ব্লগবাকুম-৩
রমজান শুরু হইছে। আজ একটু জ্যাম কম মনে হলো। তাতে অবশ্য দুর্ভোগ কমেনি। কারণ জানা যাচ্ছে এবার বিদ্যুৎ সংকট প্রকট হবে। সুতরাং লোড শেডিং থাকছেই। থাকবে পানি সংকট। গ্যাস সংকট তো আছেই। তার উপর বিরূপ প্রকৃতি। তীব্র গরম। বৃষ্টি একটু হলেও গরম কমছে না। সমস্যা আরও আছে। এবারের রোজা রাখতে হলে ১৪ ঘন্টা না খেয়ে থাকতে হবে। কিন্তু ইফতার বা সেহরী যে একটু স্বস্তি নিয়ে খাবেন, তারও উপায় নেই। বাজারে আগুন।
এ পরিস্থিতিতে মন শান্ত রাখতে হাদীস পড়া ছাড়া আর বিকল্প নেই। তবে এখানেও বিপত্তি। সঠিক হাদীস কোনটা সেটি জানা সহজ না। সর্বাধিক প্রসিদ্ধ হাদিস সঠিক কীনা সেই প্রশ্নও উঠছে। উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।
হাদীসটি হল:
. . . রমজানে কেহ একটি ফরজ আদায় করলে সে যেন সত্তরটি ফরজ আদায় করল। কেহ একটি নফল আদায় করলে সে যেন একটি ফরজ আদায় করল। রমজানের প্রথম দশ দিন রহমত। দ্বিতীয় দশদিন মাগফিরাত ও তৃতীয় দশদিন জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ . . .।
হাদীসটি সহীহ ইবনে খুযাইমা, বাইহাকী, কানযুল উম্মাল, আত তারগীব ইত্যাদি কিতাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
এ হাদীসটি আমাদের সমাজে রমজানের ফজিলত সম্পর্কিত হাদীসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশী প্রসিদ্ধ। অথচ এটা কোন সহিহ হাদীস নয়।
সনদ-সূত্রের দিক দিয়ে হাদীসটি শুদ্ধ নয়। আবার বক্তব্যের দিক দিয়েও হাদীসটি অশুদ্ধ।
প্রথমত: সনদের দিক দিয়ে হাদীসটি শুদ্ধ নয়, দু কারণে :
এক. হাদীসটি সবগুলো বর্ণনায় দেখা যায়, হাদীসটি সালমান ফারেসী রা. থেকে সায়ীদ ইবনুল মুসাইয়াব বর্ণনা করেছেন। কিন্তু সায়ীদ ইবনুল মুসাইয়েবের সাথে সালমান ফারেসীর দেখা-সাক্ষাত যে হয়নি তা সকলের জানা।
দুই. হাদীসটির সকল বর্ণনায় দেখা যায় এর মধ্যে একজন বর্ণনাকারী আছেন যার নাম আলী বিন যায়েদ ইবনে জাদআন।
তিনি দুর্বল বর্ণনাকারী। যারা তাকে দুর্বল বলেছেন, তারা হলেন: হাফেজ ইবনে হাজার. ইবনে মুয়ীন, ইমাম আহমাদ, ইমাম নাসায়ী, ইবনে খুযাইমা, জুযযানী প্রমূখ। (দেখুন : সিয়ার আলাম আন নুবালা)
অপরদিকে অন্যান্য হাদীস বিশারদগণ হাদীসটিকে মুনকার (প্রত্যাখ্যাযোগ্য) বলে মত দিয়েছেন। এদের মধ্যে আছেন, আল্লামা আইনী, আবু হাতেম আর রাযী, শাযখ আলবানী রহ. প্রমুখ।
(দেখুন : উমদাতুল কারী ২০/৯) সিলসিলাতুল আহাদীস আল মাওদুআহ ওয়াদ দয়ীফাহ খন্ড ২, নং ২৬২)
আরো আশ্চর্য কথা হল, ইবনে খুযাইমা এ হাদীসটিকে তার সহীহ নামক কিতাবে উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন : ইন সাহহাল খবর (যদি হাদীসটি সহী হয়।)
কিন্তু পরবর্তী সংকলকগণ, ইন শব্দটা দেখেননি। ফলে তারা শুধু সাহহা শব্দটি উদৃত করেছেন। যার অর্থ হাদীসটি সহীহ। এ বিভ্রান্তির কারণে অনেকে মনে করেছেন, ইবনে খুযাইমা হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। আসলে তা নয়।
