ইউজার লগইন

সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- এর "পালামৌ"

যেকোন ভ্রমনকাহিনীতে একটা জায়গা সম্পর্কে লেখকের অভিজ্ঞতা, এলাকার মানুষজন, পারিপার্শ্বিকতার সাথে তার একাত্নতার কথা থাকে লেখাটা জুড়ে। তেমনি ভেবেই সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘পালামৌ’ পড়া শুরু করলাম। ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে বিজন বন এলাকা ‘পালামৌ’এ লেখককে যেতে হয়। পাহাড়ী ঐ এলাকায় একাকীত্বের বসবাস দুঃসহ মনে হওয়ায় যদিও তিনি ফিরে আসেন ওখান থেকে কিন্তু খারাপ লাগাটার পরিবর্তে আশপাশ ঘেরা সৌন্দর্যতাই এসেছে তার লেখায়। গল্পটা তিনি লিখেছেন পালামৌ ছেড়ে আসার অনেক পরে, তাই খানিকটা স্মৃতিতর্পন জাতীয় লেখা।

ভ্রমণকাহিনীগুলো অধিক ক্ষেত্রেই হয় দিনলিপি বা বর্ণনা টাইপ। কিন্তু পালামৌ একদম অন্যরকম। লেখক শুধু বর্ণনা করার খাতিরে কিছু করছেন না, অনুভবের প্রকাশটা খুব সুন্দর। ছোট্ট একটা বই, সাধু ভাষার কিন্তু তবু সুখপাঠ্য।

আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রকাশনা যখন শুরু করেন, প্রথম বই কোনটা প্রকাশ করা হবে এটা একটা চিন্তার ব্যাপার ছিলো। বিশ্ব সাহিত্যের কতো সেরা সেরা বইয়ের মধ্যে কোনটাকে বেছে নেওয়া হবে প্রথম বই হিসেবে? স্যার বেছে নিলেন এই বইটা। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রথম প্রকাশিত বই পালামৌ।

আরেকটা ইনফর্মেশন হয়তো অনেকে জানেন না, এই বইয়ের লেখক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের এক দিকপাল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আপন বড় ভাই।

অনেকদিন পর সাধুভাষায় লেখা বই পড়লাম তাই গড়গড়িয়ে নয়, ধীরেসুস্থে পড়া হলো।
লেখকের কথায়, সাধুভাষা নিয়ে অনেক সাধুদের গৃহিণীদের মত হলো, “সাধুভাষা অতি অসম্পন্ন; এই ভাষায় গালি চলে না, ঝগড়া চলে না, মনের অনেক কথা বলা হয় না”।
কোন সাধুর গৃহিণী না হলেও আমারও এই মতামত।

লেখক কিছু কিছু অপ্রচলিত শব্দ যেমন, পলান্ডু=পেয়াঁজ, রম্ভা=কলা, লম্বোদরা=সর্বাপেক্ষা বয়োজ্যেষ্ঠা, সামকনামা=দাসখত ইত্যাদি ব্যবহার করেছেন, শুধু শব্দগুলো্র অর্থ জানাননি, তা সংশ্লিষ্ট একটা গল্পও উল্লেখ করেছে। মজার লাগল এটাই যে, সেই গল্পগুলোর পালামৌ এলাকার সাথে কোন সম্পর্ক নেই, কিন্তু লেখক তা জানিয়ে দিচ্ছেন, ঠিক যেন আড্ডায় বলা গল্প, এক পথ থেকে ছুটে চলছে অন্যদিকে। লেখক যে ব্যাপারটা খেয়াল করেন নি তা নয়, কিন্তু মনের আনন্দে লিখতে লিখতেই যেন গল্পগুলো চলে এসেছে, আর এলোই যখন তবে কেনই বা তারে কাটাকাটি। এমনটা বেশ ক’বারই হয়েছে লেখায়, তা নিয়ে লেখকের সরল স্বীকারোক্তি আরো মজার, যেমন

“এই কয়েক ছত্র লিখিয়া অনেককে জ্বালাতন করিয়াছি, আর বিরক্ত করিব না। এবার ইচ্ছা রহিল মূল বিবরণ ভিন্ন অন্য কথা বলিব না, তবে যদি দুই একটি অতিরিক্ত কথা বলিয়া ফেলি তাহা হইলে বয়েসের দোষ বুঝিতে হইবে”

আবার

“এসকল কথা যাউক, অনেকের নিকট ইহা শীবের গীত বোধ হইবে, কিন্তু এ বয়েসে যখন যাহা মনে হয় তখনি তাহা বলিতে ইচ্ছে যায়; লোকের ভালো লাগিবে না, একথা মনে তখন থাকে না, যাহাই হউক, আগামীবার সতর্ক হইব”

