কানপাশা
.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।.।.।।।।।।।.।.।।।।।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।।।.।।।
.।.।..।।।।।।।।।।.।.।।।.।.।.।.।.।।।.।.।.।.।.।.।।।।।।।.।।.।.।।।.।।।।।।।।.।.।.।.।.।।

.।.।।.।।।।।।।.।.।।।।।।।.।।।।।।।।।।।।।.।।।।।.।.।।।।..।।.।।।।।।।.।।।.।।।।।.।।.।।।।
।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।.।।।।।।.।।.।.।.।।.।।।।।।।।।।।।।।.।।।।।।।।।।।।।।।.।।.।।।
.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।.।।।।।।।।।।।।।।।.।।.।।।।।।.।।।।।.।।।।।.।।।.।।.।।.।।.।।।।।
নজর না কাড়া তোমাতেই নাকি আমায় বেশি মানায়!
একান ওকান হয়ে সবখান থেকেই শুনতে পাই,
আহামরি সবকিছুতেই থাকি স্বাচ্ছন্দ্যহীন
বোধকরি তাই হয়ে গেছে অভ্যস্ততা তোমাতেই।
হতবাক হয়ে স্মৃতি হাতঁড়েও পাইনা সে দিনক্ষন
কি করে কবেই বা এসে ছিলে এতোটা কাছে
তোমার সাথে মিলিয়েই পথচলার বাদবাকি গুছাই
সাজ-সাজানোতেই এক হয়ে আছি নিজেদেরই মাঝে।
প্রিয় ফুলের মাদকতা যেমন রন্ধে রন্ধে ছড়িয়ে পড়ে
কেবল স্মরণ করেই যেই সুবাস মন পেয়ে যায় ক্ষনিকেই
তেমনি করেই অভ্যস্ত হয়েছিলাম তোমায় ছুয়েঁ দেওয়ায়
তাইতো বারেবার তোমাকে দিয়েই কেবল নিজেকে সাজাই!
হৃৎকাপাঁনো ভালোবাসার সেই তীব্র নেশায় বুদঁ
তখনই একদিন তোমায় হারিয়ে ফেললাম আচমকাই
আনন্দ-বেদনার কোনকিছুই তো হারায় না পুরোটা
বর্নিল দিনগুলো মনে করায় জোড়ভাঙ্গা অংশটাই
এলোমেলো ভাবনাময় স্মৃতির ঝাপিঁ খুলছি, জানি
আমার মতোন ভাবছো না, করিও না সে আশা
হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার মানুষতো নও
লালপাথরের কেবলি ছোট্ট এক কানপাশা!





ভালো লাগছে কথাগুলো। নিজের বর্নিল সময়গুলোও কিন্তু মনে সাহস জোগাতে দারুন কার্যকরী হয়!
দারুণ সহজবোধ্য । প্যাচানো নাই । যা বলতে চাইছো পরিষ্কার বোঝা গেছে । এইজন্যেই খুব ভালো লাগ্লো কবিতাটা
জটিল!!
একবার বলো যে সহজবোধ্য আবার কও যে জটিল!
থাঙ্কু থ্যাঙ্কু!

নববর্ষের অনেক অনেক শুভেচ্ছা দোয়ার মা, সুইটু লিজা!
স্মৃতিহত যেকোনো আবেগ আমারে স্পর্শ করে। একবার একটা লাইন লিখছিলাম,"স্মৃতির চে ভালো কিছু হয়নি কখনো, স্মৃতির চে ভালো কিছু ঘটেনা কখনো"।
বাসায় আসছিলাম মিনিট পাঁচেক বিশ্রামের জন্য...অভ্যাসে ব্রাউজার খুইলা আপনার লেখাটা চোখে পড়াতে লগইন করতে বাধ্য হইলাম। অসাধারণ হইছে জেবীন! প্রাণ ছুঁয়ে গেছে!
দারুন একটা লাইন আপ্নের। পড়ছিলাম আগে।
"হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার মানুষতো নও
লালপাথরের কেবলি ছোট্ট এক কানপাশা!"
পুরো লেখার মধ্যে এই লাইনগুলো ভালো লেগেছে।
আমি কিন্তু কবিতা লেখার মানুষ নই, তাই দু'এক্টা লাইন ভালো হলেও আমি খুশি। আর আপ্নে যেমন দারুন করে লেখেন তা তো মারাত্নক!
ইউ ঠ্যু ব্রুটাস!!!
তুমিও কবিতায়???
তয় কবিতা কইলাম ভালো লাগছে...
অফটপিকঃ ডট গুলা দেওনের টাইমে অভ্র অফ কইরা নিলে মাঝে মাঝে দাড়িগুলা আসতো না
কি বলো, আজকাল্কার নায়কেরাও খোচাঁখোচাঁ দাড়ি রাখে তাগো দেখতে যেন ভালো লাগে, আর এতো আমার বেহুদা লেখা মাত্র!
শেষের লাইন দুইটার কারনে আশাহত হইলাম।

