এখনো প্রতিক্ষায়
প্রতিক্ষায় রয়েছি আমি এখনও যেন মুখোমুখি তোমার
একটি পলকও না ফেলে যেন সরে যাবে
জারুলের পাঁপড়ির মত ঠোঁট তোমার
আর আকন্ঠ তৃষ্ণা নিয়ে আমি অপেক্ষায়
গাংচীলের মত সুতিক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে নদীর গভীরে
অতলান্তিকের জন্য বসে আছি।
বসে আছি রোদেলা টেরাসে যেটুকু সময় অবশিষ্ট
এই ব্যাস্ততার নাগরিক জীবনে সময় দ্রুতই বয়ে যায়,
রাত আসে আবার ও রাত আসে,
দিনের শুরু কলাহলময় ক্লান্তিবিহীন
ভাবনায় তোমাকে ছুঁয়ে থাকি নিঃষ্পলক চেতনায়।
এখনও বসে আছি চুলগুলি এলোমেলো করবার জন্য
মজ্জাতে মজ্জাতে যে রাগিনী বেজে ছিল গভীর অনুভবে
তার সুর সেই তালে লয়ে শুনবার জন্য,
বুকের মাঝে পাঁজরের হাড়গুলি বড় এলোমেলো হয়ে যায়
তিক্ষ্ণচঞ্চুর আঘাতে সৃষ্ট ক্ষতগুলি ক্লান্ত
কোন বোধ তাতে প্রকাশ করতে পারেনা এতই বিমুগ্ধ।
পথ চেয়ে বসে আছি দিন ফুরায় রক্তরাগে ঋন শোধ হয়
সজাগ শ্রবনেন্দ্রিয়তে কোন ধ্বণি আসে না যা সে শুনতে চায়,
চোখের পলক পরে না যারে চাই সে যদি
এসে চলে যায় অভিমানে আহত আমি তার প্রতিক্ষায়।





চমৎকার একটা কবিতা পড়লাম। মুগ্ধ হলাম।
ফুপি আপনার কবিতা কই?????
ভাতিজা কি কয়?রইদ ঊঠছে নি বেশী? আমি কবে কবিতা লেখলাম?কবিতা কেম্নে লেখে। লেখতাম মন্চায়।
ক্যান সেদিন না কইলেন????কবিতা লেকপেন।রইদ বেশি উঠলে কি হয়?আমার এখানে রইদ নাই আজ। লাইলা কাইল এখান দিয়া গেছেতো.।.।
কবে কইছি?জীবনেও কই নাই। রইদ বেশি উঠলে চান্দি গরম হইয়া মাইনষে উল্টাপাল্টা কয় আপ্নের মত।
কবিতার নাম নীল চিঠিতে লিখেছিলেন লীনা দিলরুবা।ফুপি আপনি ওই কবিতার ৪ নাম্বার মন্তব্যে শপথ নিয়েছিলেন আপনি কবিতা লিখবেন(১৩ই মে'২০১০ সময়ঃ রাত১০ টা ১৩ মিনিটে)তয় বুঝছেন ফুপি রইদ কার বেশি লাগছে?????অবশ্য বয়স হয়ছে তো আপ্নার।তাই সব কিছু মনে থাকে না।


ধন্যবাদ। আপনার মুগ্ধতায় আমার আনন্দ।
ধন্যবাদ। আপনার মুগ্ধতায় আমার আনন্দ।
আপনি কবিতা লিখেন এটিতো জানা ছিলনা।
সুন্দর কবিতা।
আমি অপেক্ষায় আছি
কাল সকালে, শিশির ভেজা ঘাসে
হেটে হেটে তুমি বলবে,
তুমি আমার।
আমি অপেক্ষায় আছি
পৌষের চাদনী রাতে,
আমার হাতে হাত রেখে,
তুমি বলবে, তুমি আমার।
মিষ্টি একটা কবিতা পড়লাম। চমৎকার লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে
মিষ্টি কবিতা।
কবি'রা যা বলে... তার সাথে একমত।
কবিতা কম বুঝি
আপনাদের ধন্যবাদ। আমি প্রত্যাকের মন্তব্যের জবাব দিতে আচ্ছি কিন্তু পারছি না মনে হয় কোথাও কোন সমস্যা হয়েছে।
লীনা দিলরুবা আপনার মত কবির সামনে আমার কবিতা নিয়ে আসতেই লজ্জা লাগছে। এই কবিতাটা আমার তিন নম্বর কবিতা। অর্থাৎ আমি মোট তিনটি কবিতাই লিখেছি। বিস্ময়কর ব্যাপার কি লিখি ভাবতে ভাবতেই কবিতাটা লিখে ফেললাম এবং লিখে আমি নিজেই মুগ্ধ( লজ্জা পাবার ইমো হবে ইমো কোথায় আছে এখনও খুঁজে পাই নি)।
আবার ও সকলকে ধন্যবাদ।
ভাল লাগলো। ভাল থাকুন। আর ভাল লিখা লিখতে থাকুন।
ভালো লাগলো
মন্তব্য করুন