উইকিএডাল্টসলিকস: দি বাংলাদেশ ভার্সন
একসময় ব্লগটা ভাল ছিল। মন খুইলা কথা কইতাম। এখন কেমন যেন সুশীল সুশীল লাগে। আমার এই সুশীল ব্লগ ভাল লাগে না। সুতরাং যারা আমার সাথে একমত না তারা এই পোস্টে ঢুইকেন না।
১.
অবশেষে আমগাছ হইল জাতীয় গাছ। আমার তো মনে হয় জাতীয় গাছ বাঁশ হইলেই বেশি মানাইতো। মন্ত্রীসভার বৈঠকে অবশ্য বাঁশের সাথে কোনো রকম প্রতিযোগিতা ছাড়াই আম গাছ জাতীয় গাছের স্বীকৃতি পাইছে। এই তথ্য সবারই জানা। কিন্তু ঘটনার এখানেই শেষ না। আরও আছে।
মন্ত্রীসভার বৈঠকে পাটের জন্ম রহস্য উদ্ধারের পরে গবেষণা খাতে বড় অংকের অর্থ টাকা পয়সা দেওয়া হইতাছে। দেশের সবচাইতে বড় বিজ্ঞানিরা এইবার নতুন একটা কাজ পাইলেন। আর সেইটা হইল আমগাছে কাঠাল ফলানো। এক সময় বাংলাদেশে গাছগুলা অনেক বেশি জিনিয়াস ছিল, ইত্তেফাকে প্রায়ই ছাপা হইতো আম গাছে কাঠাল ধরছে বা খেজুঁর গাছে তাল। কিন্তু সেইসব তো ইতিহাস। এখন গবেষণা করতে হয়। আর এই গবেষণার দায়িত্ব পাইলেন এক ডজন রাষ্ট্রীয় গবেষক।
সর্বশেষ গোপন খবর হইল বিজ্ঞানীরা সফল। আমগাছে কাঠাল ধরছে। গবেষণার দ্বিতীয় পর্যায়ও শেষ। ফলের নামও ঠিক করা হইছে। ফলের নাম রাখা অবশ্য সহজ হয় নাই। এই জন্য একটা সাব কমিটি গঠন করা হইছিল। কমিটির সুপারিশ মাইনা বহ চিন্তা ভাবনা কইরা এই ফলের নাম রাখা হইছে কাম ফল। কাঠালের 'কা' আর আমের 'ম'। কিন্তু সমস্যা এখানেই শেষ হয় নাই। এই ফলের কার্যকারিতা লইয়া বড় সমস্যা দেখা দিছে। কাম ফলের স্বাদ যদি আম বা কাঁঠাল-দুইটার মতোই হয় তাতে সমস্যা নাই। সমস্যা হইল কাম ফল খাওয়ার পর কি হইবো সেইটা নিয়া। কাম ফল খাওয়ার পর যদি ঘুম আসে তাইলে তো এই ফলের প্রেস্টিজ পাংচার। তাই আবার গবেষণা শুরু হইছে। কাম ফল যদি কাজে-কামে উৎসাহ না যোগায় তাইলে কেমনে হবে?
এ ক্ষেত্রে একটা চিঠি ফাঁস কইরা দেওয়া প্রয়োজন বইলা মনে হইতাছে। চিঠিটা লিখছেন হো মো এরশাদ।
‘আমার দল জাতীয় পার্টি মহাজোটের বড় অংশীদার। নির্বাচনে বিপুল জয়ে আমার দলের ভূমিকা আছে বলেই মনে করি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য্ করছি জাতীয় পার্টিকে অবহেলা করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট বানানোসহ নানা ধরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনোটাই মানা হচ্ছে না। তবে এই অবহেলা দূর করা এখনো সম্ভব। শুনতে পেলাম সরকারের একদল রাষ্ট্রীয় গবেষক কাম ফল নিয়ে গবেষণা করছেন এবং অনেকদূর এগিয়েও গেছেন। সেই ফলের একক এজেন্সী আমাকে দেয়া হলে আমি সব ধরণের অবহেলা ভুলে যাব এবং আজীবন আমার দল মহাজোটে থাকবে’।
২.
সেন্ট পিটার্সবার্গে হইল বিশ্ব বাঘ শীর্ষ সম্মেলন। বিশ্বে নাকি বাঘ কইমা যাইতাছে। বাঘ বাড়াইতে হবে, এইটাই সম্মেলনে উদ্দেশ্য। অনেক পেচ্ছাপেচ্ছি হইছে সম্মেলনে। বাঘ বাড়াইতে হবে এইটায় সবাই একমত। কিন্তু কেমনে?
অনেক আলোচনার পর বাংলাদেশের প্রস্তাবই গৃহীত হইছিল। বাংলাদেশ কইছিল এই সিদ্ধান্ত তারা নিজেদের জন্য নিতাছে। বাকিরা চাইলে তা মানতে পারে। সবাই তা মানছিলোও। কিন্তু সেই প্রস্তাবের কথা এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয় নাই। ছোট্ট দুইটা সমস্যা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশের যুগান্তকারী প্রস্তাব প্রকাশ করা হইতাছে না। আর সেইটা হইল প্রস্তাবতো মানা হইছে, কিন্তু এইটার বাস্তবায়ন কেমনে হবে? তদারকি কি করবে। এই জন্য অবশ্য একধরণের সমাধানের কথাও ভাবা হইছে। ধনীদেশগুলা ১০ বিলিয়ন ডলারের একটা ফান্ড তৈরি করবে বলছে। এই ফান্ড দেওয়া হবে এনজিওদের। যেইসব এনজিও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তদারকি করবে এবং এজন্য সচেতনতা বাড়ানোর কাজ করবে তাদের ফান্ড থেকে অর্থ দেওয়া নিয়াও কথাবার্তা হইছে।
এখন প্রশ্ন হইল সিদ্ধান্তটা কি?
‘পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সুন্দরবনে কন্ডম নিষিদ্ধ থাকবে।’
৩.
একটা গুরুতর প্রশ্ন। বাঘের সংখ্যা কেন কমতাছে? মানুষ বাঘ মাইরা ফালাইতাছে? বিশিষ্ট বাঘ বিশেষজ্ঞরা অবশ্য একটা নতুন তত্ত্ব দাঁড় করাইছে। তবে নানা কারণে সেইটাও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা যাইতাছে না।
আর তত্ত্বটা হইল,
‘বাঘের মধ্যে গে আর লেসবিয়ানের সংখ্যা আশঙ্কাজনক ভাবে বাইড়া যাইতাছে।’
৪.
বাঘের মধ্যে লেস বা গে-এর সংখ্যা বাড়ার প্রমান এখনও প্রকাশের অপেক্ষায়। তবে ভ্যাম্পায়ারদের মধ্যে লেসবিয়ানের সংখ্যা অনেক বেশি বইলাই জানা যায়।
একজন লেস ভ্যাম্পায়ার আরেকজন লেস ভ্যাম্পায়ারের সাথে বিদায় নেওয়ার সময় কী বলে জানেন তো? বলে-
‘আবার ঠিক একমাস পরে দেখা হবে।’





