ইউজার লগইন

ওরা ঈশ্বর প্রেরিত ত্রাতা

গভীর রাত চারিদিকে ভয়ঙ্কর নিস্তব্ধতা। পাঁচজন বোরখা পরা মহিলা দ্রুত হেঁটে যাচ্ছে শহরের রাস্তা দিয়ে। শহরের এক প্রান্তে ক্যাথেলিক গির্জা। গির্জার সামনে এসে একজন মহিলা খুব আস্তে আস্তে দরজায় আঘাত করলো। তাদের চোখে, মুখে, এমন কি সমস্ত শরীরে ভয়। বার বার এদিক ওদিক তাকাচ্ছে, যেন তাদের পিছনে কোন নেকরে তারা করে আসছে।

এক বিদেশিনী মহিলা দরজা খুলে ভিতরে আসতে ইঙ্গিত করলেন। তার হাতে একটি হারিকেন। এই মৃদু আলোতেই তারা পাঁচজন যেন প্রান খুঁজে পেল। মহিলা বললেন--- কোন ভয় নেই, ঈশ্বর আপনাদের সহায় হবেন। পাঁচ মহিলার একজন রওশনারা ডুকরে উঠলো। বিদেশিনী তাকে পরম মমতায় বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন ---আপনার স্বামী, সন্তানেরা ভাল থাকবেন।

গির্জার ভিতর দিয়ে বিদেশিনী তাদের নিয়ে চললেন। বাগানের ঝোপের ভিতর দিয়ে কিছুদুর যাবার পর তারা একটি হল ঘরে প্রবেশ করলো। সেখানে পঞ্চাশ/ষাট জন নারী ও শিশু। সবাই গভীর ঘুমে অচেতন। ঘুমন্ত মুখগুলোর দিকে তাকালে বোঝা যায় যে তারা কতটা আতংকিত।

দুই মেয়ে ও দুই ছেলের বউকে নিয়ে রওশনারা মেঝেতে শুয়ে পড়ে। কিছুতেই দুইচোখে ঘুম আসেনা। গত রাতের কথা ভেবে বারে বারে আতংকিত হয়ে শিউরে উঠেন। শহরের লোকজন যেভাবে পারছে পালাচ্ছে। কিছুতেই রওশনারা মানুষটাকে রাজি করাতে পারে নাই পালাতে। মেয়ে, জামাই, ছেলে, ছেলের বউ, তাদের মা, বাবা, ভাই, আত্মীয় সবাই এসেছে শহর ছেড়ে পালিয়ে। গ্রামে মিলিটারী এসেছে শুনে বিকালে বউ মেয়েদের ধানের ক্ষেত, পাট ক্ষেত, পুকুররে লুকিয়ে থাকবার জন্য বাড়ি থেকে বের করে দেন। রাতে মিলিটারীরা বাড়িতে এল। হুড়মুড় করে ঘরের ভিতরে ঢুকে পরলো। রওশনারা তার বড় ছেলেকে নিয়ে লুকালো ধানের ডুলির পিছনে। মিলিটারীরা সামনে তার স্বামী ও ছেলের শ্বাশুরীকে পেল। রওশনারারা শুধু মাত্র একটি গুলির শব্দ ও একবার একটি নারী কন্ঠের চিৎকার শুনলো। তারপর সব চুপচাপ। ঘন্টা খানেক পরে সব তান্ডব থেমে যায়। মিলিটারিরা চলে যায়। অনেকক্ষন পর সাহসে ভর করে বের হয়ে এসে দেখে দরজার সামনে মনুষ্যত্ব বিবর্জিত বর্বরতার নির্মম চিহ্ন দেহে নিয়ে প্রায় অর্ধশত বয়সের বেয়াইন মৃত পরে আছে । স্বামীর খোঁজে ঘর থেকে বের হয়ে এদিক ওদিক তাকাতেই পেয়ে যায় তার লাশ। সারাদিন লুকিয়ে থেকে পৃথিবী নিস্তব্ধ হবার পরে ছেলেকে মুক্তিযদ্ধাদের দলে পাঠিয়ে তারা এই সিস্টার কুঠিতে এসে আশ্রয় নিয়েছে। শুনেছে এখানে নাকি মিলিটারি আসবে না কারন এরা ইংরেজ। এদের মিলিটারিরা ভয় পায় বা সম্মান করে।

সকালে শুরু হয় চেঁচামেচি, হৈচৈ। কেউ বাচ্চাকে বকা দিচ্ছে , কেউ নিজে নিজে গালাগালি করছে, কেউ মুখ ধুচ্ছে,কেউ কুলি করছে। এখানে যারা আশ্রয় নিয়েছে তারা সবাই নারী। রক্তমাংস খাদক পাকিস্তানী মিলিটারীর ভয়েই সবাই ঘর ছাড়া। সবার মুখে এক কথা --ওরা মানুষ নয়, ওদের দেখে শয়তান ও লজ্জা পাবে। ক্ষোভে, ঘৃণায়, ভয়ে শরীর কুঁকড়ে যায় রওশনারার।

এক কোনে শিশু,যুবতী ও বৃদ্ধা সহ ১০/১২ জনের একটি দল। কারও সাথে কথা বলছে না কেউ তাদের সাথে কথা বলছে না। তাদের দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা মেথর। রওশনারা চোখ কুচকে বলে --তোমরা এখানে কেন? ওরা ভয়ে ভয়ে বলে --মাইজী আমাদের বাড়ী ঘর সব পুড়িয়ে লুটে লিয়েছে। আমাদের পুরুষদের ,মেয়েদের ধরে লিয়ে গেছে খুঁচিয়ে মেরেছে। বহুত ডরে এখানে এসেছি। মাদাম বুলেছে এ ঈশ্বরের ঘর, আমরা ঈশ্বরের ছন্তান আছি।

