কালুদার পারফরমেন্স
আজ মন আমার বেদনায় ভারাক্রান্ত। আমার আজ বার বার মনে হয়েছিল এই জীবন রেখে কি করবো। শেষ পর্যন্ত এও দেখতে হলো আজ?
তাহলে কাহিনীটা বলি
খুব অল্প সময়ের জন্য বই মেলায় গেলাম আজ। মাত্র আধ ঘন্টা ছিলাম। টিএসসির মোড়ে দেখা হল জ্যোতি আর পারভীন আপার সঙ্গে (তারে আপা কওয়া ঠিক হইলো কি না বুঝতাছি না)। তারা আমি আসার আগেই চটপটি চেটেপুটে খেয়ে চুপচাপ বসে ছিল। তিনজন ঢুকলাম মেলায়। পৃথিবীর সেরা স্টলে গেলাম। শুদ্ধস্বরেই ছিলাম ওই সময়টা। বই কিনলাম তিনটা। কারণ এখনও সেভাবে বই কেনা শুরু করিনি। তালিকা ঠিকঠাক করছি। পারভীন (আপা) আমার বই কিনলেন। ঘটা করে অটোগ্রাফ দিলাম। তারপর বই দিলাম তাঁর হাতে। জ্যোতি সেই ছবি তুললো লোকজনকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে। ক্যামেরা নিয়ে খালি পেছনেই যায় আর পেছনের লোকজন ধাক্কা খেয়ে এদিক-ওদিক সরে যাচ্ছিল। আমার তখন মনে হচ্ছিল অটোগ্রাফ দেয়ার চেয়ে ক্যামেরাওম্যানের পেছনে থাকা ভাল।
ভাল কথা, পারভীন (আপা) আমারে আর জ্যোতিরে বই উপহার দিল। এবারে এটাই পাওয়া প্রথম বই উপহার।
তারপর ঘটলো সেই ঐতিহাসিক ঘটনা। আমরা গেলাম লিটলম্যাগ চত্বরে। তাকিয়ে দেখি.................
ওমাগো.....(মুখের উপর দুই হাত রাখার ইমো হবে)। দেখি ঐতিহাসিক এক চরিত্র, জীবন্ত কিংবদন্তী।
আমাদের কালুদা, কালপুরুষ। ছুটে আসলেন তিনি।
পারভীনকে দেখে বললেন, কেমন আছেন। তারপর তার চোখ গেল আমার অন্য পাশে। বিগলিত হয়ে বললেন, আপনি লীনা দিলরুবা না?
জ্যোতি এবার নায়িকাদের মতো আলতো করে বললো উহু। কালুদা জানতে চাইলো, আপনার নিক কি? জ্যোতি আর বলে না। বাধ্য হয়ে হস্তক্ষেপ করতে হল। বললাম, ও জ্যোতি।
এইবার কালুদা বিজয়ীর হাসি দিয়ে বললো, জ্যোতি বললেন কেন, ও তো জয়িতা। আসলে আমার পোস্টে কমেন্ট করতো না তো, লাইকও দিতো না. তাই চিনতে পারি নাই।
আমাকে আবার হস্তক্ষেপ করতে হলো। অবাক বিষ্ময়ে বললাম, একটা মেয়ে আপনার পোস্টে যায় না, কমেন্ট করে না, লাইক দেয় না, এটাও দেখতে হলো। আমার তো এখন বলতে হচ্ছে, ধরণী দ্বিধা হও।
এইবার কালুদা বললো সেই ঐতিহাসিক বাণী। বললো-
তাহলে বোঝেন, আমাকে সবাই যতো নারীঘেষা বলে আমি তত নারী ঘেষা নই।
আমি তখন বললাম, এটা তো আপনারই ব্যর্থতা। একটা মেয়ে আপনার পোস্টে গেলো না। এটা কোনো কথা হল। আপনি এই মেয়েকে নিয়ে একটা কবিতাও লিখলেন না। আজব। আপনি কালকেই একটা কবিতা লিখবেন, লিখে দরকার হলে আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জ্যোতির নামে পোস্ট করে দিবেন।
খুশী হলেন আমাদের কালুদা।
তারপরেও এই দুজনের সামনে আমাকে বার বার হতাশা দেখাতে হলো। আমি প্রচন্ড হতাশ। এই তাহলে কালুদার পারফরমেন্স।
দু:খ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে অফিসে ফিরে আসলাম। কে বলে কালু দা নারী ঘেষা??
কে দেবে জবাব? কে দেবে উত্তর? 





