একাকীত্ব এবং মুখোশ পড়া দুঃখ বিষয়ক
ধুয়ে ফেলি রক্তাভ পাপ, সবুজাভ পূণ্য।
এলোমেলো পদচিহ্ন পড়েছিলো যেই কার্ণিশে, একাকী;
সেখানে ধীরে ধীরে জমে উঠেছে শৈবাল কোরাস,
অশান্ত চড়ুইয়ের দল প্রতিদিন মেতেছে ঐকিক নিয়মের পাটিগণিতে।
সামাজিক বোধের জল থৈথৈ পুকুর
উপচে গেছে অসামাজিক সান্ধ্য আইনের পেয়ালাতে।
ঘুমন্ত নারীর স্বপ্ন
ছড়িয়ে পড়েছে বিচ্ছিন্ন পংক্তিমালায়
বইমেলার ধুলার আভরণ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে
জড়িয়ে নিয়েছে নির্ভরতার সীসার দেয়াল, বিভ্রান্ত আচরণ।
রঞ্জন রশ্মি ভেদ করে গেলো
প্রথমতঃ কাপড়
তারপরে একে একে
ত্বক
পেশী
অস্থি
মজ্জা।
নিখুঁত ছবি ভেসে উঠলো সীসার দেয়াল ভেদ করে
অদৃশ্য অক্ষিগোলকের স্নায়ু তন্ত্রী জুড়ে।
বসন্তের উদাস হাওয়াসুলভ চপলতায় মসৃণ, ভেসে এলো কাগজের প্লেন
সুখে ও যাপিত জীবনের অন্দর মহল পেরিয়ে।
দুঃখেরা অস্থির, ছটফটিয়ে উঠলো ছদ্ম সিন্দুকের আলিঙ্গনে, হাসির মুখোশ পরে।





'ছদ্ম সিন্দুকের' অংশটাতে ধরা খেলাম বা হোচট খেলাম। যদিও কবির কাছ থেকে কবিতার ব্যাখ্যা চাইতে হয় না, কিন্তু শব্দযুগলের একটা অর্থ হ্য়তো চাওয়া যায়। ...আমার মতে, শব্দদুটো না থাকলেও আমি যা বুঝতে চাইছিলাম, তা বুঝতে পারছি।
ছদ্ম সিন্দুক দিয়ে আসলে বুঝাতে চেয়েছি একটা কাগজের আবরণ, যেটাকে মনে মনে সিন্দুক হিসাবে কল্পনা করে নেয়া হয়েছে...
শেষ লাইন বুঝছি। বুঝাতে পারব না।
কবিতাটা পড়তে ভালো লাগছে। ক্লান্ত আজ, নাইলে আরেকটু চেষ্টা করলে আরো একটু বুঝতে পারতাম।
বুঝতে পারার থেকে অনুভব করতে পারাটাই বড়...
বুঝতে পারি আর না পারি, কবিতা ভাল হইছে। তারপরেও পাপিষ্টরা ম্যুরালে কবিতা রাখে নাই। ধিক্কার
আমরা শুধুশুধুই মডুদের পাপিস্ট বলি, সম্পাদক মন্ডলী আরো বড় পাপিস্ট। দিক্কার...
বুঝি নাই ... কিন্তু কবিতা ম্যুরালে নাই কেন ! দিক্কার
চলো দিক্কারে দিক্কারে ব্লগ ছয়লাপ কইরা ফেলাই...
লগে লগে লিখা ফেললেন! ভালো হইছে...তয় কয়েক জায়গায় ইমেজগুলি একটু বেশি স্ক্যাটার্ড লাগতেছে। অনেক বেশি জায়গা নিয়া ঘোরাফেরা করতে হয়।
হ, লগে লগেই লিখা ফেললাম
একটা অংশের ইমেজ নিয়া খানিকটা দ্বন্দ্ব আমার নিজেরো আছে...
ভেতরে যেতে পারলাম না। সুকঠিন দেয়াল ভেদ করে কবিতার মধ্যেই যেতে পারলাম না
শেষ লাইনটাই যে ভেতরে ঢুকবার দরজা, আর আপনি সেইটাই খুইজা পাইলেন না?
মুখোশ কি পরে, না পড়ে?
আমি ভানাম্বুল
অসাম
আপনি আবার কই ডুব দিসিলেন?
ভাই সামনে এক্সাম । ১ এপ্রিল থাইকা । ডুব দিয়া থাকাটাই উচিত । কিন্তু ডুব দিয়া কি এতই সহজ । এবিতে না আসলে দম বন্ধ হইয়া মরতে ইচ্ছা নাই । দোয়া রাইখেন ।
ঠিকমতো পরীক্ষা ইত্যাদি দিয়েন...
কবিতা প্রথমে গেলো কার্নিশে, সেখান থেকে চৌবাচ্চায় থুক্কু পাটিগনিতে। তারপর কেমেষ্ট্রিতে আলফা – বিটা- গামা। তারপর গার্হস্থ্য অর্থনীতি থেকে ঘুরে আবার বায়োলজিতে ফেরত। এরপর বাংলা দ্বিতীয় পত্র।
বহুদিন পর মনে হলো ক্লাশ টেনের আট পিরিয়ডের ফুল স্কুল করলাম আজকে।
ভাইজান, আমাদের জন্যে যদি কোন একটা সাধারণ কবিতা লিখেনতো পড়ে আরাম পাই।
এই ধরনের মহাদেব সাহা,
কাল ওকথা বলেছিলাম নাকি?
আজ কিন্তু মানছি না।
প্রমান করোতো কালকের সেই আমি
আজকের আমিটাই কিনা
কিংবা নির্মেলন্দু গুন টাইপ আর কি?
আমি হয়তো মানুষ নই
মানুষগুলো অন্যরকম
আপনেতো ভাই পুরাই মধূসূধন। সমুদ্রের প্রতি রাবণ লিখেন। কবিতা না পড়ে নোটবই পড়তে বাধ্য করবেন ছাত্রদের
(
শোক্রানা আদায় করেন, খালি ক্লাস টেনের আট পিরিয়ড নিছি। ক্লাস নাইনের নিলেতো খবরই হইয়া যাইতো। নতুন বই, নতুন সিলেবাস, নতুন সবকিছু
বিদগ্ধরাই দগ্ধ হইয়া গেলো আর আমিতো নগন্য, তাই আগে কমেন্ট পড়ছিলাম, পরে আর সাহস করি নাই কবিতা পড়ার।
তবে কবির গদ্য পড়টে বেজায় পছন্দ আমার! 
গদ্য ইদানীং হইতেছে না
দুই তিন লাইন লেখার পর আউলায়া যাই 
্কবিতার মতোন শক্ত শব্দে না, কিন্তু রোমান্টিক একটা গল্প লেখার চেষ্টা দেও তো। মানে সেই আগেকার ধাচেঁর প্রেম, চিঠিপত্রেই ভর, মুখ ফুটে মূল কথা না বলা, কিন্তু আশ্চর্য টেলিপ্যাথির মাধ্যমে কেম্নে কেম্নে জানি মনের কথা বুঝে ফেলা টাইপের কান্ড!
রোমান্টিক কিছু বাইরাইতে চায় না
মন্তব্য করুন