ইউজার লগইন

ধর্মের সো কল্ড সু-শীতল ছায়াতল থেকে গনগনে রোদেলা যুক্তির পথে আমার যাত্রা...

ক্লাস থ্রি/ফোরে পড়ি, খুলনার খালিশপুরে থাকি। প্রতিবেশীরা মোটামুটি সবাই বিহারী।

"এএএ মিস্টার...লাড্ডান ভাই...গুড্ডুউউউ"

বলে রোজ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে যাবার সময় আমাদের আশপাশের কয়েকটা বাসার যুবক বয়সীদের নামাজ পড়ার জন্য ডাক দিতেন তাদেরই সমবয়সী একজন। ভোরবেলার ডাকটাই শুনতে পেতাম সবচে জোরে। এই ডাক শুনে আমিও কোনোকোনো দিন উঠে ফজরের নামাজ পড়তাম বাসাতেই। বাসার পরিবেশ কট্টর ইসলামী না হলেও ইসলামী। বুঝতে শেখার পর থেকে বাবাকে কখনও দেখিনি নামাজ কাজা করতে। মা, বোন সবাই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। দাদা-দাদীকে দেখিনি। তবে নানা- নানু, মামা সবাইকে দেখেছি নামাজ পড়তে। নানা মৃত্যুর আগেও নামাজ পড়েছেন।

আমি শৈশব পার করেছি একই সাথে কোরান আর বিভিন্ন প্রকার বই পড়ে। এর মধ্যে সেবা, প্রগতি প্রকাশনী, শরৎচন্দ্র, বিভুতিভুষণ যেমন ছিলো তেমন ছিলো নানার ধর্মীয় বই এর কালেকশন।

বিভিন্ন ওলি আউলিয়াদের জীবনী পড়তে পড়তে মনে হলো তাদের মতো আমাকে হতে হবে। শুধু মনে খটকা লাগতো একটাই যে ওলি আউলিয়ারা সময়ে অসময়ে কিভাবে নানান মজেজা দেখান? আমার নানাও তো উনাদের মতো নামাজ পড়েন, রোজা রাখেন, আল্লা কে ডাকেন তাহলে নানা কেন কোন মজেজা পারেন না?

একটা সময় আসলো যখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি, কোরান তেলওয়াত করি, কোরানের মানে জানার চেষ্টা করি। এভাবে ক্লাস নাইনে উঠলাম।

ছোট্ট একটা ঘটনা ঘটলো এসময়। আমি প্রবল ভাবে একটা জিনিস চাচ্ছিলাম। যানতাম বারবার ইনশাআল্লাহ পড়লে আল্লা ভবিষ্যতের ব্যাপারে নিজে জিম্মাদার হয়ে যান। অগুনিতবার ইনশাআল্লাহ জপ করলাম, আল্লা সহায়তা করলো না। বয়ঃসন্ধিক্ষণে ঘটনাটা মনে খুবই তোলপাড় তুললো। তাহলে আল্লা নিজে যেটা বলেছেন সেটা তাহলে সব সময় কাজ করেনা। তবুও মনকে সান্তনা দিলাম এই বলে যে আমার পড়ায় মনে হয় কোন গলদ ছিলো। ছোট্ট ঘটনা তবে মনে দাগ কেটে আছে।

কোরান হাদীস পড়া বাড়িয়ে দিলাম। জানার আশায়। সাথে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বই পড়া তো আছেই। দেখলাম বিজ্ঞানের অনেক কিছুই কোরান হাদীসে যেভাবে বর্ণিত আছে তার সাথে ঠিক মেলে না। খটকা। নানার কাছে নেয়ামুল কোরান নামের একটা বই ছিলো, বাসায় ছিলো মকসুদুল মো্মেনীন। মকসুদুল মো্মেনীন পড়তাম আব্বু আম্মুকে লুকিয়ে। আমার যৌন বিষয়ক সুরসুরি জাগানিয়া প্রথম বই। নেয়ামুল কোরান, তাতে কোরানের বিভিন্ন আয়াত দিয়ে তার ফজীলত বর্ণনা করা ছিলো। সেগুলো বাস্তব জীবনে ব্যবহার করা শুরু করলাম। কলেজে উঠেছি তখন। নেয়ামুল কোরানের কোন আয়াতেরই ফজীলত পাইনা। নামাজ পড়া চলছে পুরোদমে। কিন্তু মন উঠে গেছে অনেক খানিই।

