নাম কীর্তন!!!
কোন জায়গা বা মানুষের নাম শুনলেই মনের মধধে একটা না একটা ছবি ভেসে ওঠে। তারেই বুঝি কয় নামকরনের সার্থকতা! তয় কয়টা জায়গা বা মানুষের নাম যথার্থ, সেইটা নিয়া বোধ করি আমার মতো আপনেরাও সন্দিহান। প্রতিটা ফ্যামিলি-তেই বাবু নামের কেও না কেউ পাইবেন। কন তো, কয়টা বাবুর মধধে বাচ্চা সুলভ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান? পাইবেন না। আসলে বাবা মায়েরা নিজের পোলাপান-রে চিনে, এইটা খুব একটা মনে হয় না। নইলে, কোমল নামের মাইয়া-টার মনটা, কেন আমার জন্য কোমল হইল না! আমার সাথে যেইরকম আচরণ করসে, তাতে শিরীষ কাগজও মোলায়েম মনে হয়। আবার শিলা’র মতো নরম মনের মাইয়া আমি আর দেখি নাই। কলেজে প্রতিদিন-ই আমাগো কিছু না কিছু খাওয়াইতো। খালি কইলেই হইত, “দোস, খিদা লাগসে।“ আবার কোন কোন বাপ মা কিন্তু নিজের ছেলেমেয়েরে ঠিক-ই চিনতে পারে। কলেজের ‘লীলা” যেই লিলাখেলা দেখাইসে! এক ইয়ারেই তিন তিনটা সম্পর্ক! আবার বন্ধু, হীরারেও ওর বাপ মা ঠিক-ই চিনসিল। আসলেই হীরা। যেইখানেই যায়, জ্বলজ্বল করে। মানুষরে তার বন্ধুরা যতটা চিনে, বাবা-মাও অতটা চিনে না। বন্ধুগো থেইকা অন্য কেও যথার্থ নামকরণ করতে পারে এইটা আমি বিশ্বাস করি না। বন্ধু সমাজে সবার-ই আলাদা একটা নাম থাকে, যারে কয় ‘ইউনিক’। আমাগো ফ্রেন্ড সার্কেলে কয়েকজন বাবু আছে। সবার আলাদা একটা টাইটেল আসে, যেমুন ধরেন পান্তা বাবু। হেই কবে পয়লা বৈশাখে পান্তা ইলিশের দোকান দিসিলো। পদ্মার ইলিশের থেইকা গন্ধ চইলা গেলো! কিন্তু পান্তা নামটা বাবুর সাথে রয়া গেলো। কেউ কেউ আবার নিজের নাম নিজেই দেয়। আবার ধরাও খায়। একবার ঢাকা কলেজে গিয়া, বন্ধু আবুল-রে খুজতাসি। এই হোস্টেল, ওই চায়ের দোকান। না, আবুল নামের কোন পোলা’ই বলে থাকে না। খুজতে খুজতে শেষ যারে পাইলাম, হেয় কলেজের সৌরভ! বুঝেন অবস্থা। ঢাকা কলেজের পোলাপান-রে তো চিনেন-ই.........। হেরা ঠিক-ই আবুলের সৌরভের মূল্য বাইর কইরা নিসে। নিজের নামের ব্যাখা দিয়া লেখাটা শেষ করি। সেন্ট নিকোলাস-এর নামানুসারে মা বাপে নাম রাখসিল, নিকোলাস। তিনি বাচ্চাগো খুব পছন্দ করতেন। আমিও বাচ্চা পসন্দ করি, হেরাও আমারে করে মনে হয়। নইলে, কোলে লইলেই নিজের শরীরের পানি দিয়া আমার বক্ষ ঠাণ্ডা করনের অন্য কোন মানে তো দেহি না।





এই সুযোগে কার নিক কি ভেবে নেয়া, এইটা শুনে নেয়ার ইচ্ছা রইল।
নানা মাস্টর ছিলো ভাবলো নাতির নাম বিখ্যাত মনিষীর নামে রাখি তাই রাখলো রাসেল,তবে আমার সন্দেহ উনি উনার প্রিয় নেতার পুলার নামের সাথে আমার নাম মিলাইয়া রাখছে, বয়স যখন আট নয় তখন অনেক টেনশনে দিন পার করছি।কবে বাড়িতে কেও এসে পুরা বাড়ি সুদ্ধা সাফা কিড়কিড়া করে দেয়। আর আশরাফ নামটা বাপের দেয়া আমির সাবের পুলা আশরাফ হইবো না কী হইবো?
