টি সি বি'র শাড়ী
[- শাড়ি বাঙ্গালী ললনার চিরকালের বসন । অন্য পোষাকে বাঙ্গালী রমণীর রূপ ঠিক খোলেনা । মানায়ওনা । বাঙ্গালীর জীবনে শাড়ী এবং শাড়ী ওয়ালীর প্রভাব প্রতিপত্তি কম নয় , স্মৃতি ও । খুবই নিম্ন মানের এক খানা শাড়ী নিয়ে আজকের এ লেখা।]
- বাবা থাকতেন কোলকাতা । ওখানে ব্যবসা ছিল । পরিবারের যাবতীয় পোষাক–পরিচ্ছদ, তেল-সাবান, আঁতর-সুরমা আসতো কোলকাতা থেকে । আমাদের আলমিরা, তোরঙ্গ নানা রঙের জামা কাপড়ে ঠাসা থাকতো । ৬৩ সালে হাই স্কুলে ভর্তি হলে বাবা পাঠিয়েছিলেন খুব দামী একটা ঝর্ণা কলম, শেফার্স । বন্ধুরাতো বটে স্যারদের কেউ কেউ হাতে নিয়ে দেখতেন ওটা । ৬৫’র আগে দেশীয় পরিধান পরেছি বলে মনে পড়েনা ।
- বাবা আসতেন ছয় সাত মাস অন্তর অন্তর । যে ক’দিন থাকতেন, আদরে আদরে ভরে রাখতেন আমাদের । মা’র সাথে খুনসুটি লেগেই থাকতো । মা’র কপট রাগ আর বাবার দম ফাটা হাসি আমরা দারুন উপভোগ করতাম ।
- ৬৫’র যুদ্ধ কিন্তু হারমাদের মতো আমাদের আনন্দের সে দিন গুলো কেড়ে নিল । বাবার ব্যবসা দখল হয়ে গেছিল । একেবারে খালি হাতে জান নিয়ে কোনমতে ফিরে এলেন তিনি । আমাদের গ্রামের আরো অনেক পরিবার ছিল কোলকাতার উপর নির্ভরশীল । পূঁজি পাট্টা,চাকুরী হারিয়ে দেশে এসে সবাই হা-হুতাশ করছিল । বাবা কিন্তু হতাশ বসে থাকার লোক ছিলেন না । জমি জিরাত অল্প বিস্তর ছিল । তিনি হাল কোদাল নিয়ে লেগে গেলেন । উদয়াস্ত খাটতে লাগেলেন । কিন্তু উদার হাতের বাবা সামলে উঠতে পারছিলেন না কিছুতেই । অবস্থার ক্রনিক অবনতি ঠেকানো যাচ্ছিলনা । পরিবারের ভরণপোষণ অনেক অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে উঠল তার জন্য ।
- দুঃখে সুখে দিন কাটছে । আমরা বড় হচ্ছি । দাদু এক দিন চলে গেলেন । শেষের দিন গুলোতে দাদুর খুব কষ্ট হচ্ছিল । চোখে ঝাপসা দেখতেন । উদাস আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা । আশে পাশে কারো উপস্থিতি টের পেলে জানতে চাইতেন, এত আঁধার কেন ! রাত হয়ে গেছে কি ! বাবার কুন্তলেও ধবল তুষার কলি চোখ পিট পিট করছে । তার শরীরটাও আগের মতো নাই । শোল মাছের মতো তাগড়া বাবা কেমন যেন নুয়ে গেছেন । কিন্তু তার হৃদয় যেন অদম্য প্রাণ রসের এক অফুরন্ত ভান্ডার । সেখানে অভাবের, বয়সের কোন ছাপ নাই । মাকে, আমাদেরকে হাসি খুশি রাখতে তার যত প্রয়াস ।
- সব কিছু তছনছ করে বাঙ্গালীর জীবনে এল একাত্তর । মেজকে নিয়ে আমি চলে গেলাম যুদ্ধে ! লাখ লাখ তরুণ, যুবক,বালক গিয়েছিল । কেউ ফিরতে পেরেছ, কেউবা হারিয়ে গেছে মায়ের বুকের গহনে চিরতরে । আমরা দুই ভাই ফিরে এসেছি জননীর কোলে , আমার ছোট্ট বাংলা দেশে ।
- তেয়াত্তর সাল । দেশের অবস্থা ততদিনে হযবরল ! খুন-ধর্ষণ, ডাকাতি, হাইজ্যাক, নকল, দখল, লুট-পাটের লাগামহীন স্বাধীনতা । দ্রব্য মূল্যের ব্যারো মিটার খালি উঠতেই আছে । তাল মিলিয়ে জারজদের গলাবাজিও, বর্তমান শেয়ার বাজারের পাগলা ঘোড়ার মতো । দিশে হারা সাধারন মানুষ !