কিছু সাধারন ধর্ম সম্বন্ধীয় প্রশ্ন মাথায় আসে। উত্তর পাইনা। আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে গেলাম একটা প্রশ্ন নিয়ে। যিনি আবার আমাদের স্কুলের ধর্ম স্যার।

খুবই সাধারণ প্রশ্ন;

আল্লার হুকুম ছাড়া যদি গাছের একটা পতাও না নড়ে, তাহলে আমার পাপের জন্য কে দায়ী হবে? আমি না আল্লা?

স্যার উত্তর দিলেন- আল্লা তোকে জ্ঞান বুদ্ধি দিয়েছেন ভালো মন্দ আলাদা করে চলার জন্য। অতএব তোর পাপের জন্য তুইই দায়ী থাকবি।

আমি বললাম- তাহলে স্যার, আল্লা যদি এটুকু থেকেই তার সবচে প্রিয় সৃষ্টিকে রক্ষা করতে না পারে তাহলে কিভাবে সে সর্ব শক্তিমান?

স্যার আমাকে মারতেই বাকী রেখেছিলেন।

দেখলাম ধর্মের সো কল্ড সু-শীতল ছায়া, রোদের ভিতর চোখে ঠুলি পরিয়ে একজনকে দাঁড়া করিয়ে রাখা ছাড়া আর কিছুই না। যাতে সে ভাবতে বাধ্য হয় "চারদিকে যেহেতু আঁধার আঁধার লাগছে তাহলে নিশ্চয়ই ছায়ার ভিতরে আছি। রোদের উত্তাপ? সেটা আসলে আল্লা আমার পরীক্ষা নেবার চেষ্টা করছেন, আমার বিশ্বাস কতটা পোক্ত সেটা দেখার জন্য।"

ওহো বলতে ভুলে গিয়েছিলাম গীতা, বাইবেল, মহাভারত, রামায়ন স্কুল জীবনেই পড়েছি ঐ ধর্মগুলো কতটা ভুল আর ইসলাম কতটা সঠিক তা প্রমানের জন্য।

আরো বেশি বেশি পড়া শুরু করলাম, যুক্তি প্রয়োগ শুরু করলাম, কার্যকারণ দেখা শুরু করলাম। দেখলাম তখনকার সময়ের হিসাবে বিচার করলে ধর্মগুলো যথেষ্ট আধুনিক ছিলো। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, এখন আর ঐসব উদ্ভট অলৌকিক কাহিনীতে পরিপুর্ণ ধর্ম গুলোর কোনো প্রয়োজনই নেই।

ধর্ম, সৃষ্টিকর্তা/আল্লা/ভগবান/গড/ঈশ্বর/সুপ্রীম বিইং, স্বর্গ/বেহেশত, জাহান্নাম/নরক, পরকাল/পরজন্ম আসলে মানব মনের উইশফুল থিংকিং ছাড়া আর কিছুই না।

ধর্মের সু-শীতল ছায়ার ঠুলি খুলে ফেলে শুরু হলো যুক্তির গনগনে রোদেলা পথে আমার পথচলা...

