ব্লগর ব্লগর
১.
কাল চট্টগ্রাম যাওয়ার কথা ছিল। শেষ পর্যন্ত তারিখ পিছালো। এখন যাবো ১০ এপ্রিল। অফিসের কাজে। থাকবো তিন দিন।
অনেকদিন পর চট্টগ্রাম যাবো। আমি পাহাড় ও সমুদ্র দুটোই পছন্দ করি। কিন্তু পছন্দের পাহাড় বা সমুদ্র দেখতে খুব বেশি চট্টগ্রাম যাওয়া হয় না। এবার কাজের সূত্রেই যাওয়া। ফলে পতেঙ্গা হলেও সমুদ্র দেখতে পারবো কীনা বুঝতে পারছি না।
২.
বাসা বদল করেছি। বাবা বিমানে চাকরি করতেন। আমার মনে নেই, শুনেছি আগে পুরানা এয়ারপোর্টে রানওয়ের পাশেই বিমান কর্মকর্তাদের বাসা ছিল। সেখান থেকে চলে যাই সেকেন্ড ক্যাপিটাল খ্যাত শেরে বাংলা নগরে। এখন আগারগাওয়ে যে সরকারি কোয়ার্টারগুলো আছে সেখানে কিছুদিন ছিলাম। এয়ারপোর্ট পাশে ছিল বলে বিমানের লোকজন সেখানেই থাকতো। সেখান থেকে চলে যাই শ্যামলী। কেবল মনে আছে শ্যামলীর বাসাটা অনেক বড় ছিল। সেখান থেকে বাবার পোস্টিং হয় ঠাকুরগাঁও।
ঠাকুরগাঁও থেকে আবার ঢাকায় এসে বাসা নেই নাখাল পাড়ায়। এখানে ছিলাম ১২টি বছর, তিন বাসায়। তারপর বাবা ছোট্ট একটা জমি কিনে বাড়ি বানায় ইব্রাহিমপুর। ৮৭ সাল থেকে সেখানেই বসবাস।
কিন্তু চাকরি, বাচ্চাদের স্কুলসহ নানা কারণে আবার বাসা বদল করতে হল। এই মাস থেকে নতুন জায়গায়, মোহাম্মদপুরে। বাসা বদলের ঝক্কি এখনো শেষ হয়নি। এখনো এই বাসায় নিজেদের আউটসাইডার মনে হয়।
৩.
বাসা বদলের বড় ঝামেলা হল ভারী ভারী ফার্নিচার নিয়ে যাওয়া। আমার শ্বশুরকুলের দুলাভাই বিমান বাহিনীতে কাজ করেন। তিনি একটা পিকআপ দিলেন। গাড়িটা বিমানবাহিনীর সম্পত্তি। তবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় কেনা হয়েছিল বলেই আমার ধারণা।
সেই গাড়িতে ড্রাইভারের পাশে আমি। আমার পিছনে দুইজন আর ফার্নিচারের উপরে বসা একজন, তিনিও বিমান বাহিনীর। যাচ্ছি ক্যান্টনমেন্টের ভিতর দিয়ে। এই জায়গা দিয়ে আমি সহজে যাইনা। আমার গাড়িতে সাংবাদিক লেখা থাকে। তাদের ধারণা
সাংবাদিক মানেই ক্যান্টনমেন্ট থেকে গোপন সংবাদ সংগ্রহ করতে এসেছি। এ নিয়ে একাধিক বার আমি তাদের সাথে ঝগড়াও করেছি।
এবার আর সাংবাদিক লেখা গাড়ি না। বিমান বাহিনীর গাড়ি। কিন্তু তারপরেও ঘটনা কম কিছু হল না। এই গাড়ি আটকে দিল রাস্তায় যারা ডিউটি দেয় সেই সেনাবাহিনীর লোকজন। ড্রাইভার গাড়ি থামিয়ে গেল কথা বলতে। আসলো ১০ মিনিট পর এবং গাড়ি ছাড়লো।
গাড়ি ছেড়েই ড্রাইভারের প্রথম সংলাপ-(রাগত স্বরে) এহহহহ, আর কারো সাথে পারে না, পারে খালি এয়ার ফোর্সের সঙ্গে।
আমি কিছু একটার গন্ধ পেলাম। নিরীহ ভঙ্গিতে বললাম, আপনারা তো বিমান বাহিনী। আপনাদের আটকায় কেন?