- মা ভিষণ চিন্তিত । সারাক্ষণ মন মরা হয়ে থাকেন । মলিন পাদুকা আর রিপু করা জামা-পালতুন পরে আমি পুরো চাটগাঁ শহর চষে বেড়াই প্রতিদিন, যেকোন একটা চাকুরির জন্য । ভাল পাশ দিয়ে ইতিমধ্যে বেশ আলোচিত ও হয়েছি । কিন্তু কোথায় চাকুরি ! দলীয়করণ, আত্মীয়করণ, আর আঞ্চলীকরণে সব চাকুরি খেয়ে যায় । মেধাবীরা হয়ে পড়ে হতাশ । অপাংতেয় । অন্ধকারের পথে টলে যায় অনেকে । আমাদের মেজকে নিয়েও সমস্যা দেখা দেয় । অত্যান্ত ভদ্র, শান্ত ছেলেটি কেমন যেন অধৈর্য হয়ে উঠে ক্রমান্নয়ে ! হঠাৎ হঠাৎ ক্ষ্যাপে যায় । চিৎকার, চিল্লা পাল্লায় পাড়া কাঁপিয়ে তোলে ! সব শালাকে নাকি শেষ করে দেবে ! মজিব, তাজ উদ্দীন, ওসমানী, জিয়া সবাইকে । তার কথা, চালাতে পারবে নাতো স্বাধীনতার ডাক দিল ক্যান ? যুদ্ধের ডাক দিল ক্যান ? জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারকার করে দেবে পূরো দেশ ! এই চুরি ডাকাতির স্বাধীনতা তার চাইনা ! মা কবুতর ছানার মতো কলিজার ভিতর পুরে আগলে রাখেন তার যাদু মনিকে । বাবা শান্তনা দেবার চেষ্টা করেন । অবুঝ হোসনে বাপ ! সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে খণ ! আল্লাহ আছেন ! তিনিই মালিক ।
- ঠিক কিন্তু হয়না । আমাদের দিকে ফিরে তাকানোর সময় কই আল্লার ! গরীব, দূঃখী , হাভাতেদের কণ্ঠে জগতে তার নাম রওশন হতে থাকলেও তার রহমতের মেওয়া সবটুকই পড়ে ধনীদের পাতে । মা’র পরনের কাপড় শতছিন্ন । ঘরে কারো ভাল পরিধেয় অবশিষ্ট নাই আর । সবাই আমরা হটাৎ কেমন করে জানি বড় হয়ে গেছি ! বাবার অসহায়ত্বের কথা বুঝি ! নিজ নিজ প্রয়োজন গুটিয়ে রাখি । মা-বাবাকে জানতে দিইনা ।
- এত অসুবিধার মাঝেও বাবার ঠোঁটে হাসি কিন্তু লেগে থাকে । সুযোগ পেলে মাকে ক্ষ্যাপাতে চেষ্টা করেন । একদিন করলেন কি ! টি সি বি ‘র এক খান শাড়ি নিয়ে এলেন । সোজা মা’র কাছে গিয়ে বল্লেন, দেখত গিন্নী ! একেবারে খাঁটি মসলিন ! তোমাকে আমার শেষ উপহার ! ভারত থেকে আমদানীকৃত এই শাড়ি গুলা এত নিম্ন মানের ছিল যে এ গুলো নিয়ে দুষ্টুরা গান বেঁধেছে ইতিমধ্যে । ‘ মরি হায়রে হায় ! দূঃখে পরাণ যায় ! টি সি বি’র শাড়ি পরলে সোনার বাংলা দেখা যায় ! মরি হায়রে’ ----ইত্যাদি । মা গেলেন ভিষণ রেগে ! হ্যাঁচকা টানে বাবার হাত থেকে শাড়িটা কেড়ে নিয়ে সোজা ছুঁড়ে মারলেন বাইরে । আমরা হতবাক ! মা কখনো এমন ব্যবহার করেন না ।
