ইউজার লগইন

আহসান হাবীব'এর ব্লগ

পড়ার ছড়া

সকালে পড়ি বিকালে পড়ি
পড়ি রাতের বেলা
এত পড়ার পরেও মেলে
সবার অবহেলা।
সবার মুখে একই কথা
প্ড় পড় পড়।
লেখাপড়া করলেই তুমি
হবে অনেক বড়।

পড়তে হবে লিখতে হবে
এ কথাটা মানি।
তার পরেতেও সবার শুনি
হাজার উপদেশ বানী।

পড়লেই নাকি প্রকৌশলী
নয়ত হব ডাক্তার,
তা না হলে জীবন বৃথা
সবই ছাড়খার।

নজরুল রবি শরৎ বাবুর
পড়ার দৌড় কত?
তার পড়েতেও কজন আছে
বড়, তাদের মত।।
ফেব্রুয়ারী,২৩,২০০৫ খ্রীঃ

শরীর কাহিনী

Head মানে মাথা
Eye মানে চোখ
Ear মানে কান জেনো
Chest মানে বুক।।
চুলের বাহার দেখতে ভাল
Hair তাকে বলে
হউক না তা যত ই কালো
সাদা বুড়া কালে।।
Finger মানে আংগুল
Hand মানে হাত
পেটের ব্যাথজায় belly খারাপ।
সবাই কপোকাত।

Back মানে পিঠ
Leg মানে ঠ্যাং
শুদ্ধ বাংলায় পা বলে
নাচে ড্যাং ড্যাং।।

Nose মানে নাক
গন্ধ তাতে পাই।
Mouthমানে মুখ জানি
সকল কিছু খাই।।

Tooth মানে দাঁত
হাড্ডি মাংস খাই
Throat মানে গলা
মধুর গান গাই।

জোনায়েদ

ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, বন্ধু

ছিকল ছিড়িতে না পারে
খাচা ভাংগিতে না পারে
পাখি ছটফটাইয়া মরে,
পাখি, ধর ফরাইয়া মরে।।
যতদুর মনে পড়ে ফারুক ও কবরি অভিনীত ঘর জামাই ছবিতে মরহুম আব্দুল আলীম এ গানটিতে প্লে বেক করেছিলেন।
গানটি শুনলেই বুঝা যায় একজন মানুষ কতটুকু শারিরিক ও মানষিক চাপে থাকলে, আর যে গীতিকার গানটি লিখেছেন তার সাড়ে তিন হাত দেহের পরতে পরতে কত আবেগ থাকলে তবেই দৃশ্যের বাস্তবতায় বিলীন হয়ে এম্ন গান লিখতে পারেন।

দেখুন তো আপনাদের এম ন হয় কি??

আজ কিছুতে যায় না,
যায় না মনেরও ভার
এটা কবি গুরুর একটি গানে স্থায়ী তাও পুরোটা না।আমি জানি না তাই লিখতে পারলাম না।কবি গুরুর কেন মন খারাপ হয়েছিল জানিনা।
বিনা কারনে কারও কি মন খারাপ হয়, হয়ত বা হয়, হয়ত বা না।আমার কখনও কখনও বিনা কারণে মন খারাপ হয়।আমাকে তখন মনের গভীরে খুজে বেড়াতে হয়,কেন মনটা খারাপ।বউ ছেলে মেয়ের সাথে আছি তখনও হয়ত ভাল লাগছে না।
আবার হয়ত ওদের ছেড়ে দূরে আছি,অনেক চাপে আছি,কিন্তু মনে অনেক ফুর্তি।কাজ করছি, গাড়ী ড্রাইভ করছি, গান করছি,এম্ন কি একেবারেই নিঃসঙ্গ,রাত্রি গভীর, তা আলোময় বা অন্ধকারাচ্ছন্ন তাতে কি, আমার মনের অফুরন্ত অপ্রকাশাতীত আবেগ,আবেশ মহাকাশের গন্ডি পেরিয়ে কোন অজানা অচেনা গ্রহে বিচরন করছে।আমি তখন আমার মনের রাজা।এ পৃথিবী সম হাজারটা পৃথিবী যেন আমার করতলগত।
তখন ও আমার একটা অভাব থাকেই তা হল আমি কেন কবি গুরু বা কোন লেখক কবির মত লিখতে পারি না,