মন্তব্য করতে কুন ইমোটা দেওয়া ঠিক হবে বুছতেছি না।
তুমিই প্রথম পড়লা?
আম্মো কাম ফল খাইতে চাই
দেশের জনসংখ্যা কমাইতে বাঘ থিওরী কাজে লাগানো যাইতে পারে।
বাঘের কোন থিওরী। গে আর লেস বাড়াইতে হবে মনুষ্যসমাজেও? এইটা কেন ভাবলেন আপনে?? কাহিনী কী
কাম ফল কহাওয়ার ফলে, কুন ধরনের কামের, মানে কাম কাজের উৎসাহ বড়বে বলে আশা প্রকাশ করছে ওনারা?
ভ্যাম্পদের এই বিষয়টা টোয়াইলাইটে আসতে পারতো!
শাওন বিবাহের আগেই বিলাই হইয়া গেলেন? কেম্নে কী
বড়দের টোয়ালাইট বানাইলেই পারে।
শাওনের কোন কোন কাজ-কামে উৎসাহ লাগবে?
হেহে, ওডা ফলে কি পার্টিকুলার অর্ডার দেওয়া যায়?
যায়। তার আগে রোগির কাছে ১১টি প্রাইভেট প্রশ্ন
১.....................
সাইড বিজনেস!!!!!
রাস্তায় কুড়াইয়া পাওয়া
ছিলাম সুশীল। এই পোস্ট পড়ার কারণে কুশীল হইয়া গেলাম। এমন কুশীলীয় পোস্টে মাইনাস।
পাপিষ্ট মডুরা মাইনাসের কোনো জায়গাই রাখে নায়। কেনু কেনু?
‘আবার ঠিক একমাস পরে দেখা হবে।’
আবার কবে দেখা হয় তারপর বুঝবো কে ভ্যাম্পায়ার
ফলোআপ জানাইয়েন
১ নম্বরটা মাসুমীয় হৈসে।