এই সময় শুভ্রবসনা পবিত্রতার পতিমূর্তি বিদেশিনী আসেন। তিনি তার মায়াময় চোখ তুলে সবার দিকে তাকিয়ে বলতে থাকেন, ---ঈশ্বর তোমাদের দুঃখ অবশ্যই দূর করবেন। শীগগিরই তোমরা বিপদ মুক্ত হবে। তিনি সবার মাঝে খাবার বলাতে আদেশ দিলেন, তার সহকর্মীদের। বাচ্চাদের দুধ দেবার সময় লজ্জিত হয়ে বললেন-- আমাদের সংগ্রহ সামান্য। সব বাচ্চাদের দিতে হবে, তাই কিছু পানি মিশিয়েছি। রওশনারা অবাক দৃষ্টি মেলে দেখেন বিদেশিনী মাদাম ক্রিস্তেনা কে। মানুষের জন্য মানুষের কত ত্যাগ , কত ভালবাসা। আবার এই মানুষেরাই মানুষের জন্য কত নির্মম কত নিষ্ঠুর।

সারাদিন কেটে যায় সময়ের নিয়মে সন্ধ্যা আসে। বাইরে পৃথিবীতে কি ঘটছে গির্জাবাসীরা কেউ কিছুই জানে না। মাঝে মাঝে মাদাম এসে খোঁজ নিয়ে যায়। রাতের খাবার খেয়ে সবাই এখানে সেখানে মেঝেতে শুয়ে পরে। মাদাম ক্রিস্তেনা মাঝখানে বসে বলে চলেছেন তার জীবনের কথা, যেন সবাইকে দুশ্চিন্তা থেকে সাময়িক ভাবে দূরে রাখবার চেষ্টা। কি পবিত্র কি প্রশান্ত সেই মুখ।

মাঝরাতে হালকা হৈচৈ এর শব্দ ভেসে আসে প্রধান দরজা থেকে। শব্দ শুনে ভীতসন্ত্রস্ত নারীরা সব জেগে উঠে। শিশুরা কাঁদতে ভুলে যায়। দারোয়ান দৌড়ে আসে । হাঁপাতে হাঁপাতে বলে ---গির্জায় মিলিটারীরা ঢুকেছে, তারা বলছে তারা জানে এখানে অনেক মেয়ে আছে । কিছু মেয়ে তাদের দিলে তারা কিচ্ছু করবে না সারা রাত থেকে চলে যাবে। একটা চাপা কান্নার রোল পরে গেল ঘরের ভিতরে।

সবাইকে নির্ভয়ে থাকতে বলে বিদেশিনী হারিকেন হাতে উঠে দাঁড়ালেন। এগিয়ে গেলেন গির্জার দিকে। কিছু পরে ফিরে এলেন থমথমে মুখে। দেয়ালে ঝোলানো যিশূ খৃষ্টের সামনে নতজানু হলেন প্রার্থনার ভঙ্গীতে। কিছুপরে বাইরে হৈচৈ তীব্র হলে দারোয়ান আবার দৌড়ে আসে। রওশনারা বিদেশিনীর পিঠে হাত রাখেন। ---ওরা কি চায়? বিদেশিনী বললেন----সাত/ আট জন মেয়ে। আমি কাকে তাদের কাছে পাঠাব? আমি শুধু একজনকেই পাচ্ছি, সে আমি। রওশনারা অবাক হয়ে তার দিকে তাকায়। চোখের সামনে ভেসে উঠে বিয়াইনের লাশ। ভয়ে কুঁকড়ে যায় সে।

বিদেশিনীকে অবাক করে দিয়ে সে বলে-- আমি যাব। সাথে সাথে আসে কয়েকটি সুইপার মেয়ে। অস্পৃশ্য বলে যারা ঘরের এক কোনে জড় হয়ে ছিল । বলে --মাইজী তুই কেনে যাবি? হামরা যাই, হামাদের তো কোন জাত লাই। ওরা হামাকে ছূঁলে ওদের ও জাত থাকপে লাই ।

সকালে অসুস্থ মেয়েগুলোকে রেখে মিলিটারীরা চলে যায় শহর ছেড়ে। আর বিদেশিনী নিজের চোখের পানিতে তাদের সেবা করে চলছেন মায়ের মমতায়। তিনি সবাইকে বলছেন -- এদের সাহায্য কর । এরাই খোদা , ভগবান , ঈশ্বরের প্রেরিত। যার জন্য তোমরা বেঁচে গেলে। এরাই ত্রাতা।

রওশনারা তার আশি বছরের চোখ দিয়ে আজও দেখে কি দৃপ্ত পদভারে ওরা সাতটি মেয়ে যাচ্ছে নরকের দিকে এক ঘর নারীকে রক্ষার জন্য। সেই সুইপারকলনী আজও আছে। আজও বেঁচে আছে সূধা, শান্তি, পূজা। চন্দনা বেঁচে আছে কোমর থেকে শুরু করে নিতম্ব দিয়ে টানা উরুর মাঝ পর্যন্ত বায়োনেট দিয়ে কাটা দুই আঙ্গুল চ্যাপ্টা দাগ নিয়ে। বিন্দুর শরীরে ওরা আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। মেয়েটা সারারাত সারাদিন বেঁচে ছিল। সন্ধ্যায় সূর্যের সাথে সাথে সেও চলে যায়। সানন্দা এর পরে আর মাত্র দুই মাস বেঁচে ছিল। তার শরীরে পচন ধরেছিল। দুইমাস আমানবিক কষ্ট সহ্য করে ধুঁকে ধুঁকে মারা গেছে।

পোস্টটি ৩০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

জ্যোতি's picture


এমন লেখা পড়ে কমেন্ট করার কিছু খুঁজে পাই না। কপালের মধ্যে কেমন একটা তীক্ষ্ণ যন্ত্রণা।

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমার ও বলার কিছু নেই।

হাসান রায়হান's picture


আহ। শরীরে সব লোম কাঁটা দিয়ে উঠল। অসাধারণ লেখা। সোজা প্রিয়তে।

সামছা আকিদা জাহান's picture


একবার সৈয়দপুরে এসে সিস্টারকুঠী ঘুরে যান। কি সুন্দর বাচ্চারা সুর করে বলছে অ এ আলি উড়ছে ফুলে----

আহমাদ মোস্তফা কামাল's picture


কী ভয়াবহ! কী অকল্পনীয় নিষ্ঠুরতা!