যখন থাকব নাকো অবনী পরে

আজি হতে বহু বছর পরে
আমি থাকব নাকো এ অবনী পরে
আমার রক্তহীন শরীর,হাড় মাংস
গলে পচে হবে সবুজ সার
খাটিয়ায় উপর দেয়া মাটিতে
ত্র তর করে বেড়ে উঠবে সবুজ ঘাস
হয়ত বা কোন বড় কোন বৃক্ষও
কবর নামক আমার ঘরটিতে
আমার এ সুন্দর দেহ খানি হবে বিলীন
কেউ জানবেও না আমার নাম ধাম।
আমার ও আছে ছবি, পোট্রেট, আছে লেখনী,
আমার গুলো কেউ কি এভাবে করবে সংরক্ষন?
না, কক্ষনো না।
কেন করবে?
আমি কি শেখ মজিব,
আমার কি আছে বজ্র কন্ঠ
আমার কি আছে দেড় যুগ জেলে
পচার সুখ অভিজ্ঞতা,
আমার চিত্ত কি তার মত নির্ভিক।
আমার জন্য ছাগল দোয়ানু এক গ্লাস দুধ,
চার আনা পয়সা নিয়ে কোন ভিখারিনী
রাস্তায় দাড়িয়ে কি অপেক্ষা করে?
আমার কন্ঠ শুনে লাখ লাখ মানুষ তো
দুরের কথা,
একটি পিপড়াও ছুটে আসে না।
আমি কে পেরেছি আমার উত্তসুরীর জন্য
একটি দেশ,
সে তো সুদুর পরাহত,
এক খন্ড নিরাপদ ভুমির ব্যবস্থা করতে।
না পারিনি।

আর কি চাই

কখনও ফুটপাতে, কখনও ওভার ব্রিজের সিড়ির মুখে ক্রেচের উপর ভর দিয়ে এক পায়ে দাড়িয়ে, রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে সাংবৎসর ভোরে সূর্য উঠার পর থেকে অর্ধ রাতের কিছু আগ অবধি চলে, হাত পেত্, পথ চলা মানুষের কাছ থেকে সৃষ্টি কর্তার দেয়া জীবনটাকে বয়ে বেড়ানোর জন্য জ্বালানী স্ংগ্রহের কাজ। শুধু সে কেন আরও কত রকমের বিকলাংগ প্রতিবন্ধী তার পেশার স্বজাতিকে দেখি, কিন্তু আমার কেন যে তার কথাই, এলোমেলো চুলের ভাংগা চোড়া খুপড়িটাতে বার বার উকি ঝুকি মেরে আঘাত করে। ফেব্রুয়ারী আসে ফেব্রুয়ারী যায় আমার তেমন অনুভূতি হ্য় না।বড় বড় অফিস গুলোয় সাড়া বছর চলে ইংরেজীর ভাষায় ব্যবসা বানিজ্যের লেনদেন, কি দেশীয় কি বৈদেশিক,ব্যক্তিগত মনের ভাব আদান প্রদানের কাজ। যারা যত বড় অফিসার, যে অফিস যত বড় সেখানে তার চর্চা প্রয়োজন বা অপ্রয়োজনেও চলে,নইলে যেন মর্যদার একটু বরখেলাপ হয় আর কি!

