হুদাহুদাই ...... মোটেই নাহ!
আমার বন্ধুভাগ্য খুবই চমৎকার! কারুর জন্যে কিচ্ছু করতে না পারা, কিবা অনেক গুনী মানুষগুলোর ভিড়ে একদমই অকাজের আমি’টার ভাগ্যে অনেক সময় নিজেই অবাক হই। গৌতমের লেখাটা পড়ছিলাম, পড়ে লাগলো এই আন্তর্জালিক ক্ষেত্রের বন্ধুগুলো কি আষ্টেপৃষ্টেই না জড়িয়ে আছে জীবনের চলার পথে! এই মানুষগুলো কেবল কথার পিঠে কথা ছুড়ে দিয়েই নয়, কাজেও ধারেকাছেই থাকেন। হয়তো আমার গন্ডিটা ছোট্ট বলেই বলতে পারছি এমনটা।
কেবল নিজের উপরই একরকমের অভিমানের কারনে উদ্দেশ্যহীনভাবে এইখানে চলে এলাম যখন, নিজের অনেককিছুই ওলোটপালোট হয়ে আছে। আত্নীয়স্বজনের কাছেই আছি, তাই চাইলেই একে তাকে জিজ্ঞেস করে করে চলতে পারতাম আমি। কিন্তু কারুর কাছেই যেতে হল না আমার! স্কুলের বান্ধবী শাহনাজ দেখা করতে এসে জানতে চাইলো কি কি নিয়ে এসেছি কি আনিনি। পরেরদিন বরকে দিয়ে পাঠিয়ে দিলো ছোটখাট কিন্তু প্রয়োজনীয় জিনিষগুলো! যেমন ধরেন মোবাইলের চার্জার, আমাদের প্লাগের পিনগুলো হয় সাধারনত গোল আর এখানে সব সোজাসোজা! এখানে পৌছানোর পরপর সাতিল টুকটাক তথ্য দিতে লাগলো কি করে কি করবো। খুজেঁ পাচ্ছিনা, কই খুজঁবো জানতেই চাওয়াতেই দরকারী কিছু জিনিষ মেলবোর্ন থেকে পোষ্ট করে পাঠিয়ে দিলো! একলা থাকার সময়গুলোতে কি করছি, কি করলে ভালো হয় এমনি নানান কথা নিয়ে তাতা’পুর লম্বা লম্বা ই-মেইল্গুলো কি যে মনে প্রশান্তি এনে দিতো। যেকোন কিছু নিয়ে উনার সোজাসাপ্টা উত্তর সবচেয়ে বেশি ভাল লাগে! আমি মহাকম্পুজ্ঞানী(!), বাড়িতে ভাই আরো অন্যকেউ করে দিতো নানান সম্যসার সমাধান। এখানে এসে অহরই যেসব অকান্ড বাধাচ্ছি নিজের শতেক কাজের ব্যস্ততাতেও রন’কে জানালেই করে দিচ্ছে! যদিও কিচ্ছু পারি না বলে মাঝে সাজে হাল্কা ঝাড়ি দেয়! সুপারম্যনের দাবড়ানি খাওয়া রাসেল নিজের দুঃখের প্যাচালির মাঝেও নানান কথা দিয়েও মনে ভালো লাগা এনে দেন। মজার ব্যাপার হলো, এই আপন লাগা মানুষগুলোকে আমি দেখিইনি!
নিশ্চিত করে জানি জয়িতা, মুরাদ, বাফড়া, টুটুল্ভাই, এই মানুষগুলার কাছে নিজের যেকোন মনেরভাব জানানোর আগে দু’বার ভাবতে হবে না। অকপটেই তাদের কিবা নিজের সুখ-কষ্ট-চাওয়া নিয়ে যাই বলি না কেন ভিন্ন অর্থ করবেন না তারা!
মানু, রায়হানভাই, লীনা’পু, মাসুমভাই, মেসবাহভাই, নাজ, শুভ -কাউকেই লাগেনা যে দূরের কেউ। নেটে বসতে যা দেরি, আস্থার মানুষগুলো তো আছে কাছে, তাই কিচ্ছু নিয়ে কোন চিন্তায় পড়তে হয় না। একে অন্যের কষ্টে হাসি আনন্দে অনেকটাই মিশে আছেন। দুষ্টুমি হাসিঠাট্টা করে মানসিক প্রশান্তি দেয়া, কষ্টে দৃঢ় হয়ে চলার সাহস জোগানো – কি না পাই আমরা একে অন্যের থেকে। গর্ব করার অনেক কিছুইতো হারিয়ে ফেলেছি, দিন দিন ফেলছিও, খুব করে আশা করি নিজের বন্ধুভাগ্য নিয়ে গর্ব করার বিষয়টা যেন অটুট থাকে। আমরা যারা কিছু মূহুর্তের জন্যেও বন্ধু ছিলাম, সেটা সবসময়ই থাকবো। বিশ্বাস করি এটা যে, সত্যিকারের বন্ধু কখনোই হারায় না।
নানান কারনে গতবছর এইসময়টা খুব বাজে ছিলো। আব্বা-আম্মা দেশে ছিলেন না বলে ঘরপাহারাদার আমি, জোর করেই জয়িতা, টুটুল্ভাই আড্ডায় ডাকলেন। গিয়ে দেখি দারুন ব্যাপার, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সবাই বেশ সাজগোজ দিয়ে এসেছেন। গল্প, হাউকাউ আড্ডা এর মাঝে বেরুলো এক কেক! কিছু পরে জানা গেলো, সেদিন আড্ডার একজনের আগাম বার্থডে, আর দেরি করে আসা অন্যজনের শুভ জন্মদিন! কিন্তু কেক’এর উপরে লেখা কেবল আগামজনের নাম, কারন কিছুই না তৎক্ষনাত জন্মদিন’ওলা আড্ডায় আসবার আগামবার্তা পাওয়া যায় নাই বিধায় তার নাম আসে নাই!
আজকে সেই জনের শুভজন্মদিন আর নাম না আসা’ওলার একদিনবিগত জন্মদিন! শুভজন্মদিন মাসুমভাই। শুভ আর মানু’র তো আমাদের স্বাধীনতা দিবসের সাথেই জন্মদিন!