সন্ধ্যায় হাসতে হাসতে, আর হাসি চেপে রাখতে গাল ব্যাথা করছিলো। এখনও গাল ব্যথা করতেছে।
অটোগ্রাফ দেওয়ার লজ্জার নাটকটাও বললাম না। পরে বলব। আগে হেসে নেই।
হাহাহাহহাহা .. কিছু বললাম না থাক।

জইতার এই জন্মের নারী জীবন ব্যার্থ। কাল্লুদা তারে চিনে নাই।
(
জয়িতা কিনতু নায়িকাদের মতই মুচকি মুচকি হাসছিল

কালু আংকেল জিন্দাবাদ!
মাসুমা ভাই, আর মাসুম নাই!!!!
হা্যরে এইটা কিছু হইল?

লগ ইন না কের পারলাম না। দারুন, জয় কালু দা ।
মাসুমদা আপনার জন্য েবদনা।
হাহাহাহাহাহ।
এই থেকে বুঝা গেলো কাল্লু'দা লীনা'পারে খুজেঁ!
আর জয়িতা'রে না ভুলে উপায় আছে, সামু'র পিকনিকের যাত্রাপথের কাহিনী কি ভুলিবার মতো কিছু! যেই রনমূর্তি দেখছিল আফার তাকি ভুলিবার
কাল্লুদার একাউন্ট আছে নাকি এখানে?
কারে খুঁজতে গিয়া কার নাম কইলেন পরিষ্কার করেন আইসা
)
জয়িতা, একটা পাল্টা পোস্ট দিলে আলোচনার ক্ষেত্র বাড়ে
আরে, কথায় আছে "যার মনে যা ফাল দিয়া উঠে তা".।.। আর কেম্নে ভাইঙ্গা বলবে, কাল্লু'দা একজন বিশিষ্ট সাংবাদিকের মাধ্যমে জানাইছে!
এভারগ্রীন মনের কথা বলছে বইলা উনারে আপ্নে এম্নে ময়দানে আসতে আহবান জানাইতেছেন! আপ্নেও তাইলে "কবিতা উৎসর্গ" চাইতেছেন!!
সাংবাদিকরা সব সময় সত্য খবর দেয়না
আমি আর কি বলবো! আমার জবান বন । যা করলো মাসুম ভাই ! আর যা ডায়লগ দিলো কাল্লুদা ।
তবে নাম কিন্তু লীনা দিলরুবা বলছে, তবে যেভাবে বললো !! মাসুম ভাই খোলাসা করুক ।
কালুদা নরম চোখে জ্যোতির দিকে তাকাইয়া মোলায়েম গলায় লীনা দিলরুবার নাম বলছে। এইখানে সাক্ষী আছে। পারু সাক্ষী দেন জলদি।
কালুদার নরম চোখের পাশাপাশি জয়িতার মুচকি মুচকি হাসি কেমন জেনো রহস্যময় ছিল। নিজের চোখে দেখেই বললাম কিন্তু
জয়ি'র রাশিফল বিচারপূরব কবিতা এবং জয়ির সামনের জীবন কাহিনী আশাকরি ফেবুতে পড়তে পারবো।
আমিও দেখছি সব!
হা হা লু খু উ প গে

মন্তব্য করুন