হাদীসটি বক্তব্যের বিষয়বস্তু থেকেও দুর্বল।
কারণ:
এক. এ হাদীসে রহমত-কে প্রথম দশকে, মাগফিরাত-কে দ্বিতীয় দশকে আর মুক্তিলাভ-কে তৃতীয় দশকে আবদ্ধ করা হয়েছে। অথচ আমরা জানি আল্লাহ তাআলার রহমত ও মাগফিরাত ব্যাপক-বিস্তৃত। এটা কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত। তাই আল্লাহ তাআলার ব্যাপকবিস্তৃত বিষয়কে সংকীর্ণ করে ফেলার অধিকার আমাদের নেই। আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, রমজানের প্রতিটি দিন রহমত, মাগফিরা, বরকত ও নাজাত দিয়ে সমৃদ্ধ।
দুই. তিরমিজী বর্ণিত সহীহ হাদীসে এসেছে :
রমজান মাসের প্রথম রজনীর যখন আগমন ঘটে তখন শয়তান ও অসৎ জিনগুলোকে বন্দি করা হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়, এ মাসে একটি দরজাও খোলা হয় না। জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, এ মাসে তা আর বন্ধ করা হয় না। প্রত্যেক রাতে একজন ঘোষণাকারী এ বলে ঘোষণা দিতে থাকে যে, হে সৎকর্মের অনুসন্ধানকারী তুমি অগ্রসর হও! হে অসৎ কাজের অনুসন্ধানকারী তুমি থেমে যাও! এ মাসের প্রতি রাতে আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম থেকে বহু মানুষকে মুক্তি দিয়ে থাকেন।
এ হাদীসে আমরা দেখতে পেলাম, জাহান্নাম থেকে মুক্তি রমজানের প্রতি রাতেই ঘটে।
তাই এ মুক্তিকে শুধু শেষ দশকের সাথে খাছ করা ঠিক হবে না।
তিন. এ মাসে একটি ফরজ আদায় করলে সত্তরটি ফরজ আদায় করার সওয়াব পাওয়া যাবে আর একটি নফল আদায় করলে একটি ফরজ আদায়ের সওয়াব পাওয়া যাবে।
এ বক্তব্যটি সহীহ হাদীসের আলোকে সঠিক নয়।
নফল কখনো ফরজের সমতুল্য হতে পারে না। প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব দশগুণ থেকে সাতশতগুণ ও তারচেয়ে বেশী দেয়া হবে বলে সহীহ হাদীসে এসেছে। কিন্তু রোজার সওয়াব আল্লাহ তাআলা নিজেই দেবেন। যত ইচ্ছা তত দেবেন। এ বক্তব্য সহীহ হাদীসে কুদসী দ্বারা প্রমাণিত। তাই এটা নির্দিষ্ট করা ঠিক হতে পারে না।
আমাদের কর্তব্য হল: এ হাদীসটি প্রচার ও প্রসার না করা কর্তব্য। কেননা, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন : যে ব্যক্তি আমার ব্যাপারে ইচ্ছা করে মিথ্যা কথা বলে সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে নির্ধারণ করে নেয়।
যদি আপনি হাদীসটির ব্যাপারে প্রক্যাত মুহাদ্দিসীনদের কথা না মেনে হাদীসটিকে বিশুদ্ধ বলে মনে করেও থাকেন, তবুও সতর্কতার দাবী হল এটা প্রচার না করা।
আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক পথের দিশা দিন।
রমজানের ফজিলত সম্পর্কে একটি সর্বাধিক প্রসিদ্ধ হাদীস অথচ শুদ্ধ নয়
প্রথমত: সনদের দিক দিয়ে হাদীসটি শুদ্ধ নয়, দু কারণে :
