আহা সাংবাদিকতা
বেশি কথা বলা ঠিক না। সরাসরি বিষয়ে যাই।
আজ একটা লেখা পড়লাম। বাংলাদেশ প্রতিদিনে। বিনোদনে ভরপুর এই লেখাটি। চুম্বক অঙশ দেই।
শামীম ওসমান পরাজিত হলে ক্ষতি কার? শামীম ওসমান মানে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থীর কথাই বলছি। নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগ রাজনীতির কাণ্ডারি বলুন, দলীয় রাজনীতির বটবৃক্ষ বলুন_ সে তো শামীম ওসমানকেই বোঝায়। চাঁদের গায়ে যেমন কলঙ্ক আছে তেমনি শামীম ওসমানের গায়েও কলঙ্কের ছায়া থাকতে পারে। জগদ্বিখ্যাত মানুষের জীবনও আলো-আঁধারির ছায়ায় রহস্যময় থাকে। তাদের আত্মজীবনীর পরতে পরতে পাঠকের জন্য তৃষ্ণা নিবারণের সুখপাঠ্য রসবোধ থাকে। খাদ মেশানোর পর সোনার ভার যেমন উজ্জ্বল অলঙ্কারে ঝলকানি দিয়ে ওঠে, তেমনি একজন রাজনীতিবিদের জীবনও ভালোমন্দ মিশিয়ে বর্ণাঢ্য হয়ে ওঠে। জগদ্বিখ্যাত গণতান্ত্রিক নেতা উইনস্টন চার্চিল যেমন সাম্রাজ্যবাদী আচরণের কারণে দুনিয়ার শান্তিপ্রিয় মানুষের মডেল মহাত্মা গান্ধীকে অর্ধনগ্ন ফকির বলে সমালোচিত হয়েছেন তেমনি কংগ্রেসের নেতৃত্ব ছেড়ে সশস্ত্র বিপ্লবের পথ নেওয়া নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর অনুসারীদের কাছে গান্ধীও কম সমালোচিত হননি।
এখানেই শেষ না। নায়িকা সংবাদও আছে!
নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে নৌকার মাঝিমাল্লা নিয়ে গুণ টানার মতো সবেধন নীলমণি আছেনই শামীম ওসমান। মাঝখানে বিগত তিন নির্বাচনে রুপালি পর্দার মিষ্টি মেয়ে কবরীকে এমপি বানিয়ে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে নামিয়ে দলকে বিতর্কিত করা হয়েছে। 'সুজন সখী' সিনেমা দেখে যার প্রেমে পড়েছিলাম অনেকে রাজনীতির মাঠে সেই কবরীর উগ্রতা দেখে আজ তাদের বুকে চার 'কুলহু আল্লাহ' পড়ে ফুঁ দিতে ইচ্ছা করে।
গড ফাদার কেন লাগবে? যুক্তিটা দেখেন
শীতলক্ষ্যাকন্যা আইভী সবার দোয়া-স্নেহ নিয়ে একক প্রার্থী হয়ে যদি মেয়র নির্বাচিত হন তাহলে নারায়ণগঞ্জের ভাগ্য বদলাতে পারবেন কি না জানি না, কিন্তু তার দল ও নেত্রীর কিংবা এলাকার মানুষের জীবনে কোনো শাসকের অগি্নরোষ নেমে এলে নগরপিতা হিসেবে যে সাহসিক দৃঢ়তা দিয়ে রুখে দাঁড়ানোর কথা, তা তিনি পারার কথা নয়। শামীমকে ঠেকাতে গিয়ে যারা তাকে মাঠে নামিয়েছেন তারা চাইছেন আওয়ামী লীগের পতন। কারণ শামীম বিজয়ী হলে শেখ হাসিনা বিজয়ের বরমাল্য পরবেন। শামীমের বিজয়ের উল্লাসে যখন বাংলাদেশ উল্লসিত হবে তখন মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির গলায় কলঙ্কের ঢোল বাঁধা পরবে।
আসল বিনোদন এবার
মুজিবসন্তান শামীম ওসমান মানেই অন্যায় অপশাসন বিরোধী এক প্রতিবাদের নাম। দ্রোহের নাম। ভদ্র বিনয়ী বিদ্রোহী শামীম ওসমানের জয়লাভ মানে কবি নজরুলের গলায় বরমাল্য পরা। শামীম ওসমানের জয়লাভ মানেই শীতলক্ষা নদীতে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি নিমজ্জিত হওয়া। শামীম ওসমানের জয়লাভ মানে সকালের সোনামাখা রোদের মত শেখ হাসিনার বুকে আনন্দ ডিগবাজি খাওয়া। শামীম ওসমানের বিজয় লাভ মানেই সারাদেশের মুজিব অন্তপ্রান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাহসী মানুষের আনন্দে হেসে উঠা।
পুরাটা এখানে পড়তেন পারেন, পুরা বিনোদন পেতে
এবার আরেকটা লেখা.......আরেকটা বিনোদন