অনেক বেদনা সয়ে, বড়ো দুঃখে পাওয়া আমাদের এই স্বাধীনতা...

অসাধারণ এই লেখাটির জন্য অজস্র ধন্যবাদ আপনাকে।

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমি লিখেছি শুধু তাদের কে যেন ভূলে না যাই যারা কোন ক্ষমতায় নেই আছে হৃদয়ে। আমাদের সন্তানেরা যেন চেনে তাদের যেন বলে ওরাই আমাদের স্মাধীনতার বাহক।

tanzeem's picture


I want to say, I have to say... we all read like a story then after that we forget. There are so many stories, so many videos like that but we just watch and read. We don't feel the pain of those people and that is why we can support pakistan in every possible way. Today when these women see us supporting those people who one day took everything away from them, can you imagine what they go through mentaly. But we put our arguements and fight with others to prove why they should support pakistan. please do not show the pain if you really don't inherit within you, if you really do then act according to that.

ফারজানা's picture


আসলেই ভয়াবহ !

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমাদের এই ইতিহাস জানতেই হবে আগামী প্রজন্মের জন্য।

১০

লীনা দিলরুবা's picture


খোদা, ভগবানতো মানুষের মধ্যেই বিরাজমান। অন্যদিকে নিষ্ঠুরতাও মানুষের মধ্যে বসবাস করে!

১১

সামছা আকিদা জাহান's picture


ঠিক বলেছ কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক কে বলে তা বহুদূর /মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক মানুষেতে শুরাশুর।

১২

নাজ's picture


Sad

১৩

সামছা আকিদা জাহান's picture


নাজ আপনার ছেলের দাঁত উঠেছে আর আমার ছেলের একটা দাঁত পরেছে অন্যটা নড়ছে। কি যে কিউট লাগে দেখতে।

১৪

রায়েহাত শুভ's picture


amader ma-bonra evabe somvrom dey sadhinotar jono, ar kothakar kon shormila bose'ra bishshe propaganda chalay 71'e erokom masacar ghoteni. amader othorbo sorkar boisa boisa tai upovog kore, ar amader a**l jonogon cricket khelay faki'ra jitle ullas kore...

১৫

সামছা আকিদা জাহান's picture


যে যত কথাই বলুক ইতিহাস কখনই হারাবেনা। এ সত্য তাই এ কঠিন। কঠিনেরে ভালবাসিলাম।

১৬

মুক্ত বয়ান's picture


এই লেখার কোন মন্তব্য হয় না, এটা জানাতেই লগ-ইন করা।
অসাধারণ লেখার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আর, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ/ আহত/ লাঞ্ছিত যোদ্ধাদের জন্যে কোন সহমর্মিতা নেই, কেবল সমস্ত বুকজুড়ে থাকা কৃতজ্ঞতা।

১৭

সামছা আকিদা জাহান's picture


তাদের সামনে নতজানু হয়ে জানাই শ্রদ্ধা।

১৮

টুটুল's picture


কি বলব Sad ...

১৯

সামছা আকিদা জাহান's picture


ওরা আসবে চুপি চুপি কেউ যেন ভুল করে গেয়ো নাকো মান ভাঙ্গা গান-----

২০

টুটুল's picture


এই লেখাটা সকলের পড়া উচিত

২১

সামছা আকিদা জাহান's picture


টুটুল ভাল থাকুন।

২২

ভাস্কর's picture


এই পোস্টটা কি গল্প? নাকি সত্য ঘটনা?

২৩

নাজ's picture


এমন অজস্র সত্য ঘটনা আজ কেবল গল্পই হয়ে রয়ে গেছে Sad

২৪

সামছা আকিদা জাহান's picture


সত্য ঘটনা ।

২৫

সামছা আকিদা জাহান's picture


সত্য ঘটনা।

২৬

জুয়েইরিযাহ মউ's picture


এরকম অসংখ্য যন্ত্রণা পেরিয়ে পাওয়া স্বাধীনতা।

২৭

সামছা আকিদা জাহান's picture


এ যন্ত্রনা নয়, এ স্বাধীনতা জন্মদেবার প্রসব বেদনা।

২৮

ayesha's picture


ora chilo bole aj bolte pari amra shadhin.....onek val hoeache...

২৯

সামছা আকিদা জাহান's picture


ওরা আছে বলেই আমরা স্বাধীন।

৩০

নীড় _হারা_পাখি's picture


এই লেখার কোন মন্তব্য হয় না, এটা জানাতেই লগ-ইন করা।
অসাধারণ লেখার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ
এই পোস্টটা কি গল্প? নাকি সত্য ঘটনা?

৩১

সামছা আকিদা জাহান's picture


সত্য ঘটনা । ধন্যবাদ।

৩২

জেবীন's picture


অসাধারণ লেখা!
এই লেখাটা সকলের পড়া উচিত .।.।।

৩৩

সামছা আকিদা জাহান's picture


সবারই নিজের ইতিহাস জানা উচিত প্রজন্মকেও জানানো উচিত।

৩৪

তিথীডোর's picture


অনেক অনেক ধন্যবাদ লেখাটার জন্যে।

৩৫

সামছা আকিদা জাহান's picture


ভাল থাকুন তিথীডোর।

৩৬

আরিশ ময়ূখ রিশাদ's picture


এসব লেখায় মন্তব্য করার কিছু থাকে না। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম এসব ভুলে যাচ্ছে। অনেকেই জানছে না কিছু

