হাম তুমকো দিল দিয়া তোফা সামাঝকে, তুম উসপর বইঠ গিয়া সোফা সামাঝকে!
আমার এক ছোট ভাই সেইদিন খুব আক্ষেপ কইরা কইতাসিলো,” ভাই’ “ও”রে প্রপোজ কইরা কি যে বেকায়দায় পড়লাম!“ জিগাই, “‘ও’ টা কে?” (জানি তো ‘লিলি’ই। প্রেমে পড়ার পর থেইকা হের নাম মুখে লয় না। ক্লাসের নীলা, স্রাবন্তি, সুমনা সবার নাম-ই শুনা যায়। খালি লিলি আইলেই “ও”। আর আমারও চেষ্টা থাকে, নামটা উচ্চারণ করানোর।) ভাবলাম, প্রপোজাল গ্রান্ট হয় নাই। উল্টা হুমকি খাইলো কিনা। সান্ত্বনা আর সাহস দিবার প্রস্তুতি নিতাসি, এর মধধেই কইতে শুরু করলো, “ভাই, এখন তো আর নিজের কোন কিছু নাই। সকাল, দুপুর, বিকাল, রাত, খালি ফোন আর ফোন। বন্ধুগো আড্ডায় ফোন। ট্রাফিক জ্যামের দিবানিদ্রায় ফোন। বাথরুমে গিয়াও ‘ও’র ফোনের আলাদা রিং টোন শুনতে পাই! “কোথায় আছো?” “কি করছো?” “এতক্ষন কোথায় ছিলা?” “তোমার ওই বন্ধুটা ভালো না।“ “এতো রাতে আবার চটপটি খাচ্ছ কেনো!” ভাই’ এ তো কারাগার!”
নিজেরে প্রতি বেশ রাগ হইল। নিজে সাহসী না হয়েও প্রপোজ করার সাহস, আমি-ই ছোট ভাই-টারে দিসিলাম।
পরমুহূর্তে, নিজেরেই সান্ত্বনা দিলাম। কেননা, পোলার চেহারা দেইখা মনে হইতাসিলো, কারাগারের জীবন বেশ উপভোগ করতাসে!






টাইটেলটা একটু অনুবাদ করে দ্যান ভাই। আর কেউ একজন নামকরনের সার্থকতা বইলা দ্যান।
“আমার হৃদয় তোমারে দিলাম উপহার হিসাবে, আর তুমি ওইটায় বইসা পরলা সোফা হিসাবে।‘
কাউরে আবার আমার জন্য শাস্তি দেন কেন! আমি-ই কই। পোলার কথাগুলা শুইনা যা মনে হইসিল, হেইটাই নামকরণ। তয় নামকরনের সার্থকতা খুইজা সার্থক হইবেন না। মনে করেন, হুদাই দিলাম “টাইটেল“-টা।
এই হইলো ভাই আসল কাহানী।
মন্তব্য করুন