মৎস্য শিকার_------------
ঈদের নামাজ শেষে সকলে যখন কোরবানীর পশু নিয়ে ব্যাস্ত তখন আমার জানের জান জানু মিয়া তার পুত্র-কন্যাসহ এক বিশাল বাহিনী তৈরী করে নেমে গেছে নীচু ধান ক্ষেতে যেখানে বর্ষার সময় পানি জমে ও শীতে শুকিয়ে যায়। সেই পানিতে থাকে অসংখ্য বানে ভেসে আসা মাছ।
এই কচুরীপানা তুলে কাদাপানিতে মাছশিকার।
মাছের চেয়ে সেই কাঁদায় ছিল জোঁক বেশী। আর ছিল ঢোড়া সাপ এবং ইয়া বড় বড় ব্যাঙ্গ। মাছ ধরার একাগ্রতার চেয়ে আমার পুত্রকন্যাদের মনোযোগ বেশি ছিল জোঁক ও সাপের দিকে। ওদের চিৎকার শুনে মনে হচ্ছিল মাছ ধরবার অন্যতম উপকরণ চিৎকার।


মাছ শিকারের পর ঘরে ফেরা। 
পায়ে বাড়তি জুতার কোন প্রয়োজনই নেই।
পরিষ্কার পানিতে পা ও মাছ ধোয়া।

যখন ঘরে ফিরল তখন সূর্য হেলে পড়েছে পশ্চিমে।
মাছের সাইজ দেখে সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে কি বড় বড় মাছ!। আমার জানুর দিকে যখন মাছের সাইজ ও পরিমান দেখালাম তখন উৎসাহে ও উত্তেজনায় টকবক করে ফুটতে ফুটতে বললো এ মাছ শুধু পিঁয়াজ দিয়ে চচ্চড়ী দারুন।
---বাছবে কে??? কোরবানীর মাংসের কি হবে??? এখানে কি ফ্রীজ আছে??
মাথার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে আমার দিকে আড়চোখে তাকাতে লাগলো।





লেখাটার বিস্তার আরও একটু বেশী হলে ভালো লাগতো । টাইপে মনোযোগী হওয়া দরকার । শিরোনামসহ মাত্র কয়েক লাইনে গোটা দশেক ভুল বানান পাঠকের পাঠ আগ্রহে বিঘ্ন ঘটায় । ছবিগুলো আরও তথ্যসমৃদ্ধ হলে তা হতো পাঠকের প্রতি সুবিচার ।
ধন্যবাদ ভাই। শিরোনামে য-ফলাটা দেয়া হয় নাই। ব্যাঙ্গ এর ং আমি লিখতে পারছি না। পরিষ্কার ঠিক করেছি। আর ভুল গুলি যদি একটু ধরিয়ে দিতেন।
সেই পানিরে থাকে > সেই পানিতে থাকে,
কাঁদা পানিতে > কাদাপানিতে,
ব্যাঙ্গ > ব্যাঙ,
উপকরন > উপকরণ,
সূর্য হেলে পড়েছে পশ্চীমে > সূর্য হেলে পড়েছে পশ্চিমে,
মাথা চুলে হাত বুলাতে বুলাতে >মাথার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে অথবা মাথা ও চুলে হাত বুলাতে বুলাতে ।
**আর শেষ ছবিটাকে কেউ কেউ রংধনু বলে মন্তব্য করেছেন, আমার কাছে তা মনে হচ্ছেনা, আপনার অভিমত কাম্য ।
ধন্যবাদ। শেষের ছবিটা সূর্য পশ্চিমে হেলে পরার ছবি।
আমিও তাই-ই ভেবেছিলাম- লেখাও আছে তা, এটা সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়ার ছবি । আর সব অভিজ্ঞ ব্যক্তিগণ কেন যে রঙধনু ভাবল তা বুঝতে পারলামনা ।
কে রঙধনু বলেছে! আন্দা নাকি! তনে এটা আমার কাছে সুর্য্যমামা উদয়ের পরোক্ষনের মনে হচ্ছে! পুর্বদিকের ছবি মনে হচ্ছে
।
১) প্রথম ছবির পুচুকুটা চোখ আড়াল করেছে কেন! মজার ছবি।
২) সবুজের ভেতর সাদা ফুল খুব সুন্দর দেখাচ্ছে।
৩)
এই মাছ পরে তোমরা নিশ্চয়ই খাওনাই
৬) এইটা দুলাভাইর ছবি ? বাহ বাহ! ওনার অনেক গুণ।
৭) ছবিটার সাইজ ঠিক করে দাও, রঙধনুর এমন একটা ছবি তুমি তুলেছো! অনেক সুন্দর হয়েছে।
ধন্যবাদ লীনা। এই আজব প্রানীটিই তমার দুলাভাই। বহু বে--গুনের অধিকারী।
পোস্ট দারুণ হইসে। রংধনুর ছবিটা ভাল্লাগতেসে সবচাইতে বেশি। আর গ্রামের ছবি অলওয়েজ ভালু পাই। যে কারণে আপনারে ধইন্যাপাতা।
ভাই ছবিটা কেন যে অর্ধেক এল। ধন্যবাদ।
মানুষের চেহারা নাই ক্যান? হয় মুখ ঢাকে, নয়ত পেছন সাইড থেকে তোলা। ফটোগ্রাফার কে? আমার মত তারও হাত থরথর করে কাঁপে ।
গুরু, ছবি গুলো কার তোলা আমি একটা অনুমান করতে পারছি। কিন্তু কইলে বেয়াদপী হয়ে যাবে।
আপনার মন্তব্য পড়ে হাসতে হাসতে তো পেটে খিল ধরলো। আমার শুধু হাত কাঁপে না পা ও কাঁপে। ধন্যবাদ।
ছবি গুলোর থিম ভাল, ভাল লাগল।
গুরু হাসান রায়হান এত মন্তব্যের জবাব আপনার মন্তব্যে বার বার কেন চলে আসছে বুঝতে পারছি না। মনে হয় ফটোগ্রাফার ভাইকে দেখ আমার কম্পিউটার ভয় পেয়েছে।
ব্যাঙ ভুনা খাইতে মজা
ব্যাং খাইতে খুব মজা দাওয়াত রইলো।
আপনার জানের চেহারাটা ইট্টু আমাদের দেখাইলে কি হইতো? আমরা নজর দিতাম?
পোবল দিক্কার আপনারে।
কেন ?? দেখানো তো শুরু করছি। এখন পিছনটা দেখুন ধিরে ধিরে ক্যামেরা সামনে যাবে।
মন্তব্য করুন