দাওয়াতকথণ এবং অতঃপর
লোকজন দাপাইয়া বেড়াইয়া দাওয়াত খায়, খালি আমরা কালেভদ্রে দাওয়াত খাইতে গেলেই নানা মুনি’র নানান মত দেখা যায়। কত কিসিমের দাওয়াতই তো হয়, গিয়েছিলাম এককিসিমের বাড়িতে দাওয়াতে। পিচ্চিকালে একবার গিয়েছিলাম ওইবাড়ি’র একই ধাচেঁর দাওয়াতে। তখন উপলক্ষের পাত্র ছিলো বাপ-জ্যাঠা এবার পুত্রের পালা। সেবারও অনেক হাঙ্গামা-উৎসব হয়েছিলো, সবটা মনে নাই। তবে মনে আছে সেইবার খুব সাজগোজ করে দু’ভাই টুকটুকা জামাই সেজে টমটম গাড়ি করে এসেছিলো, কার যেন কোলে চড়ে স্টেজে এসে বসেছিলো সারাটাক্ষন, উইদাউট নড়নচড়ন! যাক, সেই মেমোরী রিকল করার জন্যে কিবা নতুন ধাচেঁর হাঙ্গামা অথবা বদলে যাওয়া দেখার জন্যেই হোক এবার গেলাম।
দিনবদলের সাথে দেখলাম অনেক কিছুই বদলে গেছে। এবার ভেন্যু চেইঞ্জ হয়ে বাসার ছাদের বদলে কমিউনিটি সেন্টারে চলে এসেছে, ঘোড়ার গাড়ির বদলে নতুন মডেলের মোটরগাড়ি, আর সবচেয়ে বড় কথা হইল, উপলক্ষের দিনক্ষন একদিনের বদলের একমাস হয়ে গেছে। বলাই বাহুল্য উপলক্ষের তরিকাও পাল্টেছে স্থান ঘরের বদলে হাসপাতাল। মাবুদ জানে আর কি কি পাল্টছে!!
যাক, মূল কথায় আসি। এতোক্ষনে যা অনুমান করছেন তাই সঠিক, দাওয়াত দেনেওলা’রা বিকট মাত্রায় পয়সা দেখানিওলা। ইদানিং যেখানে চিকিৎসার উন্নয়নের বদৌলতে দু’ঘন্টায় কার্যসমাধা হয়, সেখানে তাদেরকে নাকি ৭দিন থাকতে হয়েছিলো ল্যাবএইডে! দেরি করে কমিউনিটি সেন্টারে পৌছেঁ দেখি বিশাল কায়কারবারে স্টেজ সাজানো আর যথারীতি জামাই সাজায়ে রাখা হইছে পুত্রধনকে, নতুনত্ব যোগ হইছে এই, যে মা-বাবাও রাজারানী টাইপ সাজ দি্যে বসে আছে! খুবই আফসুস লাগছে কেন ক্যামেরা নিয়ে এলাম না। আগেই বলেছি যে বাপ-জ্যাঠা’র আমলের তামাশার কথা তেমন মনে নাই, এবার দেখলাম প্রজেক্টর লাগাইয়া রাখছে, যাতে ৩বছরের ছেলের জন্মাইবার পর থেকে প্রতি ঘটন-অঘটনের ভিডিও দেখানো হচ্ছিল। খাবারের প্লেট সামনে নিয়ে ঘাড় কাত করে ভিডিও দেখতে দেখতে মনে হলো, সর্বনাশ! এরা যে হারে সব মূহুর্তের ভিডিও দেখাচ্ছে, তবে কি এই উপলক্ষের ঘটনাও দেখায়ে দিবে নাকি!! কি মারাত্নক ব্যাপার! পোলাটার জীবনে প্রাইভেসি বলে কিছু কি থাকবে না নাকি? এই আতঙ্ক নিয়ে ভিডিও দেখতে দেখতে একসময় হাপ ছেড়ে বাচঁলাম যে নাহ, ওই সিন নাই!
