ইউজার লগইন

আহসান হাবীব'এর ব্লগ

বিষন্ন বাঊন্ডুলে,

এ ধরার বুকে
কেঊ নয়
শুধু লাকি বা আনলাকি
দুঃখ যদি না থাকত
সুখ কি হত এত মধুময়
সুখ দুঃখ সবই যে আপেক্ষিক
সবই যে সময়ের সাথে সম্পর্কিত।

তুমি কি দেখনি
সাভারের ধ্বংস স্তূপ হতে উদ্ধার পাওয়া
সেই তরণটির ঊল্লাস
যেন সে বিশ্বজয়ী আলেকজান্ডার
বা তার চেয়েও বেশি কিছু
তার ঊল্লাসে ঊল্লসিত সাড়া জাতি
সাড়া পৃথিবী।
পরের দৃশ্যে সাহিনা
চাইনা তার পুনারাভিত্তি।

পকেটে লক্ষ টাকা সম দিনার
কোম্পানির দেয়া দামি গাড়ি
সাই সাই ঘুড়ে বেড়াই দল বেঁধে
কত দামি হোটেল,খাই,মজা করি।

একা হলেই চেপে ধরে নষ্টালজিয়া
সন্তানের কচি মুখ
প্রেয়সীর আদর, সুখ
ক্ষনিকে ক্ষত বিক্ষত হৃদয়
যেন ভিখিরি সম।
ছুটির দিনে পড়ন্ত বিকেলে
সমুদ্র তীরবর্তী অত্যাধুনিক পার্ক
একাকী বিষন্ন বাঊন্ডূলের
মত কত ঘুরে বেড়িয়েছি
আর সান বাঁধানো সমুদ্রতীরে বসে
পলকহীন দৃষ্টিতে,
তাকিয়েছে দৃষ্টির বাইরে।
আমার দৃষ্টি আমার কাছেই
ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে এসেছে ফিরে।
কপর্দক হীন হয়ে।।
আমি যখন কপর্দহীন
তখন নিভৃত স্বপ্নচারী।

যখন আমি বৃত্তশালী
দামী বাড়ি দামী গাড়ি,
প্রভাবশালী অনেকে বলে
তখন আমি ,
বিষণ্ণ বাঊন্ডুলে।

নিভৃত স্বপ্নচারী-২

পড়ন্ত বিকেল,
দিগন্তে প্রসারিত খোলা মাঠ
সমুখে তাকাই,রৌদ্রকর রৌদ্রহীন হয়ে
কোথায় যেন হাঁড়িয়ে যাচ্ছে।

অথবা শরতের শেষ বিকেল
মেঘহীন ঊত্তরাকাশে তাকিয়ে
ঊদ্ধত শিরে দন্ডায়মান হিমালয়ে
ধাক্কা খাওয়া শ্বেত শুভ্র মেঘ
দেখতাম,
আর হাজারও রকম ভাবনা
মস্তিষ্কে কিলবিল, কিলবিল করত
কিন্তু বর্ণের চ্ছটায় কখনও তা
স্থান পায়নি কাগজে।
কিন্তু মনটা যে হতো নিস্কুলুষ
সেই সে শ্বেত শুভ্র মেঘের মত।

যেদিন থেকে শহুরে মানুষ
সুঊচ্চ দালান কোঠার ভীরে
হাঁড়িয়ে ফেলেছি সব।
তাই এত টাকা কড়ির মাঝেও
মনটা হয়না কখনোও
শ্বেত শুভ্র নিস্কুলুষ।

হে নিভৃত স্বপ্নচারী
তোমার প্রোফাইল
আমাকে ফিরিয়ে দিল
দুরন্ত সে কৌশোরের স্মৃতি।
আমি কয়টা তোমাকে লিখি
আমার তা সাধ্যের বাহিরে।
তোমাকে কি দিব বিনিময়
তাও তো জানি না।
তাও দিলাম মুল্যহীন,
অমুল্য ভাললাগার মুল্যটুকু
উপহার।
আর চাইলাম,
বলনা কি দেখছ সুদুরে,
ঐ দিগন্তে।
০২/০৫/২০১৩ইং

শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা তো শুধু আস্তিক নাস্তিকের প্রধান মন্ত্রী নন। তিনি বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী। সবাই তার কাছে সমান। আর কে আস্তিক কে নাস্তিক সে তো শুধু আল্লাই জানেন। কেঊ কি কারও অন্তর ছেদন করে দেখেছেন কে আস্তিক বা কে নাস্তিক। কেঊ নাস্তিক হলে আল্লাহ তায়ালাই তাকে শাস্তি দিবেন।
আল্লাহ তো তার রহমত হতে কাঊকে বঞ্চিত করেন না।আমি আপনি বঞ্চিত করার কে? তাই যদি হত তবে চীন, জাপান ও সাড়া পৃথিবীতে যে সকল নাস্তিক আছে তাদেরকে তো আল্লাহ সহসাই শেষ করতে পারেন।
ওয়াসিয়া কুরশিয়ুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি, ওয়ালা ইয়া ঊদুহু হিফজুহুমা অয়া হুয়াল আলিয়্যূল আযীম। (আয়াতুল কুরসীর অংশ বিশেষ)
অর্থঃ তাঁর সিংহাসন আকাশ ও জমীনকে বেষ্টন করে আছে, সাড়া পৃথিবীর সব কিছু সংরক্ষণ করা তার পক্ষে কঠিন নয়। তিনি সর্বোচ্চ ও সর্বাপেক্ষা মহান।
৩০/০৪/২০১৩ইং

নীল শিয়ালের কাহিনী

আমরা সকলেই নীল শিয়ালের কাহিনী জানি। আমার বন্ধু লতু কানাডা প্রবাসী যার সাথে গতকাল অফিসের ফাঁকেও বলতে গেলে অর্ধ দিন ফেবুতে গেজাইছি। সাথে বরাবরের মত চাটনি হিসেবে নর্থ সাঊথ বিশবিদ্যালয়ের শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় বন্ধু ইকবাল। সত্যি কথা হলও কোন মজাদার আড্ডার সূভ সুচনাটা সকল সময় ইকবালুর রহমান রোকনেই করে থাকে। কালও তাই হয়েছিল। ওর চাটনি সদৃশ পিনচিং ফেবালুচনাকে মধুময় করে তোলেছিল যা বাসায় ফিরে কম্পিঊটার খোলার পড়ও রেশ পেয়েছি। বাকি জীবনটা যেন আল্লাহ তায়ালা এভাবেই কাটিয়ে নেন তাই কামনা করি।
গতকাল ফেবুতে লতুর সঙগৃহীত পোষ্টে আমি কড়া কমেন্টস করেছিলাম আর ভাবছিলাম এই বুজি লতু তাঁর লম্বা লম্বা হাত নিয়ে আমার উপর ঝাপায় পড়ল। অনেক রাত জেগেও ছিলাম। কিন্তু না ও এলো না। মনটা বিস্বাদে ভরে গেল। কি আর করি বিষন্ন মন নিয়েই ঘুমুতে গেলাম। মনটা বিষণ্ণ হলেও অনেক খুশি হয়েছি। ইকবালই আমাকে শিখিয়ে ছিল তুই লিখে যা, অনেক সময় অনেক বাজে মন্তব্য আসবে। কখনও রাগবি না। রাগলে লিখতে পারবি না। লতুর এ গুনের গভীরতা আজও জানিনা। তবে তা অনেক ...।