আপনে তো তাইলে ভাই বিরাট লুক। আপনের নামে আমাগো এলাকায় কয়দিন আগে একটা মাঠের নামকরন করা হইসে।
আপনার পোস্ট মজার হয়....
আমার নাম হইলো শফিকুল ইসলাম... আমার ধারনা সেই আমলে হুজুররে ডাইকা অথবা হুজুরের সাজেষ্ট করা নাম রাখা হইছে...
কিন্তু ডাকনামের ক্ষেত্রে কাহিনি আছে... আমার ফুপুরা রাখছিল টোটন... আর মা জননীন রাখছিল টুটুল... শেষ পর্যন্ত মা জননীই জয়যুক্ত হইছে... কিন্তু এই নামের কোন মহিমা জানা নাই... বিশেষ কোন কাহিনীও নাই... তবে ছোট বোনের নাম নিম্মি ক্যান এইটা বুঝছি... সেই আমলে নিম্মি নামে এক জনপ্রীয় নায়িকা ছিল... তার নামানুসারে রাখছিল মুনেলয়
বন্ধুগো মাঝে একটা ছিল ডিবি (ধইনচা বাচ্চু... কিঞ্চিৎ গাব কিছিমের)... কাউয়া (এত্ত কথা কয়)... নাডা (ব্যাপক ব্রেইন)... লাম্বু... etc..
আমার এক সহকর্মীর নাম নিকোলাস ডি কস্টা
মজা পাইসেন! শুকরিয়া।
কি করুম কন? অন্য কথাও মজা তো নাই। এই এক লেখার মধ্যে।
নিকোলাস ভাইরে আমার সালাম দিয়েন...
আর এই আমলে টুটুল নামের একজন গায়ক-ও আছে। উনার গান আমার ভালোই লাগে। তো ভাইসাব, গানটান গান নাকি?
কি বলেন? গাই না মানে? গান গায় না এরম কেউ আছেনি?
আর তানিয়ার জামাইরে টানেন ক্যান
নাই মানে! এই আমি জলজ্যান্ত উদাহারন।
(
আর তানিয়া-টা কেঠা?
আমার জন্মের পরপর একটা ছবির পিছনে আমার "আদি" নাম লেখা ছিল, বড় হয়ে আবিষ্কার করেছি।
ওয়ালিদ মুহাম্মাদ ফাহাদ আসিফ আল ইসলাম আন-নূর
বাপ-মা এর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা যে তাঁরা আমার এই মুখস্থ করলেও মনে থাকবে না ধরনের নামটা না রেখে অফিসিয়াল নাম "ফুয়াদ হুসাইন" আর ডাকনাম "আনন্দ" রেখে দিয়েছেন।
আমার নিক "আনন্দবাবু" হবার পিছনের কারন আমার নাম আনন্দ আর "বাবু" (যথারীতি বাসার নাম) টা অলঙ্কার!
ইশকুলে খাড়া খাড়া চুলের লাইগ্যা শুজারু নামেও খ্যাতি পাইসিলাম।
কইসি না, বন্ধুরাই ঠিক নাম দিতে পারে
মজা পাইছি
মজা পাওয়াতে খুশি হইলাম।
ভাইয়ে কিন্তু চামে কাটলেন।
নিজের নামের শানে নযুল কইলেন না।
আপনার নাম বিষয়ক লেখাটা পইড়া ভাবতেছি- নিজের নাম এবং আরো কিছু পরিচিত সোন্দর নাম নিয়া একটা পোস্ট দিয়া ফালাই না কেনো ?

