ইউজার লগইন

হুদাহুদাই(৬)

লীনা’পুকে দেখি না অনেকদিন ব্লগে! এমন না যে উনি লিখছেন না, দূর্দান্ত লিখে যাচ্ছেন, সেদিন তো এক প্রতিযোগীতায় পুরষ্কারও পেলেন লেখার জন্যে। কিন্তু ব্লগে উনার লেখা নাই। ফেসবুকে বইপড়ুয়া গ্রুপটাতে দারুন সব আলোচনা হয়। মানুষ কত্তো পড়ে, তায় আবার জীবনের খুটিঁনাটির সাথে তার মিলটাও খুজেঁ নেন, তুলে ধরেন মতামত। ভালোলাগার দারুন সব ব্যাপারস্যাপার। তেমনি একআলাপে লীনা’পু কাকে যেন বলছিলেন যে, ব্লগটা অনেক ডিমান্ডিং, নিয়মিত ব্লগ পড়তে হয় মূলধারার সাথে তাল পাবার নিমিত্তে, আবার যখন লেখা দেও, তাতে পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখো, তায় আবার উত্তর জানাও – একেরপর এক লেগেই থাকতে হয়, এতে করে অনেকটা সময় নিয়ে যায় ব্লগ, নতুন কিছু ভাবনারই অন্তরায় লাগে তা। হুবহু এই কথাই বলেনি উনি, তবে মূলকথা এই ধাচেঁরই। কামালভাইও বেশ আগে এমনি করেই বলে লেখা কমিয়ে দিয়েছিলেন! এইভাবে লেখা বন্ধ করা খুব খারাপ লেগেছে। আরো অনেকেই আছেন এমন, নাম নিয়ে বলছি না আর। হ্যা, হয়তো বুঝেশুনে উত্তর-প্রত্যুত্তর দিতে পারি না, কিন্তু ভালোলাগার মানুষগুলার সবার লেখা পড়ি, তাদের অনেক মিস করি

সব্বার কথা আনলাম নিজেরটা না আনলে হয় নাকি! আমি যে লিখি না তা কিন্তু অমনকিছু থেকে না, কিবা “রাইটার্স ব্লক” জাতীয় গম্ভীর ভারী ব্যাপারটাও না। লেখতে কখনোই পারতাম না, তবে মন চাইলেই চেষ্টা করতাম, এখন তাও করছি না। কত ঘটন অঘটনের মাঝে বছর পার করলাম এখানে। বিষন্নতা ভর করেছে এই সময়টাতে বেশ করে, খুব বিচ্ছিরি ব্যাপার এটা। বেশ আগে একজনে বলেছিলো – “যখন দেখবে যে ছোট্ট ছোট্ট কিছু থেকে দিনের মজাটুকু নিতে পারছো না, হাসতে পারছো না, দিনের পর দিন এই হতে থাকলে, নিজেকে সাবধান করো – মন মরে আসছে কিন্তু, মন নষ্ট হতে থাকলে থাকেইবা কি!”

উন্নত দেশের উন্নত নানান কাহিনীর মাঝে ঘটলো এই যে, হ্যাক হয়ে গেলো আমার অনলাইনের একাউন্টস। এমন তো দেশেও অহরহ হচ্ছে এ আবার নতুন কি, আমি যেই কম্পুকানা হয়তোবা টের পেতেই সময় যেত কয়েকটা দিন। ব্যাংক থেকে ফোন পেয়ে তবেই আমার টনক নড়লো, মোটামুটি গড়ের মাঠ করে গোল দিয়ে গেছেন হ্যাকারে! অস্থির হয়ে যেতেই, রন বললো, “মাথা ঠান্ডা করে সব চেক করো, সব সেটিং পাল্টাও, এটা ওটা করো। আর হ্যাকারকে জাতগুষ্টি ধরে গালাগাল দিয়ে কি করবা ওরা এম্নিতেও দুষ্ট লোক হয়, গালিতে শুধরাবার নয়!” ব্যাংকে গিয়ে আগের টাকা তোলার ধরন, আরো কিছু কাগজপত্র জমা দিয়ে অভিযোগের করার বেশ কিছুদিন পর ফিরে পেলাম যক্ষের ধন থুক্কু আমার টাকাপয়সা!