৩৭

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমরাই জানাবো। আমরাই বলবো। এত সহজ নয় এই ইতিহাস ভুলে যাওয়া। কেউ ভুলবে না যে ভুল্বে তার সন্তান তাকে ধিক্কার দেবে। যুগে যুগে কেউ না কেউ এই ইতিসাহ বের করেই যাবে।

৩৮

অতিথি's picture


কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি

৩৯

সামছা আকিদা জাহান's picture


নিরব থেকে ওদের সম্মান জানাতে হয়। ওদের জন্য কোন ভাষার দরকার হয় না।

৪০

নামহীন's picture


লেখাটা পড়ে, বিশেষ করে শেষ Paragraph-টা পড়ে চোখে পানি চলে এলো। এখন Lab-এর সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে, ছেলেমানুষের চোখে জল - কি লজ্জার কথা... লজ্জার কারণে তাই নামটা লিখলাম না।

লেখাটা আর কিছুদিন আগে দেখলে Deutsche Welle Blog Competition-এ পাঠাতে বলতাম। আগামী বছর অবশ্যই http://thebobs.dw-world.de/en/category/start এখানে পাঠাবেন। এখানে বাংলা সহ ১১ টা ভাষায় ব্লগ প্রতি্যোগিতা চলছে। এবারের মত অন্য বাংলাদেশীদেরকে ভোট দিতে ভুলবেন না।

৪১

সামছা আকিদা জাহান's picture


ধন্যবাদ।

৪২

শওকত মাসুম's picture


অসাধারণ।
স্থান ও মানুষগুলোর অবস্থান নিয়ে আরেকটু বিস্তারিত যদি বলতেন

৪৩

সামছা আকিদা জাহান's picture


স্থান সৈয়দপুর। ৭০% বিহারীর বাস এখানে। এখানে একটি পাকিস্থান কলনী আছে। যেখানে পাকিস্তানের পতাকা মাঝে মাঝে দেখা যায়। এখানে উর্দুভাষা বেশী চলে। মাঝে মাঝে মনে হয় দেশের বাইরে চলে এসেছি নাকি? উর্দুকে ২য় রাষ্ট্র ভাষা বানাবার পায়তারাও চলে মাঝে মাঝে। আবার বিহারীরা প্রানপনে চাচ্ছে বাঙ্গালী হবার।

৪৪

গৌতম's picture


অফিসের কাজে আমাকে প্রায়ই সৈয়দপুর যেতে হয়। সর্বশেষ গিয়েছি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সময়। সেদিন পাকিস্তানের খেলা ছিল। ওখানকার দর্শকদের যে উন্মাদনা দেখেছি, তাতে মনে হয় নি বাংলাদেশে আছি; পাকিস্তানের কোনো শহরেও বোধহয় এতো উন্মাদনা দেখা যায় না।

৪৫

মাহবুব সুমন's picture


৭১ এ সৈয়দপুর নিয়ে এ রকম অনেক সত্য ঘটনার পোস্ট চাই। কত কিছুই যে ঘটেছিলো Sad সেখানে। অনেক কিছুই বিশ্বাস হতে চাইবে না। সৈয়দপুরে ছিলাম ৮৫ -৮৬ তে। স্বাধীনতার মাত্র ১৪ বছর পর। কত কিছু যে শুনেছি Sad

৪৬

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমি সৈয়দপুরের অনেক ইতিহাস সংগ্রহ করেছি। গুছিয়ে লিখতে সময় পার হয়ে যায়। আবার লিখতে বসে মনে হয় কোনটা আগে লিখি?

৪৭

আরণ্যক টিটো's picture


মানুষের জন্য মানুষের কত ত্যাগ , কত ভালবাসা। আবার এই মানুষেরাই মানুষের জন্য কত নির্মম কত নিষ্ঠুর। সত্যিই জীবন এক প্রহসন!

গাল্পিক, আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা, ...

৪৮

সামছা আকিদা জাহান's picture


ইতিহাস যুগে যুগে এমনই। কেন এমন করে মানুষ।

৪৯

রুমিয়া's picture


অসাধারণ। আসলেই সবার পড়া উচিত।

৫০

সামছা আকিদা জাহান's picture


সবার পড়া উচিত। জানা উচিৎ।

৫১

মীর's picture


আমি তো অনেকক্ষণ পর্যন্ত স্টান্ট বসে রইলাম লেখাটা পড়ে। হ্যাটস্ অফ টু য়ু রুনা আপু। কিছু বলার নেই।

৫২

সামছা আকিদা জাহান's picture


ধন্যবাদ মীর। সৈয়দপুর খুব অদ্ভুত জায়গা। তাই এর ইতিহাস খুঁজতে অনুপ্রেরিত হই। এখানে এসে প্রথমেই মনে হয়েছে এই বিহারী অধ্যুষিত এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙ্গালীরা কি ভাবে টিকে ছিল। অদৌ কী তারা টিকে ছিল। এখন ও এখানে গোপনে লিফলেট বিলানো হয় উর্দুকে ২য় রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে। আমাদের বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা এখনও সোচ্চার ওদের বিরুদ্ধে। বারে বারে সমূলে উৎপাটনের চেষ্টা করে।

৫৩

নজরুল ইসলাম's picture


ভালো লাগলো লেখাটা
গল্প না সত্য? জানার আগ্রহ প্রবল হলো

৫৪

সামছা আকিদা জাহান's picture


রওশনারা মুখে শোনা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। এ সত্য তাই এ এত প্রানবন্ত। সে বলেছে আমি লেখাটি তৈরী করেছি। সেই সিস্টার কুঠী তে এখন ছোট্ট ছোট্ট ছেলে মেয়েরা পড়াশুনা করে । তাদের হাসিতে কুঠী এখন মুখরিত। এখানে এখন অনেক অনেক সুইপারের ছেলে মেয়ে পড়াশুনা করে। আমি কারও নাম পরিবর্তন করিনি। কারন চরিত্রগুলি এত জীবন্ত এত অনুপ্রেরনা দায়ক যে তাদের নাম পরিবর্তন করলে তাদের অপমান করা হয়। ধন্যবাদ।

৫৫

নজরুল ইসলাম's picture


সত্য ঘটনা হলে রওশন আরার বিশদ একটা সাক্ষাৎকার পড়তে দাবী জানিয়ে গেলাম। সৈয়দপুরের এরকম আরো অনেক ঘটনা জানতে চাই

৫৬

fahad's picture


I can still feel the fire in me. Nothing can give me more pleasure than seeing Pakistan destroyed. Innocent people were killed. What goes around comes around. I will hate those people till my last breath. People who says what happened in past is gone and we should forget it makes me feel ashamed to call myself Bangladeshi.

