আতঙ্কের বাজারে বুঝেশুনে পা ফেলুন
গৌরী সেন ছিলেন ১৭-১৮ শতকের সুবর্ণবণিক সম্প্রদায়ের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। নানাভাবে তিনি বিপদগ্রস্ত মানুষকে অর্থসাহায্য করতেন। সেই থেকে বলা হয়, ‘লাগে টাকা, দেবে গৌরী সেন’।
জীবনের জন্য প্রয়োজন সঞ্চয়। একটা সময় ছিল, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য কিছু অর্থ রাখতেই হতো। আর এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের পাশাপাশি যোগ হয়েছে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্যের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু এখন আর গৌরী সেন নেই। তবে অর্থ প্রয়োজন। কে দেবে অর্থ?
বাংলাদেশে শেয়ারবাজারই এখন গৌরী সেন। শেয়ারবাজার অর্থ দিচ্ছে, আর সেই অর্থ পেতে এই বাজারে মানুষ আসছে ‘বানের লাহান’। এক বছর আগেও বাজারে বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ১৫ লাখেরও কম। আর এখন প্রায় ৩২ লাখ। এই গৌরী সেনের কাছে প্রতিদিনই মানুষ আসছে। একটুখানি সুখ স্বাচ্ছন্দ্য তো আছেই, এখন শেয়ারবাজার দিচ্ছে গাড়ি ও বাড়ি। বেকার থেকে শুরু করে সমাজের এমন কোনো শ্রেণী নেই, যারা শেয়ারবাজারে একখানি হিসাব খোলেননি। দেশের মানুষ কিছু একটা করে বাড়তি আয় করছে, আর এই পরিস্থিতিতে খুশি হওয়ারই কথা।
কিন্তু গত বুধবারের মাত্র সোয়া এক ঘণ্টায় সূচকের ভয়াবহ পতনের পর খুশি হওয়ার সুযোগ কমে গেছে। বরং বলা যায়, বাংলাদেশের শেয়ারবাজার এখন আতঙ্কের বাজারে পরিণত হয়েছে। সূচকের পতনে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষোভ ঠেকাতে নামা পুলিশের এক হাতে লাঠি থাকলেও তাদের আরেক হাতের মুঠোফোন থেকে অনবরত শেয়ারের খবর নিতেও দেখা গেছে। এর আগেও বাজার পতনে ছোটখাটো বিক্ষোভ দেখা গেছে। কিন্তু বুধবারের সূচকের পতন ছিল ভয়াবহ, আরও বিক্ষোভের চেহারাও ছিল অন্যরকম। তবে বাজারের পতন ঘটা শুরু হলেই বিক্ষোভ আর তাতে বাজারকে ঘুরে দাঁড় করানোর মধ্যে সাময়িক কৃতিত্ব আছে, স্বস্তি নেই।
বাঙালি মধ্যবিত্তের হঠাৎ এই বিনিয়োগ-আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যাওয়া চমকপ্রদ তো বটেই। বলতে শুনি, মধ্যবিত্তরা ঝুঁকি নিতে চান না। কিন্তু অর্থনীতির শাস্ত্র অনুযায়ী, শেয়ারবাজার তো ফাটকা বাজারেরই অংশ এবং এর মূল কথাই ঝুঁকি। একসময় মধ্যবিত্তেরা ব্যাংকে টাকা রাখতেন। এরচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ দ্বিতীয়টি নেই। তবে এই নিরাপদ বিনিয়োগের সুদের হার ক্রমান্বয়ে কমতে থাকায় ব্যাংকে টাকা রাখায় উৎসাহ কমেছে। দ্বিতীয় পছন্দের জায়গা ছিল সঞ্চয়পত্র। কিন্তু আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের চাপে সঞ্চয়পত্রের সুদের হারও কমছে। এতেও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন অনেকেই। বাকি রইল শেয়ারবাজার। মধ্যবিত্তেরা এখন শেয়ারবাজারে। তবে মনে করার কোনো কারণ নেই যে বাঙালি মধ্যবিত্তেরা ঝুঁকি নিতে শিখেছে। বরং বলা যায়, অধিকাংশই না জেনে, না বুঝেই ঢুকে পড়ছে শেয়ারবাজারে।