টিকটিকি, তেলেপোকা ও মশার ঊপদ্রপ

কিছুদিন থেকে আমার শোভার ঘরে টিকটিকির উপস্থিতি লক্ষ্য করছি। প্রথম প্রথম এটাকে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম মনে করেই তেমন গুরুত্ব দেইনি।কিন্তু দিনকে দিন তাদের অত্যাচার যেন বেড়েই চলছে। প্রথম দিকে সৃষ্টি কর্তার সৃষ্ট এমন সুন্দর প্রানীটির প্রতি আমার ভাল লাগা ও মায়া মমতার কোন কমতি ছিল বলে মনে করতে পারি না। আস্তে আস্তে তারা তাদের বংশ বৃদ্ধি করছে এটাও আমার নজর এড়ায় নি। আমি ভাবলাম তাতে আর এমন কি? প্রথম প্রথম তারা আমার ঘরের জানালা, ভেন্টিলেটর বা বাথরুমের বিড়াল ঘরে তাদের অবস্থান সীমাবদ্ধ রাখত । কালক্রমে মশারি, ওয়ার ড্রপ, বক্স টিভি স্ট্যান্ড, আলমারি এবং তাতে রক্ষিত কাপড় চোপর সর্বত্র অবাধ বিচরণ করতে আরম্ভ করল। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে টিকটিকির সাথে কিছু তেলাপোকার ঊপস্থিতি আমাকে একটু ভাবিয়ে তুলল। এরা আমার দামি দামি কাপড় চোপড় কাটতে কাগল, এমন কি ব্রিফ কেশে রাখা আমার কিছু স্পেশাল কাপড় যা কিনা বিদেশ থেকে আনা হয়েছিল তাও বাদ দেয়নি। আমার কেন জানি মনে হতে লাগল আল্লাহ ওদের আমাদের মত করে সৃষ্টি করেনি, আমাদের যা অবশ্য প্রয়োজনীয় তাই আমাদের ভোগ বিলাশ মনে করে মেনে নিতে পারছে না।

নিভৃত স্বপ্নচারী।

আমারও ছিল মনে
কেমনে ব্যাটা পেরেছে সেটা জানতে।
না নিভৃতস্বপ্নচারী আমি তোমাকে নয় আমার নিজকেই নিজে গালি দিচ্ছি। কেন আমি তোমার আগে এ প্রিয় নামটি আমার করে নিতে পারিনি। স্বপ্ন দেখতে যে আমিও ভালবাসি। তাই তো কবি গুরু যে বাণীতে জুতা আবিস্কার শেষ করেছিলেন। একি বানীর শুভ সুচনায় আমি আমার প্রিয় নামটি আবিস্কার করলাম।
কিন্তু এর অধিকার যে এখন শুধু তোমার। “আমরা বন্ধুর” রেজেষ্ট্রি অফিসে ডিজিটাল যুগে ডিজিটহীন মূল্যে তুমি যে তা নিজের করে নিয়েছ। কিন্তু তোমার সাথে আমার একটু পার্থক্য আছে, তা হল তুমি নিভৃতে স্বপ্ন দেখ, আমি নিভৃতে ও জেগে জেগেও স্বপ্ন দেখি। জেগে জেগে যা দেখি,বাস্তবে তা সফল হওয়া সম্ভব নয় তাই নিভৃতে ঘুমের ঘোরে তা পূরন করতে চাই।
কত রকমের স্বপ্ন, ছোট স্বপ্ন, বড় স্বপ্ন, লাল নীল,বা সাত রংগা স্বপ্ন। মুঠো মুঠো বা দুই হাত ১৮০ ডিগ্রী প্রসারিত অর্থাৎ দিগন্ত বিস্তৃত স্বপ্ন। একি তুমি হাসছ যে, আমার কথা শুনে, হাসবেই তো এভাবে কেঊ স্নপ্ন দেখে নাকি। কেঊ দেখে কি না জানিনা, তবে আমি দেখি না। আমি দেখি একটার পর একটা স্বপ্ন।