এক. হাদীসটি সবগুলো বর্ণনায় দেখা যায়, হাদীসটি সালমান ফারেসী রা. থেকে সায়ীদ ইবনুল মুসাইয়াব বর্ণনা করেছেন। কিন্তু সায়ীদ ইবনুল মুসাইয়েবের সাথে সালমান ফারেসীর দেখা-সাক্ষাত যে হয়নি তা সকলের জানা।
দুই. হাদীসটির সকল বর্ণনায় দেখা যায় এর মধ্যে একজন বর্ণনাকারী আছেন যার নাম আলী বিন যায়েদ ইবনে জাদআন।
তিনি দুর্বল বর্ণনাকারী। যারা তাকে দুর্বল বলেছেন, তারা হলেন: হাফেজ ইবনে হাজার. ইবনে মুয়ীন, ইমাম আহমাদ, ইমাম নাসায়ী, ইবনে খুযাইমা, জুযযানী প্রমূখ। (দেখুন : সিয়ার আলাম আন নুবালা)
অপরদিকে অন্যান্য হাদীস বিশারদগণ হাদীসটিকে মুনকার (প্রত্যাখ্যাযোগ্য) বলে মত দিয়েছেন। এদের মধ্যে আছেন, আল্লামা আইনী, আবু হাতেম আর রাযী, শাযখ আলবানী রহ. প্রমুখ।
(দেখুন : উমদাতুল কারী ২০/৯) সিলসিলাতুল আহাদীস আল মাওদুআহ ওয়াদ দয়ীফাহ খন্ড ২, নং ২৬২)
আরো আশ্চর্য কথা হল, ইবনে খুযাইমা এ হাদীসটিকে তার সহীহ নামক কিতাবে উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন : ইন সাহহাল খবর (যদি হাদীসটি সহী হয়।)
কিন্তু পরবর্তী সংকলকগণ, ইন শব্দটা দেখেননি। ফলে তারা শুধু সাহহা শব্দটি উদৃত করেছেন। যার অর্থ হাদীসটি সহীহ। এ বিভ্রান্তির কারণে অনেকে মনে করেছেন, ইবনে খুযাইমা হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। আসলে তা নয়।
হাদীসটি বক্তব্যের বিষয়বস্তু থেকেও দুর্বল।
কারণ:
এক. এ হাদীসে রহমত-কে প্রথম দশকে, মাগফিরাত-কে দ্বিতীয় দশকে আর মুক্তিলাভ-কে তৃতীয় দশকে আবদ্ধ করা হয়েছে। অথচ আমরা জানি আল্লাহ তাআলার রহমত ও মাগফিরাত ব্যাপক-বিস্তৃত। এটা কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত। তাই আল্লাহ তাআলার ব্যাপকবিস্তৃত বিষয়কে সংকীর্ণ করে ফেলার অধিকার আমাদের নেই। আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, রমজানের প্রতিটি দিন রহমত, মাগফিরা, বরকত ও নাজাত দিয়ে সমৃদ্ধ।
দুই. তিরমিজী বর্ণিত সহীহ হাদীসে এসেছে :
রমজান মাসের প্রথম রজনীর যখন আগমন ঘটে তখন শয়তান ও অসৎ জিনগুলোকে বন্দি করা হয়। জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়, এ মাসে একটি দরজাও খোলা হয় না। জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, এ মাসে তা আর বন্ধ করা হয় না। প্রত্যেক রাতে একজন ঘোষণাকারী এ বলে ঘোষণা দিতে থাকে যে, হে সৎকর্মের অনুসন্ধানকারী তুমি অগ্রসর হও! হে অসৎ কাজের অনুসন্ধানকারী তুমি থেমে যাও! এ মাসের প্রতি রাতে আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম থেকে বহু মানুষকে মুক্তি দিয়ে থাকেন।
এ হাদীসে আমরা দেখতে পেলাম, জাহান্নাম থেকে মুক্তি রমজানের প্রতি রাতেই ঘটে।
তাই এ মুক্তিকে শুধু শেষ দশকের সাথে খাছ করা ঠিক হবে না।
তিন. এ মাসে একটি ফরজ আদায় করলে সত্তরটি ফরজ আদায় করার সওয়াব পাওয়া যাবে আর একটি নফল আদায় করলে একটি ফরজ আদায়ের সওয়াব পাওয়া যাবে।
এ বক্তব্যটি সহীহ হাদীসের আলোকে সঠিক নয়।
