ডাইরী ৬০
এক.
অন্তর্জাল কিম্বা আন্তঃজাল যা'ই বলা হোক, সেই জালে আটকা পড়েছি আমরা সকল জলজ পরান। পথভ্রান্ত হয়ে জানি না চলেছি কোনখানে, ভুলেছি কোথায় গন্তব্য রয়েছে...বাস্তব জগতের পরাধীনতা থেকে এই জালের স্বাধীনতায় বিশ্বাস বেড়েছে তবু। আহা জাল সে যে ঘিরে আছে অদৃশ্যমানতা নিয়ে।
স্বাধীনতা শব্দখানা আমাদের জীবনে কিরূপে এসেছিলো সেই স্মৃতিময়তায় ডুবে গেলে দেখি, স্বাধীনতা মানে যুদ্ধের হাতছানি, স্বাধীনতা মানে পরাজিতের ক্রন্দন, স্বাধীনতা মানে অনেক কিছু হারিয়ে খানিক আবেগী অনুভবে ডুবে থাকা।
আর তাই অন্তর্জাল কিম্বা আন্তঃজালে অনেক একক হয়ে উঠি এই বেলা। স্বপ্নের খেলায় যেমন ছিলো নৈরাজ্যের বসতি তারেই এবার দেখেছি শব্দে শব্দে দৃশ্যমান হতে। শব্দে শব্দেই এসেছে অন্যত্রের রূপরেখা।
দুই.
যদিও পথভ্রান্ত বললাম কিন্তু ভ্রান্তিরেই যখন ভালোবেসেছি, তখন তারে কি আর ভুল পথ বলা চলে...ঐ পথের চাকচিক্যেই সপিলাম দেহ-মন-প্রাণ।
তিন.
কেবল তখনি মনে হয় খানিক বিভ্রান্ত হয়ে পড়ি, যখন বাস্তবতারে স্বপ্নের সাথে মিলাইতে চেয়েছি...ভুলে যাই অন্তর্জালে কিম্বা আন্তঃজালে যে জগত তার সাথে প্রকৃতির কোন মিল নাই...





স্বাধীনতা শব্দখানা আমাদের জীবনে কিরূপে এসেছিলো সেই স্মৃতিময়তায়
ডুবে গেলে দেখি, স্বাধীনতা মানে যুদ্ধের হাতছানি, স্বাধীনতা মানে পরাজিতের
ক্রন্দন, স্বাধীনতা মানে অনেক কিছু হারিয়ে খানিক আবেগী
অনুভবে ডুবে থাকা।-- এত গেল রাষ্ট্রের স্বাধিনতা, ব্যাক্তিগত জীবনে স্বাধীনতা টা আসলে কি?
মিল তো নাই ই, ভার্চুয়াল মানুষগুলো রিয়েল মানুষ থেকে বেশ আলাদা।
অট:যায়গায় বোল্ড করাদেখে স্কুলের পাঠ্যবই এর কথা মনে পরলো, গুরুত্বপূর্ণ লাইন গুলা মার্কার দিয়া মার্ক করা থাকতো
ব্যক্তির কাছে স্বাধীনতা কি এই প্রশ্ন থেইকাই আমার মনে হইছে স্বাধীনতা শব্দ আমাগো কাছে অনেকটাই রাজনৈতিক সিগনিফিকেন্সে আসে। কারণ এর বাইরে যেইসব রূপক কবিরা বা সাহিত্যিকেরা ব্যবহার করছে বা করে সেইগুলিরে আমার খুব ভেইগ লাগে। যেরম পাখির মতোন স্বাধীনতা...আকাশের মতোন, বাতোন স্বাধীনতা...মানুষের স্বাধীনতারে এইসব স্বাধীনতারে মিলানোটা কঠিন। বরং বাঙালি প্রাণে স্বাধীনতা প্রথমে আসে যুদ্ধের অবয়বেই, ঐটা বরং অনেক মূর্ত। এরপর বাকীগুলিও আসে বা আসে না...তবু পরাজিতের আষ্ফালন বা ক্রন্দনরে এক্কেরেই ফালাইয়া দেওন যায় না।
ভার্চুয়াল মানুষের লগে বাস্তব মানুষের মিল নাই হয়তো...কিন্তু অনেকসময় দেখছি যে বাস্তবের চাইতে ভার্চুয়াল মানুষ বেশি আকাঙ্খিত হইয়া উঠে...
আর এই ছোট বড় করনের বিষয়টা একটু ব্যক্তিগত এমফ্যাসাইজের লেইগা করছি...ঠিক ধরছেন ঐ ছোটবেলার মার্কার পেনের দাঁগ দেওনের মতোই...
আজকেরটা একটা পুরা কবিতা।
কি জানি আমিতো সেই ডাইরীই লিখলাম...
"ভুলে যাই অন্তর্জালে কিম্বা আন্তঃজালে যে জগত তার সাথে প্রকৃতির কোন মিল নাই"
লাইনটা হেব্বি লাগছে।
ডাইরীতে যথারীতি ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম।
ধন্যবাদ...
শুধু জলজ না, আমরা জালজ পরাণও।
ডাইরীর প্রতি পর্বেই সেই একই বিস্ময়: কেম্নে লেখেন এম্নে!
পাঠক যে আসলে দ্বিতীয় লেখক হয় আর রচয়িতার মৃত্যু ঘটে সেইটা কিন্তু মন্তব্যে পরিষ্কার। ধন্যবাদ নুশেরা।
অন্য সময়ে অন্য উত্তর দিতাম...কিন্তু এই লেখাটা আমার একদম প্রাণ থেইকা লিখা। যা কিছু খারাপ, যা কিছু ভালো সব আমার অন্তর উৎসারিত।
প্রতিটা লাইন জুইড়া শুধু ভালো লাগা। বেশি জোস।
ধন্যবাদ রাকিব...
স্বাধীনতা শব্দখানা আমাদের জীবনে কিরূপে এসেছিলো সেই স্মৃতিময়তায়
ডুবে গেলে দেখি, স্বাধীনতা মানে যুদ্ধের হাতছানি, স্বাধীনতা মানে পরাজিতের
ক্রন্দন, স্বাধীনতা মানে অনেক কিছু হারিয়ে খানিক আবেগী
অনুভবে ডুবে থাকা।
ছুয়ে গেলো এজায়গাটুকু
মন্তব্য করুন