মা জননেত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা হিসাবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বলিষ্ঠ ভুমিকায় বাংলাদেশ আজ বিদ্যুতের লোডশেডিংমুক্ত হবার পথে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত ৫২শ’ মেগাওয়াট বিদুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে এবং আগামী ২০১২ সালের মধ্যে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষে বর্তমান সরকার দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছে। দেশের যানজট নিরসনে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। উড়াল সেতু, ব্রিজ, রাস্তা-ঘাট নির্মাণ চলছে ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে যার পেছনেও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বলিষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে।
বঙ্গবন্ধুতনয়া শেখ হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সব কাজই ছিল নীরব। তিনি ছিলেন রাজনীতি থেকে দূরে। ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার হিসাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নেই তিনি সদা ব্যস্ত থেকেছেন। কিন্তু এই নীরব মানুষটিই গত ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের হিলটন হোটেলে জননেত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় অন্য আলোয় আবির্ভূত হলেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই অন্য আলো দেখে উদ্ভাসিত হয়েছেন সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত হাজারো দর্শকশ্রোতা।
এবার আসল লাইন
একজন মাহাথীর মোহাম্মদ বদলে দিয়েছেন পুরো মালয়েশিয়াকে। মাহাথীর মোহাম্মদের মালয়েশিয়া আজ বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাড়িয়ে আছে অত্যন্ত মর্যাদার সাথে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিল। সেই বঙ্গবন্ধুর কন্যা “ডটার অব পিস” নামে খ্যাত জননেত্রী শেখ হাসিনার ৬৫তম জন্মদিনে আমাদেরও আশাবাদ বাংলাদেশের একজন সজীব ওয়াজেদ জয় তার শিক্ষা, মেধা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে বদলে দেবেন বাংলাদেশকে। ভীষণ ২০২১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই দিন আর বেশি দূরে নয় যেদিন সজীব ওয়াজেদ জয়ের বলিষ্ঠ ও সু-শিক্ষিত নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি মর্যাদাশীল জাতি হিসাবে মাথা উঁচঁ করে দাঁড়াবে। এমন অনেক কিছুই হবে কেউ ভাবেনি আগে। বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ! ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সু-শিক্ষিত নেতৃত্বে বদলে যাবে বাংলাদেশ ।
পুরোটা পড়েন
জয়ের নেতৃত্বে বদলে যাবে বাংলাদেশ
খানিকক্ষণ আগে একটা পোস্ট দিলাম। আরেকটা দিতে লোভ সামলানো গেল না। নীতিমালায় ২৪ ঘন্টায় দুটো পোস্ট দেয়া যায়।





চরম,চরম,চরম। তিন চ্রম হইছে, মাসুম ভাই।পড়ি আর বুকের ভেতর আনন্দেরা ডিগবাজি দেয় আর শান্তি সুখের ডুগডুগি বাজে।

এই আনন্দ তো ভাষায় প্রকাশ করার না
অসম্ভব ভালো লিখেছে। এক কথায় অনবদ্য।
বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য...অসাধারণ... শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছে। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। এই পোস্টটিকে স্টিকি করা হৌক।
স্টিকি করা হউক...
