ইউজার লগইন

আহসান হাবীব'এর ব্লগ

চ তুমি কত ভাগ্যবান(প্রথম পর্ব)

তখন ক্লাস সেভেন/এইটে পড়ি। রাত এগারটার আগে ঘুমুতে যাওয়া হতো খুব কমই। পড়াশুনার জন্য রাত জাগা তা বলা যাবে না, ফিফটি ফিফটি বলা যাবে। তখন বিনোদনের মাধ্যম রেডিও, প্রতিদিন রাত দশটায় কোন না কোন কেন্দ্র থেকে অনুরোধের আসর হতো। আমাদের ঠাকুর গাও থেকে আকাশবানী কলকাতা খুব সুন্দর শোনা যেত। বুধবারে আকাশবাণী থেকে হতো আধুনিক গানের অনুরোধের আসর।
ওগো বৃষ্টি তুমি চোখের পাতায় ছুয়ো না,
অথবা তোমার আকাশ দুটি চোখে আমি হয়ে গেছি তারা

চুপি চুপি ঘাড় আজা

তুমিও মিথ্যে বলতে পার বুঝিনি কখনও
এমন মিথ্যে বলায় দুঃখ নেই আরও বল আরও
বিষন্ন বাউন্ডুলে তুমি আবোল তাবোল-১৬ লিখে
সকাল সকাল মনটাই দিলে ভরে।
তোমার লেখার রূপ রস গন্ধে
আমরা বন্ধু আছি সতেজতায় ভরে।
তুমি এত লেখ, এত ভাল লেখ
তবু বল কিছু লেখ নাই
একি ব্লগের প্রতি ভালবাসা
নাকি মনুষ্য স্বভাব চাই-চাই-আরও চাই।
চুপি-চুপি ঘাড় আজা-ঘাড় আজা
এ দো গানা নেহী শুনা কাভি
কুছ বাত নেহী, পড়কে দিল ভর গিয়া আভি।
দুঃখের সারথি বন্ধুদের চেনালে তুমি
নতুন অবয়বে।
হায়েনার দল যতই বড় হউক,
মানুষ মনুষ্যত্ব সর্বদাই রবে।
আমি গ্রীন, আমি নতুন তাই ভেবেছিনু
কেউ কাউকে নাহি চেনে।
আমরা বন্ধুর বন্ধুত্বের গভীরতা অনেক
যদিও টোকাই ননসেন্স হাবীব এল এক্ষনে।
তুমি জানালে কত আপু ভাইয়্যার কথা
কে আছে কোথায় বা কি করে।
সাঈদ ভাইয়ের বিলাসী শেষ, তানবীরা (আপু) সিসিমপুরে।
০১/০৭/২০১৩

কেন মেঘ আসে হৃদয়ও আকাশে( পর্ব-২)

ভাই সাপের খেলা, দেখবেন আসেন, আছে গোখড়া, পদ্মিনী, শঙ্খিনী, দারাজ, আরও অনেক অনেক সাপ। এই সব বিষধর, কাল নাগিনীর সাথে খেলা করবে আমার কাল নাগিনী, আমার সঙ্গিনী, আমার পিয়ারি, কমলা বেগম। তাই আসেন, সময় গেলে আর দেখতে পারবেন না। সুযোগ হেলায় হারাবেন না। সকাল ১০টা কি সাড়ে ১০টা, বাজারের বাঁশের হাট বসার ফাঁকা জায়গায় সাপের খেলা দেখানোর জন্য সাপুড়ে মিয়া/বিবির(বদি ও কমলা) দল সাপ খেলা দেখানোর জন্য হাক ডাক ছাড়ছে। ইতিমধ্যে লোকজনের ভীড় অনেক জমে উঠছে। কাজলের বোন ঢাকা থেকে এসেছে। সব বোন গুলো অপরূপ সুন্দরী এবং ভাল জায়গায় বিয়ে হয়ছে। বংশীয় পরিবার। এক ভাগ্নিকে সাথে করে মাছ, মাংসসহ অনেক বাজার করে মোটর সাইকেলে বাসায় ফিরছিল। কোলাহল ও গোলাকৃতির জটলা দেখে, কাজল ভোঁ ভোঁ করে চলা মোটর সাইকেল খানা গ্যাচ করে ব্রেক করে অকুস্থলে থামাল। যারা অকুস্থলে উপস্থিত তাদের সকলেরই প্রায় পরিচিত , তাই সন্মান বা ভয় যাই বলেন, অনেকে সরে গিয়ে জায়গা করে দিল। মটর সাইকেলে বসেই দেখল,সাপুরে স্বভাব সুলভ বগর বগড় করে যাচ্ছে।
ও সাপের খেলা।
আচ্ছা আইতাছি।