আপনাকে দোষ দিয়ে কী হবে। আপনার চারপাশের অনেকেই লাখপতি হয়ে গেছেন, কোটিপতির সংখ্যাও আছে। তাহলে আপনি এই বাজারে যাবেন না কেন? আবার একসময় রাজনীতি চায়ের কাপে ঝড় তুলত। এখন আপনি যেখানেই কান পাতবেন, শুনবেন শেয়ারের গল্প। শরীর ও মনের চাঙাভাব এখন নির্ভর করে শেয়ারবাজারের চাঙাভাবের ওপর। এসব কিছুই আপনাকে ঠেলে দেবে শেয়ারবাজারে। আবার আপনি আয়-মূল্য অনুপাত (পাইস-আর্নিং রেশিও বা পিই) দেখে, ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারই বা কেন কিনবেন? এসব কোম্পানির শেয়ার কিনে রাতারাতি লাখপতি হয়েছেন, এমন কাউকে তো পাননি। তাহলে এসব শেয়ার আপনিই বা কেন কিনবেন।
তার অর্থ বাংলাদেশের এখনকার শেয়ারবাজারকে মোটেই স্বাভাবিক বলা যাবে না। বেশির ভাগ শেয়ার অতি মূল্যায়িত। এর মধ্যে বেশির ভাগই দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানি। সুতরাং দাম কত কমলে একে বাজার সংশোধন বলা যাবে, তা-ও পরিষ্কার নয়। কোম্পানির অস্তিত্ব নেই, অথচ শেয়ারের দাম বাড়ছে। এ ধরনের চিত্র অনেক পাওয়া যায়। এই শেয়ারবাজার তো আসলে তথ্যের বাজার। যার কাছে তথ্য আছে, সে বেশি লাভবান। আর এটাই স্বাভাবিক, এসব তথ্য তৈরি করে নানা ধরনের গুজব। এমনকি তথ্য কেনাবেচার ঘটনাও আছে।
বইয়ে আছে পুঁজিবাজার হচ্ছে মূলধন সংগ্রহের বাজার। যাঁরা শিল্প কারখানা করছেন বা সেবা খাতে আছেন, তাঁরা ব্যাংক থেকে মেয়াদি ঋণ নেবেন। তবে ঋণের পুরো অংশের জন্য ব্যাংকের ওপর নির্ভর করবেন না। প্রতিষ্ঠান চালাতে বাকি অর্থ সংগ্রহ করবেন পুঁজিবাজার থেকে। কিন্তু বাংলাদেশে হচ্ছে এখন উল্টোটা। উদ্যোক্তারা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সরাসরি ঢালছেন শেয়ারবাজারে।
তাহলে এই শেয়ারবাজার দিয়ে বাংলাদেশের কী লাভ? দেশে বিনিয়োগ স্থবির। স্থানীয় বিনিয়োগ তেমন হচ্ছে না। অথচ দেশের মধ্যে যে বিনিয়োগযোগ্য অনেক অর্থ আছে, এর প্রমাণ এই শেয়ারবাজার। শেয়ারবাজারের বাজার মূলধনের পরিমাণ মোট জিডিপির প্রায় অর্ধেক। এখন প্রতিদিন গড়ে লেনদেনের পরিমাণ দুই হাজার কোটি টাকার বেশি। কিন্তু এই অর্থ অর্থনীতিতে তেমন কাজে লাগছে না। অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু বেশি লাভবান হচ্ছেন কারসাজিকারীরা। এদের সংখ্যা কিন্তু বাজারে অনেক।
এই কারসাজিকারীদের মূল কাজ কী, জানেন? মূল কাজ হলো, আপনাকে বাজারে টেনে নিয়ে যাওয়া। আপনি যদি নতুন অর্থ নিয়ে না আসেন, তাহলে শেয়ারের দাম কীভাবে বাড়ানো হবে? সুতরাং আপনাকেই দরকার। আর আপনি তো জেনেই গেছেন, না বুঝেও এখানে বিনিয়োগ করা যায়।
না বুঝে এই ঢুকলেন, কে আপনার স্বার্থ রক্ষা করবে? এখানেও তো নানা কারসাজি। যাঁরা রক্ষা করবে বলে মনে করছেন, তাঁরা নানা স্বার্থে বাজার নিয়ে খেলছেন। আর তাই তো, চেয়ারম্যানকে না জানিয়ে আদেশ দিয়ে দেন এসইসির একজন সদস্য। ডিএসইর নেতারা নানা কৌশলে শেয়ারের দাম বাড়ান। আবার বড় বড় কোম্পানির মালিকেরা সামনে সামনে কোন কোন কোম্পানির শেয়ার বাজারে ছেড়ে কত টাকা তুলবেন, তার হিসাব করতে থাকেন। সুতরাং বাজারের কারসাজি কিন্তু শেষ হয়নি। এখন আপনিই ভাবুন, এই বাজারে আবারও ঢুকবেন?