জন্তু জানোয়ার না সৃষ্টির সেরা মানুষই মানুষের শত্রু।

গত ফেব্রোয়ারী,০৫,২০১৪ তারিখ রাতে রেকর্ড করা ভুত এফ এম শুনছিলাম। এখানে এফ এম ব্যান্ড শুনা যায় না, তাই এবার ঢাকা গেলে, ছেলে ৭টি রেকর্ড করা ভুত এফ এম দিয়ে দেয়। শুনতে শুনতে নিদ্রাদেবী এসে চোখের চারপাশে ঘুরঘুর করছিল। সারাদিনের কাজের শেষে ঘুমুতে যাবার এ সময়টা আমার সব চাইতে প্রিয়। আমার এক চাচা আমাকে শিখিয়ে ছিলেন যখন ঘুমুতে যাবি, সাড়া দিনের সকল জঞ্জাল মাথা থেকে কিক আউট করবি। দেখবি সহজে ঘুম এসে যাবে। উনি আরও একটা কথা বলতেন, তুই যেদিন এ দুনিয়াতে এসেছিলি কি নিয়ে এসেছিলি, তাই কোন কিছু নাই বা কিছু পাওয়ার জন্য নিজের অন্তরের শান্তি নষ্ট করার প্রয়োজন আছে কি? আর যখন যাবি যেমন এসেছিলে, তেমনি যেতে হবে। সারাদিন কর্মের খাতিরে কিছু চিন্তা তো আসবেই কিন্তু আল্লাহ্‌ রাতটাকে দিয়েছেন বিশ্রামের জন্য, তাই সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলে মস্তিস্কটা ফাকা করে নিবি তবেই নিদ্রাদেবী উজার করে তাঁর কোলে টেনে নেবে। আমি যতদুর পারি এটা করার চেষ্টা করি।

নষ্ট স্মৃতি

তোমায় রোমন্থন করি
তব ভাষায় নষ্ট
স্মৃতির মাঝে,
যা মম তরে অমৃত
সম।।
তব সকল স্মৃতিকে রোমন্থন করি
মম পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের পরিসীমার সকল
অনুভূতির দিয়ে।।

দোতলার বারান্দা থেকে
বাউন্ডারি ওয়াল বরাবর
লেবু, পেয়ার, পেপে গাছে
থোকা থোকা ফল গুলো
তব শরীর নামক
অবয়ব খানির নির্দিষ্ট
কিছু অংগের স্মৃতি
মানস পটে
জাগরূক করে তোলে।
আমি পলকে রূমাঞ্চিত
হই।
তোমাকে পড়ে মনে
সেটা কি নষ্ট স্মৃতি।।

তবু আমি আমার ভাবনার সাগর
কেন,
পুকুরেও যেতে চাই না।
জানি আমি আমার নিজকে
ধরে রাখতে পারব না।
আমি/ আমরা যে প্রকৃতি দাস
তাকে এড়িয়ে যায়
এ সাধ্য কার??

তাকিয়ে দেখ
বাউন্ডারি ওয়ালের
ওপারে বাঁশের ঝাড়।
দুটি চুড়ুই পাখি
মনে হয় সদ্য বিবাহিত
নইলে এত!
এত,আমোদে মাতবে কেন?
চারদিকে হাজারও পাখির কোলাহল
তাতে ওদের কোনই ভ্রুক্ষেপ নেই।
থাকবেই বা কেন?
ফিরে তাকাও অদুর অতীতে
আমার কথা বাদ দাও,
তব মনে কি জাগবে না স্মৃতি।
তাকে কি তুমি নষ্ট বলবে।
বললে বল, আমি বলব না।
আমি বলব সুখ, মহা সুখ স্মৃতি।