জেবীন আপুর বন্ধুর কবিতার বই" মুড়ি"

আফনের বন্ধু আবু বরকতের জন্মদিন
আফনের মাজেজায় চিনিনু তিনাক যিনি ছিল অচিন।
আফনের বন্ধু তাই মোরও বন্ধু,
কি দিব উপহার বল
সুদুর হিমালয় হতে তুলে আনা নাম জান কিছু ফুল
টেকনাফের ঝর্না হতে এক ঘটি জল।
আর কি দিব বল।
আমরা বন্ধু, আমরা শক্তি আমরাই সবার বল।
তোমার বন্ধুর,
কবিতার বইখানি প্রকাশিত নাম দিয়েছেন মুড়ি
তারুন্যে ভরা অবভব খানি, ঠোটে আঁটা বিড়ি।
তোমার লেখায়,
বন্ধু পরিবারের সকল অনুভুতি তুলেছ মুড়ি মুড়ি
কেমন বন্ধন বল, কেহ কাকেও ছাড়িতে না পারি।
কেহ কাউকে নাহি চিনি ব্লগের পাতার বাহিরে
তবু যেন মনে হয় চিনি তোমায় হাজার বছর ধরে।
যা শিখিনি ক্লাসে, যা শিখিনি মাঠে শিখেছি তা হেথায়।
এমনিই এক পাঠ্য শালা বিনে পয়সায় শিখায়।
বই না কিনেও বই পড়ার সাধ মিটে হেথা।
শান্ত টুটুল, টোকাই তানবীরা বলছি সবার কথা।
যখন তুমি আমি বুড়া বুড়ি হাতে নিব বই “মুড়ি”
নাতি নাতনি বলবে দাদু কবিতা কেন মুড়ি।
আমারও কথা, বক্কর ভাই, নাম কেন দিলে মুড়ি।
প্রথম পরিচয়েই দিলাম একখান ছোট্ট প্রশ্ন ছুড়ি।
৩০/০৬/২০১৩

টুটুল ভাই, লিনা আপু ও আহমদ মোস্তফা কামাল ভাই এর জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ লাভ। (শেষ পর্ব)

কথায় কথা বাড়ে। আহমদ মোস্তফা কামাল ভাইয়ের পুরস্কার লাভ, আমার বউডার বদলীর অর্ডার দুটি খবর ঘণ্টা দুইয়েকের ব্যবধানে আসে। প্রথম খবরটি দিল টুটুল ভাইয়া, সাথে লীনা আপুর দীর্ঘ রিভিউ আমাকে এই লেখার রসদ ও বাল্যস্মৃতি রোমন্থনের উপহার হিসেবে এনে দেয়। যার সাথে যুক্ত হয় প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসংগিক অনেক কিছু। আমার বধূটি এতদিন আমার কাছ থেকে দুরে থাকায় প্রিয় বন্ধুদের প্রিয় পিঞ্চিং আমাকে কি পরিমাণ আদর আপ্যায়ন করছে তার কিছুটা ধারনা হয়ত দিতে পেরেছি। এটাই ছিল আমার প্রথম পর্বে প্রতিশ্রুত গল্প বলার বিষয়। কিন্তু প্রথম পর্বে অনেক মন্তব্য পেয়েছি যার উত্তর আমি দিয়েছি কিন্তু শাশ্বত স্বপন ভাইয়ের একটি প্রশ্ন ছিল, ভাবিকে আপনি অনেক ভালবাসেন? তার উত্তরটা এখানে দেবার চেষ্টা করছি। প্রশ্নটা অতি ছোট হলেও আমার কাছে তার গুরুত্ব অনেক। মন্তব্যের ঘরে দিলে হয়ত তা আমার ব্যক্তিগত ব্লগে থাকবে না।