কে না জানে, এত কথা বলার পরও আপনি এই বাজারে ঢুকবেন। তাহলে আরও কিছু কথা বলা যেতে পারে। প্রথম কথা হচ্ছে, এটা ঝুঁকির বাজার। সুতরাং ঝুঁকি নিতে জানলেই কেবল এই বাজারে থাকবেন। আরেকজনকে দেখে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেবেন না। কোম্পানি দেখে বিনিয়োগ করুন। একটি কোম্পানির আর্থিক বিবরণী কীভাবে বুঝতে হয়, সেটি শিখুন। কখন কিনতে হয় আর কখন বিক্রি করতে হয়, সেটি জানুন।
সবশেষে কিছু উদাহরণ দিই। অধ্যাপক আবু আহমেদের বই থেকে উদাহরণ দিচ্ছি। ১. সবাই যখন শেয়ার কিনত তখন ওয়ারেন বাফেট ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতেন। আর সবাই যখন শেয়ার কেনা বন্ধ করে দিত, তখন তিনি শেয়ার কিনতেন। আর এ কৌশল অবলম্বন করেই তিনি বিশ্বের অন্যতম ধনী হতে পেরেছেন। এখানে বলে রাখা ভালো, গত বুধবার যখন সোয়া এক ঘণ্টার মধ্যে সূচক প্রায় সাড়ে ৫০০ পয়েন্ট নামল, তখনো কিন্তু কিছু ‘স্মার্ট’ বিনিয়োগকারী শেয়ার কিনে লাভবান হয়েছেন। ২. অর্থকে অলস রাখাও লাভ। অর্থ দিয়ে কোনো আর্থিক সম্পদ কিনতে গিয়ে যদি মূলধনি ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়, তাহলে তরল অর্থ ধারণ করা যে লাভ, সেটা শিখিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদ জন মেইনার্ড কিনস। ৩. বিনিয়োগকারীরা একদিকে দৌড়ায়। তবে যিনি সফল হতে চান, তিনি একপর্যায়ে দল ত্যাগ করে অন্যদিকে দৌড়ান। ৪. হামফ্রে কেনেডিতে যখন সু-পলিশের ছেলে না চিনে বলতে শুরু করল, স্যার, শেয়ার কেনা এখন অনেক লাভজনক, তখন কেনেডি বুঝলেন, এখনই শেয়ার বেচার সময়। আর ১৯২৯ সনে কেনেডি যখন তাঁর শেয়ারগুলো বেচে দিলেন, তার দুই সপ্তাহের মধ্যে মার্কিন শেয়ারবাজার এক-তৃতীয়াংশ মূল্য হারিয়েছিল। ৫. বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন সেকালে সাউথ সি কোম্পানির শেয়ার কিনে ২০ হাজার পাউন্ড হারিয়েছিলেন। তখন তিনি আফসোস করে বলেছিলেন, আমি গ্রহ-নক্ষত্রের গতিকে পরিমাপ করা শিখলাম, কিন্তু শেয়ারবাজারের গতিকে বুঝতে পারলাম না।
লেখাটা আজ প্রথম আলোয় প্রকাশিত





অন্যরকম এক্টা লেখা। জোশ লাগছে।
আমি তো দেখলাম, অর্থনীতি/ শেয়ারবাজার নিয়ে বাংলা ভাষায় সহজে বোধগম্য ও সুপাঠ্য করে বানানো একটা লেখা। অন্যরকমের কিছু তো পাইলাম না।
ধূর যা প্যাচের কথা কন কেন?অর্থনীতি/ শেয়ারবাজার নিয়ে বাংলা ভাষায় সহজে বোধগম্য ও সুপাঠ্য করে বানানো একটা লেখা।.....এইটাই বলতে চাইলাম এক কথায়। গতানুগতিক লেখা না....সেইটা। আমার মতো গাধায়ও পইড়া ভালু পাইছে। অর্থনীতির কঠিন কঠিন চশমা পড়া শব্দ, বাক্য হলে তো আর অন্যরকম হতো না।
বলতে চাইলেন একরকম, কিন্তু কম্পোজ করলেন অন্যরকম!!