বাতাসে শুধুই লাশের গন্ধ

আজ কিছুতে যায় না
যায় না মনেরও ভার
আজ কিছুতে যায় না।
কবি গুরু তোমারও কি আমার মত
কখনও কখনও বিনা কারনে মন খারাপ হতো।
হয়ত বা হতও।
নইলে তুমি এ গান লিখবে কেন?
জান গুরু
আমার বিনা কারনে মন খারাপ হলে
আমি চাঁদের রাতে এক দৃষ্টিতে চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকি
খুজে ফিরি আমার কষ্টের কারন গুলো,
দু হাত দিগন্তে প্রসারিত করে
বা পড়নের লুংগি ভরে যতটউকু পারা যায় আলো ভরে নিতাম
কিন্তু তাতেও আমার মন কখনও ভাল হয়েছে মনে করতে পারি না।
আর যদি অন্ধকার রাত হতো
আমার খোজার পরিধি অনেক বেড়ে যেত।
কখনও তারা, কখন নিহারিকা
কখনও বা নাম না জানা যত নক্ষত্র আছে
তাদের কাছে আমি আমার ভাল না লাগার
কারন গুলো খুজে বেড়াতাম।
অন্ধকার রাতে ঝি ঝি পোকারা,
তাও কত রকমের ঝি ঝি পোকা,
বাঁশ ঝাড়ের আড়ালে আলো আধারিতে
কি যেন সব ছায়া ছায়া লাগত
আমার তা ভীষণ, ভীষন প্রিয়
আজও প্রিয়।
তাদের কাছেও
আমার ভাল না লাগার কারন গুলো খুজতাম।
কত ভুত প্রেতের গ্লপ শুনেছি,
অনেক সময় বেশী মন খারাপ হলে
ভাবতাম আহ ওসব যহি কিছু থেকেও থাকে,
অথবা পরী, বা আলাদীনের চেরাগের দৈত্য,
আমি তাদের কাছে কিছুই চাইব না।
বলব

সময় মত টান

কতই খেলা জানরে মওলা
কতই খেলা জান
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।

কত সুন্দর বাড়ী আমার
কত সুন্দর গাড়ি
টাকা কামাই কাড়ি কাড়ি
ঘরে সুন্দর নারী
ভোগ বিলাসে আছি মজে-২
তোমায় স্বরি কি কখনও।
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।

বন্ধু বান্ধব ছেলে মেয়ে
সময় কাটাই নেচে গেয়ে
ভোগ বিলাসে মত্ত থাকি-২
নতুন নতুন স্বপ্ন আঁকি।
যেতে হবে সকল ছেড়ে
মন মানে কি কখনও
বিনি সুতায় ছাইড়া দিয়া
সময় মত টান রে মওলা
সময় মত টান।
২৬/০৪/২০১৩ইং

অধর চন্দ্র সাহা

অধর চন্দ্র সাহা,
জানিনা স্কুলটি
আপনি নিজে না আপনার স্বজনেরা
আপনার নামে প্রতিষ্ঠা করেছিল।
আমি এও জানিনা আপনি জীবিত না মৃত।
কোনদিন জানতাম না এটাই স্বাভাবিক
আমি কেন আপনার এলাকার ক্ষুদ্র গণ্ডি
পেরিয়ে কেঊ আপনার নাম জানতো কি?
অথচ আজ সাড়া দেশ কেন? সাড়া পৃথিবী
আপনাকে এক নামে চেনে
আপনার নামে প্রতিষ্ঠা পাওয়া স্কুলটিকে চেনে।
আপনি জিবিত বা মৃত যাই হউন না কেন
আপনার কাঁধে যে এ পর্যন্ত ৩১০ সন্তানের লাশ।
লাশ, না না, লাশও তো নয়,
ছিন্ন ভিন্ন, রক্তাক্ত মাংস পিণ্ড।

রক্তাক্ত মাংস পিণ্ড গুলো নিয়ে
ঊচ্চ শব্দে সাইরেন বাজিয়ে এক একটি
এম্বোলেন্স যখন আসছিল আর ঘাড়ে তুলে দিচ্ছিল
আপনার শত ছিন্ন, মাংস পিন্ড স্ম লাশ
আপনার কি বলার সামর্থ আছে,
আপনার অনুভুতি।