এখানে গে ব্যপারটা তো তেমন কোন উল্লেখযোগ্য কিছু না, ঘটা করে “গে ডে”ই পালন করা হয়। পথ চলতে গিয়ে গোলাপি পোষাক কিবা ভ্রু প্লাক করা ছেলেদের দেখে অভ্যস্তই হয়ে গেছি। কিন্তু একদিন ট্রেনে পুরোদস্তুর মহিলাদের গেটআপে মাঝবয়েসী লোকটাকে দেখে সত্যিই ভিমরি খেয়েছি! লো-কাট গলার স্লিভলেস মিনি স্কার্ট ধাচেঁর পোষাক, হাই হিল, ম্যাচিং পার্সসহ সেই স্বর্নকেশী ধুর যাহ! স্বর্নকেশ’ওলার মাথায় এই বিশাল সাইজের টাক!! কিছু পরপর সেই কাধঁ ছাড়ানো চুল সে উড়িয়ে দিচ্ছে হাত দিয়ে, কি যে দৃশ্য! একটা ক্যামেরার জন্যে বিরাট আফসুস লাগা শুরু হয়ে গেলো আবারো।!

গে’র কথায় মনে এলো, ফিলিপাইনে কোন মেয়ে টমবয় বলতে নাকি লেসবিয়ান বুঝায়! লেবানিজদের দু’চক্ষের বিষ গে কিন্তু লেসবিয়ান মেয়েরাই নাকি তাদের বেশি পছন্দ! কেন তা লেবানিজ মোহাম্মদ যেসব কারন দিয়ে বুঝাইলো, মাশাল্লাহ! আরো জানলাম, চায়না’তে কোন রিলিজন নাই।আমি ভাবতাম বৌদ্ধধর্মের অনুসারী চাইনিজরা, জানার কতো কমতি।সম্মিলিত আলাপের মাধ্যমে এই সমস্ত জ্ঞান(!) অর্জনের দিনটা ছিলো এক মিডটার্মের দিন। হুট করে ২টা পরীক্ষা বাতিল! সবাই অল্পবিস্তর রেগে আছে। চাইনিজ মাইকেল খানিকক্ষন রাগ ঝাড়ার পর ঘোষনা দিলো ও কিং ক্রসে যাচ্ছে নইলে নাকি তার এখনকার বাজে অনুভুতিটা নষ্ট হবে না। সবার মজা পাবার ভাবটাই বুঝিয়ে দিলো আমার কাছে কতকিছু অজানারে! মাইকেলের গ্যাম্বলিং’র শখ আছে, (বেশ আগে জানিয়েছিল নিয়ে যাবে একদিন আমাকে) ঐখানে তেমনকিছু কি আছে জিজ্ঞাসা করতেই জানলাম ওটা স্ট্রিপ ড্যান্সিং এর জন্যে বিখ্যাত এলাকা। ভাবলাম, এই পর্যন্ত জেনেই আলাপ থেমে যাবে, উলটো দেখি আড্ডা সবে শুরু! কে কবে কোন দেশে, কোন মুড বেশি এঞ্জয় করেছে তার বর্ননা দেয়া শুরু। চুপচাপ কথা শুনছি সবার অভিজ্ঞতা, হুট করেই তাল উঠল, এরপর সবাই মিলে যাবে স্ট্রিপ ড্যান্সিং ক্লাবে, সবার মাঝে এই অজ্ঞ “ফ্যারানা”’কে দেখানোর দায়িত্ব পালনের জন্যে!!

এখানে আসার পর কেন জানি লাগলো সাধারনত যে নামে সবাই ডাকে সেটা এরা উলটাপালটা ডাকবে, তাই সহজ ফার্ষ্টনেইমটাই ব্যাবহার করতে চাইলাম! মর জ্বালা! এদেখি উলটা হাল! কালেভদ্রে যখন জেবীন ডাকে তা একদম ঠিকঠিক আর যেটা চালু হয়েছে তার যে করুন হাল!! ফাহানা, ফ্যাড়ানা, ফাহারা ...