ভালো ভালো।
পেচ্চাপেছি মুডে আছেন মনে হয়! মন ভালু হইছে?
ইয়াপ। আপনারে পাঁচ কোটি একখানা ধইন্যাপাতা। আর দশ লাখ শুভকামনা।
ধইন্যাপাতা কিতার লাই?
এক বালিকার সাথে কথা বলতে বলতে লিখছিলাম।
বালিকার সাথে কথোপকথনও লিখতেন! আমরা ৫ তারা দিতাম তো।
মডু মারবে
ডরাইয়েন না। সাহস রাথেন। মডু লুক ভালু।
আপনে কেমতে জানলেন??
আপনে দেখি কিছুই জানেন না!মডু খ্রপাপ হইলেও ভালু বলতে হয় নাইলে তো ব্যান করে দিপে।
এতদিন জান্তাম আপেল খাইলে (ফরমালিন ছারা) শরীর ও মন চাঙ্গা হয়... এখন দেখি..
ভালু পাইলাম
বাজারে দেখলাম আপেলের গায়ে টুপি পড়ারো। সেইটা খুইলা চেক কইরা দেখতে হয় অরিজিনাল না ফরমালিন দেয়া। তারপরই তো খাওয়ার প্রশ্ন।
আমি নামুম নামুম কৈরাও এখনো নামি নাই। বুঝতেছিনা কিছু! নামুম?
নামো। মন চাঙ্গা হবে।
আমার তো শেয়ার ব্যবসা নাই।যাই আপেল খাইয়া মন চাঙ্গা করে আসি।
ভাইস্তা আপেল খাইতে কই যায়?
কই আর।ফ্রিজ থেকে বের করে খেলাম।আমাদের কি আর আপনাদের মতো রাজকপাল।

ক্যান টুটুল কি গাছথিকা পাইরা খায়?
মনে লয়।

নতুন ফতোয়া.....আপেল দুইটা খাইতে হয়, একটা না।
শেয়ার বাজারে নামি নাই , আপেল ও খাইলাম না
কি যে হবে
ক্যাপ খুইলা ফেলছ?
মাসুম্ভাইয়ের মত হয়ে নেই তারপর ক্যাপ পড়ুম ।
মাসুম্ভাই কী হইছে?
মাসুম্ভাই তো ক্যাপ বিশেষজ্ঞ ।
এখন ওনার সামনে ক্যাপ পড়লে ওস্তাদের অপমান হয় না ???
উনি কামেল হুজুর। আপেল, ক্যাপ, শ্যায়ার কত কিছুর বিশেষজ্ঞ।
রান কেমন করেন রায়হান ভাই???

বেলতলায় আর যাইনি ১৯৯৬ সালের পর। টেনশানও ছিল না তাই।
কিন্তু শেয়ার বাজারে সেদিন কেন ওইরকম ভয়ংকর ধ্বস নামছিল জানা গেছে?
ভল্টের টাকা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ হবার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তের ঘোষনার প্রতিক্রিয়া নাকি?
তবে মনে করার কোনো কারণ নেই যে বাঙালি মধ্যবিত্তেরা ঝুঁকি নিতে শিখেছে। বরং বলা যায়, অধিকাংশই না জেনে, না বুঝেই ঢুকে পড়ছে শেয়ারবাজারে।
আপনের এই কথার প্রেক্ষিতে এট্টু উদাহরন দিতে মন চাইতেছে...

রায়হান ভাই
লীনা
টুটুল
ভাস্কর
এরা কি এই সংজ্ঞায় পড়ে ?
বড় ভাই কি পেচ্ছাপেচ্ছি লাগাইতে চাইতেছেন?
আপনার কি তাইলে এই ক্যাটাগরীতে পড়লেন?
