সব রেখারেই শুধু কালো মনে হয়।
অতএব, প্রত্যাশা নামের ঘুড়িটাও কালো বিন্দু হয়ে উড়ে,
সাদা কিম্বা কালো মেঘের বন্ধুত্ব খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত ঘুড়ি -
গোত্তা খেয়ে পড়ে আছে অজানায়...
২.
বর্ষার উন্মেষ কালে প্রতারিত কালো মেঘ
সাদা মেঘের নিকটে মেলে দিয়েছিলো তার
উদোম শরীর; তারপর উদ্যানে কতোদিন গেলো...
শরতের কাশফুল দুলে দুলে দুলে তাহারে জানালো
অসহায় রঙধনু অপেক্ষায় রয়েছে নিজের গুহায়
নিমেষ দেখাবে তার ঝলসানো রূপের খোলস, তারপর...
আবার লুকাবে এমন কোথাও, যার ঠিকানা কখনো
জানে নাই মানুষেরা কিম্বা বিপন্ন মেঘেরা।
৩.
হিমযূগ এলে ঢুকে যাবো নিজের গুহায়; অপেক্ষায় আছি...
সরীসৃপ হৃদয়ের উত্তাপ কখনো বোঝাতে পারিনি তাহাদের,
যারা মেঘ আর মননের সংশয়ে রয়েছে - সাদাকালো কলিকালে।
৪.
কিছুদূর হাটলাম তোমার সাথে, তারপর হঠাৎ কী যে হোলো...
যাদুময়তার পৃথিবীতে বিড়বিড় করে কেউ মন্ত্র জপলো
"হোকাস, ফোকাস! অ্যাবরাকাড্যাবরা!"
অদৃশ্য আমাকে দেখার সুযোগ পেলে না তুমিও...
৫.
ধর্মের সাথে খাবারদাবারের সম্পর্ক বেশ নিবিড়...
৬.
মূদ্রা কখনো পকেটে যত্নে ছিলো
কখনো বা আলগোছে পড়ে গেছে পথে
হিসেবের খাতাময় দশমিক হয়ে থাকা হয় নাই আজীবন।
কেউ এসে কুড়িয়ে নিয়েছে চকোলেট প্রেমী
অথবা ক্ষুধার্ত ভিখারী রুটির ঘ্রাণ পেয়ে যায় তারে দেখে।
মূদ্রারে বুঝেছে কেবল অবুঝ শিশু...দেয়ালের ফাকে
জমা রেখেছে শৈশব জুড়ে।
৭.
আদার ব্যাপারী আমি
জানিনা জাহাজ কোন পথে যায়,
কেইবা চালায়...
তবু জাহাজের স্বপ্ন দেখে পা ডুবিয়ে দেই
ক্ষুদ্র জলাশয়ে...আকা নর্দমায়!
৮.
অনন্ত জলিলের ইংরেজী উচ্চারণ নিয়া আমরা যেমন হাসাহাসি করি...ঠিক তেমনি ইংরেজরা আমাগো অধিকাংশের ইংরেজী উচ্চারণ শুনলে মনে মনে হাসে নিশ্চিত।
৯.
হাসিনা আফা ভুইলা গেছেন তার বাপ শেখ মুজিবর রহমানরেও বেয়াদব হিসাবে চিনতো বড় নেতারা; অথচ সেই বেয়াদবের ডাকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপাইয়া পড়ছিলো বাঙালি জাতি। দেশ স্বাধীন করতে প্রাণ দেয়ার শপথ নিছিলো যেই মুক্তিযোদ্ধারা তাদেরও বেয়াদব হিসাবেই পরিচিতি ছিলো তৎকালের ক্ষমতাসীনদের কাছে। আফায় এখন বেয়াদব বিরোধী হইছেন দেইখা বেশ মজা পাইতেছি...
১০.
ডিজিটাল বিপ্লবের স্বপ্ন দেখা ডিজিটাল সরকারের ডিজিটাল প্রধানমন্ত্রী হাসিনা আফার কেনো ঘর থেকে বের হইতে হবে বুঝি না। ডিজিটাল যূগে ডিজিটাল ভিডিও কনফারেন্স করলেই তো হয়; অন্ততঃ রাস্তার অ্যানালগ ট্রাফিক জ্যামটা সহনীয় পর্যায়ে থাকে...
১১.
অসুখের বেলা তুমি কোনদিন জলে ভেজা শাড়ির আঁচল ছুঁইয়ে
আমার জ্বরের ঘোর ভেঙে দেবে।
তোমার স্নেহার্দ্র হিম হিম ছোঁয়ায় উষ্ণতা সরে যাবে দূরে-বহুদূরে...
১২.
ভালোবাসা আর ঘৃণা উভয়েই স্মৃতিকে সাজায়...ঘটনা অথবা দুর্ঘটনা উভয়েই মোটাদাগে স্মৃতির স্বরূপে রয়ে যায়। ভালোবাসতেই অনেক তুচ্ছ শব্দ কিম্বা আচরণ
দোলা খায়...মগজের সেলে বাঁধা পড়ে থাকে আজীবন। একই কথা ঘৃণাতেও খাটে...





পুরাই গুল্লি।
আপনের বন্দুকটা কিন্তু দারুণ ভাস্করদা'!
দারুন তো।
৪ নংটা বস পুরাই ক্ষুরধার ছুরি। মসৃণ ভাবে ভিতরে ঢুইকা যায়, ব্যথাটা টের পাওয়া যায় খানিক পরে...
সবগুলোই ভাল লেগেছে তারমধ্যে সাত নম্বরটা দারুন।
এটা বুঝি নাই
অনেক অনেক দিন পর আসলেন।
ভাল আছেন তো, ভাস্করদা?
অনেকদিন ভাস্করদারে দেখিনা। মিস করি..
মন্তব্য করুন