পরেরগুলা তো অচলীল।
একমত একমত

চুপচাপ পড়ে গেলাম
পুরাটাই মাসুমীয়
অফটপিক: কয়েকমাস আগে বিয়া করা এক বন্ধুরে দেখি সেদিন ফেসবুকে স্ট্যাটাস লিখসে, জীবন যেন চুপসানো বেলুন......। এই স্ট্যাটাস দেখে ভাবলাম বন্ধুর মনে হয় খানিকটা অভিজ্ঞতা হইসে। সাদা মনে জিগাইলাম, বন্ধু বেলুন কোনটা ভালো? সে আমারে কয়, তুই ইদানীং খুব অশ্লীল হৈছিস।
অভিজ্ঞদের এইসব লাগে না
সাত সকালে এইসব কি পড়লাম!!!!!!

কৈথেক্কা পড়লেন?
সুশীল, অশ্লীল বা কুশীল বলে কিচ্ছু নাই । কি বলা হচ্ছে সেটাই আসল কথা । প্রথমটা পড়ে তো সুশীলই ছিলাম, পরেরগুলো কি আমাকে কুশীল করে ফেললো ! মনে হচ্ছে ঠিকই আছি ।
মীরের অফটপিকে প্লাস ।
কেউ কেউ চিল্লায়, তাই এইসব বলা। আমিও মনে করি ঠিকই আছি।
যাক অনেক দিন পর একটা উমদা পোস্ট পাইলাম ...
পত্রিকা অফিসে কি এই ফল (কাঠাল+আম) টেস্টিংয়ের জন্য পাঠায় নাই? অভিজ্ঞতা কি বলে?
খোঁজ নিতাছেন কেন? এখনই লাগবে?
ছোট মানুষ তাই ভুলে এই পোস্ট পড়ে ফেললাম:(
পড়ছো, ভাল করছো। এখন শান্ত থাকো...
অফটপিক : ফোনাইছিলেন, কোনো খবর ? @শখত মামা
হরতাল চলছে। ৭০ টাকা রিক্সা ভাড়া দিয়ে অফিসে আসলাম। উরা ধুরা!
হরতাল চলছে। ৭০ টাকা রিক্সা ভাড়া দিয়ে অফিসে আসলাম। উরা ধুরা!
সাহাদাত উদরাজীর মন্তব্য প্রায়ই দুইবার করে আসে । কিন্তু কেন ? এ বিষয়ে কেউ কি কিছু বলতে পারেন ?
আমি নিজেও বুঝতে পারছি না। তবে সব সময় নয়! মাঝে মাঝে।
মড়ারেটর ভাইবোনরা এদিকে একটু নজর দিলে ভাল হত। গলতিতে মাফ চাই।
একটা মনে হয় গুলনাহারের পক্ষ থেইকা আসে
এটা পড়া ঠিক হৈছে না বেঠিক হৈছে- আঁই ন বুজির
মজারু লেখা।
মন্তব্য করলে বেয়াদবী হইবে
মন্তব্য না করাটাই বেয়াদবী
খাইছে
ভুলে পইড়ালাইছি, তয় মজা পাইলাম
কমেন্ট করার সাহস নাই, এসব চুপচাপ পড়ে নিতে হয়
হ। সামুতে থাকতে মাসুম ভাই এর পোষ্ট আমি অফলাইন হয়ে পড়তাম।
সবই সরল বিশ্বাসে লেখা
নাক কান বন্ধ করে পড়লাম। এখন সুশীল লাগতাছে।
পোস্টের টাইটেলটায় লিক এর কথা দেখলাম মনে হয়।
১. কামফল খাইতাম মন চায়।
২. বাঘের জন্য ভায়াগ্রার ব্যবস্থা রাখার দাবি করতেছি।
৩. সুন্দরবনে বাঘদের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার না বাড়াইলে এমনই হবে।
৪. কিছু কমু না।
লিকস সিরিজ চালু হোক।
মন্তব্য করে বেয়াদবি করলাম?
"চুপচাপ পড়ে গেলাম" (কপিরাইটঃ উদ্রাজী, ভায়া রায়হানভাই... )
মাসুম ভাই
কিছু প্রাইভেট প্রশ্ন আছিলো, এইখানেই করবো?
করেন.........
কামফল !!

মন্তব্য করুন