মেসবাহ ভাই... ধরেন একজনের নিজের বিও একাউন্টও নাই... অথচ.. কেউ একজন কইলো .. আর যাইয়া তারে টাকা দিয়া চোখ বুইঝা বইসা থাক্লাম.... এরম একজনে নাম কন
মেসবাহ ভাই 'জিপি'র দাম কত এখন?
আরে মেজবাহ ভাই তো এই কাম করে। উনি তাইলে কোন কেটাগরি? ৩ লম্বর?
মুনেলয়... ওনারে লইয়া মাসুম ভাই লেখার ভাষা হারাইয়া ফেলছে
আপত্বি নাই...
রায়হান ভাই লগ আউট।
আমি এত তাড়াতাড়ি আউট হইনা ।
রান কেমন করেন রায়হান ভাই??

পেচ্ছাপেচ্চিইতো কর্তার্লাম্না তার আগেইতো য়াযাদ্ভাই লগাউট।
দিনে কয় ইনিংস খেলেন? ফ্লাড লাইটে কী অবস্থা?
আউট ফিল্ড ভেজা থাকলে কি খেলা পরিত্যক্ত হয়।
শুকনা থাকলে খেলা ত্যক্ত হয়
আজ একটা হাউজে যাব।
তুমি আজকে এত্ত তারা কৈ পাইলা?
আসমান থেইকা তারা নিলাম।তুমাদের দেওয়ার জন্য।
বস লেখা। সকালেই পড়েছিলাম প্রথম আলোতে।
যেখানে যাই সেখানেই শুনি শেয়ার বাজার। আমার কেবল ভয় লাগে। এত মানুষ, ধরা খেলে কোথায় যাবে। পিলো পাসিং খেলায় একজন না একজন শেষে পিলো নিয়ে ধরা খাবে।
১ ডিসেম্বর চাকরিতে যোগদান করেছে এমন একজনের কাছে শুনলাম সচিবালয়ে নাকি একই দশা। কি হবে এই দেশের?!!
মাসুম ভাইয়ের পত্রিকার প্রতি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অনেক অভিযোগ, এরা কেবল প্যানিক ছড়ায়। আমি অবশ্য তা মনে করি না।
আর নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে যত দোষই দেন না কেনো, তারা মানুষকে সতর্ক করে নাই বা করছে না একথা বললে ভুল হবে। আমরা পাবলিকরা খালি অতিরিক্ত লোভ করি।
"বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন সেকালে সাউথ সি কোম্পানির শেয়ার কিনে ২০ হাজার পাউন্ড হারিয়েছিলেন। তখন তিনি আফসোস করে বলেছিলেন, আমি গ্রহ-নক্ষত্রের গতিকে পরিমাপ করা শিখলাম, কিন্তু শেয়ারবাজারের গতিকে বুঝতে পারলাম না।"আমি কোন কিছু না হারিয়েও নিউটনের দলে । গতিক বুঝিনা, তাই অঢেল সময় ও অফুরন্ত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আমি এই বাজারে যাই নাই, যাবও না ।
সহজ ও সুন্দর করে শেয়ার বাজারকে তুলে ধরবার জন্য শওকত মাসুমকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।
ব্যাপক পেচ্ছাপেচ্ছি হয়েছিল দেখি! আহা মিসড
মাসুম ভাই তো ভাল লেখেন এটা নতুন আর কি! মাসুম ভাইর সম্পাদনায় বাংলাদেশে একটা সৃষ্টিশীল, তথ্যবহুল এবং জনহিতকর বিজনেস নিজউ এর পাতা বের হয় এই কথা বলতেই হয়। বুধবারের বাজার কারেকশনের কারণে যে মহাদূর্যোগ ঘটেছিল সেদিন আমার পরিচিত একজন যিনি শেয়ার ব্যবসা করেন এবং একটি প্রথমসারির ব্যাংকে সিনিয়র পোস্টে চাকুরী করেন তিনি আক্ষেপ করে বললেন, এই প্রথম আলোর জন্য আরামে চাকরী আর আরামে ব্যবসা কোনটাই করতে পারলাম না। তার এই আক্ষেপটি যে প্রথমআলোর দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রতিরূপ তা বলাই বাহুল্য।