৫৭

সামছা আকিদা জাহান's picture


মাসুম ভাই মানুষগুলির কোন পরিচয় নেই। সুধা,পূজা চন্দনা সুইপার, সিলার কুঠীতে এখন ও অনেক সিস্টার আছেন। মাদাম ক্রিস্তিনা নেই। অনেক খ্রিষ্টান বাঙ্গালী ফাদার ও সিস্টার আছেন। এরা খুব সাধারন মানুষ।

৫৮

রুম্পা's picture


এই লেখার কোন মন্তব্য হয় না, এটা জানাতেই লগ-ইন করা।
অসাধারণ লেখার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ

৫৯

সামছা আকিদা জাহান's picture


রূম্পা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে আমরা আমাদের ইতিহাস জানাব। তবেই তারা আমাদের চিনবে।

৬০

হাসান রায়হান's picture


কমেন্ট লিখতে গিয়ে চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে। কাল ভাস্করের কাছে বলছিলাম ২ টা কারণে এই পোস্ট টা অসাধারণ। এক, ঘটনার বর্ণনা। আবেগী বা ভাষার বাহুল্য হীন কিন্তু উচ্চমানের লেখা। দুই, সবচেয়ে সিগনিফিক্যান্ট হলো বিষয়বস্তু। যারা অন্যদের ঘৃণার বস্তু, কেউ কথা বলেনা তাদের সাথে কিনতু কী আশ্চর্য্য ওরাও বাকিদের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবন উৎসর্গ করল!

বন্দী শিবিরি মেয়েদের জীবন নিয়ে শওকত ওসমানের উপন্যাস 'নেকড়ে অরন্যে' এমন ভয়াবহ অবিশ্বাস্য অনেক ঘটনার কথা বলা আছে। দেশের বেশিরভাগ মানুষই আসলে জানেনা সে সময়ের কথা। জানা থাকলে পকাস্তানের পতাকা নিয়া চুমা। গালে পাকিস্তানের পাতাকা এঁকে লাফালাফি করতনা।

লেখিকার কাছে জোর দাবী
সৈয়দপুরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটে যাওয়া যেসব ইতিহাস সংগ্রহ করছেন তা লিখতে থাকুন এবং যতদূর পারেন সংগ্রহ করুন। এইটা নিয়া একটা বই হতে পারে।

৬১

সামছা আকিদা জাহান's picture


এই সৈয়দপুরে এপ্রিলের ১৩ তারিখে গোলাহাটে ৪১৩ জন নিরীহ মানুষকে তরবারী ও বন্দুকদিয়ে হত্যা করে বিহারীরা। ৪১৩জন নিরস্ত্র মানুষ। যারা ট্রেনে করে চলে যেতে চেয়েছিল ভারতে। চারটি বগি পূর্ন মানুষ। এই দেশ এই সব মানুষের রক্ত দিয়ে কেনা। আমার কাছে কিছু ইতিহাস আছে। যে উৎসাহ আমি পেলাম তাতে অবশ্যই আমার যা আছে পোস্ট করব । তাদের ভাষাতেই বয়ান করব। ধন্যবাদ।

৬২

রোহান's picture


এই পোষ্টে আসলে কোনো মন্তব্য হয় না...চোখের পানি আটকাতে পারলাম না তাই লগইন করে জানিয়ে গেলাম...

রওশন আরা কিংবা সুইপার কলোনীর সেই সময়ের প্রত্যক্ষদর্শী যারা বেঁচে আছেন তাদের সাক্ষাৎকারগুলো ধারণ করা গেলে ভালো হতো...

৬৩

সামছা আকিদা জাহান's picture


রওশনারা একজন সাধারন মা, এক গ্রাম্য বধূ, এক গ্রাম্য মা,শ্বাশুরী অথচ কি ঘৃনা কি বিহারীদের প্রতি । পাকিস্তান ভারত খেলার সময় বিহারীদের উল্লাস তাকে যন্ত্রনাবিদ্ধ ক্রশের মত। ওদের একটা করে পটকা ফাটাবার শব্দ যেন তার সহ্যের বাধ ভেঙ্গে দিচ্ছিল। যখন থেমে যায় ওদের উল্লাস নিজেই তার নাতি-পুতিদের পয়সাদেন পটকা কিনবার। তার কথা-- খেলা আমি বুঝি না, আমি পাকিস্থানী বুঝি।

৬৪

মীর's picture


এই পোস্টের কারণেই কি এবি'তে কাল থেকে এত ভিজিটর?
বাহ্ বাহ্। তাইলে তো আপনাকে ইস্পিশাল ধন্যবাদ। ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা
সেই সঙ্গে এটাকে স্টিকি করার সিদ্ধান্ত গ্রাহক মডু'কেও ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা

৬৫

লীনা দিলরুবা's picture


মীরের মতো আমারও একই অভিমত Smile

৬৬

মীর's picture


তাইলে আপনারেও ধইন্যাপাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা ধইন্যা পাতা