পালামৌতে প্রধানত ‘কোলে’ নামক বন্যজাতির বসবাস, যারা খাটো আর বেটেঁ। ওই প্রজাতি দেখতে কুৎসিত নাকি রুপবান সেটা বলতে গিয়েই লেখক লিখেছেন বাংলা সাহিত্যের বহুল স্মরনীয় উক্তি, “বন্যরা বনে সুন্দর; শিশুরা মাতৃক্রোড়ে”। কারন অনত্র দেখা কুৎসিত কোলে’রাই তাদের স্বদেশে লেখকের কাছে সর্বাপেক্ষা রুপবান মনে হয়েছে।

পাহাড় নিয়ে নানান ঢঙের নানান বর্ননা পুরো বই জুড়ে। “পালামৌ পরগনায় পাহাড় অসংখ্য, পাহাড়ের পর পাহাড়, তাহার পর পাহাড়, আবার পাহাড়। যেন বিচলিত নদীর সংখ্যাতীত তরঙ।” পালামৌ’র এলাকাবাসীর সাথে লেখক নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা খুবই কম উল্লেখ করেছেন, একটা বাঘ শিকার, সেখানকার ‘কোলে’ উপজাতির এক বিয়ের আর নাচের অনুষ্ঠানের অংশেই যেটুকু, কিন্তু সেটা তার পাহাড় বন্দনা আর কোলে উপজাতির বর্ননার কাছে সামান্যই। বইয়ে বাঘ শিকারের শুরুতে ভাবলাম রোমাঞ্চকর কোন গল্প পাবো। ওম্মা, আটঘাট বেধেঁ শুরু না হতেই শেষ হয়ে গেলো বাঘ শিকার! ঘুমন্ত বাঘ বিশালাকার পাথর দিয়েই কুপোকাত!

তবে বইয়ের প্রতিটা অংশেই লেখক নিজের কিছু দারুন ভাবনা তুলে ধরেছেন, বাঘ শিকারও বাদ যায়নি তা থেকে। এক্ষেত্রে সঙ্গী পাহাড়ী যুবকের সাহস সম্পর্কে বলেছেন, “যে বিপদ না বুঝে সেই সাহসিক। জংলীদের মধ্যে অদ্যাপি দেখা যায় সকলেই সাহসী; হেতু ফলাফল বোধ নাই। সভ্যতার সঙ্গে সঙ্গে সাহসের ভাগ কমিয়া আইসে, পেনালকোড যত ভালো হয় সাহস তত অন্তর্হিত হয়”।

বইটা পড়তে যখনই মজা লাগার পরিমান বাড়তে লাগে তখনই যেন ঝুপ করেই শেষ হয়ে গেলো লেখকের গল্পের ঝাপিঁ। পালামৌ নিয়ে গল্পের জন্যে একটা অতৃপ্তি লাগলেও বইটা পড়ার পর দারুন লাগে।

পোস্টটি ১৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

সাঈদ's picture


আপনার পুরা লেখা না পইড়াই কমেন্ট করলাম। Laughing out loud

জেবীন's picture


একে সত্তুর, মানে একটা দান করবেন সত্তুরটা কমেন্ট থুক্কু নেকি বাড়বো, এই আশায় না পইড়াই কমেন্ট করলেন নাকি? Tongue out

হাসান রায়হান's picture


বইটার নাম শুনছি অনেক পড়া হয় নাই।

জেবীন's picture


আমি গিফট পাইছি এবার বইমেলাতে, তার আগে নামও শুনি নাই...   বইটা পড়ে দেখেন ভালো লাগবে, ধরনটাই অন্যরকম গল্পটার   Innocent

টুটুল's picture


গড়গড়াইয়া পড়লাম Smile ... তুমি যে ক্যান নিয়মিত লেখনা ... বুঝিনা Sad

জেবীন's picture


তাও ভালো কন নাই যে গড়াগড়ি দিয়া পড়লাম Smile

নিয়মিত লিখতে পারলে তো লিখতামই....  পারি না কি করমু Frown

নজরুল ইসলাম's picture


বইটা পড়েছি অনেক বছর আগে। খুব সুন্দর একটা ভ্রমণ কাহিনী। ভ্রমণ কাহিনী যে এতো সুন্দর হতে পারে তা আগে জানতাম না। আমার পড়া সেরা ভ্রমণ কাহিনী।