সবদেশেই কিছুকিছু জিনিসের মিল পাওয়া যায়, শহীদের স্মরণ তেমনি একটা ব্যাপার। এনজ্যাক ডে’তে যুদ্ধে মৃতদের স্মরণে বিশাল প্যারেড হয়। অষ্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে একসাথে এটা পালন করা হয়। অনেক তোড়জোর আয়োজন করে সাজসজ্জার অনুষ্ঠান করা হয়ে থাকে পরে নাকি ফ্রি মদ খেয়ে টাল হয়ে যাওয়াই একরকম রীতি হয়ে দাড়িয়েছে! মাতাল হবার ব্যাপারটা জানতে পেলাম ট্রেনের একসহযাত্রীর কাছ থেকে। বয়েস্ক মহিলাকে কেবল উঠার পর জায়গা করে দেয়াতেই গল্প জুড়ে দিয়েছিল, সেই জানালো মৃতদের স্মরণে প্যারেডের পর সবাই তদের জন্যে দুঃখ নিয়ে টোষ্ট করে, আর ফ্রি মদ থাকায় একসময় ওই ব্যাপারটা দিনটা উদযাপনের মূল বিষয় হয়ে পড়ে! ফ্রি মদের কাহিনীর সত্যতা কতদূর আমার জানা নাই, জিজ্ঞেসও করিনি কাউকে, তবে সরকারী ছুটির দিন বলে ঘুরতে বেরিয়ে ছিলাম একটা জায়গায়, রাস্তার পাশের একটা ক্লাবের দোতলার খোলা ব্যালকনিতে সব্বার প্রচুর উল্লাসধ্বনি যা দূর থেকেও শুনছিলাম, হাতে হাতে গ্লাস দেখেছি।।

এখানে বয়স্কদের জন্যে কত্তো কি সুযোগসুবিধা তারপরো এদেরকেই বেশি অসহায় লাগে যেন, এটা আমার চিন্তারই দোষ মানছি। বাড়ির কাছেই ওল্ডহোম আছে, তাই বেশকিছু বয়স্ক মানুষেরা মুখচেনা হয়ে গেছেন, যদিও কথা কেবলই হাই-হেল্লো পর্যন্তই। ভোরবেলায় বের হলে দোতলার বারান্দায় সার বেধেঁ কয়েকজনকে চুপচাপ বসে থাকতে দেখা যায়। এক মহা থুরথুরে বুড়ির কথাই বলি, প্রতিবিকেলের দিকে তাঁকে দেখি বিশাল সাজগোজ দিয়ে শপিং করতে বের হয়, আর ফেরার পথে তার হাত থেকে যে প্যাকেটগুলো ২/১টা রাস্তায় পড়েও যাচ্ছে তার হুশই উনার থাকে না, পথচারীরা ডেকে তুলে দেয়। কেন জানি লাগে প্রতিদিন এই মহিলা কেন কষ্ট করে হোস্টেল থেকে শপিং করতে যায়, তা কি মানুষদের সাথে দু’দন্ড কথা বলার জন্যেই? তবে উনারা দূর্বল এই ব্যাপারটা যেন স্বীকার করতে লজ্জাই পান। একদিনের কথা বলি, সন্ধ্যা সাড়ে আটটা পেরিয়ে গেছে, বাড়ি ফিরছি। আমার বাড়ির কাছেই একটা স্কুল আর চার্চ পাশাপাশি। বিকেল গড়িয়ে যেতেই ঐপাশটা সুনসান হয়ে যায়, আলোও প্রায় আবছা। ফাকাঁ পথ নিজের মনেই হেটে পার হয়ে গেলাম চার্চ, জানি না কেন কয়েক পা এগিয়ে আবারো চার্চের সামনে ফিরে এসেছি, আধোআলোয় একটা মানুষ উপুড় হয়ে পড়ে আছে, আপাত সবকিছুতেই ভীতু আমি কিচ্ছু চিন্তা না করেই কাছে গেছি, দেখি এক হাত দিয়ে কি যেন হাতড়ায়! আমার মাথায় তখন ভাসছিল আমার বাবার এক্সিডেন্টের কথা, এমনি নাকি একা পড়েছিলেন, কাউকে ডাকার শক্তিও ছিলো না, পাশের বাড়ির মেয়ে দেখে ছুটে এসে তুলেছিলেন, নিজের ওড়না ছিড়েঁ কেটে যাওয়া গালে চেপে রক্ত বন্ধ করে সাহায্যের ডাক দিয়েছিলেন! আগপাশ না ভেবেই দুড়ধাড় করে গিয়ে টেনে তুলতে চেষ্টায় লাগলাম, এই এত্তো লম্বা এক মানুষকে তোলা কি আমার কম্ম! তাও টানাটানি করতেই লাগলাম, এইবার দেখি লোকটা নিজেও দাড়াঁতে চাইছেন। থরথর করে কাপঁছেন তাও মুখে কি বিব্রত হাসি! যতই বলি কই ব্যাথা পেয়েছো? বারবার একই এলোমেলো টোনে কথা “সর্যিক আমি পড়ে গেছি, তোমাকে কষ্ট দিচ্ছি! আসলে একটা রিপোর্ট জমা দিতে হবে আমার” খেয়াল করে দেখি, রাস্তায় কয়েকটা ফাইল, গাড়ির চাবি, ফোন পড়ে আছে, ওই পেপার গুলোর কাছেই হাতড়াচ্ছিল লোকটা। যেই বলি, রাস্তা পার করে চলো গাড়ির কাছে দিয়ে আসি, আরো লজ্জায় যেন শেষ সে!