হাঁ হাঁ আমি পাগল, একজন পিতাকে
এ উদ্ভুট প্রশ্ন তো একজন পাগলেই
করতে পারে।
আপনি পিতা আপনার কষ্ট হয় আমার হয়না।
যখন আমার চোখের সামনে
আমার ভাই মরে
আমি কিছু করতে পারি না।
আমার বোনে চিৎকার করে বলে
ভাইয়া আমার হাতটা কেটে ফেল
তবুও আমাকে বাচাও।
নিজ হাতে ভাইয়ের পা কেটেচ্ছি,
হাঁ হাঁ একটুও আমার হাত কাঁপেনি।

আসুন না দেখি আমরা সচেতন হতে পারি কি না? দেশটা যে আমাদের

আসুন না দেখি আমরা সচেতন হতে পারি কি না?
দেশটা যে আমাদের
আমাদের ঊপজেলায় একজন ছাত্রনেতা যার নাম চলন। আমায়িক ভদ্র ও সজ্জন একটি ছেলে। তার বাবা মা দুজনই শিক্ষকতার মত মহান পেশায় জীবিকা অর্জন করেছেন।
তার নাম চলন হবার পিছনে যতটুকু জানি তার নানা বাড়ি আক্কেলপুর। তখনকার দিনে বাস যোগাযোগ তেমন ছিল না। ট্রেন যোগাযোগই ছিল একমাত্র মাধ্যম। তার মা ট্রেনে তার নানা বাড়ি যাচ্ছিল। আর চলতি পথে ট্রেনেই তার জন্ম হয়। সেই স্মৃতিকে মা বাবা স্বরর্ণীয় করে রাখার জন্যই তার নাম রাখেন চলন। অনেকে আদর করে ডাকে চলন্ত।
গতকাল বীভৎস ঊদ্ধার অভিযানের দৃশ্য দেখতে দেখতে হঠাৎ একটি খবর এত বেশী কষ্ট দেয় তা ভাষায় প্রকাশ করার ক্ষমতা আমার নেই। একজন মা এ ধ্বংস স্তূপের মাঝেও একটি সন্তান প্রসব করেছেন। হয়তবা সেই মা দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় অসময়ে সন্তান প্রসব করেছেন। অথবা সে তার অনাগত সন্তানের সম্ভাব্য ডেলিভারির খবর জানার পরও সেই সন্তানের মুখের আহার সংগ্রহের উপাত্তে বাধ্য হয়ে কাজে যোগ দিতে এসেছিলেন। এখন পর্যন্ত আমি জানি না সেই মা ও নব জাতককে জীবিত বা মৃত ঊদ্ধার করা গেছে কি না।

আস্তিক বা নাস্তিক-২য় পর্ব

আস্তিক বা নাস্তিক-২য় পর্ব

ফেবুতে এক জনের পোষ্ট দেখলাম শেখ হাসিনা তো ব্লগার নাস্তিক ও বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান মন্ত্রী মুসলমানদের প্রধান মন্ত্রী নন। বাংলাদেশে ৮৫-৯০% লোক মুসলমান বাকী সব মিলে ১০-১৫% বাংলা মায়ের সন্তান অন্যান্য ধর্মাবলম্বি। নাস্তিক যে দু চারজন আছে তাদের যদি % এর হিসেবে নিতে যাই তবে দশমিকের পর এতই শুন্য আসবে যে তা জিরো পাওয়ারের ভাল্বের নামান্তর হবে। তাই তাদের আমি কখনই হিসেবে ধরি না। আবার নাস্তিকদের মাঝেও অনেক প্রকার নাস্তিক আছে যেমন প্রকৃতি বাদী নাস্তিক, আবার কোন কোন নাস্তিক উপাস্যে বিশ্বাসী নন কিন্তু সৃষ্টি কর্তা একজন আছেন তা বিশ্বাস করেন। আমার মতে সে কি করে নাস্তিক হন। কারন আমরা যারা আমাদের আল্লাহকে ঊপাস্য হিসেবে মানি তাঁর একটি নাম খালেক যার অর্থ হল সৃষ্টি কর্তা। তাহলে সে কি করে নাস্তিক হয়। তাই আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম আওয়ামীলীগ ভোট যে ৩৫-৪২% ভোট পায় ২৫-৩২% ভোট তো মুসলিমদের হওয়ার কথা, অথচ তাদের তুমি অমুসলিম বললে কি করে।
সে বলল প্রমান দেখাও
একজন মুসলমান শুধু আল্লাহতায়ালার কাছেই তার ইমানের বা মুসলমানিত্বের প্রমান দেন।(চলবে)