নফল কখনো ফরজের সমতুল্য হতে পারে না। প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব দশগুণ থেকে সাতশতগুণ ও তারচেয়ে বেশী দেয়া হবে বলে সহীহ হাদীসে এসেছে। কিন্তু রোজার সওয়াব আল্লাহ তাআলা নিজেই দেবেন। যত ইচ্ছা তত দেবেন। এ বক্তব্য সহীহ হাদীসে কুদসী দ্বারা প্রমাণিত। তাই এটা নির্দিষ্ট করা ঠিক হতে পারে না।
আমাদের কর্তব্য হল: এ হাদীসটি প্রচার ও প্রসার না করা কর্তব্য। কেননা, রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন : যে ব্যক্তি আমার ব্যাপারে ইচ্ছা করে মিথ্যা কথা বলে সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে নির্ধারণ করে নেয়।
যদি আপনি হাদীসটির ব্যাপারে প্রক্যাত মুহাদ্দিসীনদের কথা না মেনে হাদীসটিকে বিশুদ্ধ বলে মনে করেও থাকেন, তবুও সতর্কতার দাবী হল এটা প্রচার না করা।
আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক পথের দিশা দিন।





ইয়েস্।
আপনি কি দিশা পাইছেন? নাকি না পাইয়া এভাবে গড়াগড়ি খাচ্ছেন??
হেতে ''দীনের নবী হাঁইটা যায় দুইটা পাখি বইসা ছিলো গাছেরও শাখায়'' এইডা গায়তেছে আর গড়ায়তেছে।

আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক পথের দিশা দিন।
আল্লাহ আপনার ঈমান আরো শক্ত করুক। সহীহ হাদিস আরো বেশী বেশী করে আমাদের সামনে পেশ করার তৌফিক দান করুক । আমীন।
আমিন কন্নাই কিন্তু
আমিন, সুম্মামিন
মাসুম ভাইয়ের একাউনট হ্যাক হইছে
মাসুম ভাই, পথ হারাইছে, এখন কে দিবে আশা, কে দিবে ভরসা

আমীন, সুম্মাআমীন।

আমীন।
না জোক হিসেবে এইটা আগেরটার চেয়ে ভালো, তা অস্বীকার করার উপায় নাই।
ছ. অন্য কোনো কমিউনিটি ব্লগে প্রকাশিত লেখার লিঙ্ক এখানে কপি করে দেওয়া যাবে না। তবে কোনো আলোচনার প্রয়োজন হলে, রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। কপি পেস্ট পোস্ট সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। তবে অনুবাদ দেওয়া যাবে।
নীতিমালা ভঙ্গের কারনে পোস্টটি প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে আপনার পাতায় স্হানান্তরিত করা হল।
প্রিয় মডারেটর।
পোস্টটি আপনাদের নীতিমালার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ঠিক করে দিলাম। এখন বলেন নীতিমালা ভাঙ্গছে কী না। না ভাঙ্গলে প্রথম পাতায় এনে দেন। না আনলে ব্যাখ্যা দেন।
প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে নেয়া পোস্টকে লেখক কতৃক সম্পাদনা করার পর উক্ত পোস্ট পুনরায় প্রথম পাতায় বহাল করার মত ব্যাপারকে সঙ্গত কারনেই আমরা বন্ধু ব্লগ নিরুৎসাহিত করে। লেখককে পরবর্তী পোস্টগুলোর ক্ষেত্রে এটি বিবেচনা করার অনুরোধ করা হল।
কোন নীতিমালা অনুযায়ী এটা আমরা বন্ধু ব্লগ নিরুৎসাহিত করে। আর সঙ্গত কারণটা কী? ব্যাখ্যা দেন।
আমি তো মনে করি পোস্ট আবার প্রথম পাতায় যেতে পারে। না গেলে গুডবাই।
না গেলে গুডবাই??
