ইউজার লগইন

আহসান হাবীব'এর ব্লগ

রঙ্গ রসের রঙ্গের বাড়ই অন্ধকারেই চাই।

অন্ধকারের এত রূপ কভু দেখি নাই
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।

বাতায়নের দক্ষিন হাওয়া শিহরিত মনে
কথার মালায় কাটিয়ে দিব নিশি জাগরণে
দু চারটি নিহারিকা তব খোপায় গেথে
অন্ধকারেই দেখব তোমায় নয়নও জুড়াই।।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।

হাত বাড়িয়ে নিশি ধরব খেলব নিশির খেলা
খেলায় খেলায় সাঙ্গ হবে নিশি রাতের মেলা
কি দোষ হতো আজ নিশিটি শেষ যদি না হতো
রঙ্গ রসের রঙ্গের বাড়ই অন্ধকারেই চাই।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।

হৈ হৈ..রৈ রৈ.কোথায় গেলি সব... আমায় ফেলে।।

হৈ হৈ..রৈ রৈ.কোথায় গেলি সব... আমায় ফেলে।।

বাহিরেতে উতাল পাতাল(২) হাওয়ায় সবই দোলে
ডার্লিং আমায় ফোন করেছে
ভাল বাসবে বলে।
সে যে ভালবাসবে বলে।

কোথায় যাব কি করিব (২) কি যে জবাব দিব
সামনে গেলে শরমে বুঝি মরেই আমি যাব।
হায় হায় মরেই আমি যাব।
কোথায় গেলি সখি তোরা
কোথায় গেলি সখি তোরা
যাস না আমায় ফেলে।
ডার্লিং আমায় ফোন করেছে
ভাল বাসবে বলে।
সে যে ভালবাসবে বলে।

সমুদ্রেতে ভাটা ছিল জোয়ার এসেছে
মাঝি মাল্লা মনের সুখে গান ধরেছে।
হায় হায় গান ধরেছে,
সেই জোয়ারে আমায় বুঝি কাবু করেছে
বুকের ভিতর ঠান্ডা গরম জ্বর এসেছে
হায় হায় জ্বর এসেছে।
কোথায় গেলি সখি তোরা
কোথায় গেলি সখি তোরা
যাস না আমায় ফেলে।
ডার্লিং আমায় ফোন করেছে
ভাল বাসবে বলে।
সে যে ভালবাসবে বলে।
২৬/০৭/২০১৩ খ্রীঃ
উত্তরা
বাংলাদেশ

কামাল ভাইয়ের ইফতার পার্টি এবং আরাফাত শান্তর মন কষ্ট

REOSA এর ইফতার পার্টিতে যোগদান করেছিলাম ২০ জুলাই ২০১৩ তারিখে পাবলিক হেলথ অডিটরিয়ামে। পাবলিক হেলথ অডিটোরিয়াম থেকে উত্তরায় ফেরার পথের ট্রাফিক জ্যামের কথা মনে করে সিদ্ধান্ত নিলাম না আর এতদুরে কোন ইফতার পার্টিতে আসা যাবে না। তারই প্রতিফলন ঘটলো ২৪ তারিখের আই ই বির (IEB) ইফতার পার্টিতে যোগদান না করা। সত্যি কথা হল IEB তে যেতে আসতে যে সময় লাগে সে সময়ে আমি দিনাজপুর চলে যেতে পারি। এ নিয়ে আমার দেশী ও RUET এর বন্ধু প্রিন্সের সাথে কয়েক দিন আগে অনেক হাসা হাসি হল। ওর মেয়ের দল জাতীয় স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম হল অথচ তাকে ইউস করতে যাওয়া হল না। কারন একটাই ওর বাসা আজিমপুর আর আমার উত্তরা। কি আর করা ফোনেই ইউস করলাম। অথচ এমন একটা সময় ছিল RUET ছুটি থাকলে একদিনও আমাদের দেখা হয়নি মনে করতে পারি না। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটা ইফতার পার্টিতে যোগদান করা হয়নি শুধু জ্যামের কষ্টের জন্য।

