চলন্ত বা ছুটন্ত প্রতিভা
এইটা প্রতিভাবানদের নিয়া একটা ছবি ব্লগ। নানা জাতের প্রতিভা আমাদের চারপাশে থাকে। সবাইরে আমরা চিনতে পারি না। আসেন আজ কিছু প্রতিভাবানদের চিনি।
গেছিলাম বেড়াইতে। যদিও রায়হান ভাই সমবেদনা জানাইছে আমারে, পুরানা বউ নিয়া বেড়াইতে যাওয়ায়। আমি হইলাম সেই প্রতিভাবান, যে পুরানা বউ নিয়া হানিমুনে যায়।
বেড়ানো মানেই তো ছবিতোলা। সেরম কিছু ছবি আজ দেখাই তাইলে।
১.
এইটা একটা অস্কার বা নোবেল পাওয়ার মতো ছবি। কাকদের নিয়া তোলা ছবির মধ্যে এইটাই সেরা। কি আলোর ব্যবহার, কি তার কম্পোজিশন. কি তার গতি। অসাধারণ বললেও পুরাটা আসলে বলা যায় না।

২.
গেলাম কক্সবাজার। দুপুরে গেলেও পানিতে নামা গেলো না। ভাটায় নামা বিপজ্জনক। জোয়ার আসতে আসতে বিকাল। অবাক ব্যাপার হলো তেমন ভিড় ছিল না। ফলে শান্তিমতো নামতে পেরেছি। সেখানেই এই ছবিটা তোলা।

ইয়ে মানে এই ছবি যে তুলছে তা বাড়ি চট্টগ্রাম
৩.
কক্সবাজার একদিন থেকে ইনানি। সুন্দর রাস্তা হয়েছে। আগামি দুই বছরে হোটেল-রেস্ট হাউজে যে ভরে যাবে তা দেখলেই বুঝা যায়।
আমরা উঠেছিলাম একটা রেস্ট হাউজে। ভরা জোয়ারের সময় রেস্ট হাউজের ১০০ ফুটের মধ্যে পানি চলে আসে। ভরা জোয়ার, প্রবল বৃষ্টি আর আছড়ে পড়া ঢেউ-এর দৃশ্য অসাধারণ। সঙ্গে সমুদ্রের গর্জন তো আছেই। সৃষ্টিকর্তা আসলেই প্রতিভাবান।

এই রেস্ট হাউজটার নাম বে ওয়াচ। এইটা একটি বাহিনীর রেস্ট হাউজ। এরাও প্রতিভাবান। হাঁটুর সব বুদ্ধি খরচ করে নাম রাখছে বে ওয়াচ। এরকম সৃজনশীল এবং বিরল নাম যার মাথা থেকে আসছে তাকে প্রতিভাবান বলাই যায়।
৪.
ফিরছিলাম চট্টগ্রাম। পথে মাইক্রোবাস থামলো গ্যাস নিতে। একলাইনে সব গাড়ি, অন্য লাইনে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা। হঠাৎ চোখ আটকে গেলো একটা অটোরিক্সায়। এটাকে চলন্ত বা ছুটন্ত প্রতিভা বলা চলে। পুরো সিএনজিটাকে একটা চলন্ত বা ছুটন্ত কাব্যযানও বলা যায়।

পাখিরা উড়ে যায়
পাখিদের বাসায়
মেয়ের দাড়িয়ে থাকে
সি.এন.জির আসায়।
আহা! আহা!। কি কাব্য প্রতিভা। সচিব কবিও সারা জীবনে এরকম একটা কবিতাও লিখতে পারবে না। 
কবিতা সমালোচকদের কাছ থেকে এই কবিতার রিভিউ আশা করছি।
৫.
এবার সিএনজি অটোরিক্সার ডান দিকের কাব্যের দিকে যেতে পারি। আগেরটা যদি হয় নোবেল পাওয়ার যোগ্য, তবে এটা অবশ্যই অস্কার।

গাছের জিবন লতাপাতা
মাছের জিবন পানি
ছেলেদের জিবন টাকাপয়সা
মেয়েদের জিবন স্বামী।
এটাকে শিক্ষামূলক কবিতাও বলা যায়। আমার বউকে মুখস্ত করাইছি। বলছি যে, প্রয়োজনের সময় আমি কেবল প্রথম লাইনটা বলবো, বাকিটা যেন সে বুঝে নেয়।
৬.
এবার পুরো অটোরিক্সাটাই দেখি। এখানেও আছে প্রতিভার নানা চিহ্ন।

এই পোস্ট পলান্তিস জেবীনকে উৎসর্গ করা হলো। যাওয়ার আগে দেখা হলো না। স্যাটায়ারে এই মেয়েটার জুড়ি নাই।
ভাগন্তিস মীরকেও উৎসর্গ ভাগ দিলাম। দৃশ্যকল্প তৈরির অসম্ভব এক প্রতিভা আছে ছেলেটার। মীর চলে আসেন।