এই সেই কেক!

মাসুম্ভাই আর বৃত্ত একটু রয়েসয়ে কেক কাটছিলেন বলে জ্বিন লিনা’পু ঝারি দিলেন যে, “আরে, এই সময়েতো একটা গরুই নামায়া ফেলা যায়”!

এরপর যেম্নে কেকের উপর ছুরি চালাইছিলেন কিছু পরে দেখা গেলো কেকের হালত এই!
আমার সময় জ্ঞান বরাবরই উলটাপালটা সব্বাই জানে, তাই পোষ্ট দেয়া সময়ের আগে পরে হইলে কেউ উচ্চবাচ্চ করবেন না নিজ গুনে এটা আশা করতেই পারি! আমরা আমরাই তো! 





মিস করলাম মনে হলো।
আরে, এইটা গতবছরের কাহিনী বললাম, এখনো সুযোগ আছে, ছাইড়েন না!
তবে এবারতো মিস করার ১০০% চান্স আছে আমার!
(
আমার অবশ্য সবসময়ই মিস হয়!
লেখা ভালু হইছে।
যদিও ভারত বিরোধী আন্দুলুন চলতেছে, তবু এয়ার্টেলের এডের কথা মনে পইড়া গেলো...
থ্যাঙ্কু!
আন্দুলনের কথায় মনে পড়লো চৌদ্রি সাবের আজকের খায়েশের কথা!
এভাপেই যুগে যুগে চৌদ্রি সাপেরা ঐন্যের খায়েশ কাইড়া নিয়া নিজেগো খায়েশ কইরা ফেলায়। দিক্কার চৌদ্রি সাপেগোরে দিক্কার...
হ! জন্মদিপসেও তারা কালু হাত দেখাইয়া ক্ষায়েশের ফালুদা উইথ চটপটি বানায়া দিছে! এই দিন জাতি রে যাঁতি ধইরলেও ভুইলবে না!
Masum vai ke jonmodiner agam shuveccha.doa kori shotayu hok,jibon anondomoy hok.
Shuvo,manu ke jonmodiner shuvecha,shoto bochor ei din ta asuk,anondomoy jibonjapon hok.
্তুমি মোবাইলে লগিন করলা নাকি? নইলে "মাদার সিক কাম হোম" টাইপ টেলিগ্রাম ছাড়লা যে!
আছো কেমন
mobile dia dhukchi.amar apatoto net nai.
Kemon achi vabar obostha theke dure achi.
Darun likhla.jodio amar onek khetrei dimot
নেট আসুক, পরে দ্বিমত অবশ্যই জানায়ে যাইবা!
ভালো বলছো, "কেমন আছি ভাবার অবস্থা থেকে দূরেই আছি!" বাকি কথা অন্যত্র হইবে, ভালো থাকো!
এখন কেক পাই কই?!
এই পোষ্ট পইড়া খিদা কি লাগছে!
শুভ(ভাই!) আগাম জন্মদিন টু মাসুম ভাই!
শুভ ভাইজান'রে আবার জন্মদিনের শুভেচ্ছা .....
মাসুম ভাই'রে আগাম জন্মদিনের শুভেচ্ছা .....।
আপনার লেখাটা ভাল্লাগছে । এই ধরনের লেখা পড়লে আফসোস লাগে, আমার এইরকম বন্ধু ভাগ্য নাই
জীবনে কি পাইসি, জানি না।
তয় আপনার মতো আমারও বন্ধুভাগ্য ভালো.....
তাই, লেখাটা পড়ে বড় বেশি ভালো লাগলো...
আর কেক-এর ছবি আপলোড করা ঠিক হয় নাই.........
তাও আবার চকলেট কেক!!!!!!!
শুভ জন্মদিন মাসুম ভাই
একটা কাকতালীয় ব্যাপার, আপনি আমাকে বাজি বলেন, আপনার বোনের জন্মদিন ১৪ই জুলাই তাই আর
আমি এ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি আমার ভাইয়াকে। একমাত্র সেই ভাইয়ের জন্মদিন ২৯শে মার্চ। কেমন না সব একই রাশি একই সময়ের মানুষ
মার্চ আর জুলাই এর রাশি এক হবে কেম্পে?!
মাসুম্ভাইর বোনের আর তাতা'পুর রাশি আর উনার ভাই আর মাসুম্ভাইর রাশির কথা বলা হচ্ছে এইখানে!
শুভ শুভ শুভ দিন, মাসুম ভাইয়ের জন্মদিন...
ফেসবুক ব্লগ আছে বলেই এই জনমানব শুন্য জায়গাতে বেঁচে আছি। না হলে কবে বাড়ি যাইতাম গা। আসলেই যাদের চোখেও দেখি নাই তাদেরকে কত কাছের আপন মনে হয়। এই যেমন আমি একটু লাজুক টাইপের ছেলে।আমাকে দেখে মাসুম ভাই বলেছিলো ব্লগের কাজ কারবার দেখলে তো এমন মনে হয় না