মারুফ প্রতীক ভাইয়ার দুই টাকা

মারফ ভাইয়া আপনার দুই টাকা গল্পটা আমাকে এত বেশী নাড়া দিয়েছে যে আমি বাধ্য হলাম কিছু লিখতে। আপনি আপনার অসাধারন লেখার স্টাইলে যেভাবে একটি অসহায় ক্ষুধার্থ কিশোরকে দু টাকার একটি ছেড়া নোট প্রদান করার চিত্র তুলে ধরেছেন। তা আমাদের সমাজের তথাকথিত কিছু বিত্তবানের বাস্তব চরিত্রের বাস্তবতাই ফুটিয়ে তুলেছেন। আপনি নিজেই লেখেছেন এটা বাস্তব গল্প।
প্রথমে টাকা দুটি পেয়ে ছেলেটি যে ভাবে আকাশ ছোয়া আনন্দে আত্ন হারা হয়েছিল। সে রকম আকাশ ছোয়া আনন্দ হঠকারী দান কারিটিও হতে পারত, মহান রাব্বুল আলামিনের দানের বদৌলতে। কোরআন হাদীসের বহু হায়গায় দানের ফজিলতের কথা বলা আছে।যা আমরা মুসলিম মাত্র সবাই জা্নি। তাই ওই দিকে আমি যাব না।
দান করা একজন মুসলিমের জন্য ফরজ বা অবশ্য করনীয় যাহা আমরা জাকাত হিসেব জানি। তবে যাকাত প্রদান কারার কিছু সর্ত আছে। অসহায় দরিদ্রকে সাহায়্য করার ব্যপারে কোন সর্ত নেই। যে কেউ তা করতে পারে।

ডোম(শেষ পর্ব) সংগৃহীত ও কাল্পনিক

আমরা নিজেরা একটু ভালভাবে যদি ভেবে দেখি যে এ ঘটনাটাই যদি আমার সাথে ঘটতো তবে আমাদের কী অবস্থা হতো। হুজুরের বাড়ীতে এসে হুজুরের সাথে দেখা করার সাথে সাথে হুজুর বললেন কিরে অনেক ভয় পেয়েছিস, না ভয়ের কিছু নাই। তোর কিছু হবে না। এবার তার বিস্ময় আকাশে ঠেকল। হুজুর কি করে এসব জানল। তার হঠাত মনে পড়ল বুজুর্গ ব্যক্তিরা আগে থেকেই সব জেনে যায় কার কাছে শুনে ছিল মনে নেই তবে এমন শুনেছিল।
সে হুজুরকে বলল, এখন আমার কি করা উচিত। তোর কিছু করতে হবে না। নে এ পানি পড়াটা নিয়ে যা ছেলেটিকে তুই খাওয়াবি। চাইলে তুই নিজেও খেতে পারিস। পানি পড়া নিয়ে ছেলেটিকে নিজে খাইয়ে দিল এবং নিজেও কিছু খেল।

সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে

এক ফোটা পানিও কি রেখেছ চোখে
আবার কাঁদবো কি তবে হৃদয় জ্বালায়ে
হৃদয় সে তো মরুভূমি হয়েছে কবে
সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে।।

দ্বিচক্র যান খানি পংখীরাজের মত
শহরের এ প্রান্থ থেকে ও প্রান্তে যেত।
লতার মত জড়িয়ে পথের দিশা দিতে যখন
মহাবীর মহনায়ক ছিলাম তখন।
সেই সে আমি আজ কোথায় গেলাম হারিয়ে।
সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে।।