স্টিকি করে নাই। মডুর ব্যান চাই
তেলের জন্য এইবার মনে হয় বাংলাদেশের উপর হামলা চালাবে আম্রিকা
হাহাহাহাহা। ভাল বলছেন
জয় বিষয়ক লেখাটা পড়েই আমার কম্পিউটার তেল পড়ে খারাপ হয়ে গিয়েছিল। নতুন আরেকটা অর্ডার দিতে হয়েছে। এখন শামীম বিষয়ক লেখাটা পড়ে যদি আবার কম্পিউটার নষ্ট হয় তবে পোষ্টদাতা দায়ী থাকবেন।
তেল না ঢাললে কেমনে কি হবে?ব্যাপক লেখা, যারে নিয়া লেখছে তার কোলে বসতে পারার মতো।
অসম্ভব ভালো লিখেছে। এক কথায় অনবদ্য।
বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য...অসাধারণ... শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছে। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। এই পোস্টটিকে স্টিকি করা হৌক
এই তেলবাজটা কে ? নাম্টা জান্তে ইচ্চে করচে।
বাংলাদেশে প্রতিদিন শাহ আলমের ? একি এবার আওয়ামীতে যোগ দিলো?
এইটা কি দেখাইলেন মাসুম ভাই, আমার তো অনেক জায়গায় আনন্দ ডিগবাজি খাচ্ছে।
শেখ মুজিব আইয়ুবের শাসনামলে খুব স্বল্প সময়ের জন্য নারায়নগঞ্জে ব্যবসা করেছিলেন, ইন্সুরেন্স আর পাটের বিকিকিনি, পরবর্তীতে ব্যবসায়িক পার্টনারদের সাথে ঝামেলার কারণে তিনি সে ব্যবসা ছেড়ে দেন,
কিন্তু এত বড় ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন এটা বুঝা যায় নি আগে।
হাহাহাহাহাহা
সঠিক পয়েন্টে হাত দিছেন
এই পাতিহাস... এই অবারিত তৈল... এই... এই...
আমি ভয়াবহ ভাবে আভেগাপ্লুত হয়া গেছি মাসুম ভাই, আমি আর কিছু বলতে পারতেছি না...
টুটূল, মাহবুব সুমন বলেছেন ---- অসম্ভব ভালো লিখেছে। এক কথায় অনবদ্য।
বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য...অসাধারণ... শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছে। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। এই পোস্টটিকে স্টিকি করা হৌক।
কে যে কবে আওআলমগীর হয় আআর কবে যে জাতী বিবাদী হয় বুঝা বরঅই জটিল। যেদিকে হাওয়া সেদিকে পাল।
রেডী হন...
র্যাব আইলো বইললা...
সরাসরি প্রিয়তে।

দেশে তেলের দাম তবুও কমে না ক্যান !
এই টা হলুদ বা পিত রঙা জার্নালিজম , নাকি ভ্রষ্ট্রাচার ?
প্রথমটার লেখক সম্ভবতঃ নইম নিজাম বা পির হাবিবুর রহোমান। আমার ব্যাপক রকমের প্রিয় লেখক। ঘন্টার পর ঘন্টা বাসে বইসা থাকতে হয় তখন তাদের লেখা পইড়া মনে বিমলানন্দ হয়। সময় ভালো কাটে। সাথে গামছা সিদ্দিকির লেখাও বুকে আনন্দ ডিগবাজি দেয়। নইম নিজাম একবার লেখছিল, এক মন্ত্রির সাথে দেখা হইছে, মন্ত্রি তারে জিগাইছেউনি এখন কী করেন। নিজাম মিয়া এতে বড়ই ভারাক্রান্ত হইছেন দুঃখে। দেশের কী অবস্থা, উনি এখন সম্পাদক কিন্তু মন্ত্রি এই খবর রাখেননা! খুবই হতাশা জনক ভবিষ্যত দেশের।!
হাহাহা, কি বিনোদন!
আমার অফিস পিসিতে সব পেপার খুলে না কিনতু মানবজমিন খুলে। আহা বিনোদন!
লং ট্যুরে যেতে বাংলাদেশ প্রতিদিন। আইডিয়াল
এমন ব্যাপক বিনোদন ! হাসতে হাসতে মুত্র চইলা আসছে । 'নারায়নগন্জের উন্নয়নে শামীম ওসমানের বিকল্প নাই' । সে 'স্কাই সিটি' বানাবে। নারায়নগন্জবাসী স্কাই-তে বইসা দূষিত নদী শীতলক্ষ্যার বাতাস খাবে।
মন্তব্য করুন