এইসব হামবড়া ভাব দেখে মজাই পাচ্ছিলাম ততোক্ষন, কিন্তু খুবই বিরক্ত হয়েছি যখন ভিডিওটাতে এক পর্যায়ে দেখলাম হাসপাতালে নেবার আগে বাচ্চাটাকে বিয়ের আগে যেমন গায়েহলুদ হয় তাই দেয়া হচ্ছে নাচগান করে, চন্দন-হলুদ ঘষে, তাও মানলাম, কিন্তূ এরপর তারা বড় বাথটাবে দুধ ঢেলে তাতে গোসল শুরু করলো। এই পর্যায়ে বাচ্চা’র দাদী আমাদের জানালেন, আধ-মন দুধ লেগেছে ওই গোসল দিতে! এই একই প্রকারের গোসল দেয়া হয়েছে আবারও দাওয়াতের দিন সকালে! এবার জিজ্ঞাসা করলাম, “খালাম্মা, এইটা দুধের অপচয় হইলো না?” অবাক হয়ে উনি আমার বেরসিক মার্কা কথা শুনে বললেন, “আরে, এটাতো ওর নিজের(বাচ্চাটা’র) নামের ডেইরী’র দুধ, একদম খাটি। আর নষ্ট কই হলো, ওকে পুত-পবিত্র করানো হইলো না এতে!” 
ভাবগতি শুনে যে কারোরই লাগতে পারে এটা কোন পুরানঢাকার এলাকার কোন বাড়ির ঘটনা, কিন্তু তা না। মতিঝিল এলাকার কাহিনী এটা। যাক, বিরক্তির পাশাপাশি জ্ঞানও আহরণ করেছি এই দাওয়াতে গিয়ে, যেটা আসলেই মজার লেগেছে। একই ধরনের শব্দ কিন্তু নানান অর্থ হয়, এটা আমরা জানি ইংরেজীতে হয়, বাংলাতেও হয়ত হয়, তবে আমি জানি না। তেমনি শিখলাম কিছু শব্দ, তবে নোয়াখালী’র ভার্সনে! ইংরেজীতে আমরা জানি শুনতে প্রায় কাছাকাছি লাগে,Hair=চুল।
Hear=শুনতে পাওয়া।
Hire=ভাড়া করা।
Heir=উত্তরাধিকারী।
Here=এখানে।
আর বাংলা নোয়াখালী ভার্সন জানলাম,
হারি গেছে= হেরে গেছে।
হরি গেছে= সরে গেছে।
হঁরি গেছে= সযত্নের তুলে রেখেছে।
হারী গেছে= ভুলে গেছে।
হাঁরী গেছে= সংকুচিত হয়েছে।
হিরি গেছে= অস্বীকার করেছে।
যাওবা এদ্দিনে লিখলাম একটা শিক্ষনীয় পোষ্ট, কিন্তু ক্যাটাগরীতে নাই বলে ব্লগরব্লগর ক্যাটাগরীতেই দিলাম!!! 





মডু/ ডেভু'র কাছে দাবি করেন, শিক্ষা-দীক্ষা, টিউটোরিয়াল, জ্ঞানী পোস্ট নামের ক্যাটাগরি রাখতে!!
সেটাই, শিক্ষাদীক্ষা, টিউটোরিয়াল, আর জ্ঞানী তিনটা আলাদা ক্যাটাগরীর হতে হবে, নইলে মাসুমভাই যেহারে শিক্ষামূলক পোষ্ট দেন, ওইটারে টিউটোরিয়াল ভেবে পোলাপান বারবার উনার কাছে স্টেপ বাই স্টেপ জানতে চাইবে! উনার হাল তো বেহাল হইয়া যাবে!
মাসুম্ভাই বেহাল হবেন না, স্টেপ বাই স্টেপ বর্ণনায় উনার ব্যাপক আগ্রহ
জ্ঞানী গুনীদের পোস্ট পইড়া অনেক কিছু শিখি!