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

কাঁকন's picture


হুমম; একটা বই না করার কথা ছিলো; ঐটার কতদূর

রায়েহাত শুভ's picture


কাজ কম চলতেসে Laughing out loud

নুশেরা's picture


ছোটবেলায় আরবী পড়ার সময় হুজুরের হাতে বিদ্যাপাতা-ডালের বাড়ি খাইছি পড়ার জন্য যতোটা না, তার চেয়ে বেশী প্রশ্ন করার জন্য। আল্লাহ্ হিন্দু না মুসলমান, পুরুষ না মহিলা এইসব শিশুতোষ প্রশ্নে শিশু নির্যাতনের মাধ্যমে হুজুর উনার বিশ্বাসের মর্যাদা রাখছিলেন। আসলে বিশ্বাসের শর্তটাই হলো নিষ্প্রশ্নতা, অন্ধত্ব। যিনি বিশ্বাসী, তিনি প্রশ্ন করেন বিশ্বাসকে পোক্ত করার জন্য। যিনি যুক্তি খুঁজতে চান, তার বিশ্বাস আগে যদি থেকেও থাকে, নড়ে যায়।

রায়েহাত শুভ's picture


আসলে বিশ্বাসের শর্তটাই হলো নিষ্প্রশ্নতা, অন্ধত্ব।
আপনার এই অবজারভেশনের সাথে পুরোপুরি একমত...

ভাস্কর's picture


ধর্ম আর দর্শনের একটা পার্থক্য পড়াইছিলো আমাগো স্নাতক ক্লাসের শুরুতেই...ধর্মের শুরু হয় বিশ্বাসে আর দর্শনের শুরু হয় চিন্তায়...ঐটাই মাথায় রাখি সবসময়...

রায়েহাত শুভ's picture


এইটাই বস...
আমার না পৈরাও মনে হইসে জিনিসটা আসলে এরমই হউনের কথা...

তানবীরা's picture


আমি ক্লাশটুতে স্যাররে জিজ্ঞেস করছিলাম, দুনিয়াতে কিছুই ছিল না, সব আল্লাহ বানিয়েছে, তাহলে আল্লাহকে কে বানিয়েছে? স্যার বলল, এসব ভাবলে কবীরা গুনাহ হবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কবীরা গুনাহ কি? স্যার বলেন, মুসলমানের মেয়ে এটা জানো না!!! সেই থেকে আমি খারিজ ঃ)

প্রিয়তে আমার প্রথম পোষ্ট।

রায়েহাত শুভ's picture


এক্কেরে খারিজ কইরা দিল? Wink

ধইন্যা...

টুটুল's picture


ঈমান মানেই হচ্ছে বিশ্বাস। আমি বিশ্বাসে আস্থা রাখি... বিশ্বাসের যায়গা নিয়ে যুক্তি করি না। দুনিয়াতে যুক্তি করার অনেক টপিকস আছে। নাস্তিকতাও একটা অবস্থান। অনেক নাস্তিককে আমি দেখেছি শুধু ধর্মের ক্ষেত্রে যুক্তি করতে। আর কোথাও না। এই যায়গাটা আমার কাছে সুবিধাবাদি আচরণ মনে হইছে। যাউকগা

"ধর্ম, সৃষ্টিকর্তা/আল্লা/ভগবান/গড/ঈশ্বর/সুপ্রীম বিইং, স্বর্গ/বেহেশত, জাহান্নাম/নরক, পরকাল/পরজন্ম আসলে মানব মনের উইশফুল থিংকিং ছাড়া আর কিছুই না।"

আশা করছি এটা একান্তই তোমার মত Smile ...

"ধর্মের সু-শীতল ছায়ার ঠুলি খুলে ফেলে শুরু হলো যুক্তির গনগনে রোদেলা পথে আমার পথচলা..."

অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো ...

১০

হাসান রায়হান's picture


আপনার বিশ্বাস জন্মায় কীভাবে?

১১

টুটুল's picture


ধর্মে যেভাবে বলা হইছে... যা বলা হইছে... তাতেই

১২

হাসান রায়হান's picture


ধর্মে তো অনেক কিছু বলা আছে। যেমন কোরান, হাদীস এমন অনেক কিছুতে ধর্মের কথা বলা আছে। আপনে কোন কোন গুলিরে ধর্মের কথা বলা বলে মনে করেন, নাকি সবগুলিকেই?