৬৭

সামছা আকিদা জাহান's picture


ধন্যবাদ লীনা।

৬৮

সামছা আকিদা জাহান's picture


ধন্যবাদ মীর। আমার লেখা এত আবেদন তৈরী করবে সত্যিই আমার জানা ছিল না। আমি ও আপনার আধ্যমে সবাইকে ধন্যবাদ যানাই আমার এই পোস্টিকে এত গুরুত্ব দেবার জন্য। --এই সম্মান সম্পূর্ন প্রাপ্য সুধা, চন্দনা, পূজা, বিন্দু, সানন্দা,রওশনারা ও আরও নাম না জানা বীর শহীদ ও গাজী মুক্তিযোদ্ধাদের। --আপনারা আমার ও আমাদের সালাম গ্রহন করুন।

৬৯

সামছা আকিদা জাহান's picture


ধন্যবাদ মীর। আমরা এখনও আছি বাংলার বীরদের সন্তানেরা যারা মুক্তিযোদ্ধ কে জানতে চাই জানাতে চাই।

৭০

তায়েফ আহমাদ's picture


থ হয়ে বসে থাকি।

৭১

সামছা আকিদা জাহান's picture


তায়েফ এখানে আর ভয়াবহ ইতিহাস আছে। এরই নাম যুদ্ধ।

৭২

Deep's picture


I am speechless......

৭৩

সামছা আকিদা জাহান's picture


কিছু বলতে হবে না বন্ধু । আমি জানি আপনি আছেন আমাদের সাথে।

৭৪

দ্যা রক্'s picture


ভারতের শর্মিলি খালাম্মাদের এইসব দেখানো হোক!

৭৫

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমি ভারতের শিমিলি /টিমিলি চিনি না আমি চিনি বাংলাদেশিদের যারা এই বিহারিদের ভোটার করেছে ভোটের আশায় যার ক্ষমতা বলে ওরা ভোটে দাঁড়ায় আমার একচেটিয়া ভাবে বিহারীদের ভোটে জন প্রতিনিধী হয়। বাংলার আপামর জননেতারা তাদের সাথে নিয়ে ঘুরে।

৭৬

সাঈদ's picture


সেই সাতজনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কমেন্ট করলাম।

সেই সিস্টার এর ইন্টারভিউ নেয়া যায়না ?

৭৭

সামছা আকিদা জাহান's picture


সিস্টার আর নেই। ধন্যবাদ।

৭৮

Debashish's picture


I respect them Who sacrifice their life..........thanks a lot for

৭৯

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমাকে ধন্যবাদ দেবার কিছুই নাই। এই খবর সংরহ করতে যেয়ে সুইপার কলনীতে যেয়ে ঘৃনায় নাক কুঁচকেছি। এত্ত নোংরা। --------সেই আমি কি এই ধন্যবাদ পেতে পারি।

৮০

শিশির's picture


চোখের পানি আটকে রাখতে পারলাম না আপনার লেখাটা পরে। জানেন, ভীষণ কষ্ট হয় যখন দেখি আমারই কোন এক সহপাঠী গালে পাকিস্তানের ছবি এঁকে, পতাকা হাতে উল্লাস করে, তাদের সমর্থন দেয়। কিছু জিজ্ঞেস করলে বলে, খেলা আর রাজনীতি তো আলাদা জিনিষ, খেলার মাঠে ওসব কথা কেন! এদেরকেই আবার দেখি "মেহেরজান" এর সমর্থনে গলা ফাটাতে; বলে বাকস্বাধীনতার কথা, ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা।

যারা জেগেও ঘুমায়, তাদের জন্য কি কিছু করার থাকে?

অনেক অনেক ধন্যবাদ আর শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

৮১

সামছা আকিদা জাহান's picture


এখানে বাংলাদেশের বাঙ্গালীরা এই সব বিহারিদের ভোট দেবার অধিকার দিয়েছে। কি আর বলবো।

৮২

সামছা আকিদা জাহান's picture


এখানে বাংলাদেশের বাঙ্গালীরা এই সব বিহারিদের ভোট দেবার অধিকার দিয়েছে। কি আর বলবো।

৮৩

একজন মায়াবতী's picture


মাদাম ক্রিস্তেনা এবং সেই সাতজনের প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা জানাই।

৮৪

সামছা আকিদা জাহান's picture


মাদাম ক্রিস্তেনা এবং সেই সাতজনের প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা জানাই।

৮৫

সামছা আকিদা জাহান's picture


মাদাম ক্রিস্তেনা এবং সেই সাতজনের প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা জানাই।

৮৬

kabbannita's picture


ki bolbo bujte parchhina.. hothat vasha shunno hoye gechhi.. oshadharon..

৮৭

সামছা আকিদা জাহান's picture


কিচ্ছু বলতে হবে না শুধু শ্রদ্ধা জানালেই হবে।

৮৮

সেলিনা's picture


এই লেখার ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে চাইনা।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
মুক্তিযোদ্ধা রওশন আরা'র একটি সাক্ষাতকার পড়তে চাই প্লিজ। এটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটা দলিল হয়ে থাকবে।

৮৯

সামছা আকিদা জাহান's picture


এটি মুক্তিযোদ্ধা রওশনারার কথা। তার ই সাক্ষাৎকার।

৯০

মেহরাব শাহরিয়ার's picture


নির্বাক ..

৯১

সামছা আকিদা জাহান's picture


ওরা ঈশ্বর প্রেরিত ত্রাতা , ওরা মুক্তিযোদ্ধা।

৯২

তানবীরা's picture


অমানুষিক

৯৩

সামছা আকিদা জাহান's picture


ওরা শয়তান আর --এরা ঈশ্বর প্রেরিত।

৯৪

কখগঘঙ's picture


আমাদের মা আর বোনেরা এই ভাবে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন!!! Sad

৯৫

সামছা আকিদা জাহান's picture


এ আমাদের অস্তিত্তের ইতিহাস।

৯৬

Sintaha's picture


অসাধারণ এবং ভিন্নধর্মী

৯৭

সামছা আকিদা জাহান's picture


খুব সাধারন ঘটনা আমরা জানিনা বলেই অসাধারন মনে হচ্ছে। বাবার কাছে শুনেছি ৬৫/৬৬ সালে মিটিং মিছিল করবার জন্য বাংলার স্বাধীনতার জন্য বারবনিতা রাও টাকা দিত নিজের উৎসাহে। সেই সময় কেউ চাপ দিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা নিত না।