মাসুম ভাইএর সিদ্ধান্তের প্রতি তীব্র অসমর্থন।
আর মডারেটর, পোস্ট ফার্স্ট পেইজে দেন। এইটা এখন আর নিয়মভঙ্গকারী পোস্ট নাই।
লাগলে আপনে সংবিধান সংশোধনের মতো নীতিমালা সংশোধনী দিয়ে আপনার দ্বিতীয় কমেন্টের আদলে একটা নতুন ধারা সংযোজন করে সেটা যোগ করে দিতে পারেন নীতিমালা পৃষ্ঠায়। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত এই পোস্ট ঠিকাছে বলে মনে করি।
পোষ্ট যদি নিয়মভঙ্গকারী নীতিমালার আওতায় আর না পড়ে তাইলে কোন বিচারে এইটা প্রথম পাতায় ফেরত যাবে না? নীতিমালা দেখানোর পর পরই মাসুম ভাই পোষ্ট এডিট করে নীতিমালার প্রতি সম্মান দেখিয়েছে। আমরা এই পোষ্টকে প্রথমপাতায় দেখতে চাই।
নীতিমালা ভঙ্গের কারনে সরিয়ে নেয়া প্রতিটি পোস্ট সম্পাদিত করার পর সেটি মডারেটরের পক্ষে বারংবার প্রথম পাতায় স্হানান্তরিত করা সম্ভবপর নয়। তাই নীতিমালার প্রতি আস্থা রেখে আপনার প্রচেষ্টাকে আমরা সাধুবাদ জানালেও এ ধরনের দৃষ্টান্তকে ব্লগের স্বার্থেই আমরা বন্ধু নিরুৎসাহিত করে। একটি পোস্ট প্রদানের আগেই আমরা বন্ধুদের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরন প্রত্যাশা করি। বন্ধুদের মডারেটরের সময় এবং ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করে সহনশীল আচরন করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
গুডবাই
একদম মডুসুলভ বক্তৃতা হইছে। অনেকদিন পর এমন বক্তৃতা শুনলাম।
নীতিমালার কচকচানির ডরে সবাই কি গুড বাই করবো? পোষ্ট সংশোধনের পরও মডারেটর ব্লগারের অনুভূতির প্রতি যে অসম্মান দেখাইলো তা দেইখা তব্দা খাইলাম। আপ্নেরা কি আরো তব্দা খাওয়াইবেন? না আমাগোরে মাফ করবেন?
তব্দা কেন খাইলেন? এরম দেখেন নাই অতীতে। মডুর হাতে ক্ষমতা, এত যুক্তি তর্ক করনের সময় কই? দেখলেন না, কইলো!
প্রথম পাতায় একটা পোষ্ট ঝুলতে দেখতেছি, যেখানে একজন ব্লগারের মা'কে নিয়াও কটাক্ষ কইরা উদাহরণ দিয়া কমেন্ট করার ঘটনা দেখলাম। এইটা নিয়া মডুর নীতি কী? না কি একই যাত্রায় এখানে পৃথক ফল?
