ব্লগবাকুম-১
১.
কদিন আগে (১৯ জুন) বিএনপি সমর্থকদের নিয়ে তৈরি বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ শেয়ারবাজার নিয়ে একটি সেমিনার করলো। খালেদা জিয়া সেই সেমিনারে কথা বলেননি, কিন্তু উপস্থিত ছিলেন। সেখানে একজন আলোচক ছিলেন ফরহাদ মজহার। তাঁর বাণীটা একটু পড়ি প্রথমেই। তিনি বলেছিলেন, ‘সেমিনারে বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতিই দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর নীতিগত অবস্থান প্রমাণ করছে।’
ফরহাদ মজহার খালেদা জিয়ার এই নীতিগত অবস্থান কবে আবিস্কার করলেন জানতে একটু মন চাচ্ছিল।
২.
এখন পড়ছি ফাতিমা ভুট্টোর ‘সংগস অব ব্লাড অ্যান্ড সোর্ড’। ফাতিমা ভুট্টো জুলফিকার আলী ভুট্টোর নাতনী। ছেলে মুর্তজা ভুট্টোর মেয়ে। বইটি মূলত ভুট্টো পরিবারের কাহিনী। এই পরিবারকে অভিশপ্ত বলা যায়। ভুট্টোকে ফাঁসিতে ঝুলান জিয়াউল হক। ছেলে মুর্তজা মারা যায় পুলিশের গুলিতে, তাও বোন বেনজীরের শাসনামলে। ছোট ছেলে শাহনেওয়াজ মারা যায় প্যারিসে। বিষ প্রয়োগে তাকে মারা হয়। সবশেষে আততায়ীর হাতে মারা যান বেনজীর ভুট্টো।
বইটির শুরু যেদিন মুর্তজা ভুট্টো মারা গেল সেদিন থেকে। এ নিয়ে ফাতিমা নানাভাবে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। বলা যায় বইটি পুরো ভুট্টো পরিবারের কাহিনী। হত্যা, নৃসংশতা, ষড়যন্ত্র, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, দুর্নীতি-এসব নিয়েই পাকিস্তান, এসব নিয়েই ভুট্টো পরিবার।

ফাতিমা তার বাবা ও চাচার মৃত্যুর জন্য দায়ী করেন ফুফুকে। কেন তার নানা ব্যাখ্যা ও অসংখ্য ঘটনার বিবরণ আছে বইটিতে। আছে মুর্তজা ভুট্টোর একাধিক প্রেম কাহিনী। আরও আছে ভয়াবহ কিছু তথ্য। একটা বলি। ভুট্টোর ফাঁসির পর ছেলেরা আফগানিস্তানে আশ্রয় নেয়। নিজেদের প্রস্তুত করে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য। বইটিতে বলা হয়েছে, মুর্তজা মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ থেকে অস্ত্র ভর্তি প্লেন নিয়ে আফগানিস্তানে এসেছিল জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে।
ফাতিমা একজন কবি, নিয়মিত কলাম লেখেন। জর্জ ক্লুনির সঙ্গে একবার ডেট করেছিলেন বলে গুঞ্জন আছে। বইটিও দারুণ। এক ধরণের রোমাঞ্চ-রহস্য উপন্যাসের আদল আছে। সবচেয়ে কথা এটা আসলে পাকিস্তানেরই ইতিহাস।
৩.
ভাবছিলাম উপমহাদেশের দিন দেশের তিন পরিবারের কথা। ভুট্টোর ছেলে ও মেয়ে কেউই বেঁচে নেই। ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যু হয় নিজেরই শিখ দেহরক্ষীর গুলিতে। ইন্দিরা গান্ধীর বড় ছেলে সঞ্জয় গান্ধী মারা যান প্লেন দূর্ঘটনায়। ছোট ছেলে রাজীব গান্ধী আÍঘাতি বোমা হামলায়। গান্ধী পরিবারের মধ্যেই ছিল পারস্পরিক নানা সংকট। সঞ্জয় গান্ধী মারা যাওয়ার পর মেনেকা গান্ধীতে বাসা থেকে বের করে দেওয়ার পুরো ঘটনা জানা যায় খুশবন্ত সিং-এর লেখায়। আগ্রহীরা তাঁর অবস্মরণীয় নারী বইটি পড়ে দেখতে পারেন। বঙ্গবন্ধু পরিবারের কথা বিস্তারিত আর বলার কিছু নেই। সকলেই জানেন।
শ্রীলংকার কথাও একটু বলি। অনেক সুন্দর একটা দেশ। একবার কলম্বো যেয়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম। আবার সন্ধ্যার পর কলম্বোর রাস্তায় চলাফেরা করতে গিয়ে খানিকটা ছমছমে ভাবও আসে। আমি যখন যাই তখন গৃহযুদ্ধ শেষ হয়নি। সেই সময়কার শ্রীলংকা আসলে কেমন ছিল? চ্যানেল ফোর একটা ডকুমেন্টারি করেছে, নাম শ্রীলংকাস কিলিং ফিল্ড। ভয়াবহ এই ডকুটি আগ্রহীরা দেখতে পারেন এখানে।
৪.