খন্ডখানি জমি পরে
ধরিছে মাছ, কিশোর যুবা,
দেখিছে বৃদ্ধ বৃদ্ধা।

মিষ্টি, দই, রসমালাই

গতকাল একটি কন্সট্রাকশন আইটেম চেক করার সময় ধরা পড়ল আইটেমটির রিকুইজিশনে (চাহিদা পত্র) পরিমাণ কম দেয়া হয়েছে। রেশপেক্টিভ ইঞ্জিনিয়ারসহ অনেকেই একাউন্টেড এর রুমে বসে কথা বলছিলাম। আমি বললাম যা চেয়েছি তাই আসুক পরে দেখা যাবে। একজন বললেন স্যার যে পরিমাণ ওয়েস্টেজ দেয়া হয়েছে কাভার হয়ে যাবে। শ্মশ্রুমণ্ডিত আমার এক প্রিয় সহকর্মী প্রাক্কলন ও সাইটের কাজে পাকা তাকে জিজ্ঞেস করলাম, উনি যা জবাব দিলেন তা বলার আগে একটু ভুমিকায় যেতে হয়। যদিও ভুমিকাটি উনি বলেন নি, সরাসরিই বলেছিলেন।
এক ব্যাক্তির অন্য আর একজনের সাথে বিরোধ থাকার কারনে সখ হল, সে প্রতিপক্ষের সেরা গরুটি বিষ প্রয়োগে হত্যা করবে। কিন্তু এত বড় গরু মারতে হলে তাঁর জন্য কটটুকু বিষ কিনতে হবে তা তাঁর জানা ছিল না। তাই সে চাচা সম্পর্কিত এক মুরুব্বীর কাছ থেকে পরামর্শ চাইল। চাচাজানটি ছিলেন আবার হাজী মানুষ, তিনি কি করে এহেন খারাপ কাজ করার পরামর্শ দিতে পারেন। তাই তিনি ছন্দাকারে বললেন,
হাজী মানুষ কিছু কইতেও পারি না,
যত বড় গরু এক পোয়ার কম মরবেও না।

এত সুখের পৃথিবী ছেড়ে যেতে মন চায় না

আজ ফেব্রোয়ারী ০২, আমার জন্মদিন। তবে আমার সত্যিকার জন্মদিন আমার মনে নেই।আপনারা হয়ত আকাশ থেকে পড়বেন এটা আবার কেমন কথা নিজের জন্মদিন জানে না। আমরা আট ভাইবোন, তদুপরি আমরা গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। আমাদের গ্রামে কারও জন্মদিন পালন করা হতো না। কিন্তু এ নিয়ে আমাদের কারও মাথাব্যাথা কোনদিন ছিল না। আজকের মত ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটিকর্পোরেশনের কোন বাধ্যবাদকতা তো ছিলই না।
তবু এস এস সি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনের সময় হেড স্যার চঞ্চল কুমার কুন্ডু যখন জানতে চাইলেন, আমি পরদিন মার কাছ থেকে বাংলা সনের যে তারিখটা স্যারকে প্রদান করলাম,তা দিলে আমি যখন এস এস সি পাশ করব তখন আমার বয়স হবে প্রায় সতের বছর। আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় স্যার আজ পৃথিবীতে নেই,উনি আজকের দিনটি আমার জন্মদিন নির্ধারন করলেন যাতে এস এস সি পাশ করলে আমার বয়স হবে পনের বছর। আর সত্যিকার জন্মদিনটি চর্চা বহির্ভূত থাকার ফলে এক সময় তা স্মৃতি থেকে হাড়িয়ে যায়।

অচিন দেশে যাত্রা( দ্বিতীয় পর্ব)

স্কুলে আসা যাওয়ার পথে রাস্তার ধারে কিছু রিফিউজির বসবাস। এরা ৪৭ এ দেশ ভাগের পর ইন্ডিয়া থেকে এসেছে। এরা দিন মুজুরী, বছর মারী, মাটি কাটা ইত্যাদি আর মেয়েরা বিভিন্ন বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে সংসার চালায়। রিফিউজি হবার সুবাদে, আমরা যারা স্থানীয় তাদের অনেক অত্যাচার সহ্য করতে দেখেছি। রিফিউজি পল্লীর পাশ দিয়ে যাচ্ছি, এমন সময় জোর কান্নার সোরগোল শোনা গেল। আমার মনে হল কেউ বুঝি মারা গেছে। অগত্যা সাইকেল থেকে নেমে ভিতরে ঢোকলাম। রাস্তার পাশে এলোপাথারি খড়ের বেড়া ও খড়ের চালের ঘর। দুই ঘরের মাঝে চিকন গলি। মাটির কুয়াতে রান্না বান্না ও পান করার পানির ব্যবস্থা। এক আধটা পায়খানা থাকলেও না থাকার মত। প্রাকৃতিক ক্রিয়া কর্ম চলে রাতের আধারে বা দিনের বেলায় ঝোপ ঝাড়ের আড়ালে একে অপরকে আড়াল করে।

অচিন দেশে যাত্রা( প্রথম পর্ব)