আরো চাই টিউটোরিয়াল মার্কা পুষ্ট
নোয়াখালীর অংশটা পড়ে মজা পেলাম। পোস্ট পছন্দ হইসে।
ওই কথাগুলা উদাহরন সহ শুঞ্ছিলাম, অনেক মজা লাগছে আমারও ...
ব্যাপক কাজ কারবার দেখা যায়....পোলার খাৎনাতেই এত কার্বার, বিয়ার সময় আর কি করবো নে?
তয় এতকিছুর মাঝে, খাওয়া কি আছিলো, সেডাই পাইলাম না....কোনো দাওয়াতের খাওয়ার বিবরন না পাইলে কিরাম উচাটন লাগে-------
খাৎনার প্রোগ্রামে দুধ দিয়া শুদ্ধ বা পবিত্র করা, বিষয়ডাতে যে দুইডা ধর্মীয় কালচারের মিলন হৈলো, সেই পজিটিভ বিষয়ডা খেয়াল করা হৈলো না?আহা...
খানাও হইছে মজার হইছে সেটা আর আগ বাড়াইয়া বলি নাই... হাজী'সাবের প্রোডাক্ট। আর অবস্থা ছিলো "খাইয়া যান খাইয়া যান, ঘরের লাইগা লইয়া যান না" টাইপ, মানে দাওয়াতি যারা আসে নাই, যেমন আমাদের ঘরের ক'জন যায় নাই, তাদের জন্যে প্যাক করে করে দিয়ে দিছে!
জেবীন, আপনার পোষ্ট পড়ে বিমলানন্দ লাভ করলাম। আমি তাহলে একা না আরো অনেকেই আমার লাইনে চিন্তা করে এইটাই বিমলানন্দ এনে দিল। খতনার ভিডিও বিষয়ক আমারো কিছু মজার অভিজ্ঞতা প্লাস থিওরী আছে, সাক্ষাতে বলপো নে
মুসলমানি'র দাওয়াতে গিয়া এমন কি আ্নসেন্সরড হইল, যে সাক্ষাতে বিস্তারিত বলতে হবে? 8) জুলাইয়ের অপেক্ষায় থাকলাম তাইলে...
ডিজিটাল যুগের ডিজিটাল টাল-মাটাল অনুষ্ঠান আরকি !!!!
আমাদের মত গরীব দেশে ছোট ছোট অনুষ্ঠানেও টাকার শ্রাদ্ধ দেখে মাঝে মাঝে আফসুস খাই ।
আম্রাই না বলছি টাকার শ্রাদ্ধ, তাদের মতে এম্নে করে আত্নীয়-স্বজনের দোয়া নিতেছে তারা...
যেই অনুষ্ঠানে গেছো তার আবার ধারা বর্ণনা! ইয়া নফসি, ইয়া নফসি
যেই কুসংস্কার একটা ব্যাপার দেখলাম ওই ভিডিওতে, বাচ্চাটাকে গোসল দেবার টাইমে দু'জন এক্সপেক্টেড মা, গোসলের নিমিত্তে যেহারে দলাইমলাই করলো পিচ্চিরে, বেচারার ইজ্জত নিয়া টানাটানি ... কারন কি এটার জানতে চাইলে বললো, এতে নাকি বাচ্চা ছেলে হবার সম্ভবনা আছে!!
তাইলে বাচ্চা গোসল এর আগে কি ছিলো?????
আরে, সেই মায়েদের ভবিষ্যত সন্তান যেন ছেলে হয়, তাই অমন বিচ্ছিরি কায়কারবার শুরু করছিল তারা...
হায় হায় কন কি??????ক্লাস নাইনে থাকতে স্কুলে জামাল স্যার কি এক্স ওয়াই পড়ায়ছিলো। তাইলে কি ওই থিওরী ভুল নাকি????