একটা কানপাশা নিয়া এত ভাবাবেগ!!!
এইরকম আরেকবার আশাহত হইসিলাম।
বনফুলের ছোটগল্প ‘সুলেখার ক্রন্দন’ পইড়া।
ধইন্ন্য আপনারে।
দারুন হইসে।
প্রকাশ করতে পারি না, কিন্তু ভাবাবেগ আছে শতভাগই! নিজের কিছু হারালে বুক মোচড়ানো কষ্ট আমায় অহরহই ঘিরে থাকে। আমারই খুতঁ এটা যে, আমি পারি না হুট করে আবেগাক্রান্ত হতে আবার ফট করেই আবেগ ঝেড়ে অন্যতাতে মন দিয়ে ফেলতে!
নববর্ষের অনেক অনেক শুভকামনা। আশা করছি নিজের মন মতোন সবকিছুর প্রাপ্তি ঘটুক।
আহারে..
আসলেই আহারে .....
এইখানে আসার পর তিন তিনটা কানের দুলের একটা হারায়া, অন্যটা নিয়ে আছি, ফেলে দিবো না। খুব যে মূল্যবান সেসব ছিলো তা না, কিন্তু সবগুলাই পছন্দের কেউ না কেউ দেওয়া, অনেকদিন যাবত আমার সাথে ছিলো।
এই জিনিসটার আলাদা একটা চার্ম আছে।
বছর তিনেক আগে সিলেটে বেড়াতে গিয়ে ওখানকার এক মার্কেটের এক আরচিস দোকানে এক জোড়া দেখে খুব ভাল লাগছিল, কিন্তু দেওয়ার মত কেউ না থাকায় কেনা হয়নাই।
সিলেট গেলে এখনও ওই দোকানে ঢু দিয়ে দেখি আর আসছে কি না ওইটা। আফসুস!
আরে, বুদ্ধিমানের মতোন কিনে ফেলাই উচিত, কারন পরে দেবার মতো সেইরকম মানুষ এলে পরে তাকে নিজের পছন্দের এককনা দেখানোর সুযোগ হাতছাড়া করা কি ঠিক?

এইটা কিন্তু বাস্তব ঘটনা দেখে বলছি, আমার এক কাজিন এই কান্ড করেছিলেন, আমরা সব্বাই হাসছিলাম উনাকে দেখে, কিন্তু ভাবী এটাকে যে কি এপ্রিসিয়েট করেছিলেন! মজাই লেগেছিল!
কান পাশার ভাগ্য খুবই ভাল, তারে আপনে এইভাবে ভালবেসেছেন ..আহারে...
খুব ভাল লাগলো।
শেষ পর্যন্ত জেবীনও কবি হইয়া গেলো
কি কন!
কোন জটিল শব্দ নাই, কবিতার শব্দের কি কি যেন নিয়মকানুন থাকে তাও নাই, প্যাচঁঘোচ নাই, ডাবল মিনিং নাই - তাইলে এইটা কেম্নে কবিতা হইলো!
জয়িতা , বাফড়াও কপিনন্দন দিলো!
কবিতা পড়ি না দুবোর্ধ্যতার ভয়ে।
আপনি সে ভয় কাটিয়ে দিলেন।
ধন্যবাদ।
দুর্বোধ্যতা নাই সেইটা কিসের কবিতা! এইটা কোন কবিতাই নাহ, তাল দিয়ে দিয়ে কিছু একটা লেখা আরকি
অনেকদিন পর পর আপ্নে দেখা দেন কেন? ডুব দেন কই?
পুরাই ফর্মে আছেন দেখি!
ধরে রাখেন এই উর্দ্ধমুখী ফর্মের প্রবনতা.......
তুমিও শেষকালে কবি হইলা? তবে কবিতাটা মনে হয় খুব ভালো হইছে। কবি হওয়াতে তোমাকে অভিনন্দন।
এটা কি কানপাশার ছবি? কানের দুলটা সুন্দর। আমাকে পড়লে সুইট লাগতো।
দুলটা আমারো পছন্দ হইছে, অক্সিডাইসের সাথে রুবি দিয়া কি দারুন জিনিশ বানালো দেখো। চাদনী চকেঁ দেখাইলে বানানো যাবে না? কি বলো?
আপনাকে ধইন্যবাদ মন্তব্যের লাগিয়া, অভিনন্দন নিলাম না!
এই কবিতা পড়ে আজ বুঝলাম আমার জ্ঞানের উচ্চতা কতটুকু!!!
হ! বলেন দেখি আপ্নের জ্ঞানের উচ্চতা কয় কেজি মিষ্টি?
তাইতো কই রাসেল কেন আজকাল চুপচাপ হয়ে গেলো, কিছু কইলেও রা করে না। তার উচ্চতা যে মিষ্টিতে গিয়া ঠেকছে তা তো ঝানতাম না।
সময়াভাবে রাসেল রিপ্লাই দিতে পারেন নাই যে উচ্চতা কই গিয়া ঠেকছে উনার! তবে দিবেন বলিয়া আশা দিছেন!
এবিতে আরেকজন কবি (মহিলা)-র সংখ্যা বাড়লো। লেখা বড়ই সুস্বাদু হৈছে।
এই সেরেছে !!! কোবতে তো দুর্দান্ত হয়েছে দুস্তি
বেশ স্নিগ্ধ স্নিগ্ধ কবিতা
ভাবো একবার যদি জ্বর বাধাঁইতাম, তাইলে কবিতা(!) কই গিয়া দাড়াঁইতো! তুমিই না বলছিলা, জ্বরের ঘোরেই দারুন ঘোর লাগানিয়া কবিতা আসে!
কমেন্ট করার লাগিয়া ধইন্যবাদ
কানপাশার কষ্ট ভোলা যায় সহজে কিন্তু .।.।.।।
জোড়ভাঙ্গা কিছুই আসলে কাছে রাখতে নাই, ছূড়েঁ ফেলে দেয়া কিবা চোখের সামনে থেকে লুকিয়ে ফেলা উচিত। আমার বদ অভ্যাস আছে, টুকরোটাকরা জিনিস রেখে দেয়াতে! ফেলতে সময় লাগে।
কবিতায় পাঁচতারা

খেলুম না! কথায় পাচঁ আর দিলেন এক!!
ওরে, আমার একহালি তারা ফিরায়ে দেন!
থ্যাঙ্কু আপু!
জনপ্রিয় পোষ্ট খানা আবার দেখে গেলাম!
মন্তব্য করুন