হঠাত তুমি কোথায় গেলে হারিয়ে
দিন ক্ষন মাস গেল পথ চেয়ে চেয়ে
মোবাইলের রিং সহসা বাজিত যখন
উচাটন হৃদয় নাচিত ময়ূরী নাচন
ভুল যখন ভাঙ্গল, সে তো তুমি নয়।
মহাকাশ সম শুন্যতা এল হৃদয় জড়িয়ে
সব শেষ করেছ তুমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে।।
২৭/০৭/২০১৩ খ্রীঃ
বনানী

যে ঝড় তুলেছ তুমি

যে ঝড় তুলেছ তুমি হৃদয়ও কাননে
তুমি চাইলে চলে এসো
কোন এক ফাগুনে।
তুমি চাইলে চলে এসো..।।।
ফাগুনের আগুন ঝড়া ফুলও বনে
সাজাব তোমায় আমি যতনে যতনে
বঁইচি না কথার মালা পড়াবে গলে
ঝড়নার জল জল ছল ছল দুল পড়াব কানে।
তুমি চাইলে চলে এসো...।।
বন্ধু তুমি আমার বন্ধু হলে
খোপায় জড়াব তোমায় ফুলে ফুলে
প্রভুর নামের মালায় সাজাব তোমায় নিরজনে,নিরজনে।
তুমি চাইলে চলে এসো...।
বন্ধু কাঁদে শুধু বন্ধুর তরে
যতদিন আকাশে চাঁদ তারা নিহারিকা রবে
তুমি কি সেজেছ কভু সমীরনও সাজে
কিযে সুখ তাতে জানাব তোমায় নিরজনে নিরজনে।
তুমি চাইলে চলে এসো...।

তব বিহনে এ দিল মরু সম,
চাতক পখির মত চেয়ে থাকি তব পথ পানে
এ তৃষ্ণা কি কভু মিটিবে প্রিয় তব বিহনে,এ ত্রিভূবনে।
তুমি চাইলে চলে এস.।।।
২৩/০৭/২০১৩ খ্রীঃ
বনানী।

ডোম(পর্ব-২ সংগৃহীত ও কাল্পনিক)

REOSA এর ইফতার পার্টি ও দোয়া মাহফিল

ডোম (পর্ব-১) সংগৃহীত

তিনি পেশায় একজন ডোম। মৃত মানুষের শরীর কেটে তার থেকে প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করাই তার কাজ। সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে মৃতের মৃত্যুর কারন নির্ণয় করা হয়। খুবই গুরুত্ব পূর্ণ ও ভয়ের একটি কাজ। ভয়ের কাজ আমাদের কাছে হলেও যে এ কাজ করেন তার কাছে নাকি ভয় নয়, বরং আনন্দই লাগে।
তাকে একটি মফস্বল শহরে বদলী করা হল। তখনকার দিন মফস্বল শহর গুলো এত উন্নত ছিল না। শহরে বাসা ভাড়া পাওয়া বেশ কষ্ট সাধ্য ছিল। কারন মফস্বল শহরে তেমন দালান কোঠা গড়ে উঠেনি। ভাড়া নিতে হলে টিনশেড ঘর, তার উপর রান্না বান্না করা, থাকার জন্য খাট টাট হাবি জাবি কত কিই না লাগে। তাই এত ঝক্কি ঝামেলা ও খরচ বাচানোর জন্য তিনি শহর থেকে একটু দূরে একজন প্রভাবশালী কৃষকের বাড়িতে লজিং থাকার ব্যবস্থা করলেন। এ বাড়িটির খানিক দুরে ছিল একটি শ্বশানঘাট বা চিতাশাল। কিন্তু এদিকে তিনি তেমন কোন নজর দিলেন না।