টুটুল ভাই, লিনা আপু ও আহমদ মোস্তফা কামাল ভাই এর জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ লাভ। (পর্ব-২)

আমার লেখার প্রথম সমজদার হইলো আমার ক্লাসের বন্ধুরা। ছাত্র জীবনে যা লেখতাম তা কিছু বন্ধুর মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন কমন ই-মেইলের কল্যাণে সাড়া দুনিয়াতে রুয়েটের সকল বন্ধু, বড় ও ছোট ভাইয়েরা ছাড়াও আরও কয়েকটি গ্রুপ মেইল ও ব্লগের বন্ধুরা পড়ে।আমি বাহরাইনে অবস্থান কালীন কিছু লেখা ইংরেজীতে লিখি। তার কারন দুটি, প্রথমত তখন সেখানে কি বোর্ডে বাংলা ফন্ট না থাকা এবং আমি বাংলা টাইপে পারদর্শী না হওয়া, দ্বিতীয়ত ইউ এস নেভীর ভিতর আরবী ও ইংরেজী ছাড়া অন্য ভাষায় লেখা নিষিদ্ধ হওয়া। যদিও হিন্দি বাংলাসহ যে কোন ভাষায় কথা বলা যেত। আমার রুমমেট ও একই কম্পানির সহকর্মীদের মাধ্যমে কিছুটা পরিচিতি পেলে, আমার ইন্ডিয়ান, ফিলিপিনো, পাকিস্তানি, বাহরাইনই কলিগ ও কয়েকজন আমেরিকান বন্ধু আমার লেখা পড়ত। আর লেখায় উৎসাহ দেবার জন্য ছিল বাংলাদেশ স্কুলের সন্মানিত সভাপতি ও আল আহলী ব্যাংকে কর্মরত জনাব শাফখাত আনোয়ার, ভাবি আর আমার বাংগালী সহকর্মীরা। দুই তিনটা অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা আবৃতি করার পর একটা পরিচিতি চলে আসে। অন্য দেশের অবস্থা জানিনা তবে বাহরাইনে ১৬ই ডিসেম্বর, ২৬সে মার্চ, ২১ সে ফেব্রুয়ারী ঈদে মিলাদুন্নবী, শবে

তোমার জন্ম দিনে(সুফিয়া কামাল)

তোমার জন্ম দিনে কি দিব তোমে
উপহার
আজ তুমি সকল কিছুর উর্ধে
কোন কিছুর নেই দরকার।
তুমি তো নেবার মত কেউ নয়
দিয়ে গেছ জীবন ভর
ঘোর অন্ধকারে প্রদীপটি জ্বেলে
চলে গেলে আপন ঘর।
সে ঘরে আলো আছে কি না
জানি নাতো দয়াময়
সন্তানের দোয়া বৃথা নাহি যায়
দোয়া মাঙ্গি, মায়ের ঘরখানি কর আলোকময়।

টুটুল ভাই, লিনা আপু ও আহমদ মোস্তফা কামাল ভাই এর জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ লাভ। (পর্ব-১)