সাভার ট্রাজেডি

বন্ধ হবে কি অসহায় মানুষের মৃত্যুর এ মিছিল।

বন্ধ হবে কি অসহায় মানুষের মৃত্যুর এ মিছিল।

হায় প্রভু তুমি আমাদের কত অসহায় করে সৃষ্টি করেছ। কত মায়ের আহাজারি, বাবাগো একটু বাচাও, কিশোরী বোন সাড়া পৃথিবীর ভাইদের ডেকে ডেকে বলছে আমাকে বাচাও ভাইয়া, আমি বাঁচতে চাই। পাঁচ ছয় ইঞ্চি দূরে বোনটিকে সাড়া পৃথিবীর ভাইয়েরা আপ্রাণ চেষ্টা করছে বাঁচাতে। আজ যে সে অবহেলিত বলতে গেলে ঘৃনিত ১৫০০ টাকা মাসিক বেতনের গার্মেন্টস শ্রমিক নন। আজ সে মানুষ, সাড়া পৃথিবীর সকল ভাইদের বোন। একজন ভাই হাত নেড়ে নেড়ে বলছে ভাই আর কত সময় লাগবে আমাকে বের করতে। ভাইদের মুখে জবাব নেই। কি জবাব দিবে তারা নিজেরাই যে জানেনা কখন পারবে তাকে তার পরিচিত আলো ঝলমলে নির্মল বাতাসে ফিরিয় আনতে নাকি আর ফিরে আসা হবে না তার পরিচিত ভালবাসার পৃথিবীতে অথবা তার প্রানপ্রিয় আপনজনের কাছে।

আস্তিক বা নাস্তিক

আমার অফিসের এক কলিগ সেদিন আমার চেম্বারে ঢুকে অনেকটা ফিস ফিসিয়ে বলল আপনি তো ব্লগ টগে লেখেন একটু সাবধানে থাকবেন যেমন চারদিকে ধর পাকড় আরম্ভ হইছে বলা তো যায় না। আমি তাকে আদর করে আমার সামনের চেয়ারে বসতে বললাম। কারন এ সময় তাদের কোন অবস্থায় চেতানো যাবে না। তার বিদ্যার দৌড় মাদ্রাসায় কয়েক বছর যাওয়া আসা। তাছাড়া আমি কার্য উদ্ধারের জন্য অনেকটা আলু স্বভাবের। যাকে যা মালিশ করলে কাজটা হবে তাকে তাই মালিশ করি। তবে তা কখনই নীতির বাইরে গিয়ে নয়। আমি তাকে বললাম আমি যদি ব্লগে লেখতে পারতাম তবে নিজেকে ধন্য মনে করতাম। তবে আমি বিভিন্ন বিষয়ে লিখি তা তো আপনারা জানেন, বিশেষ করে আপনি।
আমি যে কবিতা লিখি তা আপনি পড়েছেন, জি হাঁ
আমি যে গল্প লিখি তা আপনি পড়েছেন, জি, হাঁ,
আমি যে কয়েকটা গান লিখেছি পড়েছেন, জী,হাঁ

তাহলে বলুন তো এ লেখা গুলোই যদি আমি কোন ব্লগে লিখতাম তা হলে আপনার দৃষ্টিতে কি আমি নাস্তিক হয়ে যেতাম। না তা কেন?

হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা

কালহ্যা রাইত থাইক্যাই আমার একটাই চিন্তা মাতাডার মইধ্যে ঘুরাঘুরি করতাছে, আমরার হাওরের রাজা যে বাংলাদেশের রাজা অইয়া গেছুন অহন আমগোর কি অইব। মাইনে আমাগোর সংসদের কিতা অইব। আমারে মিঠামাইনের মাইনষে পাইলে এমন পিডান ডাই না পিডাইব আড্ডি গোড্ডি খুইজ্যা পাওন মুশকিল অইব। এই ব্যডা তর বাড়ি অইছে গ্যা দিনাজপুর আর তুই বেডা এমন কইরা কইলি মনে অয় হের বাড়ি তোর দেশে। আর হারা দেশের পাবলিকে তো পাইলে হাটের মাইরের মতন আন্ধা গোন্ধা মাইর লাগাইব আর কঈব যে, অত গুলা মাইনষের রক্ত আর কত মা বইনের ইজ্জতের দাম দ্যায়া যে সংসদ আমরা আনছি হেইডারে লইয়া তুমি মশকরা কর। কি অইব মানে?
আমি তো রাজনীতি করি না আর এর জন্য যে মেধার দরকার তাও আমার নাই। তবু সময় পেলেই মাঝে মাঝে সংসদ অধিবেশনের চলতি বিবরণী দেখতাম। ঊনার মত মানুষের গুনের বিষয়ে একটি বর্ণ লেখা বা ঊচ্চারন করা আমার পক্ষে শুধু অসম্ভবেই না রিতিমত অন্যায়। শুধু বলব সংসদ অধিবেশন দেখেই ঊনার প্রতি আমার আশক্তি বা দুর্বলতা বলেন এমন পর্যায়ে পৌছে গিয়েছে যে বিরুধী দলের কেঊ যখন ঊনাকে বাজে কথা বলত তখন অন্তরে খুব ব্যথা পেতাম।

পিকাসোর নায়ীকারা ও একজন সজিব মাহফুজ।

তোমার লেখা প্রথম কবিতা পড়ে
মুগ্ধ, অভিভুত হয়েছিলাম।
তাও খুঁত বের করে টক জাল মিষ্টি নয়
ভীষন তিতা মন্তব্য করেছিলাম।
প্রস্তুতি নিয়েছিলাম আসন্ন আক্রমনের
কিন্তু না তুমি এলে যা ভেবেছিলাম তার
ঊল্টোটা নিয়ে,
হয়ে গেলাম তোমার লেখার অন্ধ ভক্ত।
গোগ্রাসে পড়তাম তোমার কবিতা
তোমার লেখা পিকাসোর নায়িকারা পড়তাম আর ভাবতাম
নিজের মত করে, নিজের নায়িকাদের মত করে ভাবতাম।
কি আশ্চর্য তোমার কবিতায় তুমি যে Photo caption গুলো দিতে
ঘুমের আড়ালে তারা হুবহু আমার কাছে আসত।
আমি কত দেশ মহাদেশ, কল্পনার সকল স্থানে
তাদের নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছি।
কিন্তু তুমি কোথায়?
কোথায় হারিয়ে গেলে তুমি
আমি তোমায় অনেক খুজেছি
অমিয় রহমান,পিয়াল, অনিমেষ রহমান
আর কত জনকে পুঁছেছি।
কেউ তোমার কথা বলল না।
আমি তো তোমাকে চিনতেও পাড়ব না।
তোমার ছবিটা তো ছবি ছিল না।
ছিল একটা camouflage বা ছদ্মবেশ।
আমি তোমাকে বহুবার বলেছি
যার লেখা এত সুন্দর সে কেন ছদ্মবেশ ধারন করবে।
নাকি খ্যাতির বিড়ম্বনা, হতে বাঁচার জন্য।
তুমি শুধু চুপ থাকতে।
জান, সজীব, তুমি আমাকে ভাঈয়া বলতে,
আমার কানে আজও সে আওয়াজ ভেশে আসে।