ফুপু ভাতিজায় কি আলাপ চলতাছে এইখানে?
ক্লাস নাইনের জীববিজ্ঞান.।.।.।.।.।
ক্লাস নাইনে পড়ি নাই। জীববিজ্ঞান কি ভাতিজা?খায় না মাথায় দেয়?
কোলে নিয়া ঘুমায়....।
জীববিজ্ঞান কি তাই তো বুঝলাম না ভাতিজা।কোলে নিয়ে ঘুমায় কেমনে?কি যে কন না!
আমাগো সময় সব নিজে করা লাগতো......তাই কইতে পারুম না শরম করে....।
কে কইসে আমাদের দেশ গরীব? দাওয়াত অনুষ্ঠানের বর্ণনা শুনে তো মনে হলো যে আমরা আরব্য রজনীর দেশে বাস করি।
লেখা ভালো লাগছে
আসলেই, রাজারানী'র হাস্যকর ছবি তুলতে পারলে, আরব্য রজনী কারে কয় বুঝাইতে পারতাম...
পড়ার জন্যে ধন্যবাদ...
হাহাহা ভাল হইছে জেবু!
পড়ার জন্যে ধন্যবাদ
জেবীন তুমি যে সব ঠিকঠাক আছে কিনা দেখে খেয়ে এসে আবার এত সুন্দর করে আমাদের সবকিছু জানিয়েছ সেইজন্য তুমারে ধইন্যা। তুমি একটা বদ এন্ড আইলসা মেয়ে।এতদনি পরে পরে একটা পোষ্ট কেন দাও?এখন থেকে রেগুলার লিখবা।নাইলে কিন্তু---- পিছায়া যাবে।
পিছামু কেন... আমি পাশেপাশেই আছি... এক্কেরে হৃদয়ের কাছাকাছি...
শুনলাম এই ধরণের অনুষ্ঠান নাকি আরো আসতেছে
তাই নাকি? দাওয়াত কি আমরাও পাব?রায়হান ভাই কি বিস্তারিত বলবেন?
আমিও এইরুপ একখানা দাওয়াত খেয়েছিলাম। পাত্র পক্ষ হয়ে গিয়েছিলাম নারায়নগঞ্জ। যাবার পরপরই খাঁটি ঘিয়ে ভাঁজা নিমকি, ঘরে বানানো মিষ্টি।
খেতে বসে দেখি পুরো প্লেট সমান বড় রুই মাছের টুকরো ভাজা, জনপ্রতি একটা করে আস্ত মুরগির রোষ্ট, মুরগির রেজালা, খাসীর রেজালা, আর পোলাও থেকে ভেসে আসছিল ঘি এর ঘ্রান।
শুনেছিলাম অর্ডার দিয়ে সিরাজগঞ্জ থেকে ঘি বানিয়ে আনা হয়েছিল, মিষ্টি নিমকি বানানোর জন্য স্পেশাল লোক আনা হয়েছিল।
খাবারের ৮০ ভাগই নষ্ট হয়েছিল।
তয় নোয়াখালীর ভাষা শুইনা হেব্বি লাগলো।
মজাক টাইপের মজারু
:) অনেকদিন পর দেখলাম আপনাকে...
নয়া নয়া টাকাওলা পাবলিকদের দাওয়াতে গেলে খাওয়া দাওয়া ছাড়া অন্য সব কিছুই ফালতু লাগে। এদের টাকা থাকে, কালচার থাকে না আদৌ। টাকা দিয়ে সবকিছু কিনে নিতে চায় এরা। আর থাকে জবরজং পোষাক পড়া কিছু মোটা সোটা মেয়ে আর পোলাপান।
:) তবে সাজপোষাকের আর গয়নার লেটেস্ট যে কালেকশন দেখা যায়, তা নিয়া সমালোচনায় মজা করে দিব্বি সময় পার করা যায়... :D
হা হা হাহা...এইরুপ দাওয়াতে পাত্রপক্ষও থাকে? তাইলে পাত্রীপক্ষের কাজ কি??