আপনে আবার ব্যাখ্যা চান? সরল জিনিস বুঝেন না? সেই দিন ফিরা আসছে গো সোনা যেইদিন আমরা এককালে পার করে আসছি তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে।
বিশ্বাস থাকা খুব ভালো। রোজার দিনে ঈমানের জোর থাকলে আল্লাহপাক খুশী হবে।
তবে পুরানা দিন মনে পড়ছে কি করুম কন? সেই দিনের মডুর ছায়া দেখতে পেলাম আমাদের এ বি তে। দুঃখজনক।
আপনের এই কমেন্ট যদি আমার মন্তব্যরে উদ্দেশ্য কইরা বলা হয় তাইলে বিষয়টা বেশ ইন্টারেস্টিং লাগে। আমার ঐ মন্তব্যে একজন মা'কে নিয়া যে কৌতুক করা যায় না সেইটাই বরং হাইলাইটেড হইছে, আমি মীররে প্রশ্ন করছি সে মাকে নিয়া করা কৌতুককে কিভাবে নিবো, অশ্রদ্ধা নাকি কেবলি একটা কৌতুক? কাউরে অশ্রদ্ধা কইরা কোন হাসির কথা বললেও সেইটা অশ্রদ্ধা'ই থাকে কৌতুক হিসাবে তার ছাড় পাওয়ার কোনো অধিকার তৈরী হয় না। মায়ের উদাহরণটা টানছি কারণ এর চাইতে বড় অশ্রদ্ধার নমূণা আমার জানা নাই। আপনি যদি সেইটা না বুইঝা থাকেন তার দায়টা আমি নিতে চাই না...ঐটা আপনার ইন্টেনশনাল অ্যাক্ট হিসাবেই দেখবো।
মিয়া ভাই, এ বয়সে এত রাগ করন ঠিক না

ডাকতার বলছে রাগ করলে কলষটরল বাইড়া যাইব
রাগ না বাজি।
তবে ব্যাখ্যা না পাইলে এর পরের পোস্ট কেমনে দেবো? তাই ব্যাখ্যা চাইতেছি।
মাসুম ভাই কি আজ রোজা রাখছেন নাকি একাউন্ট হ্যাক হইছে?
পড়লাম...
মডারেটরের নিয়মনীতির প্রতি ভক্তি, শ্রদ্ধা, দেখে প্রানটা জুড়িয়ে গেল। শত কুটি সালাম আপনারে। তয় এই ধরনের ভক্তি শ্রদ্ধা সব সময় যদি দেখাইতেন তাইলে ভালো হতো।
আইছে আরেকজন! রোজা রাখেন নাই? আল্লাহ বিল্লাহ করেন।
আল্লাহ বিল্লাহ বাদ দিতে হৈব মনয়, এসব নিয়া পোষ্টও প্রথম পাতায় থাকবো না
নীতির ডরে হাত পা কাঁপতাছে।
রমজান আইলে আমাগো মধ্যে একটা ঈমানী ভাব আসে তেমনি আজ মডুর মাঝেও আসছে। এইটা মাসুম ভাই বুঝে নাই। তাই তার পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরায় দিসে।এই নিয়া মাসুম ভাইয়ের হাউকাউ করা ঠিক হয় নাই। আবার এই রমজান মাসে আল্লাহ হাফেজ বা খোদা হাফেজ না কইয়া গুড বাই বইলাও মাসুম ভাই আরেক বার নীতিমালা ভাংছে। মাসুম ভাইরে ব্যান করা উচিত। কি কন আপনারা?
মাসুম ভাই এর গুড বাই মানি না। মাসুম ভাইকে দেয়া মডুর ভাষণ মানি না। মীরকে বলা কথাগুলোও মানি না। আমরা আমাদের বন্ধুদের সম্মান চাই।
মাসুম ভাই এর গুড বাই মানি না। মাসুম ভাইকে দেয়া মডুর ভাষণ মানি না। মীরকে বলা কথাগুলোও মানি না। আমরা আমাদের বন্ধুদের সম্মান চাই।
একমত সুমন ভাই।

আশা করি, খুব শীঘ্রই ব্লগবাকুম-৪ পড়তে পারবো। একজন লেখকের কাছে পাঠকদের কিছু দাবি থাকে, মডারেটরের বক্তব্য কিংবা নীতিমালার ওপর রাগ করে লেখা বন্ধ করে দেয়া কতখানি ঠিক হবে তা আশা করি শওকত মাসুম ভাই ভেবে দেখবেন।
(এত চট করে 'গুডবাই' বলাটা আপনার কাছে আশা করিনি)
আমি শওকত মাসুমের লেখার পাঠক হিসেবে বেদনাবোধ থেকে কথাগুলি বলেছি।
ami kivabe ai blog to daily porte parbo?
মন্তব্য করুন