================
শুভ জন্মদিন মাসুম ভাই।
আর শুভ ভাইয়ের ধইন্যা পত্র দিয়ে চিঠি লেখুম ভাবতেছি
আজকে কোন খাওন হপে না?
অনেক অনেক শুভ কামনা বস..
ভাল কাটুক
আনন্দময়তায় কাটুক
milad kokhon,kohai?
মাসুম্ভাইয়ের জন্মদিন দলে দলে যুগ দিন
মাসুম্ভাইয়ের জন্মদিন
ঘরেঘরে মিলাদ্দিন।
মাসুম্ভাইয়ের জন্মদিন
সবাইরে কেক পাঠায় দিন
খেলুম না, আমার নাম নাই কেন?
কবি বলেছিলেন, "নামে কিবা যায় আসে"

মাসুম ভাইয়ের জন্মদিনে লাল সবুজের শুভেচ্ছা! কেক্কুক বাকী থাকলো
সেই পার্টিতে আমি থাকতারি নাই। ঢাকার বাইরে গেছিলাম সম্ভবত অফিসের কাজে।
জেবীনরে এক লাখ শুভেচ্ছা। জেবীন তুমি নাই তাই এবার আর কেক কিনলাম না, পার্টিও হইল না। তুমি ছাড়া কেমনে এসব হয়?

ভূমিষ্ঠ দিন সুখকর হোক।

আপনার জন্য আজকের দিনে ১৪০ টাকা বাজেট ছিল আমার। আমি সাধারনত বন্ধুদের তাই দেই। আপনিওতো বন্ধু, তাইনা ? কিন্তু কপাল খারাপ আপনার, ভাগ্য ভালো আমার। আপনিতো আবার অ-ধু-ম-পা-য়ী... ১৪০ টাকা বাঁচলো
মেসবাহভাই, আমার ১৪০টাকা জমা রাইখেন কিন্তু! অধুমপায়ী হইছি তো কি!
জেনে রাখুন শওকত সাহেব, আমরা দূরে থাকতে পারি তবে সবখানেই নজরদারি রেখেছি! চ্যানেল আই থেকে ঘুরান্তি দিয়ে এসে স্টারে "গন জমায়েত" শেষে এটিএন বাংলায় চাপাবাজি করতে যাবার কথা অজানা থাকবে আমার, এটা ভেবেই তো আপনি বড়ো বানায়ে দিলেন (শুঞ্ছি ধন্যবাদ দিলে খাটো করা হয়, তাইলে এম্নে করে আমারে...
)
হ! গনজমায়েত হইছে পার্টি হয় নাই, আমি ছাড়া কেম্নে হয়
আমাকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আলাদা করে কারো নাম বলে কিংবা ধন্যবাদ দিয়ে খাটো না করি। আর যারা এখনও শুভ্চ্ছো দেন নাই, জলদি দেন। সময় খুব কম।
ভাই, জন্মবার্ষিকীর শুভেচ্ছা...
জন্মবার্ষিকীর শুভেচ্ছা
..
যাক আমার কথা তাইলে মনে আছে
দুলাভাইয়ের জন্মদিনে আমরা অনেক মজা কর্ছি
কিন্তু দুলাভাই হট সুমি রে মেজবাহ ভাইয়ের হাতে ধরায়া দিলো ... দিক্কার
মন্তব্য করুন