যা শুনাইলেন সাঈদ ভাই সত্যই ফাইন....
বিলাইরে ঝাঝা।
ও বুঝছি সাঈদ ভাই এর পাত্র এক ঢীলে দুই পাখি মারছে.।.।.।.।।।একটা সুন্নত আরেকটা ওয়াজিব.।দিয়ে এক অনুষ্ঠানে হেব্বী খাওন দিসে আরেক জনের উপর দিয়া.।.।।
যা শুনাইলেন সাঈদ ভাই
)
)
)
)
বুঝা গেলো, আমি সার্থক! ... একবার দাওয়াতটার নাম বলায় আমাদের নানান মুনি'রা আমারে ক'দিন যাবত এই দাওয়াত নিয়া পচাঁনি দিতেছে, তাই ইচ্ছা করেই নামটা বলিনি...... সাঈদ'সাব মন দিয়া লেখা পড়ছেন, কাহিনীও উনার মর্মভেদ করছে কিন্তু উপলক্ষটা ধরতে পারেন নাই!! ......
বিলাইয়ের ঘিলু যে কম - আবার প্রমানিত - Proved
কেন? বিলাই কি ভুল বললো? ভাইঙ্গা বলেন...
উপলক্ষ্য ও ধরতে পেরেছিলাম , যেইটা বুঝাতে চাইছি - এরকম বিশাল ব্যাপার স্যাপার খাওয়া দাওয়া ওয়ালা প্রোগ্রাম এর কথা (সে খাত্না হোক আর বিবাহ হোক) , ভাবছি সব বুইঝা নিব।
মজা হইছে। জেবীন তো দেখি ডাইরক্টে বেহেসতে যাবা। ছুড বেলা থেকেই খালি মুসলমান দেখো।
তোমার আরও মুসলমান দেখার তওফিক দেউক আল্লাহ।
এটার একটা তাৎক্ষনিক জবাব আসিয়াছিলো, পরে ভাবিয়া দেখিলাম তাহাতে জিলাপীর প্যাচেঁ পড়ার সমূহ সম্ভবনা আছে... তাই উত্তরদান হইতে বিরত রইলাম...
চলো চিপাই যাই তাইলে। আর কেউ না জানুক, না পড়ুক, না দেখুক। জ্বিলাপির প্যাচে পড়লেও কেউ জানবো না।
এতো চিপায় যাওয়ার আর হাত টানাটানির শখ কেনু?
মাসুম ভাই, সাবধান হোন। নজরদারিতে আছেন দেখছি!
আহা কতদিন মুসলমানি খাই না। এই পোড়ার দ্যাশে কুনু মুসলমান নাই
আমার ছোড পোলার মোসলমানীতে সবতেরে দাওয়াত দিমুনে... অপেক্ষা করেন
হাহাহাহ, পোষ্ট পৈড়া ব্যাপক আনন্দ পাইলাম।
আমি নিশ্চিত পুলার মুসলমানির চিত্রধারন করা হৈছে, সেইটা আসপে বিবাহের অনুষ্ঠানে। কারন দুধ দিয়া ধোয়া পোলার হাফলেডিজ হবার সম্ভাবনা বিকট.... সো পাত্রী পক্ষরে নিশ্চয়তা....
ন্যুকেলির ভাষার লেইগা থ্যান্ক্যি, আমি ন্যুকেলির জামাই, কামে লাগপে।
আমার নিজের মুসলমানীতে অনেক মজা হইছিল
ভিডিও গেম গিফট পাইছিলাম।
মজা পাইলাম
দারুন লাগলো।এত্ত কম কম লিখো কেন?
হা হা হা
মজার
তা হাঙ্গামাই তো বটে :glasses: তবে আফনের শিক্ষনীয় পোষ্ট যথেষ্ঠ শিক্ষার উপকরন যুগিয়েছে বলে আমার ধারনা
মন্তব্য করুন