পেছন থেকে একজন-ওরা চায় খালিই ওরাই থাকবে, আর সব ওরাই খাবে। আমরা থাকলে তো সব একা খেতে পারে না। তাই এয়ারফোর্স পেলেই ধরে। ফার্নিচারের উপর বসা একজনকে দেখেছে, আর তাই আর চান্স ছাড়লো না।
আরেকজন-ওরা মনে করে ওরাই সব পারবে। আমরা থাকলে তো প্রব্লেম।
পেছনে বসা প্রথমজন-কেমন পারে তো জানাই আছে। নিজেরা হেলিকপ্টার চালাইয়া তো একজন মেজর জেনারেলরে মারছে। এতো পারলে মারলি কেমনে?
চারজনের আলাপচারিতা শুনতে শুনতে বাসা বদলের যন্ত্রণাময় সময়টা দারুণ ভাবে কেটে গেল।
৪.
বাসা বদলের মতো ব্লগ বদল এতোটা হয়নি। ব্লগ জীবন শুরু হয়েছিল সামু থেকে। তখন আমরাবন্ধু ইয়াহু গ্রুপ করতাম। সেখানে একবার লিঙ্ক পেয়েছিলাম আরিফ জেবতিকের একটা লেখার, ভ্যালোরি নিয়ে। সেই থেকে ঢুকলাম সামুতে। ব্লগ জীবনের বন্ধুদের বেশিরভাগ পেয়েছি সামুতেই।
সামুর পাশাপাশি লেখালেখি শুরু করেছিলাম ক্যাডেট কলেজ ব্লগে। আমার অত্যন্ত প্রিয় জায়গা। সেখানে ৯৯টি পোস্ট এখনো আছে। নার্ভাস নাইন্টিতে আটকে আছি। শিগগিরই সেঞ্চুরি করে ফেলবো।
নেট জীবন শুরু হয়েছিল আমরা বন্ধু ইয়াহু গ্রুপ থেকে, তাই এবি ব্লগ শুরু করায় আবার সেই ব্লগেই ফিরে এলাম। সামুতে এখন আর তেমন লেখা হয় না। তবে জানার সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কটা কিন্তু রয়েই গেছে।
৫.
ডয়েচে ভেলের আয়োজনে বেস্ট ব্লগ ও ব্লগার প্রতিযোগিতায় বাংলা ভাষার ব্লগ অন্তর্ভূক্ত হয়েছে গত বছর থেকে। গতবার প্রতিযোগিতায় আমার নামটিও মনোনয়ন পেয়েছিল। গতবার কে আমার নাম দিয়েছিল আমি জানি। তবে মজার ব্যাপার হল গতবার আমি কোনো ভোটই দেইনি, নিজেকেও না।
এবার আমার নামটি কে দিয়েছে আমি জানি না। আমার নামটি যে মনোনয়ন পেয়েছে তাও জেনেছি অনেক পর।
একুশে টেলিভিশনের হারুন একদিন ফোন করে আমার ই-মেইল এড্রেস চেয়ে জানালো, যে ডয়েচে ভেলে চাইছে। কারণ আমার মনোনয়ন পাওয়ার তথ্যটি তারা দিতে চায়। সেই আমার জানতে পারা। তারপর লিংক ধরে যেয়ে দেখি, এরই মধ্যে ভোটাভুটি শুরু হয়ে গেছে এবং ভোটযুদ্ধে পরিস্কার ব্যবধানে অনেকেই অনেকদূর চলে গেছে।
আরিফ জেবতিকের লেখার সূত্র ধরে আমার ব্লগে আসা। অসাধারণ তার লেখার হাত। আরিফ এবিতেও লিখছে। তবে আরও চাই।
আইরিন আমাদের সবারই ভাল বন্ধু, চমৎকার একটি মেয়ে। সামুতে গেলে দেখা যায় তার ভাল ভাল অনেক লেখা। আইরীনও এবিতে লিখছে। তার কাছেও আরও লেখা চাই।
তানবীরাও মনোনয়ন পেয়েছে। রাত জাগা পাখি যে তানবীরা এটা জেনেছি একটু পর। তানবীরার মতো ভাল লেখক ব্লগ জগতে কমই আছে। পাশাপাশি অসম্ভব সুন্দর মনের একটি মেয়ে তানবীরা।
ইমন জুবায়েরের সাথে আমার খুব বেশি কথাবার্তা হয়নি। কিন্তু ব্লগ পড়লে ইমন জুবায়েরকে এড়িয়ে চলা সম্ভব না। ব্লগ জগতে নতুন ধারা সৃষ্টি করেছেন তিনি।
সচলের হিমুর মতো শক্তিশালী লেখক আর কজন আছে?