মিসড কেন? আপনারে তো খবর দিলাম আসতে, আসলেন না। টুটুল বললো, আপনি নাকি অনুরাগের ছোঁয়া সিনেমা দেখছেন।
টুটুল ভাই ক্যামনে জানে, আমি কি উনার লগে বৈসা অনুরাগের ছোঁয়া দেখছিলাম
টুটুলরে জিগান। আর রায়হান ভাই কি বলছে সেইটা তো বলব না।মাইর দিবে আমারে।
এতো ডরান ক্যান???বুকে বল নিয়ে বলে ফেলান।
এহহহহহ। আরেকজন উস্কায়। ধমক দিলে আপনে খান? আমাকেই তো খাইতে হয়।
হাহাহাহা।
যদি ফোনে ধমক দেয় তাইলে কান কালভার্ট করে রাখবেন এক কান দিয়ে শুনবেন আরেক কান দিয়ে বের করে দিবেন।আর যদি সামনা সামনি দেয় তাইলে মাথা নীচু করে রাখবেন যেন সব মাথার উপর দিয়ে চলে যায়।
এবার বিশটা টাকা দেন।পরামর্শ দিলাম এই জন্য।
বিশ টাকা পামু কই? টাকা নাই গো! আমি তো শেয়ার ব্যবসাও করি না।
টাকা নাই??টাকা দিয়ে কি করেন???
আজব তো! আমি কই টাকা নাই।আপনে জিগান , টাকা দিয়া কি করি!
অর্থ বানিজ্যের লুকের কাছে লোন চাইছি। কিন্তু আশ্বাস পাইলাম না।
কেন?? কই যেন কামলা দেন সেখানে কি পেটে ভাতে আছেন??
রিক্সা ভাড়া দিয়াই সব টাকা শেষ।
আল্লাহর দেয়া দুই পা আছে কি করতে???
ঢ্যাপস পাল আর মহুয়ার সিনেমা???
চমৎকার বিশ্লেষণধর্মী লেখা।
ধন্যবাদ, মাসুম ভাই।
"ট্যাকা মাটি, মাটি ট্যাকা"
খুবই সু্ন্দর লেখা। অসংখ্য ধন্যবাদ। তবে বুধবারের পতনের আগে মঙ্গলবারে প্রথম আলোতে যে রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়েছে সেটা নিয়ে একটু আলোকপাত করলে ভালো হত। প্রচুর লোক (ফেসবুকে) মঙ্গলবারেই অভিযোগ করেছে যে রিপোর্টটি বিশেষ কারো সুবিধার্থে ফরমায়েশী লেখা।
ওরে! শেয়ার বাজার ১০১!!
এই সব ভুই পাই!
শেয়ারে ব্যাবসা করিনা,
শেয়ারে রিক্সায় চড়ি!
পেচ্ছেপেচ্ছি শেষ?
নো রিস্ক নো গেইনের সংজ্ঞা কি তাহলে পাল্টাতে হবে?
যারা অনেক বেশি গেইনের আশায় অনেক রিস্ক নিবেন তারা কিছু পেইন নিবেন না, তা কি করে হয়?
বুকে হাত দিয়ে বলছি, সূচকের মহা বিপর্যয়ে আমার কোন ক্ষতি হয় নাই...।
আমি শেয়ারবাজারে নাই। বড় সুখে আছি।
এইটা জটিল বলেছেন।
প্রথম আলোর শওকত হোসেন=এবি'র শওকত মাসুম?
আমি তো তা-ই মনে করি । মাসুম এ প্রশ্নের সদুত্তর দিলে ভাল হয় ।
জ্বী। আমরা একই ব্যক্তি
আতঙ্কের বাজারে বুঝেশুনে পা ফেলুন পোস্টটি এত জনপ্রিয় হয়েছে আর এর লেখক সবারই এত প্রিয় যে, বুঝেসুজে মন্তব্য না-করে গত্যন্তর নেই । শিরোনামের বুঝেশুনে শব্দটিকে ভুল বলবার মত ধৃষ্টতা আমার নেই, তবে এটি মনে হয় বুঝেসুজে হলে ব্যকরণসম্মত হত । প্লিজ, আমাকে পেচ্ছাপেচ্ছির মধ্যে ফেলবেন না, আমি হেরে যাব নির্ঘাৎ ।
মন্তব্য করুন