- আল্লা আল্লা করে সে দুঃসহ দিন গুলো পেছনে ঠেলে একটু একটু করে আগাতে থাকি আমরা । মা’র দোয়া, বাবার অসম্ভব সুন্দর হাসি আমাদের প্রেরণা দেয় ! ইতিমধ্যে অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে বিদেশ চলে এসেছি দু’ভাই । বোনদের সবার বিয়ে হয়ে গেছে । মা-বাবা আমার কাঁধেও একজনকে চড়িয়ে দিয়েছেন । তিনি আবার নিয়ে এসেছেন এক ফুল পরীর ছা, আমার বড় মেয়ে সুমি । বাবাকে এখন আর পায় কে ! সারাক্ষণ মা’র পেছনে লেগে থাকেন । সুমিকে আদর করতে করতে মাকে দেখিয়ে বলেন, ‘বউ তুমি এখন আপন রাস্তা মাপ ! এক ঘরমে দো পরী ! কভি নেহি, কভি নেহি ! ছোট্ট সুমি বাবার কোলে বসে বাবার দাঁড়ি টানে, চুল টানে, কান টানে ! হাসতে হাসতে মা’র পেঠে খিল ধরে যায় । বউয়ের চিঠিতে সব বৃতান্ত উঠে আসে । পড়ে আমরা দু’ভাইও গড়া গড়ি খাই ।
- আর হ্যাঁ সেই বিখ্যাত মসলিনটির কথা ! বউ লেখে, শাড়িটা নিয়ে মা’র সাথে বাবার খুনসুটি আরো বেড়েছে । ঈদ বা কোন উপলক্ষ এলে বাবা শাড়িটা বের করে ন্যাকা ন্যাকা গলায় মাকে সাধেন ! বলেন, সোনা বরু, (সোনার বরণ গায়ের রঙ বলে বাবা এই নামেই ডাকতেন মাকে । দুর্ভাগ্যবশত একই নামের একটি শিশু ক্ষুধার জ্বালা সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে ক’দিন আগে ! আহারে ---) আমার শেষ উপহারটা একটু পরে দেখাওনা লক্ষীটি ! চোখ দুটো জুড়িয়ে নিই ! পরাণটা শীতল করি ! মা কপট রাগে চোখ টাটান । বাবা হাসেন তার প্রাণ ঢালা সে হাসি । সবাই হাসে । মা ও ।
- ৮৬ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি আমার সে হাসি খুশি বাবা চলে যান, না ফেরার দেশে । একেবারে নীরবে, ঘুমের মাঝে । মুখে হাসিটা তখনো লেগে আছে ।
- বউ ঝি’রা মাতম করছে, মোল্লারা তেলাওয়াত্ করছে আর পড়শিরা করছে বাবার অন্তিম যাত্রার আয়োজন । আমার সুমি একে একে সবাইকে জিজ্ঞেস করছে তার দাদা ভাইর কি হয়েছে ! চোখ মেলছেনা কেন ? সবাই কাঁদছে কেন ? কারো কাছে উত্তর নাপেয়ে তার আব্বুকে এসে ধরে সুমি । আব্বু তুমি বলনা আব্বু !
- এ অবুঝকে কোলে নিয়ে হঠাৎ মা’র কথা মনে পড়ে আমার । মা মা বলে দৌঁড়াই । তার ছোট রুমটিতে জায়নামাজ পেতে বসে আছেন মা । দুই চোখে দুই কর্ণফুলী আর বুকের কাছে ধরা বাবার সেই বিখ্যাত মসলিনটি !





আহারে!মনটা খারাপ হলো ।
ওয়েল.. টাচি একটা লেখা।
কিন্তুক আমার খটকা ঐন্যহানে। যুদ্ধ করছেন বইলা আপনে কি কখনো রিপেন্ট করেন?
১) দেখুন ! আমি একটু বোকা টাইপের মানুষ ! কোন সত্যটা চেপে গেলে বা কোন মিথ্যাটা হজম করে লিখলে বিতর্কিত হবোনা তা বুঝতে পারিনা । মেজকে নিয়ে লেখা কথা গুলো যদি আপনার প্রশ্নের কারণ হয়ে থাকে তাহলে অনুরোধ করবো সম্ভব হলে সে সময়ের প্ত্র পত্রিকা গুলো একটু ঘেঁটে দেখুন , দেখবেন কি দুঃসহ বঞ্চনা, যন্ত্রণার মাঝে নিপতিত হয়েছিল তখনকার তারুণ্য ! কেন নির্মিত হয়েছিল ‘আবার তোরা মানুষ হ’ ! কেন রচিত হয়েছিল ‘ভাত দে হারামজাদা’ র মত কবিতা বা ‘রক্ত দিয়ে কিনলাম শালার এমন স্বাধীনতা'র মত ছড়া !
২) ঢাকা ভার্সিটির প্রথম রাজনৈতিক হত্যা কান্ড ‘সেভেন মার্ডার’ যেদিন হয়েছিল, বাংলাদেশের আকাশ বাতাস, গাছ পালা অঝোরে কেঁদেছিল সেদিন ! একটা কবিতা লিখেছিলাম ! খুঁজে পেলে এবিতে দেব !