অচিরেই সেইটা দেওনের খায়েশ আছে। দোয়া কৈরেন
আলহামদুলিল্লাহ। দেন ভাই, আপনার পোস্টে মন্তব্য হিসাবে আমিও কিছু যোগ করুমনে। অপেক্ষায় রইলাম।
দারুণ দারুণ।
চেনা কেউ, হয়তো অনেক দিন পরে দেখা হয়েছে, জানতে চায়, তোমার বাবু কেমন আছে? আমি বলি, কোন বাবুর কথা বলবো? আমার জামাইর নাম-ও বাবু
:ধইন্যা:
আপা, apni-o kintu cham-a katlen. Nijer namer majeja koilen na!
আর, apnar জামাইর "unique" namta jodi koiten
আমার নামের কোনো মাজেজা নাই
আমার জামাইর ইউনিক নাম মানে? কইলাম না?
Oi je koilam, prottek Babu'r namer aag-a ekta" Title" thake...
Apni na janle, apner জামাইর bondhu-go jigayen...
পোষ্ট উপাদেয় হয়েছে।
আমার নামের কোন মানে আছে কি না জানি না।
বেহেস্ত নসীব করার জন্যে পিতা-মাতা আরবী নাম
রেখে দিয়েছেন, এইতো
থাঙ্কু আফা।
নিরামিশ-ও উপাদেয় হয়!
আশা করি বাপ মা ঠিক নামটাই বাইছা নিসে।
নাম রাখছে বাপ মা শান্ত জীবনে যদি শান্ত হয়ে শান্তিমতো একটা কাজ করতে পারতাম!
বাবা মা বোধহয় চাইসিল শান্ত’র সাথে যেন শান্তি থাকে। শান্ত’র সাথে শান্তি’র একটা নিবিড় সম্পর্ক আছে।( শান্তি বলতে আমি শুধু অনভুতি বুঝাইতে চাইসি
) 
আমার নাম, ইউনিক নাম, শানে নযূল বলতে গেলে তো আর একটা পোস্ট হয়ে যাবে
এই ব্লগেরই এক বড় আপা আমাকে ডাকেন মায়াবতী বলে। তাই রেজিষ্ট্রেশনের সময় এই নিক নেয়ার কথাই মনে হইসিল।
আব্বা ছোটবেলায় ডাকতেন পিংকি নামে। বেনজীর ভুট্টোর নিক ছিলো পিংকি। আব্বা চাইসিলেন আমি তার মত প্রধানমন্ত্রী হবো
এইবার থামি।
কিন্তু বাসার কিছু দুষ্ট চক্রান্তকারী এই নাম বিকৃত করে ডাকে পিংকা।
আর একটা নাম স্বর্ণালী। বন্ধুরা ডাকে এই নামে। ভালো নাম সামিয়া। বাসার পিচ্চিপাচ্চারা ডাকে ছোট মা বলে। ভাইয়ের মেয়ে আবার ছোট মা বেশী ডাকে না। ভাইয়া ডাকে পিংকু। সে তার বাপের মতই ডাকে পিংকু বলে।
ভাগ্না - ভাগ্নীর কল্যাণে আর একটা নাম হইসে, শান্তি। কিন্তু এইটার শানে নযূল বলা যাবে না
বড় আপা নিশ্চয়ই এমন কিছু দেখসে আপনার মধধে, তাই মায়াবতী।
বাসার মানুষ আপনার ভালো চায় বইলাই চক্রান্ত কইরা নাম পাল্টায় দিসে। নাইলে, এতদিনে প্রধানমন্ত্রী হয়া আমাগো গালি খাইতেন পিংকা’।
বলা যাবে না বইলা, শান্তি নামটার শানে নযুল জানার ইচ্ছাটা বাড়ায় দিলেন।
মন্তব্য করুন