১৩

টুটুল's picture


ইসলামে কুর-আন একজন মুসলমানের জীবন দর্শন... হাদিস তার পথ প্রদর্শক। আমি কুর-আন এর দিক নির্দেশনা মানি। হাদিসের ব্যখ্যা গ্রহণ করি। হয়তো আমি ১০০% মেনে চলতে পারি না .. এটাকে আমার সীমাবদ্ধতাও মানি। আমি এখানে যুক্তি করি না।

আমি আগেই বলেছি... ধর্ম আমার যৌক্তিক অবস্থান নয় ... আমার বিশ্বাস।

এখন আপনি / আপনারা যে যেভানে নেন ... আপনাদের ব্যাপার Smile

১৪

রায়েহাত শুভ's picture


এটাই হৈল গিয়া আসল কথা | ধর্ম কোনদিন আসলে যৌক্তিক অবস্থান হইতে পারে না | ধর্মটা আসলে পুরাটাই বিশ্বাসের ব্যাপার... অকপট স্বীকারোক্তির জন্য ধইন্যা...

১৫

হাসান রায়হান's picture


আমি জানতে চাইতেছি সব হাদীসের লেখাকেই আপনে ধর্মের কথা বইলা মানেন কী না ,‌ যেগুলিরে আপনে নির্বিচারে বিশ্বাস করেন?

১৬

টুটুল's picture


সহি হাদিস গুলারে মানি Smile

১৭

হাসান রায়হান's picture


তারমানে নির্বিচারে হাদিস মানেননা। বিচার করেন। কীসের ভিত্তিতে বিচার করেন? যুক্তি দিয়া। নিজের বুঝ দিয়া তাইনা? Wink

১৮

রায়েহাত শুভ's picture


টুটুল ভাই, উপরে নুশেরান্তি একটা কথা কৈসে | ব্যাপারটা আসলেই ঐরকম | বিশ্বাসের মুলসর্তই হৈল নিশ্প্রশ্নতা, অন্ধত্ব |
কিন্তু এই বিশ্বাসকেই জখন কেউ কেউ জাস্টিফাই করার জন্য হাস্যকর কিছু বলে বা করে তখন ভালো লাগে না...

আর সুবিধাবাদিতা সব অবস্থানের লোকেদের ভিতরেই দেখা যায়, আপনি একা শুধু নাস্তিকদের দোষ দিলে তো হবে না Laughing out loud

১৯

টুটুল's picture


"বিশ্বাসের মুলসর্তই হৈল নিশ্প্রশ্নতা, অন্ধত্ব"
আমিও তো আমার বিশ্বাস নিয়ে সেইটাই বলছি... এখানে আমি প্রশ্নহীন।

জাস্টিফাই করার কথা কৈলা ... বৃত্ত "সো-কল্ড" কথাটা কি নিগেটিভ? নাকি পজেটিভ?

অবশ্যই সব অবস্থানের লোকদের ভেতরে সুবিধাবাদিতা আছে... এটা অস্বীকার করি না। আর আমিতো সকল নাস্তিকদের দোষ বলি নাই.. কিছু। এটা নিশ্চই মানবা?

২০

রায়েহাত শুভ's picture


সো-কল্ড শব্দটা আসলে দৈত্ব অর্থ বহন করে | কারণ আপনি আপনার বিশ্বাসের চোখ দিয়া দেখবেন ধর্মের সুশীতল ছায়া, আমি আমার প্রশ্নের চোখ দিয়া দেখব অন্যরকম...
লাইক দ্যাট...
তাই এই শব্দটাকে নেগেটিভ বা পজেটিভ এভাবে দেখি নাই কখনো...