মায়াকানন

ময়মনসিংহ জেলা। এ জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদী। নদীর দুই তীরে গড়ে উঠেছে হাজারও শহর বন্দর জনপথ যেমনটি সকল নদীর ক্ষেত্রেই ঘটে, কারন এক সময় যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল নদী। নদী থেকে পাওয়া যায় কত রকমের মাছ যা তীরবর্তী জনপদের ভোজের রসনা মেটায়। নদীর উপর দিয়ে দুরন্ত বেগে ছুটে চলে ইঞ্জিন চালিত নৌকা, বড় বড় ব্যবসায়িক বজরা আরও চলে চিত্যবিনোদনের নিমিত্য নোকা বাইচ। আর এসব নদী নৌকা, মাঝি মল্লাকে নিয়ে কত হৃদয় জুড়ানো গান তৈরী হয়েছে তা কি লিখে শেষ করা যাবে। দৃষ্টির বাইরে চলে যাওয়া এ নদী দুইপাড়ের বাসিন্দাকে দিন রাত ২৪ ঘণ্টা বিনে পয়সায় দিয়ে যায় নির্মল বাতাস যা শরীর ও মনকে নিষ্কলুষ করে পবিত্র করে তোলে। তাই বলে সকল মানুষ কি এ নিষ্কলুষতার ছোয়া পায়। না পায় না, যদি পেত তা হলে এমন কি কখনও হত।

মিষ্টি মধুর আলোর সূর্যের উদয় ঘটাবেই

বাড়ন্ত শরীরের কিশোর বা যুবক সন্তানের চলন্ত পথে তাকিয়ে বাবা মা বার বার থুতু ছিটান যেন বাবা মায়ের নজরও সন্তানের উপর না পড়ে বরং বার বার মনের অজান্তে অন্তর থেকেই দোয়া হতে থাকে হে সৃষ্টি কর্তা আমার সন্তানকে তুমি সকল বালা মশিবত থেকে রক্ষা কর। এই সন্তানের প্রতি কি যে ঐশ্বরিক মায়া,বিন্দু মাত্র কষ্ট পেলে, একটু হোচট খেলে সেটা সন্তান নয় যেন নিজের গায়ে বালকে নিজের অন্তরে লাগে। সন্তান তেমন লাগেনি বলে সান্তনা দিতে চাইলেও, বাবা মায়ের মন মানে না, তুমি এটা করতে গেলে কেন? নইলে তো তুমি এই ব্যথাটা পেতে না, হতো না। সন্তান কিছু হয়নি বললেও বাবা মায়ের মন কিছুতেই মানতে চায় না। আর যতই চেষ্টা করি আমার কি সাধ্য এ অনুভূতি লেখায় প্রকাশ করি। এ অনুভূতির ভাষা শুধু অনুভূতিতেই প্রকাশ করা যায়।

আমরা সহজে সব কিছু ভুলে যাই।

দিন দশেক ব্লগ ফেবু REOSA, BITRAJ বা কোথাও কোন লেখা পোষ্ট করেছি মনে পড়ছে না। মনে হচ্ছিল কতদিন লেখি না। কি করে লেখি লোভ যদি কারও ভিতর প্রবেশ করে লেখা লেখির মানসিকতা তার থাকে কি করে? আমারও হয়েছে তাই। অর্থের লোভ সামলানো সত্যি কঠিন? আর এ লোভ আমাকে মাঝে মাঝে পেয়ে বসে। পরিচিত সার্কেলে বড় কোন টেন্ডার দিতে হলেই ডাক পড়ে, অফিস শেষে এবং ছুটির দিনে, লেখালেখির সময়টা অতিরিক্ত টাকা উপার্জনের পথে ব্যয় করে ফেলি। অবশ্য এড়িয়ে যাওয়াও সম্ভব হয় না। শত কোটি টাকার টেন্ডার দিতে যারা ডাকেন তাদের এড়িয়ে যাওয়াও আমার দৃষ্টিতে বেয়াদবি। এ সপ্তাহ এমনি অতিরিক্ত ব্যস্ততা বাদেও অফিসে কাজের ও মানষিক চাপ দুটোই বেশী ছিল। তাই তো আমার বন্ধুরা, আমার ভাবনাগুলো, আমার লেখালেখির উপকরণ গুলো আমার ছেরাবেরা অবস্থা দেখে আমাকে করুনা করে আমার কাছ থেকে দুরে সরে গেছে। ক্লান্ত শ্রান্ত শরীরে কিছু সময়ের জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে প্রবেশ করে প্রিয় লেখক ব্লগারদের লেখার শিরোনাম পড়ে আড়মোড়া ভেঙ্গে লেখার চেষ্টা করলেও লেখার মত কাওকে আর খুঁজে পাই না।