Louis Vuitton নামকরা ব্র্যান্ড, ব্যাগের জন্যে তাদের খ্যাতি। আমার এইসবে জ্ঞান নাই বললেই চলে, ভারসাচ্চি, গুচি ইত্যাদির নাম তাও জানা ছিলো, তবে এটা তেমন পরিচিত ছিলো না নামেও। গ্রেসিটার কল্যানে যাওয়া ওইখানে। তার দুবাইয়ের বন্ধুদের এখনকার পাল্লা চলেছে লেটেষ্ট ব্যাগ কেনাতে, একে ভারসাচ্চি কিনেছে ৩৭০০ডলারে, অন্যজনে কিনেছে লুই ভিটন, তাই দেখতে যাওয়া কি কিনেছে ওরা। গ্রেসির ব্যাগে আগ্রহ না থাকলেও বন্ধুরা কি কিনেছে তাই দেখতে যাওয়া। সৌখিনতার এহেন পাল্লা দেবার মানসিকতা সব দেশেই দেখি একই ধাচেঁর! যাক, সিটিতেই আমার ক্লাশ, তাই দুনিয়ার হেন বিখ্যাত ব্র্যান্ডের দোকান বাদ নাই এখানে, খুজেঁ পেতেই যা দেরি। হাটতে হাটতে তেমনি পেয়ে গেলাম লুই ভিটন। বাইরে থেকেই বুঝা যাচ্ছিল শোরুমটা সুন্দর, কিন্তু ভেতরে ঢুকে কিছুটা চমকেই গেছি। এ যেন পাচঁতারা হোটেলে প্রবেশ করছি! জবরজং জমকালো বলছি না, তবে দেখলেই যে শব্দটা মনে আসে তা হলো, “এলিগেন্ট”। সে এক অভিজ্ঞতাই বটে, দোকান থেকে বের হবার পর বারবার মনে পড়ছিলো ছোটবেলায় পড়া শেখসাদী’র গল্পটা। ওটা গ্রেসি’কে বলতেই রাস্তা কাপিঁইয়ে হাসি শুরু করলো। আমরা গিয়েছিলাম ক্লাশ করে তবে এমন কোন মলিন পোষাকে নয়, কিন্তু তাও কেতাদুরস্ত ডোরম্যান (সাধেই কি পাচঁতারা হোটেল বলেছিলাম, এই দোকানে কড়া ইস্তিরি দেয়া ঠাটঁবাটের ডোরম্যান ঠায় দাড়াঁনো!) যেই চাহুনি দিয়েছে আমাদের কি আর বলি, তার উপর ব্যাস্ত অনেক কাউন্টারের মাঝে একটি ফাকাঁ পেলাম আর তাতে ক’টা ব্যাগ রাখা কেউ দেখে রেখে গেছেন যেন, কাছে গিয়ে হাত দিয়ে দেখতে যেতেই সেলসের একলোক যেভাবে হা হা করে ছুটে এসে ছিনিয়ে নিয়ে বললো “এভাবে ধরা এলাউড না, সর‌্যি, ব্যাগগুলো ভুলে এভাবে রাখা ছিলো”, ঘটনায় পুরা বোকা বনে গেছি! তাও এগিয়ে গেলাম তামাশা দেখার অভিপ্রায়ে। বড়ো হল পেরিয়ে একপাশে একটা আলাদা কামরা, ঠিক যেন দরবারের খাশ কামরা, সাজানো পন্যের সাথে সাথে এখানে দস্তুর মতো বসার ঘরের মতোন ব্যবস্থা, বুঝাই যায় সেইরকম খরিদ্দারদের জন্যেই প্রস্তুত করা এটি, এখানে ব্যাগের সাথে সাথে কিছু জুয়েলারি, জুতা আর ঘড়িও রাখা। এলেবেলে জাতীয় এক ঘড়ির দামের ট্যাগ দেখতে গিয়ে পুরা থ হয়ে গেছি, মাত্র ৭৮৮৫ ডলার! উইন্ডো শপিং করাতে আমার আগ্রহ প্রচুর, জানি এইসব কিনবো না, তাতে কি, ঘুরেফিরে দেখার মজাই আলাদা। এর মাঝেই গ্রেসি তার বান্ধবির কেনা ব্যাগের সন্ধান পেয়ে গেছে, দাম দুবাইয়ের থেকে কেবল হাজার দেড়েক বেশি! অষ্ট্রেলিয়াতে সবকিছুরই আকাশছোয়াঁ দাম দেখে দেখে বিরক্ত লাগে। খাশকামরা’র আরেকপাশে দিয়ে এক সিড়িঁ উঠে গেছে উপরে যাবার, আমি যেতে চাইতেই সাথের বেরসিক পাব্লিক’রা তেড়ে আসতে চাইলো। কি আর করা, ডোরম্যানের শ্যোন দৃষ্টি আমাদের যেটা এক মূহুর্তই ছেড়ে যায়নি, তাকে শুনিয়ে শুনিয়েই গ্রেসি’কে বললাম, “আমি আবার আসবো এইখানে, ক্যামেরাটা খালি কিনে নি, এই পাচঁতারা হোটেলের থুক্কু আলিশান ব্যাগ’ওলাদের ছবি তুলবোই, আর কিছু না হোক ডোরম্যানের ছবি সংগ্রহ করার জন্যে হলেও আমি আসবো”!

