নৈর্ব্যক্তিক সময়ের শব্দ
কয়েকটা টেলিফোন বেজে উঠেছিল কোথাও
আর, রাতজাগা ঘুমেদের আস্ফালনে চাপা পড়ছিলো
বিবিধ আগুনের তাপ
ত্রিধাবিভক্ত জিহ্বা নিয়ে উল্লসিত সাধুগোত্র
অন্যের রক্তে পানপাত্র ভরে নিচ্ছে অবিরাম
পাথর চোখের কার্নিশে ঘর বাঁধা প্রজাপতি, তোমরা উড়ে চলে যাও
এখানে স্বপ্নের বলি দেয়া হবে কিছুক্ষণ পর
বেজে উঠবে বিকলাঙ্গ নর্তকীর কাঁচের চুড়ি
হাড়ের গভীরে হেঁটে যাওয়া ঘুন পোকা, তুমি কেঁদে উঠোনা
এখনি প্রস্তুত করা হবে রাজকীয় সিংহাসন
অভিষেক হবে ক্লীব জনকের যৌনাচার
কর্মীরা ফিরে চলে গেছে মেঠোপথ অসমাপ্ত রেখে
দায়ভার... একা, অবিরাম সময়ের ।





আহা! দারুন লাগলো!
সহজ কবিতা লিখেন না কেন?
দারুন লিখেছেন কিন্তু আমি তেমন কিছুই বুঝিনি ।
কবিতা লিখে তার নিচে "আলোচ্য কবিতায় কবি কি বুঝাতে চেয়েছেন", সেটা নোট আকারে দিয়ে দিবেন ।
কবিতাও বুঝেন না?আজব!বুঝে নিতে হবে। কবিতা বুঝানোর নিয়ম নাই।
-আপনি বুঝছেন ? আমারে বুঝায়ে দেন, এক কাপ আইস ক্রীম খাওয়াবো। ।
বুঝছি তো। বুঝানের নিয়ম নাই।নিজ দায়িত্বে বুঝতে হপে।
তৈলে কি বুঝছেন সেইটাই কন , নিজে নিজে বুইঝ্যা নিমুনে ।
বুঝানো যাপে না, ওস্তাদের মানা আছে।
সবাই পছন্দ করছএ আমিও করলাম। কিন্তু এজ ইউজুয়াল বুঝিনি!
এটা কবিতা নাকি করাত?
কবির মনে বিশেষভাবের উদয় হইছে, কবি বুঝলেই হবে, অন্যদের না বুঝলেও চলপে।
আমি একটা কবিতা বলি
'সময় তোমার বন্ধ করো ঘড়ি
বন্দি জীবন ধন্য করে মরি !!'
বৃত্ত'র কবিতায় প্লাস।
হ
কর্মীরা ফিরে চলে গেছে মেঠোপথ অসমাপ্ত রেখে
দায়ভার... একা, অবিরাম সময়ের ।
অনেকদিন পরে তোমার কবিতা পড়লাম।
চমৎকার।
মন্তব্য করুন