৯৮

অতিথি's picture


অসাধারণ, অসামান্য রচনা। বিমুগ্ধবিস্ময়-স্তম্ভিত আমি। অফুরন্ত শুভাশীষ এর মহান রচয়িতাকে, । স্যালুট.... oi blog e ami ei comment korechi, jani na, amar comment sekhantae uthbe kina; kintu apnar kache roilo amar oporishoddo wreen, valo thakben sokol obosthae.. emon ekta lekha porbar sujog kore debar jonno@ Rezwan dad

৯৯

সামছা আকিদা জাহান's picture


এটা একটা অসামান্য ঘটনা। আমি তা শুধু লিখেছি।

১০০

Brozer Rakhal's picture


অসাধারণ, অসামান্য রচনা। বিমুগ্ধবিস্ময়-স্তম্ভিত আমি। অফুরন্ত শুভাশীষ এর মহান রচয়িতাকে, । স্যালুট.... oi blog e ami ei comment korechi, jani na, amar comment sekhantae uthbe kina; kintu apnar kache roilo amar oporishoddo wreen, valo thakben sokol obosthae.. emon ekta lekha porbar sujog kore debar jonno@ Rezwan

১০১

অমাবশ্যার চামচিকা's picture


কিছুই বলার ভাষা নাই। পাকিস্তানি শুয়র এবং তাদের এদেশীয় জারজদের প্রতি আমার ঘৃণা আজীবন থাকবে।

১০২

সামছা আকিদা জাহান's picture


ঘৃনাকে শক্তিতে পরিনত করুন এবং প্রজন্মান্তরে তা ছড়িয়ে দিন।

১০৩

নরাধম's picture


কি বলব, অসাধারণ।

১০৪

সামছা আকিদা জাহান's picture


ভাল থাকুন ।

১০৫

ablaze boy's picture


This story will teach to hate pakistan and i ofcourse hate pakistan.But it shoked me when isee that somepeople support/like pakistan arround us,although they are know all about these.So i want to ?????? that people,How they can do this?

১০৬

সামছা আকিদা জাহান's picture


ধন্যবাদ। কম্পিউটারে বাংলা ফন্ট খুলে ফেলুন। বাংলা দেখতে ভাল লাগে।

১০৭

অতিথি's picture


The new generation know about our Liberation War but many of us never feel it. In addition to that, Fundementalism and riligion besed politics in Bangladesh and their propaganda amongst youth, making us down morally and ethically. Seeing a whole bunch of people shouting at their hearts out in Pakistans' Cricket teams victory ' আমি এখনো লজজা পাই।'.

১০৮

সামছা আকিদা জাহান's picture


ধন্যবাদ , বাংলায় লিখুন । বাংলা দেখতে খুব ভাল লাগে।

১০৯

sanatan Islam's picture


আনেক ভালো লেখা।, ধন্যবাদ।

১১০

সামছা আকিদা জাহান's picture


কি ভাল লাগলো লেখাটা নাকি ইতিহাস টা।?

১১১

পাঠক's picture


http://www.scientificjournals.org/journals2008/articles/1313.pdf

কষ্ট লাগে যখন দেখি আমরাই আবার বিহারিদের জন্য বিশ্বদরবারে তাঁবেদারি করি।

১১২

সামছা আকিদা জাহান's picture


কষ্ট লাগে যখন দেখি আমরাই আবার বিহারিদের জন্য বিশ্বদরবারে তাঁবেদারি করি-----------কষ্ট কেন???? ঘৃণা করি।

১১৩

ভেবে ভেবে বলি's picture


ওদের সাতজনকে স্যালুট!

১১৪

সামছা আকিদা জাহান's picture


ধন্যবাদ। কেমন আছো। আমার ব্লগে তমাকে দেখে খুব ভাল লাগলো।

১১৫

অতিথি's picture


আপু কিছু মনে করবেন না.এইটা পাল এস বাক এর ছোট গলপ এর অনুবাদ...আমি claclঅনেক আগে ১৯৯৩ এ অনুবাদ পড়ি.... Second world warSecondএইটা দেখে অবাক হইছি .... কেউ ই এর আগে এটা পড়ে নাই দেখে...আপনি যদি বলতেন এটা পাল এস বাক এর অনুবাদ গলপ কে ১৯৭১ এর সময়ে রুপ দেয়া হইছে ... তা হলেও কিনতু কোন দোষের ছিলনা...কারণ আমাদের মহান মুকতিযুদধ;ঐ সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা এই সব গলপ গুলোকেও হারমানায়....আপনাকে ধন্যবাদ...ধন্যবাদ রোহান ভাইকে -- যিনি আমাকে লিংকটা দেখতে বলেছেন অনেক আবেগ নিয়ে...আমি আবেগ নিয়েই দেখেছি...কিনতু আর লিখতে ইচছা করছে না....বাংলা লিখতে সমস্যায় পড়ছি .... ইচছা ছিল এখানে লিখবো কিনতু সদস্য পদ পাই নাই হা হাহাহাহাহাহাহাহাহাহহাহাহাহহা

১১৬

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমি দুঃখিত। এটা সৈয়দপুরের কাহিনী। আমি বার বার বলেছি আমি লিখেছে। আমি স্থান কাল পাত্র সব উল্লেখ করেছি। এই ধরনের ঘটনা অনেক আছে আমিও জিনি । এ যুদ্ধের চিত্র। কিন্তু দায়া করে এর দায় এ ভাবে আমাকে চাপাবেন না। প্রয়োজনে এই যায়গায় এসে খোঁজ নিয়ে যান। ওরা আজও বেঁচে আছে। ধন্যবাদ।