অর্থনীতি সমিতির সভাপতি এখন অধ্যাপক আবুল বারকাত। আমার সরাসরি শিক্ষক। খুব ভাল পড়াতের স্যার। তাঁর একটি নতুন তত্ত্ব পড়লাম। বাজেট নিয়ে অর্থনীতি সমিতির প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিলেন। সেখানে দেন এক নতুন তত্ত্ব, সিন্দুক তত্ত্ব। তিনি বলেছেন, পুঞ্জীভূত কালো টাকা এক জায়গায় করলে তা কয়েক লাখ কোটি হবে। ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট থাকায় এ টাকা ব্যাংকে যায়নি। রিয়েল এস্টেট খাতে গত ৬ মাস বা এক বছরে খুব বেশি ব্যবসা-বাণিজ্যও হয়নি। এসব কালো টাকা কোথায় রয়েছে তা জানতে আমরা সিন্দুক প্রস্তুতকারী বড় ৪টি প্রতিষ্ঠানের মাসোয়ারি সিন্দুকের ব্যবসার তথ্য নিয়েছিলাম। তথ্য থেকে দেখা গেল গত ৬ মাসে সিন্দুক বিক্রি বেড়েছে ৩ গুণ। তার মানে সিন্দুক, লেপ-তোশকের তলায় ইত্যাদি জায়গায় এসব টাকা রয়েছে।
আবুল বারকাত কালো টাকা উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের সুপারিশও করেছেন।
রাজনৈতিক একজন মানুষকে কতখানি অন্ধ করে দেয় তা দেখে অবাকই হলাম।
৫.
বাসা বদলে মোহাম্মদপুর এসেছি। আমার বাসা চেনা খুব সহজ। মোস্তাকিমের কাবাবের দোকান সবাই চেনেন। আগে সেখানে আসবেন। দুহাত ভরে কাবাব কিনবেন, কাবাবগুলো হাতে নিয়ে একটু সামনে আগাবেন। প্রায় ২০০ ফুট আগালে হাতের বায়েই এনালিলি নামের অ্যাপার্টমেন্ট, এর দোতলায় বি-১ আমার বাসা।
যারা দিনে আসবেন তাদের একটু বাড়তি তথ্য দেই। কাবাবের দোকানগুলো সামনে রেখে একটু আগালেই রাস্তার মোড়ে দেখবেন বাড়ায়োরি অনেক কিছু বিক্রি হচ্ছে। ভ্যানে করে ডিভিডি বিক্রি হতেও দেখবেন। দাম? মাত্র ১০ টাকা। কোনো এক ডিভিডির দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। দোকানের সব ডিভিডি বিক্রি হচ্ছে, একটি ১০ টাকা। আমি বেছে বেছে প্রায় ৫০টা কিনে ফিলেছি। দারুণ দারুণ কিছু মুভি পেয়েছি আমি ১০ টাকায়।
৬.