আমরা বন্ধু ব্লগে সদস্য হবার জন্য যখন নিবন্ধন করি আমাকে বলা হয় আপনাকে কিছুদিন পর্যবেক্ষন করা হবে তারপর আপনার লেখা প্রকাশ করার মত হলে আপনাকে সদস্য করা হবে। তবে এতে হতাশ হবার কিছু নেই আপনি বিভিন্ন লেখকের লেখায় মন্তব্য করতে পারবেন। আমার/আপনার এক একটা মন্তব্যও অনেক মুল্যবান। এভাবে ব্লগকে মাতিয়ে রাখুন। একদিন হয়ত আপনার সদস্য হবার দ্বার উন্মোচন হবে। আমাকে খুব বেশীদিন অপেক্ষা করতে হয়নি কিছদিনের মধ্যেই আমি সদস্য পদ প্রাপ্তির সনদ পেয়ে যাই।
এর আগেও আমি ফেবুসহ কয়েকটি কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমে লিখতাম। আমি প্রকৌশলীদের কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমেও লিখি। তবে আমরা বন্ধু ব্লগে আসার পর আমার যা মনে হচ্ছে তা ছোট সময় আমার এক রশিক দুলাভাই এর একটি কথা মনে করিয়ে দেয়।
এই শালা ক্লাসে তোর রোল নম্বর কত রে?
এক।
তোর ক্লাসে ছাত্র কজন,
দুজন। ও আচ্ছা।
আর একজনকে একই প্রশ্ন করলে ,সে উত্তর দিল আমার ক্লাসে ছাত্র সংখ্যা ১৫০ আর আমার রোল ০৫। ও আচ্ছা।

“কিছিকো কইবো নাকো ,স্বপ্নে দেখিলে......।।"

দুটি গপ্ল বলি,
প্রথমে যে গল্পটি বলব তা অনেক ক বছর আগে ১০০বিখ্যাত ব্যক্তির জীবনী গ্রন্থের একটি কাহিনী তাই ঘটনায় বর্নিত বুজুর্গ গনের নাম মনে নেই। তবে কাহিনীটি পুড়োপুড়ি মনে আছে।
ঘটনাটি এরকম,
প্রত্যেক এলাকা বা সমাজে বখে যাওয়া এমন দু একজন ছেলেপেলে থাকে যারা উঠতি বয়সে এহেন খারাপ কাজ নেই যা করে না। ইরাকের বাগদাদে ঠিক এমনিই একটি ছেলে ছিল। সকলেই তাকে এড়িয়ে চলত। মেয়েদের তো কথাই নেই। একদিন তার কি মনে হলো সে আছরের নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে মসজিদে প্রবেশ করল। অজুখানায় প্রবেশ করে অজু করছিল। বলা বাহুল্য, অজুখানার কিছু অংশ উচু জায়গায় এবং কিছু অংশ নিচু জায়গায় অবস্থিত ছিল। সে উচু জায়গায় বসে অজু করছিল। এমন সময় তখনকার বিখ্যাত বুজুর্গ আধ্যাতিক সাধক(সম্ভবত হাসান বসরী রঃ) মসজিদে প্রবেশ করে নিচু জায়গায় অজু করতে বসলেন। উচু জায়গায় বসে যে ছেলেটি অজু করছিল তার ব্যাপারটা পছন্দনীয় হয়নি। সে ভাবল এত বড় বুজুর্গ নীচে অজু করবে আর আমি উচু জায়গায় বসে অজু করবো এটা হয়না, সে যথারীতি উচুস্থান থেকে নীচুস্থানে নেমে অজু করে নামাজ পড়ল। কয়েকদিন পড় ছেলেটি মারা গেল।

কেন মেঘ আসে হৃদয়ও আকাশে

আমি যখন বাইরাইন প্রবাসী তখন ওখানকার পরিবেশ,ধর্মীয় বিষয়ে (বিভিন্ন ধর্ম)পড়াশুনা, বড় ভাইয়ের মৃত্যু মানষিক ভাবে আমাকে ভীষণ দুর্বল করে তোলে। আমি নিয়মিত ধর্ম পালন ও পারলৌকিক বিষয় নিয়ে অনেক চিন্তা ভাবনা করতে লাগলাম। এ ভাবনা চিন্তার মাত্রা এক সময় এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে আমার মানষিক অশান্তির কারণ হয়ে দাড়ায়। আমার কাছে পৃথিবীর যাবতীয় বিষয় অতি তুচ্ছ মনে হতে লাগল। নিছক এ পৃথিবী, আর এর জন্য এত কষ্ট। তারপরও পরকালে যে শাস্তির বর্ননা দেয়া আছে সে সব চিন্তায় কিছুই ভাল লাগছিল না। আমি তখন আমাদের কোম্পানির ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ারিং হায়দ্রাবাদী বুজুর্গ খান সাহেবের সাথে কথা বলি। সময়টা ছিল এশার নামাজের পর। খান সাহেব কিছুক্ষন চুপ করে থেকে আমাকে নিয়ে আবার মসজিদে প্রবেশ করলেন। এটা কোম্পানির অফিসারদের থাকার জন্য বাসস্থান ও অফিস সংলগ্ন মসজিদ। তিনি আমাকে সুরা জুমার ১০ নম্বর আয়াত পড়তে দিলেন এবং ইংরেজীতে যে অর্থ লেখা আছে তা পড়তে বললেন।
৬২:১০ ফাইযা কুদিয়াতিছ্‌ ছালাতু ফান্‌তাশিরূ ফিল্‌ আর্‌দ্বি ওয়াব তাগূ মিন্‌ ফাদ্বলিল্লাহ।