সাইফ শহীদ ভাই শহীদ লিপির রূপকার। তিনিও চমৎকার লেখেন।
এর বাইরে সাবরিনা, মেহদী হাসান খান আর অমি রহমান পিয়ালকে ভোট দেয়া তো জাতীয় দায়িত্ব।
আমি সবার জন্য ভোট চাই। এদের মধ্যে যিনিই জিতবেন আমি সবচেয়ে খুশী হব। বিশেষ করে আমার পক্ষপাতিত্ব আরিফ, তানবীরা, আইরিনের জন্য। কারণ এরা তিনজনই আমার বন্ধু। আর লেখা পছন্দ অবশ্যই হিমু ও ইমন জুবায়েরের।
৬.
সঙ্গত কারণে এবি ব্লগের বন্ধুরা আমার পক্ষে ভোট চাইছেন। হয়তো এবার প্রতিযোগিতার ধরণের জন্যই। ফেসবুকে একটা গ্রুপও খোলা হয়েছে। আমার অনুরোধ হচ্ছে ফেসবুকের গ্রুপটি বন্ধ করে দেওয়া। কারণ এই ব্লগে লিখেন এমন বন্ধুরাও তো আছেন। আসুন আমরা আইরিন, ইমন, আরিফ বা তানবীরাকে ভোট দেই। একাধিক ভোটতো দেওয়াই যায়।
৭.
অনেকেই ভাবতে পারেন আমি যেহেতু এরই মধ্যে অনেক পিছিয়ে আছি তাই এধরণের কথা বলছি। ভাবনার দায় দায়িত্ব তো আমি নিতে পারবো না। আর গতবারও আমি খুব বেশি ভোট পাইনি। সুতরাং এবারও পাবো এমন প্রত্যাশা কখনোই ছিল না। আর সত্যিকার অর্থেই আমি নিজেকে একজন কমপ্লিট ব্লগার মনে করি না। আমি যে ভাল মানের লেখক নই সেটিও অনেকেই জানেন এবং মানেন। আর আমার চাকরির ব্যস্ততা ও ধরণের কারণে ব্লগার বিষয়টিও পুরোপুরি যায় না।





আপনার লেখার ভেতরে চুম্বক আছে। এটা একমাত্র অসাধারণ লেখকদের থাকে। অনেকদিন পরে আপনার লেখা পড়ে আমি আবারও মুগ্ধ।
চাপা মারাটা ঠিক জমলো না তো।
তারমানে ধারেকাছে সময়ে যা যা লিখছি তা একটাও জাতের হয় নাই ?
নানানানানানানা। আসলেই অনেকদিন পড়ি নাই। আপনার সব লেখার মধ্যে ওইটা আছে। মানে চুম্বকটা। টানে। সবাইকে। নারীদেরকে একটু কম।
খাইছে, চট্টগ্রাম যাওয়া তাইলে তো ঠিক হবে না।
আমি ব্লগ জগতে নতুন। সত্যি কথা বলতে কী,আপনার লেখা খুব একটা পড়ি নি। আর কোনো লেখা পড়ার আগেই এই একটি লেখা পড়ে বলে দিতে পারি আপনি একজন ভালো মানুষ। না হলে,এত সুন্দর করে পোস্ট দিতেন না।/
ভালো থাকুন,সবসময়
আপনিও ভাল থাকেন, আর বেশি বেশি লেখেন।
ঘটনার উপরের ঘটনা হ্ল... শওকত মাসুম চট্টগ্রাম যাইতেছেন...