২১

নুশেরা's picture


বিশ্বাসের ব্যাপারে খোঁড়া যুক্তি উপস্থাপনের চেষ্টা অনেকক্ষেত্রেই বিরক্তিকর।
আবার কেউ যদি তার বিশ্বাস নিয়ে মানসিক স্বস্তি-শান্তিতে থাকে, মোর ইম্পরট্যান্টলি অন্য কারো উপর সেই বিশ্বাস চাপিয়ে দেয়ার অবস্থান না নেয়, তখন তাকে উপহাস/আক্রমণ করার প্রবণতা ভালো লাগে না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে অনেক লেখাপড়া করা নাস্তিকদের কেউ কেউ এই কাজটা করেন (আপনের কথা কই নাই Smile )

২২

মাহবুব সুমন's picture


পড়ে আরাম পাইলাম।
গনগনে রোদেলা পথে হাঁটার সময় মাথায় ছাতা দিয়েন। মাথা ঠান্ডা থাকবে, সো কোলড যুক্তির ক্ষেত্রে মাথা আরো কাজ করবে। শুভকামনা।

২৩

রায়েহাত শুভ's picture


এই দেখেন আপনি কিন্তু রেগে গেছেন বলে মনে হইতেসে... Smile
আমার ভুলও হইতে পারে... ভেজাল হৈল কি, আমি ঝুম বৃষ্টির ভিতরেও ছাতা ব্যবহার করি না Smile রোদে তো আরো না Smile

২৪

মুকুল's picture


 

২৫

রায়েহাত শুভ's picture


বেগুনি হইয়া হাস্তেয়াছেন কেন? Wink

২৬

রোহান's picture


ছুডুবেলাত পরথম দিনে এক হুজুরে আইছে পড়াইতে, হাতে ইয়া বড় বেত আর আইসাই আমারে ভিতরে পাঠাইছে নাস্তার খবর নিতে... হের পরে কি একখান সিলি কারণে কান ধইরা সেইরাম টান দিলো... যেইখানে অহনতর আব্বা আম্মার হাতে সেইরাম কুনু মাইর খাইনাই, হেই আমারে হুজুরে বেতের ভয় দেখায়... পরদিন থিকা হুজুরে ডিসমিস...

হুজুরের পরথম দিনের এই গল্পটা অনেকের সাথেই মিলে যায় -- এটা পরে দেখলাম। মুকসুদুল মুমেনিন বাংলাদেশের অধিকাংশ পোলাপাইনের লাইফের পরথম যৌন সুরসুঁড়ি জাগানো বই... এইডাও বেবাকতের কমন... আর ইসকুলগুলার ধর্মের শিক্ষক গুলান আমার জানামতে ম্যাক্সিমাম পোলাপাইনের লিগা আতংক আছিলো... এডাও কমন....  

যাই হোক টুটুল ভাইয়ের মতো আমারও ভাবনা... বিশ্বাসরে সবসময় লজিক দিয়া পেঁচায়া লাভ নাই.... যেইটা আমার বিশ্বাস, সেইটা নিয়া তর্কে যাইনা.... সবার বিশ্বাসকেই সম্মান জানাই, যার যার অবস্থান থেকে সবার বিশ্বাসেরই লজিকগুলো হয়তো ঠিক আছে....

২৭

রায়েহাত শুভ's picture


আমার বেলায় হুজুরের গল্প একটু আলাদা | আমি জার কাছে পরতাম সে খুবই ভালো একটা ছেলে ছিল...

ভেজাল তখনই হয় যখন বেকায়দা লজিকের তেনা বিশ্বাসের সাথে গুলায়া ফেলা হয় Sad

২৮

আহমেদ রাকিব's picture


কিছু কওয়ার নাই। এইসব নিয়া মাথা ঘামাই না। আল্লাহ আছে ধইরা নিয়া জীবন কাটাই। থাকলে থাকলো, আমিও বাইচা গেলাম একটু হইলেও, গুনা কম করি না কিন্ত তার অস্তিত্ব অস্বীকারওতো করি নাই। নামায সব সময় ধইরা রাখতে না পারলেও পড়ার চেষ্টা করি। পেট পুইরা খাইয়া কই আলহামদুলিল্লাহ, সুন্দর মাইয়া দেইখা কই সুবহানাল্লাহ, দু:সংবাদ শুইনা কই ইনালিল্লাহ। এই আর কি। আর যদি না থাকে তাইলে নাই। জীবন যাপনে কুনু সমস্যা হইতেছে না।