অবকাশ যাপন কর

তিনিই সে আল্লাহ্‌
যিনি চিরঞ্জিব ও চিরস্থায়ী
যার ঘুমতো দুরে থাক তন্দ্রা ও
কখনো স্পর্শ করে না।
আকাশ ও জমিনে নেই কেহ
তাঁর সমকক্ষ
নেই কেহ সুপারীশ কারি তার
অনুমতি ব্যতিত।
জানা আছে তাঁর দৃষ্টির সামনে ও পিছনে।
কেহ পারে না বিন্দু মাত্র জ্ঞান অর্জন করতে
তাঁর অনুমতি ব্যতিত।
তাঁর সিংহাসন আকাশ ও জমিন বেষ্টন করে আছে
তাই সমস্ত কিছুর রক্ষনাবেক্ষন করা তাঁর পক্ষে
মোটেই কঠিন কিছু নয়।

তাইতো তিনি বলেন...
আমি যাকে খুশি রাজ্য দান করি
যার কাছ থেকে ইচ্ছা তা হরণ করি।
যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান করি
যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি করি
আমার হাতেই রয়েছে সকল ক্ষমতা
আমি সমস্ত কিছুর উপার ক্ষমতাবান।
আমি দিনকে রাতের ভিতর আর
রাতকে দিনের ভিতর প্রবেশ করাই।
আমি মৃত হতে জীবিতকে বের করে আনি
আর জীবিতকে করি মৃত।
আমি দুই নদী ও সমুদ্রকে পাশাপাশি
প্রবাহিত করি
কিন্তু কেউ কারও সীমা করে না অতিক্রম
তাই তো তোমরা পাও নদীর সুপেয় পানি
যখন সাগরের পানিকে পাও লবণাক্ত।

আমি সপ্ত আকাশকে স্তরে স্তরে স্থাপন করেছি
সর্বনিম্ন আকাশকে করেছি প্রদীপমালা দ্বারা
সুসজ্জিত।
আমি চন্দ্র সূর্য গ্রহ নক্ষত্রকে

শাশ্বত স্বপন ভাই ও অনামিকা

স্বপন ভাইয়া, এটাই মনে হয়, আপনার লেখা প্রথম কোন পোষ্ট পড়ছি। প্রথম দিনেই এত কষ্টে ভরা পোষ্ট উপহার দিলেন!