রাসেল আর আমি সেই আদ্দিকাল থেকেই মনে হয় সবার কাছে ক্যামেরার খুটিনাটি জানতে চাইছি, কেনার খায়েসে। সে শখ আর পূরন হয় না, নিজেরা আলাপ করি যে, যেই দামের ক্যামেরার শখ আমরা করছি মায়েরা জানতে পারলে বলবেন “এত্তো দাম দিয়ে ২ভরি গয়না কিনলেই হয়!” রাসেলের এখন সুখের হাল - তবে প্যাচাল“কিনতে হবেই গয়না, ক্যামেরার শখ আর প্রানে সয় না”!

পোস্টটি ৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

সাবেকা's picture


খুব ভাল লাগল আপনার হুদাহুদাই Smile

জেবীন's picture


ধন্যবাদ পড়ার জন্যে এই হুদাহুদাই! Laughing out loud

নাহীদ Hossain's picture


“যখন দেখবে যে ছোট্ট ছোট্ট কিছু থেকে দিনের মজাটুকু নিতে পারছো না, হাসতে পারছো না, দিনের পর দিন এই হতে থাকলে, নিজেকে সাবধান করো – মন মরে আসছে কিন্তু, মন নষ্ট হতে থাকলে থাকেইবা কি!”............... দামী কথা। এগ্রীড।

btw ... ফ্যারানা ম্যাডামের শইল্ডা ভালা Laughing out loud

জেবীন's picture


এইত্তো, আপ্নে একটা পয়েন্টের কথা জিজ্ঞেস করছেন। শইল্ডা আসলেই ভালা না Sad

রায়েহাত শুভ's picture


তো ফ্যারানা Wink স্ট্রীপ ড্যান্স দেইখা কি শিক্ষা পাইলা Tongue

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


হ..এই অভিজ্ঞতার বিস্তারিত বর্ণনা দেওন উচিত্‍ ছিল! Tongue

জেবীন's picture


শেখার কোন শেষ নাই, তাই আমরা এইগুলা দেখি নাই! Cool

রায়েহাত শুভ's picture


মিছা কথা কইওনা ফ্যারানা, মিছা কওয়া মহাপাপ Tongue

জেবীন's picture


ধুর যাহ! পাপের চিন্তা করলে আজকাল দুইন্নাইত চলতে পারবা! এখন যে যত বদ, তারের করে সবতে দরদ! Tongue

