নিজগুণে ক্ষমা করার আশ্বাস...।
তানবিরা আফা’র ‘ব্যবচ্ছেদ’ পোস্ট-এর অংশবিশেষ দিয়া শুরু করি, “লেখা আর লেখককে মিলাতে আমি নারাজ। একটা লেখক অনেক মুড থেকেই একটা লেখা লিখেন। প্রত্যেকটা লেখা লেখকের চরিত্রকে ধারন করে, তাই কি?”। সম্পূর্ণ একএকমত।
........................মিসা কথা কমু না। কার একটা লেখার লিঙ্ক ধইরা জানি ‘আমরা বন্ধু’-তে আইসিলাম, মনে নাই। ভাবলাম, আইসি যহন, একখান আইডি’ও খুইলা যাই। আইডি খুলার পর মনে হইলো, খুলসি যখন একখান পোস্ট দিয়া যাই। ফেসবুকের একখান ‘নোট’, কপি পেস্ট কইরা দিয়া আর তাকাই নাই। ভুইলা গেসিলাম। কয়দিন আগে আর একবার ঘুরতে আইসিলাম। ঘুরতে আইসা আর ফিরত যাইতে পারি নাই। ঘুরতেই আসি............। নয়া । তয় সাহস কইরা দুইখান কথা কই। পরিবেশ-টা খুব-ই পসন্দ হইসে। গালিগালাজ নাই। সবাই নিজের আপন কথা কয়..., বিশেষ কোন উদ্দেশ্য নাই। সবাই সবাইরে চিনে মনে হয়। সুন্দর ঘরোয়া পরিবেশ। দুই/তিন জনের লেখারে চিনতে শুরু করসি। টিকা-টিপ্পনী’র প্রভাব কম। আমার আবার এই দোষ আছে। তবে বাক্তি-কে উদ্দেশ্য করে নয়। জাস্ট, কথার পৃষ্ঠে কথা। অন্য কিছু না। নিজগুণে ক্ষমা করার আশ্বাস দিলে, দুই একখান পোস্ট/মন্তব্য করতে করতে ঘুরাঘুরি করুম। নইলে, চুপ কইরা আগামু। আর, সদস্য-গো যাতায়াত কম মনে হইলো। এইডা একটু বাড়ান দরকার।
রাইত হইসে, যাই। দোয়া রাখবেন। 





আমরা শুক্রবার একটু আসা যাওয়া করি।ঐদিন অন্য অনেক কাম থাকেতো।
ক্ষমা কইরা দিমু যা ইচ্ছা কইবেন কোন ব্যাপার না।
ভালো কইসেন। শুক্রবার-এ অনেক কাম থাকে, তাই ওই দিন-ই আসেন...
আইছেন যখন ... বসেন... ঘুরেন... দেখেন... কয়দিন পর আপ্নে নিজেই কইতে পার্বেন সব কিছু
সদস্যরা লুকাইয়া এবি পড়ে
... এর জন্য যাতায়াত কম মনে হয় 
লুকাইয়া পড়ার মাজেজা’ টা কি? একটু যদি ক্লিয়ার করতেন...
লগিন কর্তে শরম পায় লুকজন
... দেখেন্না লগিনের চাইতে অতিথি বেশী 
বুঝলাম না। শরমের কি আসে! শ্বশুরবাড়ি তো আর না...। যে বেশি যাওন যাইত না। বেশি গেলে জামাই-এর খাতির কইমা যাইবার সম্ভাবনা আসে...
welcome.aschen jokhn ghuraghuri koren,gopsop koren:)
গপশপ করার মত পাবলিক তো কম...। বড়ই ই-রেগুলার...
ভাইজান আসেন, গপসপ করি
কন ভাইজান, শুনতাসি...।
কইবেনতো আপনি।আমরা খালি শুনুম।
টাইলে সময় লাগব, ধইরজ ধরেন...
বেশ। দুই-একখান পোস্ট/ মন্তব্য করলে হবে না। হাজার-হাজার পোস্ট/ মন্তব্য করতে হবে।
কইসেন যখন, চেষ্টায় থাকুম। আর সাহসও পাইসি। আসলে, আমারা এমন-ই মেকি হয়ে গেসি যে, মনের কথা খুব কম জায়গা-তেই বলতে পারি! না অফিস, না বাসা। বন্ধু আড্ডায় নিঃসঙ্কোচে বলা যায়। এখন সেই সুযোগ-ও কমে আসছে। ব্লগ-এই মনের কথা উগরায় দিমু। তয়, একটু অবাক হইতাসি। অল্প কিছু লোক-ই ভালো/খারাপ কইলো। আনাগনা কম, নাকি ফ্যামিলি ছোট?
ফ্যামিলি বড়ই, বন্ধনও বেশ ভালো, আর আনাগোনাও সব্বারই আছে নিয়মিত, তবে সব চুপেচাপে আসে যায়! শরমায় আর কি বেশি!
শ্বশুরবাড়ি তো আর না। শরমায় লাভ কি!
অনেক মজা করে লেখেন দেখি!
----------------------------------------------
প্রথম পাতায় একই লেখকের দুটো পোস্ট!
দৃষ্টিকটু লাগে।
মজা’র চেষ্টায় থাকি।
_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
১ম/২য় বুঝতাম না। পেজ যেমনে থাকে, তেমনেই পোস্ট করি।
ওই যে কইলাম, নয়া।
ধরায় দিলেন দেইখা, ধন্যবাদ।
দৃষ্টিকটু’র ব্যাপারে ঠিক কইসেন।
আইসা পড়ছেন যখন। নিয়মিত আইসেন, গপসপ করা যাইবে।
ঠিক আসে ভাই। আশকারা যখন দিলেন, আহুম।
আপনার পর্যবেক্ষণ ভাল।
:
:

পোস্ট কই পরেরটা?
দিসি তো। তয়, প্রথম পাতায় একজনের দুই’টা পোস্ট থাকলে দৃষ্টিকটু লাগে। তাই পয়লা পেজ থেইকা সরায় নিসি। ভালো কইরা খুজেন...
মাত্র দুই এক খান পোস্ট/কমেন্ট এর জন্যে মূল্যবান আশ্বাস দিমু না।
নিজগুণে বহু পোস্ট/ কমেন্ট দিয়া যান। পাশেই পাইবেন। এ/বি'র জনগণ অনেক ভালা!! সবাই নিজ গুণে আশে পাশে আইসা খাড়াইবো।
ধন্যবাদ। কোক-টা ঠাণ্ডা কইরা খাইলাম.।.।.।।
মন খুলে লিখুন আর কমেন্টান। ঝগড়ার ভয়ে ডরে না সাচ্চা মুমিন
মন–টা এই জীবনে খুলতে পারুম, এই বিশ্বাস ক্ষীণ হয়া আইতাসে।
আর ঝগড়া করা তো পরের কথা, এই শব্দটার প্রতি-ই আমার এলারজি আছে।
মন্তব্য করুন