>)
~
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়াই যাচ্ছি
চট্টগ্রামে গিয়া সাবধানে থাইকেন...
ভোট বিষয়ে কিছু কমু না...
ক্রিকেটের এই জিনিষ উল্টাইয়া পড়লে হবে না?
অথবা চট্টগ্রামের সবাইরে এই জিনিস একটা কইরা উপহার দেন, পরা বাধ্যতামূলক
কয়জন সামনে পড়বে আর কয়জন পেছনে এই পরিসংখ্যান কেমনে পাই? চট্টগ্রামের জন্য আলাদা আদমশুমারী দেতে হবে দেতে হবে
মাসুম ভাই এক নিঃ্শ্বাসে পড়লাম, সত্যি আপনার লেখায় যেন কি আছে।
আমার বাবাও বিমানে ছিলেন, উনি বিমানের ডক্টর ছিলেন, আমি বিমানের সব কালচারাল প্রোগ্রামে, পিকনিকে অংশ গ্রহণ করতাম, কি জানি হয়ত ছোট বেলায় আপনার সাথে দেখা হয়েছিল বিমানের কোন প্রোগ্রামে
আমি যে ছোটবেলায় টাংকি মারতাম না প্রমান হইলো? মারলে তো মনে রাখতেন।
আপনারা ঠাকুরগাঁও তে ছিলেন ! নাকি শুধু বাবা ?
আমিও ছিলাম। আমি ক্লাশ ওয়ানে ওখানেই পড়েছি। স্কুলটার নাম ছিল দোয়েল প্রাইমারি। এখনও আছে কীনা জানি না।
আমার বাবা ঐ সময়ে স্টেশন ম্যানেজার ছিলেন, তখন ওখানে এয়ারপোর্ট ছিল।
দোয়েল স্কুল আছে এখনো। কালেক্টরেট বিল্ডিং এর পাশে।
এয়ারপোর্ট নামে মাত্র আছে এখন। মানুষ ডেটিং এ যায়
স্কুলে নীচে বসতাম এটা মনে আছে আবছা। আমার বাবা-মার খুব পছন্দের জায়গা ঠাকুরগা
আমার বাড়ী ঠাকুরগাঁও
১) চট্টগ্রাম সুন্দর জায়গা, ঘুরে এসে ছবি ব্লগ দিয়েন।
২) বাড়িবদল করা পৃথিবীর কঠিনতম কাজের একটা। জীবনে এতবার বাড়ি বদল করেছি........কঠিন কাজটা বারবার করার ভাগ্য নিয়া জন্মাইছি, কিচ্ছু করার নেই
৩)
হাহামগে
৪) আপনার সাথে এই ক্ষেত্রে মিলে গেল, আমিও সামুতে গিয়েছি আরিফ জেবতিকের মাধ্যমে। ৯৫-৯৬ সালের দিকে ভোকা থেকে আরিফের সাথে পরিচয়, সেই বন্ধুত্ব ২০০৮ এ মেইলের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবন পেল। ওর মাধ্যমে সামুতে যাওয়া এবং ব্লগার হওয়া।
এইটাও আমার সাথে মিলে গেছে। জানা আপুর সাথে বন্ধুত্বটা অমলিন থাকবে।
৫) যারা মনোনয়ন পেয়েছে, প্রায় সবাই আমাদের বন্ধু। বন্ধুদের যে কোন একজন জিতুক, শুভকামনা।
৬)ফেসবুক গ্রুপটি বন্ধ হবে কেন! অবশ্য আপনার মত কমপ্লিট ভদ্রলোক এভাবেইতো বলবেন, এ আর নতুন কি
৭) আবারও বললাম, আপনি একজন পিওর ভালোমানুষ। ভালোমানুষের আকালের এই দুনিয়ায়-আপনার মত মানুষের খুব প্রয়োজন, মাসুম ভাই।
মাসুম ভাই তাইলে ভদ্রলোকের উপরে আবার কমপ্লিট ভদ্রলোক!
কমপ্লিট ভদ্রলোক মাইনে কি- কমপ্লিট পরা ভদ্রলোক ?