ভ্রমণকাহিনীগুলো অধিক ক্ষেত্রেই হয় দিনলিপি বা বর্ণনা টাইপ। কিন্তু পালামৌ একদম অন্যরকম। লেখক শুধু বর্ণনা করার খাতিরে কিছু করছেন না, অনুভবের প্রকাশটা খুব সুন্দর। ছোট্ট একটা বই... সাধু ভাষার... কিন্তু তবু সুখপাঠ্য।

আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রর প্রকাশনা যখন শুরু করেন, প্রথম বই কোনটা প্রকাশ হবে এটা একটা চিন্তার ব্যাপার ছিলো। বিশ্ব সাহিত্যের কতো তাবড় তাবড় সেরা বইয়ের মধ্যে কোনটাকে বেছে নেওয়া হবে প্রথম বই হিসেবে?
স্যার বেছে নিলেন এই বইটা। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রথম প্রকাশিত বই পালামৌ।

আরেকটা ইনফর্মেশন হয়তো অনেকে জানেন না, এই বইয়ের লেখক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের এক দিকপাল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আপন বড় ভাই।

এই বইটা এখন কাউকে পড়তেই দেখি না, আলোচনা তো দূরের। আপনার লেখার শিরোনামটা পড়েই তাই আর রইতে পারলাম না, ব্যস্ততার গুল্লি মেরে পড়ে নিলাম।

দারুণ লিখেছেন

জেবীন's picture


নজুভাই, আপ্নের এই মন্তব্যটা না থাকলে লেখাটাই অসম্পূর্ন থাকতো, লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভাই এটা জানতাম, কিন্তু বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রথম প্রকাশিত বই পালামৌ এটা জানতাম না.।.।।। আমি এমনিতেই গুছায়ে লিখতে পারিনা, তার উপর সেটা আবার কোন বইয়ের রিভিউ বলে কথা, এটাই বলতে চাইছিলাম যে গল্পটা ডাইরী জাতীয় নয় অনুভবের একটা সুন্দর প্রকাশ .।.।।

ধন্যবাদ

জেবীন's picture


আপ্নের দেয়া তথ্যগুলো জুড়ে দিয়ে পোষ্টটা আপডেট করলাম। Smile

১০

মানুষ's picture


বইটা পড়ি নাই, তাই বইয়ের বর্ণনা ভাল না মন্দ হইছে বলতে পারছি না Stare

১১

জেবীন's picture


চোখ পাকাও কেন!!.......  Undecided 

১২

জ্যোতি's picture


গড়গড়াইয়া পড়লাম Smile ... তুমি যে ক্যান নিয়মিত লেখনা ... বুঝিনা Sad

১৩

জেবীন's picture


কপি-পেষ্ট ভালানা....

Smile

১৪

শওকত মাসুম's picture


পালামৌ অন্যরকম একটা বই। নিয়মিত লেখো।

১৫

কাঁকন's picture


বইটা পড়তে মন চাইতেসে Sad

১৬

জেবীন's picture


পইড়া ফেলো.......  মজা পাবা

১৭

বাফড়া's picture


চমতকার রিভিউ হইসে ... ভাল্লাগসে পইড়া Smile ...

এই বইটা পইড়া এত আনন্দ পাইছিলাম বলার মত না ... বইটা পইড়া এতই মুভড হইছিলাম যে একবার ডিসিশান নিছিলাম আমি বাড়ী বানাইলে বাড়ীর নাম রাখুম পালামৌ Smile

১৮

জেবীন's picture


কাজী'সাবের মন্তব্যটা দেখছো?.     ধরো বাড়ির নাম রাখছো পালামৌ, আর মেয়ের নাম মৌ, তাইলে তোমার মেয়ে ঘর পালাইলে কিছু বলতে পারবা না, কারন বাপেই তো তারে বলে রাখছে .......   "পালা মৌ, পালা"  Laughing

১৯

জেবীন's picture


ছবি চেঞ্জ করলা কেন?.......  দেখতাম নাম ছবি পাল্টাইলে কে কে চিন্তে পারে....   Innocent  আর, প্রোফাইলের লেখাও পাল্টাইলা কেন...  উদ্ধৃতিটা কার ছিলো? পছন্দ হইছিলো...      পিচকা জুনিয়র'রে জুনিয়র না বললে কি বলা হবে -  জোন্সভাই? Tongue out

২০

সোহেল কাজী's picture


পরথমে শিরোনামে মনে করলাম পালামৌ = মৌ তুই দৌড়ের উপ্রে থাক।
মাগার পোষ্ট পইড়া দেখি অন্য কেইছ Angry

এই বইটা পড়া হয় নাই। তবে রিভিউ পইড়া বইটা পর্তে ইচ্ছা করতেছে। Smile

২১

জেবীন's picture


মৌ পালানি'র কথা দারুন বলছেন, ইন্ডি'র তো কপালে খারাবী আছে ওমন কিছু হইলে.... Laughing 

পড়েন, বইটাতে মজার আছে, পড়ে মজা যেন পাওয়া যায় তাই তেমন উল্লেখ করিনি ওইসব ....