নিবে কি তোমাদের সাথে

আরাফাত প্রতি বছর বক্ষে ধারন করে
লাখ লাখ একত্ব বাদীকে লাব্বায়িক লাব্বায়িক ধ্বনিসহ
কি পেয়েছে না পেয়েছে যার হিসেব সে করবে
ফিরে আসে অন্তরে বিশ্বাস ধারন করে।
কেউ মানি বা না মানি এতো সত্য
যেমন আমি আস্তিক আমি নাস্তিক আমি মানুষ সত্য।
মোদের শান্ত শিষ্ট আরাফাত, সাগর সম বক্ষ নিয়ে
সকলের দুঃখে দুঃখি সকলের সুখে সুখি।
প্রতিদিন সবাইকে সচল রাখে
রোজ নামচা বা লিখে দিনলিপি।
অকিঞ্চন তব আস্ফালন কেন হবে বৃথা?
তব আস্ফালন অকিঞ্চন নয়, পাহারসম
তাই সজল নয়ন নিভৃত স্বপ্নচারীর
পিতৃবিরহে মম অন্তর ফালি ফালি হয় হেথা।
টুটুলের চোখ ধাঁধানো হিরন্ময় অবয়ব
শওকত মাসুমের নিচ্ছিদ্র, চিন্তক লেখা সব,
তানবীরা আপু , জেবিন, রন্টি , বিষন্ন বাউন্ডুলে
আজ পেলাম ফিরে আসা পুরাতন অমিত মানুষ
আমরা একটি পরিবার একটি বাগান ভরা ফলে ফুলে
আমরা হেথা উপভোগ করি সর্বদা ফাগুন পৌষ।
টোকাই, মন খারাপ ভেবেছ তুমি গিয়েছ টুটে
নারে বন্ধু না, তবে শান্তর সাথে ঢাকার অলি গলি কে বেড়াবে ছুটে।
আরও কতজন আছে মুই না জান সবার নাম ঠিকানা
নিজ গুনে তাই করিবেন এই অধমক ক্ষমা।
আমরা সবাই সাধারন, সবাই বাংগালী, বাঁচি মাছে ভাতে।

বুয়েটের বাপ(পর্ব-শেষ )

সকল দিনে যেমন ঝক ঝকে সূর্য কিরন থাকে না বা সব রাত্রি যেমন পূর্নিমার আলোয় ভাসিয়ে নেয় না তেমনি সকল প্রেমের উপাখ্যানও সফলতা লাভ করে না। আবার কারও হয়তবা হতে হতেও হয় না। সকল ফুলে ফল হয়না, সকল গাছেও ফল ধরে না। যাক এ নিয়ে কত বিরহের গান কবিতা গল্প আছে আমার আর এ বিষয়ে কিছু না বললেও সবাই জানি,

পথ হারা পাখি কেঁদে ফিরে একা
আমার জীবন শুধু আধারে ঢাকা।(নজরুল)
অথবা
কাঁদালে তুমি মোরে ভালবাসারই ঘায়ে
কাঁদালে তুমি মোরে।
নিবিরও বেদনাতে পুলকও লাগে গায়ে।
কাঁদালে তুমি মোরে।(রবি)

চিঠিও নাই ঠিকানাও নাই
কোথাই খুজি তারে
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে
ভিখারী করিল মোরে।
সে যে ভিখারী করিল মোরে।

আমার কল কল ছল ছল ডল ডল যৌবনে
কিসের বান মারিল সে যে বুঝতে নারি ক্ষণে
কিসের ব্যথা কিসের জ্বালা বুজিতে না পারি
ডাক্তার বৈদ্যের সাধ্য কি যে আমায় ভাল করে।
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে
ভিখারী করিল মোরে।

পড়ার টেবিল কাটার বাগান ঢুকতে গেলেই হানে,
যাকে যায় না ধরা যায় না ছোয়া সেই আমাকে টানে।
কোথায় যাব কি করিব বুঝতে নাহি পারি।
অকালে বুঝি যায় যে জীবন ভালবেসে তোমারে
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে

পরীক্ষার নাই শেষ( শনিবার থেকে জুনাঈদের পরীক্ষা। ও আপনাদের সকলের দোয়া চেয়েছে)

পরীক্ষার হল
নেই কোলাহল
কাগজের খসখস
কলমের ঠকঠক
মনের আছে বল
পরীক্ষার হল।

কারো হাত খাতায়
কারো হাত মাথায়
কারো লেখা ভালো
কারো লেখা মন্দ
কারও লেখা ধীরে
কারো লেখা জোরে
তবু লিখতেই হবে
লেখা নেই বন্দ।

টিচারের তেজ
খাতার পেজ
পরীক্ষার হলে নাই
কোনো কিছুর শেষ
ঘণ্টা যখন পড়ে যায়
সবার লেখা থেমে যায়
খাতায় তো থাকবেই ভুলের লেশ
জীবনে তো নাই পরীক্ষার শেষ
১৩/০৬/২০১৩ খ্রীঃ