সেইটাই তো জাতি জানতে চায়
আমার দুই ছেলে মেয়ে
লীনা@ খুব বেশি ঘুরাঘুরি করতে পারবো বলে মনে হয় না। আর আমি ছবি তুলতেও তেমন পারি না। আমারটা সাধারণ ক্যামেরা। এ দিয়ে ভাল ছবি তোলা যায় না।
৬ ও ৭ ভাল করে পড়া যাচ্ছে না। তোমার হাতের লেখা এতো খারাপ হইলো কেন?
১. চট্রগ্রাম গেলে টাইগার পাসের সেই রোডটা, হাইওয়ে টু হেভেন-এর মতো সেই রোডটার ছবি তুলে আইনেন। একটা পোস্টও দিয়েন। একসময় প্রতিদিন হাঁটতাম ওই রাস্তা ধরে। কতোদিন যাওয়া হয় না, দেখা হয় না। আমার বহুবার মনে হয়েছে - এত সুন্দর রোড জগতে আর নেই!
২/৩. 'এত বিতিকিচ্ছিরি ঝামেলা, ঠিক যেন বাসা বদল' - পূর্ণেন্দু পত্রীর কবিতার লাইন। ঝামেলার তীব্রতা বোঝাতে এরচেয়ে ভালো উপমা আর হয় না!... তবে একটা গল্প পেয়ে গেলেন পথে এটুকুই লাভ!
৪. অভিজ্ঞতা একই রকমের
৫/৬. আমার ভোট আমি দিমু, যারে খুশি তারে দিমু
৭. 'আমি যে ভাল মানের লেখক নই সেটিও অনেকেই জানেন এবং মানেন'

ইয়ে, মানে, মাসুম ভাই, বলছিলাম কি, বিনয় মজুমদার একটু কম পড়েন!...
বিনয় না তো। এটা তো সত্যি। আবার আমি যে মূর্খ সে কথাও অন্য ব্লগে খুঁজলে পাইবেন
ভোট নিয়া দুইটা পোস্ট দিছে লোকালটক বা ফিউশন ফাইব। পইড়া দেইখেন।
মিলে গেল
আমার জন্মের পর আব্বা বাসা বদল করেছে মাত্র ৩বার। তাও প্রথম বারেরটা আমি গল্পে শুনি, তখন আমি ছিলাম কোলে। এর পরেরবার আমি ছিলাম ৪বছরের। সেই স্মৃতিও পুরো মনে নেই। আর শেষ বদলে ছিলাম ২০০৬ সালে। সেই বার যেসব গোছগাছ করা লেগেছে, সেই একবারেই বুঝেছি বাসা বদল কারে বলে। সো, যারা প্রায়ই বাসা বদল করে তাদের যে কি দশা হয়, তা আর কল্পনা না করি
মোহাম্মদপুরে এসেছেন, আমাদের প্রতিবেশি। একদিন আসেন না আমাদের বাসায়। ভাবী, প্রিয়ন্তী আর রাইয়ান'কে নিয়ে
অবশ্যআ আসবো নাজ। তোমরাও আসবা। সবাইকে নিয়ে
মোহাম্মদপুর... মোস্তাকিমের চাপ...