২২

নরাধম's picture


এইসএসসি'তে থাকতে পড়েছিলাম, খুবই ভাল লেগেছিল। "লোটাকম্বল" ও সন্জীব চট্টোপাধ্যায়ের না?

এইসএসসি'তে পড়া মনে দাগকাটা বইয়ের মধ্যে এটা একটা। সবচেয়ে বেশি দাগ কেটেছিল যাযাবরের "দৃষ্টিপাত"। এখন ভাল বইগুলোও সেরকমভাবে ভাল লাগেনা কেন জানি।

২৩

নজরুল ইসলাম's picture


এই সঞ্জীব সেই সঞ্জীব না। ইনি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বড় ভাই

২৪

নরাধম's picture


মানে পালামৌ-এর সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আর লোটাকম্বল-এর সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় ভিন্ন লোক? আমি এতদিন দুজনকে একই মনে করে আসছিলাম!! Smile সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় যে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বড় ভাই সেটা অবশ্য পালামৌ পড়ার সময়ই বন্ধুদের কাছ থেকে শুনেছিলাম।

২৫

জেবীন's picture


লিখতে গিয়ে নাম ভুল করে কারে কে বানায়া ফেললাম!!   Frown  বেখেয়ালীপনার নমুনা!

নজু'ভাইরে ধইন্যাপাতা! Innocent 

২৬

আরাফাত শান্ত's picture


পড়ি নাই তো!
জগতের কতো কিছু অপঠিত থাইকা গেলো:(

২৭

তানবীরা's picture


অনেক নাম শুনেছি বইটার। এবার তোমার কাছ থেকে নিয়ে এসে পড়ে ফেলবো।

বুদ্ধদেব গুহের বইগুলোতেও প্রকৃতির সুন্দর বর্ননা থাকে। এস।এস।সির সময় বাবলী, কোয়েলের কাছে, একটু উষনতার জন্য বইগুলো অনেক বার করে পড়েছি।

লেখা লাইকর্কলাম।

২৮

জেবীন's picture


অবশ্যই নিয়েন, দেখাতো হবেই, ইদানিংতো আপ্নের বাসার কাছেই আড্ডা বসে আমাদের, সেদিন নজুভাই দেখাইতেছিলো আপ্নের বাসা কোনটা, আর আড্ডা দেয়াতে আপ্নের সুখ্যাতি জানাচ্ছিলেন...   Innocent

 সঞ্জীনচন্দ্রের লেখাটা একরকম সুন্দর, কিন্তু বুদ্ধদেব গুহের প্রকৃতি বর্ননা মারাত্নকের উপরেও বেশি ভালো লাগে,  Smile      "কোয়েলের কাছে"  পড়িনি,   Frown

২৯

নজরুল ইসলাম's picture


সঞ্জীনচন্দ্রের

এইবার মাইর দিতে হইবো... লেখকের নাম ভুল

৩০

তানবীরা's picture


আমার বাসা কিংবা রবীনদর স(র)বর যেটা চাও

৩১

নজরুল ইসলাম's picture


সঞ্জীনচন্দ্রের

এইবার মাইর দিতে হইবো... লেখকের নাম ভুল

৩২

জেবীন's picture


আসলেই মাইর দেয়া উচিত আমারে,  মাইর খাইলেই ঠিক ভুল করতাম না, আমি বানানের খেয়াল রাখার চেষ্টা করি, কিন্তু এবার যা করলাম......   Undecided    প্রথমবার বেখেয়ালে ভুল হইছে, এবার টাইপিং মিস্টেক!! N আর B দু'টা কাছের কারনে "ব"'রে "ন" বানায়া ফেলছি...  Frown 

৩৩

মীর's picture


কাজীদা'র মতোই ভাবছিলাম মৌ তুই দৌড়ের উপ্রে থাক। পরে দেখি না, ঘটনা ভিন্ন।

আপু আপ্নের রিভিউ লেখাও ভালো পাইলাম।

৩৪

অতিথি's picture


প্রকাশকাল বলতে পারবেন? এইটা কি বাংলাসাহিত্যের প্রথম ভ্রমণকাহিনী?

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.