ডোন্ট লুক নাউ! মুভিটার নাম আমি আগে শুনিনি। জুলি ক্রিস্টির নাম দেখেই কিনেছি। সঙ্গে ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড। উইকিতে খোঁচা দিয়ে দেখলাম, ডোন্ট লুক নাউ ফাটাফাটি ধরণের বিখ্যাত ছবি। বলা হয় মডার্ন ক্লাসিক। সেরা ব্রিটিশ মুভির একটি ধরা হয় এটিকে। এটি গথিক ঘরানার মুভি। অতিপ্রাকৃতিক ব্যাপার ও রোমান্স মিললে সেটি হয় গথিক ঘরানা।

দেখে আমি আসলেই মুগ্ধ। হিচকক স্টাইল আছে ছবিটায়। সাদারল্যান্ড ও জুলির মেয়ে মারা যায় পানিতে ডুবে। এর কিছুদিন পর তারা যায় ইতালিতে, কাজে। সেখানে পরিচয় হয় দুই বয়স্ক মহিলার সাথে। দুই বোনের একজন আবার অন্ধ। অন্ধ বোনটি জানায় তাদের সেই মেয়ে তার মাধ্যমে যোগাযোগ করছে। মেয়েটি বলছে যে সাদারল্যান্ডের বিপদ, সে যেন ইতালি ছেড়ে চলে যায়। এরপরের ঘটনা আর না বলি।
এককথায় ছবিটি চমৎকার। হিচককের প্রভাব থাকলেও পরিচালকের কৃতিত্বে সেটিও উপভোগ্য। যারা থ্রিলার পছন্দ করেন তাদের দেখাই উচিৎ।
১০ টাকায় কেনা আরেকটি মুভি ইন ব্রুজেস। ব্রুজেস বেলজিয়ামের একটা জায়গা সেখানে আত্মগোপনে আসে দুই হিটম্যান। মানুষ খুন করাই ওদের পেশা। রে (কলিন ফারেল) ভুল করে এক বাচ্চাকে খুন করে ফেলে। ফলে পালিয়ে আসতে হয়েছে, সঙ্গে কেন (ব্রেন্ডার গ্লেশন)। তারা অপক্ষা করছে পরবর্তী আদেশের। হ্যারি (র্যালফ ফিনেস) তাদের বস। একদিন হ্যারি ফোন করে কেনকে আদেশ দেয় রে-কে মেরে ফেলতে, কারণ বাচ্চা খুন করায় শাস্তি পেতেই হবে। এর মধ্যে জড়িয়ে পড়ে অনেক কিছু।

থ্রিলার হিসাবে দারুণ। যদিও একে ব্ল্যাক কমেডি বলা হয়েছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে ইন ব্রুজেসকে ফিলম-উইদিন-এ-ফিলম বলা যায়। ছবিটার মধ্যে অনেকগুলো ছবির কথা রয়েছে। তবে শেষ দৃশ্য পর্যন্ত অপক্ষা করলে মনে হবে আসলে এটিও ডোন্ট লুক নাউ থেকেই অনুপ্রানিত।
৭.
কাকতালীয় হলেও ছবি দুটির মধ্যে আরও একটা মিল আছে। একটা কারণে ডোন্ট লুক নাউ ব্যাপক আলোচিত একটি মুভি। এটি ১৯৭৩ সালের ছবি। মুভিটায় সাদারল্যান্ড ও জুলি ক্রিস্টির একটি দীর্ঘ ভালবাসাবাসির দৃশ্য আছে। দৃশ্যটি এতোটাই খোলামেলা যে, অনেকে মনে করেন অভিনয় নয়, রিয়েল ভালবাসাবাসি ক্যামেরার সামনেই হয়েছিল। এটি নিয়ে বিতর্ক হলে জুলির সে সময়ের বয়ফ্রেন্ড ওয়ারেন বেটি আমেরিকা থেকে উড়ে এসে পরিচালকের উপর চাপ দিয়েছিলেন দৃশ্যটি বাদ দিতে।
সেই বিতর্ক আবার দেখা দেয় এই ২০১১ সালে। ভ্যারাইটি ম্যাগাজিনের সাবেক সম্পাদক পিটার বার্ট একটি বই লিখেছেন। তিনি বলেছেন, মুভিটির ঐ দৃশ্যের শুটিং-এর সময় তিনি সেটে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি নিজ চোখে দেখেছেন যে সাদারল্যান্ড ও জুলি সত্যিকার সেক্স করেছেন। এরপর সাদারল্যান্ডকে একটি বিবৃতি দিয়ে বলতে হয়েছে যে, পিটারের এই দাবি মিথ্যা।
আর ইন ব্রুজেসের বিতর্ক কলিন ফারেলকে নিয়ে। নিকোল নারায়ন একজন প্লেবয় মডেল। ফারেল ২০০৬ সালে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। অভিযোগ প্রাক্তন এই বান্ধবী তাদের ১৪ মিনিটের একটি অন্তরঙ্গ সময়ের ভিডিও বাজারে ছেড়ে দিয়েছে। খুঁজলে তাদের সেই ভিডিও ক্লিপ এখনও ইন্টারনেটে পাওয়া যায়।
৮.