আসার পথে নিয়া আইসেন
আমি বাসা বদল করে বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি তারপর স্বামীর বাড়ি। তিনবার আমারো। তবে এটা আমিও ফীল করেছি প্রথমে হল্যান্ডে বাসা বদল করার পর, নতুন বাসাটাকে অচেনা কেমন কেমন লাগতো, পুরনো বাসাটাকেই মিস করেছি।
হাহাহাহাহাহা। মাসুম ভাই আপনি জিতলেও আমি খুশি হবো ভাইয়া। মাঝে সাঝে আপনাকে টিভিতে দেখলে আমি আমার বাসায় লোকরে দেখাই উনাকে না আমি চিনি
আপনি হলেন এবির গর্ব, আপনি জেতা মানেই আমরা জেতা
খুক খুক খুক, ইয়ে মানে খালি কাশি আসে
ভালো থাকেন ভাইজান
এই ভাব আমিও দেশে গিয়া নিয়েছিলাম।

ভাল থাকো তানবীরা, কোথাও মিথ্যা কিছু লিখি নাই।
তবে যদি লিখতেন তানবীরা মেয়েটা অনেক সুন্দরী, বুবস এ্যাওয়ার্ড জিতলেই বিয়ে করবে তাহলেতো কতগুলো ভোট পাইতাম

লেখা দারুণ লাগলো। আমার মনে হয় এই ববস্ এ্যওয়ার্ডটা আপনি কোনো না কোনো একদিন পাবেনই।
এই পুরস্কারের প্রতি আমার কোনো আগ্রহ নেই, সত্যি বললাম। আমি সাংবাদিক হিসেবে কিছু পেলে তাতেই সবচেয়ে বেশি খুশী হবো।
ইকোনোমিক বিট-এ তো আপনিই এদেশের সেরা সাংবাদিক। সবাই জানে।
মাসুম ভাই বড় হলে বিনয় মজুমদার হবে এটা আমি শিউর।

চট্রগাম সফর আনন্দদায়ক হোক।
শেরে বাংলা নগরের কোয়ার্টারে আমরা থেকেছি ২০০৪ পর্যন্ত।
আপনার বিনয় দেখি গলে গলে পড়ে। আমি যদি বলি, আমি আপনার লেখার বক্ত তাইলে হয়তো মনে মনে বলবেন ... তুমি তো কি ভালো বুঝতে পারো নাকি? ভক্ত হইলেই কি?....তাই বললাম না।
অর্থ কী বইন ??
ইদানিং শরফুভাইয়ের গান মুনে হয় বেশি শুনতেছে।
তোমার কাছে কি আমি কারন জানতে চাইছি, ভাইস্তা !
কাকা ইদানিং আমারে ঝাড়ির উপরে রাখছেন ক্যান? মাইর দিবেন? দেন।দিয়া আমার টেনশন কমান।

ঝাড়ি না দিলে তো মেসবাহ ভাইকে মানায় নাকি?
আপনিও আমার বানাম বুল ধরেন?
বক্ত হইলো ভক্ত এর চেয়েও বড় ভক্ত। এইবার বুঝছেন?
মেসবাহ ভাই পোষ্ট দেন। ব্লগে কেন নাই আপনি?আপনাকে ছাড়া ব্লগ পানসে।
কী আশ্চর্য ! আমারও ব্লগে আসা আরিফের কারনে। সেটা সামু ব্লগ।
তারপর এবি ব্লগ। ইদানীং অনিয়মিত। ব্যস্ততা আমারে দেয়না অবসর !
তবে সত্যিকার ব্লগার হতে পারলাম না। সেজন্য কোনো খেদও নেই।
নানা বয়সি, নানা মতের অনেক বন্ধুদের পেয়েছি। পেয়েছি চিত্রালী, ভোরের কাগজ এবং
প্রথম আলোতে লেখিয়ে এক সময়কার সতীর্থদের।
আমার এইসব দিন রাত্রী নিয়ে আমি সুখী।
চট্টগ্রাম যাচ্ছেন ? সমবেদনা রইলো...
আপনার লেখা পড়তে এমনিই ভাল লাগে। মন ভাল হয়ে যায়।
বাসা বদলের অভিজ্ঞা আমার চেয়ে বেশী কারও নাই রে ভাই। বাবার বাড়ীতে থকতে দেখতাম যারা ভাড়া বাড়িতে থাকে তারা কি সুন্দর এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যায় আমার খুব মন খারাপ লাগত আমাদের নড়া চড়া নাই। আর এখন ২/৩ বছর পর পর বাসা বদলাতে বদলাতে আমি ক্লান্ত।
একবারই কেবল বাসা বদল হইছে আমার জীবনে, তাও স্মৃতি বলতে তেমন কিছুই না খালি আম্মার ২বড়ো ট্র্যাঙ্ক ভর্তি কাচেঁর জিনিষপত্র ভেঙ্গে চৌচির করে ফেলেছিল লোডাররা... আর আম্মার সেই কি আহাজারি!!... :D
সামু দিয়া শুরু, তবে ঐখানে যাওয়া হয় না আর... এবি'তো আমরা আমরা'রই... :)
মন্তব্য করুন