ডাইরী ৮৭
এক.
নিজেরে আরশোলা ভেবে উড়িয়ে দিয়েছি, অস্থিরতায় উড়েছে সে দিনের পুরোটা। আর তক্কে তক্কে থাকি রাতভর, আন্ধারে সজীব হবো বলে। সভ্যতারে পিঠে নিয়ে আরশোলার মতো আমিও হয়েছি ইতিহাস।
আহা স্মৃতিময় মানুষেরা বোধয় এমনি বাঁচে...
দুই.
তুমি আরশোলারে ভয় পাবে জেনে আমি মুখোশে ঢেকেছি মুখ। এ যেনোবা মেটা-মেটামরফোসিস। বহুবিধ জানাজানি ঘটে যায় এইবেলা।
মনে মনে স্বগতঃ নিজেরে কথা দেই,
তুমি ফিরে এলে আবারো মানুষ হবো।
তিন.
কারা কারা খেলতে যাবে পানি খেলা? হাত উচু করে ক্লাসের সকলে। এমনকি আমিও। স্মৃতিরে ভাসানো গেলে জলে, হয়তোবা সুস্থির হওয়া যায়।
এমন নিরীক্ষাময় জীবনেরে বড়ো
বোরিং লেগেছে আজীবন...





ঘরের চারপাশে আরশোলা আর তেলাপোকা আমারে সঙ্গ দেয়- এইরাম একটা দৃশ্যকল্প নিয়া কলেজে থাক্তে একটা কোবতে লিখছিলাম বৈলা মনে পড়ে। বান্ধবীরা পৈড়া নাক সিঁটকাইছে। তাই আর এই লাইনে আগাই নাই। কোবতেটাও সংগ্রহে নাই।
ঐ লাইনে না আগাইয়া লাভ হইছিলো কোন?
মাকরশা নাই ?
না...
পড়লাম। আপনার ডাইরী পড়া অভ্যাস হয়ে গেছে।
ধন্যবাদ মাসুম ভাই...আমার অভ্যাস হইয়া গেছিলো রাইত বারটার পর লিখনের...সাইকায়াট্রিস্টের কথা মতোন ঘুমের অষুধ খাওন শুরু করলাম বইলা আইজকা একটু আগেই পাতা ভরাইলাম...
জটিল
আপনেরে আর কি ধন্যবাদ দিমু...আপনেগো উৎসাহেই তো লিখি।
সুন্দর
ধন্যবাদ...
এমন নিরীক্ষাময় জীবনেরে বড়ো
বোরিং লেগেছে আজীবন..
কি আর করা, আমারো লাগে .........।
হুমম...
হুমমম
অফলাইনে ডাইরী পড়ে যাই নিয়মিত।
ধন্যবাদ...
লগিন না করলেও যেই কয়টা লেখা নয়মিত পড়ি তার মইধ্যে আপনার ডাইরী অন্যতম
যথারীতি ভালোলাগা রেখে গেলাম 
ছুডু ছুডু সব টুকরো কথা।
আরশোলা আপনার ওপর ভালো প্রভাব ফেলছে দেখা যায়
মন্তব্য করুন