আজকাল বিখ্যাত ব্যক্তিরা ব্লগ লিখছেন। নবনীতা দেব সেন তাঁর ব্লগের নাম দিয়েছেন ব্লগ বাকুম। নামটা ধার করলাম।
ভাল কথা, গায়িকা সায়ান নিয়মিত ব্লগ লিখছেন, জানেন তো। সায়ানের কথা এখানে পাবেন।





চ্যানেল ফোর এর ডুকুটা দেখেছি। যুদ্ধ হবে , আর যুদ্ধাপোরাধ হবে না !! তাতো হতে পারে না
ফরহাদ মজহারের মতো চীনা দালালরা সব সময় নস্ট স্টিয়ারিং এর মতো ডানে চেপে যেতে চায়
ক্যাম্পের কাবাব অনেক খাইছি মডেল স্কুলের হোস্টেলে থাকার সময়।
যুদ্ধ হবে , আর যুদ্ধাপোরাধ হবে না !! আর এর বিচার হবে না, তাতো হতে পারে না
১. বিগ লল।
২. আপনি পড়ে রেখে দিবেন, আমি নিবো আপনার কাছ থেকে। খুব পড়তে ইচ্ছে করছে
৩. দেখে নিবো, প্রিয়তে রাখলাম।
৪. নেভার মাইন্ড
৫. কাবাব নিয়ে আসলে আপনি মাইন্ড করবেন তাই আমি এমনিই আসবো
৬. জায়গাটার নাম ব্রুজ কিংবা ব্রুঘে
৭.
৮. নামটা সুন্দর হয়েছে
পরিশেষে এতো টাইম কোথায় পান ভাইজান? এতো সুখি মানুষ হয় জগতে। বই সিনেমা নিয়ে এভাবে ডুবে থাকার?
হিংসা আপনাকে নির্জলা
বউরে জিগান। সে তো আমারে নিয়া ত্যক্ত-বিরক্ত। আমারে বলে মেয়েকে পড়তে বসাতে, আমি মেয়েকে ডেকে বলি আয় মা সিনেমা দেখি
কাল রাতে আপনার লেখাটা পড়েছি। মন্তব্য করতে খুব ইচ্ছে করেছে কিন্তু কিছুই লিখতে পারিনি। সিনেমা দেখা এখন আর হয় না।সামান্য টিভিতে খবর দেখার সময় নাই, চিনেমা জোগাড় করে করে রাখি, ভাবি একদিন সময় হলে দেখবো।
বই পড়ি এটা নেশার মত না হলে তৃপ্তি নেই।
অন্য জগতে থাকতে বই আর সিনেমার বিকল্প নাই
ফরহাদ মাঝারের বক্তব্য শোনার ইচ্ছা ছিল, আগ্রহ নিয়া টিভির সামনে বসছিলাম কিন্তু খবরে দেখায় নাই।
মাতারির লেখা পড়লাম সকাল সকাল। http://opinion.bdnews24.com/bangla/2011/06/26/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE/
আপনার বিশ্লেষণ আশা করছিলাম ।:)
দম্ভ আর হুমকি ছাড়া এই লেখায় আর কী আছে?
ফরহাদ মজহারকে চিনতে চেষ্টা করছি, উনি আসলে কী!
বাদবাকী অংশ নিয়ে পুরনো কথা, উমদা।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল বলে এই ফরহাদ মজহার একসময় আহমদ ছফাকে ভৎসনা করতেন বলে জানা যায়।
শেষ বিচারে পাঠক/জনগন উজবুক হয়, কারণ আমরা এদের বৃদ্ধিজীবী গণ্য করি, এদের আদর্শবাদ দেখে পুলকিত হই, পরে এসে বিভ্রান্ত হতে থাকি
হুম
বইটা পড়তে ইচ্ছে করছে। আপনার থেকেই নেব।
১০ টাকা দিয়া একাই নিজের জন্য ডিভিডি কিনলেন! নিষ্ঠুর।
কাবাব কিনে রাথেন, আমরা থেতে আসব।
উমদা পোষ্ট।
নিও। ডিভিডি রাখার জায়গা নাই আর। উমদা কাবার তো একই খাও। আমি পাই নাই, আমার মনে আছে।
সব কিছু নষ্টদের দখলে যাচ্ছে
বস মনটা প্রচণ্ড খারাপ।
তারপরও আপনার লেখা পড়ে, মানে সিনেমার নাম পেয়ে মনটা খহানিকটা ভালো হয়েছে। শায়ানের গান ামার বেশ পছন্দের, তার ব্লগটাও ঘুরে আসলাম।
মুভি দুটো দেখেন। ভাল লাগবে।
আরেকটা কথা রাজীব কি ইন্দিরার ছোট ছেলে? আমি এত দিন ভুল জানতাম? আমি জানতাম, সঞ্জয় ইন্দিরার ছোট ছেলে।
কত অজানারে!!!!!!
আমারই ভুল। লেখার সময় বিষয়টি খেয়ালই করিনি। ইন্দিরা তাঁর ছোট ছেলেকে রাজনীতিতে রাখতে চেয়েছিলেন।
কাবাবের দোকানে বাকির সিস্টেম কি আছে? ঐযে দোতলায় একজন সাংঘাতিক ব্যক্তি থাকেন উনার নামে লিখে রাখেন-বললেই তো হবে, তাই না?
মন্তব্য করুন