ডাইরী ৬৯
এক.
পুরো একটা দিবস হয় সিনেমার...ঘুম ভাঙতেই সিনেমা, দুপুরে খেয়েছি সিনেমার সংলাপের সাথে ভাত-মাছ। বৈকালিক ভ্রমণেও ছিলো সিনেমার জগিং শু...আর রাতের আঁধারে সিনেমা আলোক বর্তীকার মতো ধরা দেয়।
যদিও রুচীর ভিন্নতায় থাকে মন ও মেজাজ। বেলা করে আসে অ্যাকশন আর প্রতিশোধ। দুপুর পেরিয়ে বিকেলের রোদে ডার্ক হিউমার...আর আঁধারের সাথে গাটছড়া বেধে ফেলে বিল গেট্স আর স্টিভ জব্স।
সিনেমার মৌসুমে আমার একেলা পরান থাকেনি কখনো...বহুকাল পর আমি একা একাই গিলেছি সিনেমার দ্রাক্ষারস...
দুই.
আমেরিকানরা জাতি হিসাবে যেনোবা কোন রাষ্ট্রের নয়। তাদের চওরা কাঁধে বর্তায় বিশ্বের সকল মানুষ আর প্রাণী জগতের দায়ভার। আর তাই নতুন সিনেমা হয়। তাদের অস্কার হয়, সিনেমাপ্রেমী সব মানুষের রুচীর সমান পুরস্কার।
আহা অস্কার তাহারে জানি ব্যবসার হাতিয়ার...যা কখনো আর বদলায় নাই নিজের স্বরূপ...
তিন.
শখ ছিলো বিশাল রুপালী পর্দার সমুখে বসে একবার তুমি আর আমি দেখবো চিক ফ্লিক...সেই সব শখ আজ ফিক ফিক করে হাসে, অন্তরালে...





আপনের সিনেমা বানানির খবর কী?
অস্কার বিষয়ক ভাবনারে লাইক করলাম
সিনেমা বানানির পরিকল্পণা ভালোমতো চলতাছে...আগামী বছর শুরু করবার পারুম সুনিশ্চিত...
আপনার সিনেমার অপেক্ষায় ...
ঠিকাছে
আপনের সিনেমা দেখার অপেক্ষায় রৈলাম
এইবার অস্কার নমিনেশন পুরা অখাদ্য। পুরা হতাস।
এখন থেইকা অস্কার এইরমই হইবো বইলা আমার ধারণা...মার্কিনীরা তাগো নতুন জাতের genre চালু করতেছে...hollywood new। যদিও এইটা আমার এক সিনেমা ভাবুক বন্ধুর দেওয়া জার্গন, স্বীকৃত হয় নাই এখনো। ঐটার বিশ্লেষণ দাঁড় করাইছি আমি
। আমেরিকানরা যে এখন বহুজাতিক, তারা যে আর কোন রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধ না সেইটা প্রমাণে তারা এখন বদ্ধ পরিকর। তাই সব ছবিতেই দেখবেন এখন আমেরিকানরা কেবল অন্যগো লেইগা প্রাণ দিতেই থাকে...তয় যেই ছবি দেইখা মনটা ভালো লাগলো সেইটা coen brothersগো অনুসরণে বানাইছে জর্জ ক্লুনির পয়সায়...The men who stare at goats, এইটা দেখতে পারেন নির্দ্বিধায়...মজা পাইবেন।
ভাস্করদা কি সর্ট ফিল্ম বানাচ্ছেন না পূর্ণদৈর্ঘ চলচ্চিত্র?
যে লোক ছাগলের দিকে চাইয়া থাকে দেখার শখ আছে
কোনটা দেখেছিলেন বস, দি হার্ট লকার না এ্যলিস ইন ওয়ান্ডার ল্যান্ড ?
আমি হার্ট লকার দেখছিলাম...এ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড এখনো দেখা হয় নাই...তয় এক জ্ঞানী বন্ধুর মতামত শুইনা আজকে ঐটা দেখনের সিদ্ধান্ত নিছি...
মন্তব্য করুন