৩) আজকে সামাজিক মূল্যবোধের যে চরম অবক্ষয় তার শুরুসাত কিন্তু হয়েছিল স্বাধীনতার অব্যবহিত পর থেকে । এর জন্য আমরা সবাই দায়ী ! কিন্তু যারা ছিল চূড়ায় তাদের কাঁধে দায়িত্বহীণতার দায়িত্ব চাপালে কারো মুক্তিযুদ্ধে যোগদান রিপেন্টেড হয়ে যাবে ! কেন ?
৪) নিশ্চয় মানবেন সত্য অনেক সময় কল্পনা থেকে বিষ্ময়কর ! এবং আমার এলেখাটি কোন কলপনা বা গলপ নয় ।
ভাল থাকুন । মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ !
আপনার বাবা-মা'র জন্য শুভকামনা। তারা যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন; এই কামনা।
আর আপনারে তো আমি বলছিই, লেখালেখি চালু রাখেন খালি।
মা বাবাকে খুবই মিস করি মীর ভাই !
এগুলো গল্প হলেই ভালো ছিল। বাস্তব মানতে কষ্ট হয়। এখন ভালো আছেন জেনে ভালো লাগলো
খুব একটা ভাল নেই বোন । দেশের সার্বিক অবস্থা্ পত্র পত্রিকা, ব্লগ ইত্যাদি ঘেঁটে যত টুক জানা যায় তাতে তো ভাল থাকার কথা না সচেতন কোন দেশ বাসীর ! কোথায় যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আমাদের প্রিয় দেশটিকে ! এই জনমে সম্ভবত দেশের ভাল কিছু দেখে যেতে পারবোনা ! ২২ রাক্ষসে লুটে পুটে খাচ্ছিল পাখি আমলে , আর এখনতো ২২ হাজার স্বদেশী খোক্ষস ! টিকে থাকবে বাংলাদেশ ?
ভাই, যুদ্ধ পরবর্তী কিছু ঘটনা লিখুন।
অনেকে অনেক কথা বলবে কিন্তু তখন যা দেখেছেন, তাই লিখেন। আমরা ৭৫ পরবর্তী প্রজন্ম অনেক কিছুই জানিনা।
যুদ্ধ পরবর্তী অবস্থা গুলো আমরা ভালো করে শুনতে পাই না । কেউ বলে - তখন ছিল স্বর্নযুগ তো কেউ বলে জঘন্য অবস্থা। অবস্থা আসলেই কেমন ছিল, সেটা আপনার স্মৃতি থেকে ব্লগের পাতায় নিয়ে আসুন।
সাঈদ ভাই,
আজকে যারা আমাদের ইতিহাস নিয়ে লেখা লেখি করেন তাদের এক গ্রুপের লেখায় ৭২ থেকে ৭৫ এর ইতিহাসের অনেক কিছুই উঠে আসেনা অথবা শুধু ভাল গুলোই লেখা হয় বা সবকিছুই ভাল বলে সার্টিফাইড করা হয় । বিপরীতে অন্য গ্রুপের লেখায় শুধু খারাপ গুলোই স্থান পায়, ভাল গুলো একদম হজম । আসলে সময়টা ছিল অসম্ভব অস্থির । জাতির বড় দূর্ভাগ্য যে ৭১ এর একতা ও ধরে রাখা যায়নি । এর কারণ ও অনেক । আমার মতো অতি সাধারন একজন, ৭৮ এর পর যার পুরো জীবনটাই কেটেছে দেশের বাইরে, নব প্রজন্মের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা কতটুকুইবা হতে পারে । তবে নিজে যতটুক জানি নির্মোহ থেকে লেখার চেষ্টা করবো ।
মনতব্যের জন্য ধন্যবাদ !
আগে "নাজমুল হুদা" ভাই পুরনো দিনের কথা লিখতেন ব্লগে । অনেক কিছু জানতে পারতাম । ভালো লাগতো সেই লেখাগুলো । এখন আপনাকে পেয়েছি আমরা । অনেক সত্য ঘটনা জানবো, অপেক্ষায় থাকলাম ।
লেখা ভালো লেগেছে ।
সত্য কিন্তু অনেক সময় খুবই তিক্ত । চেনা জানা অনেক কিছুই উলট পালট হয়ে যায় । আমার সাধ্য মত চেষ্টা থাকবে । ধন্যবাদ ।
বেশি মিষ্টি খাইতে খাইতে বাঙ্গালির ডায়াবেটিস হয়ে গেছে । তিতার দরকার আছে ।
আশা করি আপনার দেখা বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে আমাদের সামনে তুলে ধরবেন। ইতিহাস সম্পর্কে আমাদের জানানোর জন্য আপনার চেষ্টা সফল হোক।
চেষ্টা থাকবে । ধন্যবাদ ।
আপনার বাবা-মা'র জন্য শুভকামনা।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ । ভাল থাকুন ।
মন্তব্য করুন