১১৭

অতিথি's picture


ভাই এটা পার্ল এস বাক এর লিখা "শাত রমণীর গল্প" থেকে হুবহু নকল করে লিখা গল্প। এটা সত্যি ঘটনা না, এ বেপারে আমি নিশ্চিত।
দ্রষ্টব্যঃ "নোবেল বিজয়ীদের শেরা গল্প", বিশ্বসাহিত্য ভবন প্রকাশনী।

১১৮

অতিথি's picture


না রে ভাই আপনি আবার একটু বেশি বলে ফেললেন....হুবুহ না...অনেক পরিবর্তন আছে...অনেক আগে পড়লেও এখনও ভাল মনে আছে...আর এই লেখাটা দেখে বইটা বের করছি....সুইপাদের কথা বলা হইছে মুলটায় আছে বেশ্যা....ওখানে জাপানি সৈন্য এখানে পাকি...পটভূমি বাংলাদেশ.... লেখক এখনও বলছেন সত্য ঘটনা!!!আমার লজ্জা লাগছে.....উনি কুম্ভিলগ ছাড়া আর কিছু না.... এই জাতিয় কাজ আমি অতীতেও লাইক করি নাই আজও করতে পারলাম না... রোহান ভাই লেখটা পড়ে মুগ্ধ হয়েছেন...তাই পড়তে বলেছিলেন কারন উনি জানেন এই ব্যাপার গুলোতে আমি কতটা আবেগী....আমি দুঃখিত আমার মন্তব্য ব্লগারদের অতীতে মনো কষ্ট দিছে...আমি চাই না বর্তমানেও তা দিক...এই কমেন্ট "আমরা বন্ধু" ব্লগে আমার শেষ মন্তব্য হয়ে থাকবে যদি মডারেটর ভাইদের দয়া হয়....আর মন্তব্য প্রকাশ না হলেও সমস্যা নাই....মডারেশন এই ব্যাপারটাই একটা বুজরকি....তবে থাকা ভাল নাইলে আমার মত কুলষিত ব্লগাদের জন্য ব্লগ নষ্ট হতো। "আমরা বন্ধু" তে প্রকাশিত এই ব্লগ পোস্ট দেখে হতাশা জেগেছে....ব্লগারা বিশ্বসাহিত্য থেকে এই ভাবে পিছিয়ে...জাপানি সৈন্যরা পাকিদের ইতিহাস পড়লেতো আনন্দিত হবে ... ওদের চেয়েও কি নিস্ঠুর!ভাগিরথীর কাহিনী একবার পড়লেই চোখে পানি এসে পড়ে....যা হোক...হাতে হাত রেখে নিঃশঙ্ক হই....."আমরা বন্ধু" এগিয়ে যাক....

১১৯

আখতার তেনজিং 's picture


ভাষাহীন আমি শুধু ঐ পাকিস্তানি জারজ দের গালি দেয়ার ভাষা খুজি। কোন গালিই তাদের জন্য যথেষ্ট নয়। আমি দুঃখিত।

১২০

আশফাকুর র's picture


সেদিন কই যেন দেখলাম ১৬ কোটি মানুষ গোনা গেলে কেন ৩০ লাখ শহীদের লিস্ট দেয়া যাবেনা? আপনার এই লেখাটা ছড়িয়ে দিতে হবে।এত ত্যাগে যে দেশ আমরা হেরে যাবনা। অশ্রু ভেজা ভালোবাসা সকল শহীদ আর সেই সব দেবীদের জন্য। অনেক শুভ কামোন রইল আপনার জন্য।

১২১

অতিথি's picture


আমি কি বোলবো ভেবে পাই না। মানুষ মানুষ কে এভাবে পশুর মত kill করতে পারে আমার জানা ছিল না ।

I am deeply concerned about to the killing of Hanadar Pakistani............

১২২

মৃনাল's picture


অসাধারন লিখেছেন খুবি ভাল লেগেছে একথা বলতে পারছিনা। কি করে বলি বলেনতো। আপনি তো মুখের ভাষাই কেড়ে নিলেন।বেজন্মাগুলারে শকুন দিয়ে খাওয়াতে পারতাম।অসংখ্য সাধুবাদ জানাই আপনার লেখাটির জন্য।

১২৩

অতিথি's picture


jara muktijuddher jonne etokichu die gelo tader srodhha janai... r jader tyager binimoye amar aaj shadhin tader punorbashone kichui korte parlam na,. parlona jara tader proti ghrina..... tader modhe amio ekjon

১২৪

অতিথি's picture


all must know the history of our birth........ apa u wrote too wellthat i experienced goosebumps...... bt their pain really i cant imagine in this independent country.......... really i will never toler others supporting pakistan infront of me further....

১২৫

অতিথি's picture


I just wanted to thank you. thanks a lot for giving such heart wrenching piece of true event.

১২৬

অতিথি's picture


আর এই আমরা আজ পাকিস্তান ক্রিকেট দলের জন্য আমাদের বুকে পাকিস্তানের পতাকা এঁকে স্টেডিয়ামে যাই!!!
এই লজ্জা কোথায় রাখি???
সুধা, শান্তি, পুজা - আমাদের তোমরা কখন ক্ষমা করোনা।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

সামছা আকিদা জাহান's picture

নিজের সম্পর্কে

যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায় বারেবারে,
আমার জীবনে তোমার আসন গভীর আন্ধকারে।
যে লতাটি আছে শুকায়েছে মূল
কূড়ি ধরে শুধু নাহি ফোটে ফুল
আমার জীবনে তব সেবা তাই বেদনার উপহারে।
পূজা গৌরব পূর্ন বিভব কিছু নাহি নাহি লেশ
কে তুমি পূজারী পরিয়া এসেছ লজ্জার দীনবেশ।
উৎসবে তার আসে নাই কেহ
বাজে নাই বাঁশি সাজে নাই গেহ
কাঁদিয়া তোমারে এনেছে ডাকিয়া ভাঙ্গা মন্দির দ্বারে।
যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায় বারে বারে।