১০

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


পরথমেই লেখাটার জইন্য থ্যান্কু!
আপনের কারনে প্রায় ২ দিন পর লগাইতে পারলাম।

এত্ত মানুষরে মিসাই,
আজকাল নাম টাম ও মনে থাকে না সবার!

আর সবাই কি করল না করল ভাইবা লাভ নাই! নিজে লেখা থামাইয়েন না।

এবি রে এত ঝিমাইতে দেখলে কিস্যু ভাল্লাগে না। Confused Sad

১১

জেবীন's picture


থ্যাঙ্কস আপনাকে, এই যে নিজের ভেবে নিয়েছেন ব্লগটা.। আসলেই এবি'কে ঝিমাইতে দেখলে খারাপই লাগে, নিজের অনেক ঝামেলায় ছিলাম, আবার নিয়মিত হবার ইচ্ছে আছে।। দেখি ফাকিঁবাজি কমাইতে পারি কিনা Laughing out loud

থ্যাঙ্কস লেখা পড়ার জন্যে

১২

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


বেশ লাগল আপনার হুদাহুদাই ! Smile Smile

১৩

জেবীন's picture


কিচ্ছুই লিখি না অনেকদিন, নামের মতোনই হুদাহুদাই এই লেখা। .। ধন্যবাদ পড়ার জন্যে Smile

১৪

মীর's picture


লীনা’পুকে দেখি না অনেকদিন ব্লগে!

Sad Sad Sad Sad

১৫

জেবীন's picture


Sad আমার তো তাই কথা Stare

১৬

আরাফাত শান্ত's picture


বেশ লিখেছেন। কিন্তু বেশি লিখলে সবাই খুশি হয়!

১৭

জেবীন's picture


জানো না, বেশ আর বেশি, তাদের আজীবনের রেষারেষি! Tongue

১৮

গ্রিফিন's picture


ওরে লুকজন কত্তো মজা করে রে

১৯

জেবীন's picture


ক্যান আপ্নের অলিম্পাসে নাই এমন উরাধুরা মাথাধরা কিছু? Wink

২০

রাসেল আশরাফ's picture


আমারে রাইখা বন্দুক সমান ক্যামেরা কিনছেন ধিক্কার আপনারে।

২১

জেবীন's picture


ছিঃ আমার কামান'রে আপ্নে বন্দুক কইতে পারলেন! ধিক্কার! Tongue
কুথায় ক্যাম্রা আড় কূঠায় আপ্নের জিনিস, তুলনা হয় নাকি! Wink

২২

অনিমেষ রহমান's picture


লম্বা লেখা মাগার এক টানে শেষ করলাম।
Big smile
ভালো লেগেছে হুদা-হুদাই।

২৩

জেবীন's picture


আরে, আমগো লেখা দমবন্ধ করাই পড়তে হয়, একদমে পড়ন ছাড়া উপায় নাই।, নইলে এমন মাথা নষ্ট লেখা যে দম নিয়ে আবার পড়বেন কিনা দোটানায় পড়ে যাবেন! Big smile

ধন্যবাদ হুদাহুদাই পড়ার লাগি!

২৪

শওকত মাসুম's picture


দারুণ ফ্যারানা, যা যা বাদ দিছো্ সেইটাও বলো

২৫

জেবীন's picture


বুইল্লেই তো বুইলবেন যে, বুইলেছে! তাই তো আইলসামি করে বলা হচ্ছে না কিছুই!! Tongue

২৬

তানবীরা's picture


খুব ভাল লাগল আপনার হুদাহুদাই Wink Tongue

২৭

জেবীন's picture


ভালো মানুষের হুক্কা হুদাহুদাই'টাই আপনার ভালো লাগ্লো, এইবার ভেবে দেখেন অন্যগুলো কেমন জব্বর ভালো লাগবে? Tongue
ভাবুন ভাবুন
আর সাথে থাকুন! Wink

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.