চমৎকার প্রতিভাবান লেখা। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
শুভেচ্ছা রেখে গেলাম।
মেসবাহভাই নোটি ডাকতে ভুইলা গেছিলো তাই আজকে রায়হানভাই রে এই চাকর থুক্কু চাখোর অপবাদ মাথায় নিতে হইলো!
চারদিকে সব বিকট প্রতিভা
কথা তো সত্য। থিসিসের খবর কী?
থিসিস ব্লগে আসবে না
(
তাহলে কই থাকবে? সিএনজির পেছনে?
নোয়াখালীতে দেখলাম প্লট ও প্ল্যাট বরাদ্দ দেয়া হয়।
মা চলিছি পাহারি পতে পিরে আসব...
চলন্ত, ছুটন্ত কাব্যযান তো ব্যাপক।
সময় পাইলে এর মালিকের সাক্ষাৎকার নিতে পারলে ভাল হইতো
সিএনজির ফটুক দেইখা চমৎকার হইলাম। হাসতে হাসতে পেট ব্যথা, গাল ব্যথা।
এই কবির কাছে সচিব কবির কুনু বেইল নাই।
সচিব কবির কবিতা দরকার পড়লে বাসের পিছনে থাকবে
১। কাকটা পিছলা খাইলো কেম্নে!
পয়ালা ভাবছিলাম তারে বসা কাক, তাই সেই কাব্য মনে পড়লো,
পরে দেখি পাইপে বসা পঞ্চকাক!
২। পানিতে নেমে কি করেন!
৩। হ! এই নাম দিতে গিয়া তাদের একহাটুঁর বুদ্ধির রগে টান পড়ছে মনে হয়!
৪।
অপেক্ষায় রইলাম
৫। কবিতায় সৌন্দর্য থাকলেও.।।। ছন্দ মিলে নাই!
৬।
মীর ফিরে আসেন, প্লীজের উপ্রে প্লীজ লাগে!
একটা শব্দ আবার বাদ দিলা যে, বুঝি নাই।
'বে ওয়াচ' দেখতে দেখতে নাম দিয়ে ফেলছে মনে হয়
বে ওয়াচ দেখতে মঞ্চায়
...কবিতাটা আমার বউরেও শিখায়া রাখবো ভাবছি।
চরম শিক্ষনীয় কবিতা
=))"সিএনজি চালকদের বানান শিক্ষা" নামে বই লেখার সময় আসছে
কবিতা গুলা পুরাই "খবিতা" হইছে
শালা-দুলাভাই দুইজনেই হানিমুনে গেলেন।

একজন নতুন আর অন্যজন পুরান বৌ লৈয়া
শালা (বিমা) বা তার পত্নীর কোনো চলন্ত / ছুটন্ত ঘটনার বর্ণনা না
থাকার কারনে আপনেরে মাইনাস...
লেখারে পিলাস
বিমার সঙ্গে তো দেখা হয় নাই। টাইমে মিলে নায়।
ব্যাপক পোস্ট হইছে
মীর, এই পোষ্টে একবার হাজিরা দেন পিলিজ!
আমি ডিসিসন নিছি কাউরে আর খোঁচাবনা। সুন্দর, উৎসাহ ও শুভেচ্ছা মূলক কথা বলব। যেমন প্রথম কমেন্টে বলেছি। আগের মত থাকলে বলতাম, পুরানা বৌ নিয়া হানিমুনে গেলে লোকজন কাউয়া, সিএনজির ছবি তুইলা সময় কাটায়, আহা বেচারা!
বউরে কইলাম, সমুদ্র সৈকতে ছাতার নীচে বইসা আসো একটা রুমান্টিক ছবি তুলি, ছবিতে তার কানের দুল ঠিক কইরা দেবো আমি-বউ রাজী হইল না। আফসুস।
ভাবী কি কইলো? কেন রাজী হইলো না?
মূল ছবি না দেইখা সে নাকি ফুটুক তুলবে না।
ঐটা তো নতুন হানিমুনের ছবি।
হানিমুন আবার নতুন পুরান আছে নাকি?
প্রথম ছবিটা নিয়ে কৌশিকদার একটা মূল্যায়ন লেখা উচিত ...
শাস্ত্রমতে পুরুষের চতুর্বিবাহের এক অনন্য ফজিলত প্রথম ছবিতে উড়মান। কর্মক্ষেত্রে গমনোদ্যত মাসুমকাকের দিকে বিরহী দৃষ্টিতে তাকানো কাকিনীদের ঐন্দ্রজালিক মুহূর্তের সুনিপুণ ক্যাপচার - আর্টগ্যালারীর বিভঙ্গে এই ফটোগ্রাফ দীর্ঘদিন ঝুললেও দর্শকের আগ্রহ ধরে রাখবে।
সেইরম
গুরু গুরু!
কাক ছাড়া আর সব ছবিই তো পেছন থেইকা তোলা হইছে...সব ছবির ফটোগ্রাফারই কি চিটাগনিয়ান?
চিটাগং-এ মনেহয় সবকিছু পিছনেই হয়
অনবদ্য পোস্ট
পোস্ট দাতাকে জন নেত্রী শেখ হাসিনা স্মৃতি পুরস্কারে ভূষিত করা হউক
গাছের জিবন লতাপাতা
মাছের জিবন পানি
ছেলেদের জিবন টাকাপয়সা
তারা জিবন ভর হারামী
হারামি বানাম বুল করছেন।

ঘরের কথা বাইরে বলতে হয় না, বাজি।
আমি আবার কার গুমর ফাঁস করলাম মানে কার ঘরের কথা বললাম? আমি কি সাংবাদিক
poria khub e preeto hoilam
সাব্বাস! তাতা .....
এই কবিরে তো উইম্বলডন কাপ দেয়া উচিত।
আমার বউরেও কবিতাটা মুখস্ত করামু চিন্তা করতাছি।
পরতিভায় মুগ্ধ এই চোখ মন, পেরান ও হৃদয়
রেজাল্ট কী?
কীসের রেজাল্ট?
ঐ যে বৃত্যের সাতে বোতলে কীজানি খাইলেন বছিলায়। সবছিলেন সকালে রেজাল্ট জানাইবেন
মন্তব্য করুন