চ তুমি কত ভাগ্যবান(শেষ পর্ব)

চ তুমি কত ভাগ্যবান(শেষ পর্ব)
চ তুমি কত ভাগ্যবান দ্বিতীয় পর্ব পড়ে একজন আমাকে THANX দিয়েছেন বিনিময়ে আমি উনাকে Thanks দিয়েছি। কারন একমাত্র উনিই আমার মত নির্বোধের নির্বুদ্ধিতার স্বরূপটা উন্মোচন করে চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়েছেন,নির্বোধেরাই কেবল মান্যগণ্য ব্যক্তিদের সমালোচনা করতে পারে। তা পবিত্র মহান সংসদে দাঁড়িয়ে তাঁরা যা খুশি বলবেন যাহা খুশি করবেন তাতে তোমার মত নির্বোধের কি? হউক তা মাননীয় স্পিকারকে লক্ষ্য করিয়া বলা, মাইক দে?
এই সে মহান সংসদ এর অভ্যন্তরে যারা প্রবেশ করবেন তাঁরা প্রত্যেকে প্রত্যেকটি এলাকার এক একজন আদর্শ মানুষ।আদর্শ ব্যক্তিগনকে পছন্দ করে পবিত্র সংসদে পাঠানো হয় যাতে তাদের সংস্পর্শে পবিত্র সংসদ আরও পবিত্র হয়ে উঠে। তারা রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের সন্তানদের জন্য কল্যাণকর আইন করবেন। রাষ্ট্রের সন্তানেরা তাদের কাছ হতে আদর্শ মানুষের মত জীবন যাপন করার দীক্ষা পাবেন।শিশুকালে বাবা মা, স্কুল, কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে আমরা শিখি। তারপর কার কাছ থেকে শিখব?,

চ তুমি কত ভাগ্যবান(পর্ব-2)

প্রত্যেকটি নবজাতক শিশু জন্ম গ্রহণ কালে কান্না করতে থাকে।আমার দৃষ্টিতে সেটা কান্না নয়, আমি আমার একটি কবিতায় লিখেছিলাম, সে তখন চিৎকার করে বলতে থাকে আমি মানুষ, আমি মানুষ। কিন্তু আমরা তার ভাষা বুজতে পারি না। তাই আমরা যে যার ধর্মে জন্ম গ্রহণ করি,প্রকারান্তরে সে সেই ধর্মের অনুসারী হই। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া। এই নবজাতক শিশুটি যে ঘরে যে বাবা মা বড় ভাইবোনের সাথে থাকে তাদের কাছ থেকেই সে সকল প্রাথমিক শিক্ষা পেয়ে থাকে। তারপর যখন সে শিক্ষাঙ্গনে যায় তার শিক্ষক, শিক্ষিকার কাছ থেকে বিদ্যাশিক্ষার পাশাপাশি পরিবেশ ও পারিপাশ্বিকতার শিক্ষা লাভ করে। নিজ দেশে বা দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের সময় সহপাঠীর কাছ থেকেও একে অপরের মাঝে পরিবেশ ও পারিপাশ্বিকতার আদান প্রদানে বিশ্বপরিবেশ বিষয়ে ধারনা জন্মে। দেশ ও দেশের বাইরে কাজ করতে গেলেও কিছুটা ধারনা হয়। তবে আমরা যে যত আধুনিক বা উদার মানসিকতার হই না কেন? রক্ষনশীলতা রক্ষনশীলতাই, এটা আলো ও আঁধারের মত।