মিনহা খালাকনাকুম, ওয়া ফি হা নুয়ীদুকুম ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখড়া। এই মাটি হতেই তোমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে,এই মাটিতেই তোমাকে রাখা হল এবং এই মাটি হতেই তোমাকে আবার পূনরুত্থিত করা হবে।

আমি চাই না সে বেহেশত

আমার আব্বা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন আজ ৩৩ বছর আগে।কেন জানি না এতদিন পরও বাবার প্রতি ভালবাসা বেড়েছে বই কমেনি।আমার ছেলে জোনয়েদ যত বড় হচ্ছে, ওকে আমি যত দেখি ততই বাবার স্মৃতি আমার কাছে স্মৃতির অবয়ব ছেড়ে বাস্তবতার রূপ পরিগ্রহ করে।ছেলে মেয়ের প্রতি আমার আবেগ অনুভূতি বাবার উপর প্রতিস্থাপন করে যখন দেখি, আজ অনেক অনেক নিজেকে অপরাধী মনে হয়। ভাবি আমার মত বাবারও নিশ্চয়ই এমনি অনুভূতি ছিল। মা বাবার সাথে সন্তানের একি এক অমোঘ বন্ধন, একি অমোঘ মায়ার অভেদ্য জাল।এ জাল তো কোন গার্মেন্টসে তৈরী সুতার জাল নয়।এ জাল যে শরীর নামক অবয়ব খানির শিরা উপশিরা, রিদয় থেকে রিদয় নামক অদেখা অনুভুতির ভান্ডারের অনু পরমানুর সমন্বয়ে বা মানুষের জ্ঞানের পরিধির বাইরে আরও অনেক অনেক কিছুর সমন্বয়ে গঠিত।যা পলকে আক্রান্ত করে। অথচ তখন কেন বুঝিনি?

দুই নেত্রী বলবেন কি?

গতকাল(০৫/০১/২০১৪খ্রীঃ) দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন আমার উত্তরার বাসার সামনের রাস্তায় ৩/৪ টি ককটেল ফুটেছে। তাঁর আধ ঘণ্টা আগে আমার স্ত্রী হাসপাতালে যাবার জন্য বের হয়ে গেছে। নইলে কি হতো তা আল্লাই জানেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ও যখন বাসা থেকে বের হয় হাসপাতালে না পৌঁছা পর্যন্ত এত টেনশনে থাকি যে বলতে গেলে ক্ষনিক পর পর ফোনে কন্টাক্ট করি। আসার সময় এ্যাম্বুলেন্স ওকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেয় তাই এত টেনশন করি না।
মেয়ের বিশ্ববিদ্যালয় পুরো সময়টাই বন্ধ, মাথাও নাই মাথার ব্যথাও নাই, তাই আমি ওকে নিয়ে স্বস্থিতেই থাকি।

দেশ টিভিতে জনাব জয়ের চায়ের আড্ডা

যখন কোন ব্যক্তি ভুল পথে চলতে চলতে উদ্দেশ্য বা গন্তব্যে পৌছার কোন নিশানা বা আলোক বর্তিকা খুঁজে পায় না তখন সে পথ চলার ভুলটা বুঝতে পেরে সঠিক পথে চলতে চেষ্টা করে। আর সঠিক পথে চললে এক না এক সময় সে তাঁর গন্তব্যের আলোক বর্তিকা খুঁজে পাবেই।
এ উক্তিটি গতকাল রাতে (২/১/১৪) দেশ টিভিতে জনাব আসাদুজ্জামান নুরের চায়ের আড্ডায় জনাব সজিব ওয়াজেদ জয়ের, বর্তমান জামাত শিবিরের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে প্রাসঙ্গিক ভাবেই এ কথা বলেছেন। উনার দর্শন মূলক এ উক্তির সাথে আমার বিশ্বাস শুধু উনার দল কেন বিরুধীদলের অনেকই এককত পোষন করবেন।
আর আমি উনার এ উক্তির মাঝে আমাদের দেশের নেতৃত্বহীনতার মাঝে তিমিরও বিদারী, আলোক নিহারী এক নেতৃত্বের সুগন্ধ, সুবাতাস পাচ্ছি।