২৯

রোহান's picture


সুন্দর মাইয়া দেইখা কই সুবহানাল্লাহ --- রাকু মিয়া সুন্দরীগো দিকে সেকেন্ড টাইম চাইছো তো মরছো... যতই সুবহানআল্লাহ কও না ক্যান, হেই গুনা কাটবো না Laughing

৩০

রায়েহাত শুভ's picture


আম্মো এই কথা কইতে গেসলাম Wink

৩১

আহমেদ রাকিব's picture


দুইবার তাকাই না কইলাম। আমি পুলা ভালা। Smile

৩২

শওকত মাসুম's picture


``আমি শৈশব পার করেছি একই সাথে কোরান আর বিভিন্ন প্রকার বই পড়ে। এর মধ্যে
সেবা, প্রগতি প্রকাশনী, শরৎচন্দ্র, বিভুতিভুষণ যেমন ছিলো তেমন ছিলো নানার
ধর্মীয় বই এর কালেকশন।''

 

আমিও  তাই

৩৩

রায়েহাত শুভ's picture


আপনার ধর্মীয় বিশ্বাসের কি কোনো পরিবর্তন হয়েছিল? মানে আসলে বলতে চাচ্ছি যে এটা কি আপনাকে ভাবনার খোরাক হিসেবে কাজ করেছিল কিনা??

৩৪

শাওন৩৫০৪'s picture


.....উরে শয়তান!!!!!

 

এখন  তোমার লগে মেলামেশা করা কি ঠিক হবো? আমি তো আস্তিক, আর হুযুরে নাস্তিক দের সাথে মিলামিশা করতে না করছে...Cool

 

এখন, আজকার চা-সিগ্রেটের প্রোগ্রাম কি ঠিকাছে?

৩৫

মলিকিউল's picture


জ্ঞানীরা বলিয়াছেন,

বিশ্বাসে  মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদুর......।

আর তর্কের জন্য বহুত বিষয় আছে, ধর্মবিশ্বাসরে দিলাম বেনিফিট অব ডাউট...

 

 

৩৬

হাসান রায়হান's picture


ঝামেলা কম। আরামে থাকা যায়। Smile

৩৭

মলিকিউল's picture


সেইটাই। দুইন্যায় তক্কের ঝামেলা কইরা লাইফটারে মোরব্বা বানামু, আর মরার পর যদি বেহেশ্তো মিছ হয় তাইলে একুল ঐকুল দুইকুলই গেলো। তাই এখানেও শান্তি, ক্রেডিট ভালো জম্লে পরকালেও শান্তি।

৩৮

নুরুজ্জামান মানিক's picture


এদেশে বামান্দোলনের পুরোধা হাজী দানেশের বাসায় মেনন , হারুনুর রশিদ আড্ডা দিচ্ছিলেন , এর মধ্যে আজান শুনে দানেশ সাহেব নামাজে যান । তিনি আসার পর সবাই তাকে ধরেন , আচ্ছা আপনি তো সাচ্চা কম্যুনিস্ট তাইলে নামাজ পড়লেন কেন ? তিনি বললেন তোমাদের কথা আমি বুঝেছি তবে নামাজ পড়লাম যদি আল্লাহ থাকে তখন কি হবে ?

হুমায়ুন আজাদ স্যারের সাথে এক আড্ডায় তিনি আমাকে বলেন , তিনি একটি সমাধান পেয়েছেন আর তা' হল-আল্লাহ নেই ।

৩৯

সাঈদ's picture


ধর্মের কাহিনী আছে অনেক , পালন নিয়ে মতভেদ আছে কিন্তু সব ধর্মের মূল কথা কিন্তু মানব ধর্ম পালন। কোন ধর্ম কিন্তু আপনাকে খারাপ কাজ করতে বলে নাই।

 

নামাজ  রোজা কিংবা পূজা - এইগুলা ধর্মীয় অনুষ্ঠান, ধর্ম পালন না কিন্তু আমরা এইগুলা কৈরাই মনে করি ধর্ম পালন করে ফেললাম।

 

আর ধর্মের মূল বিষয় হল বিশ্বাস। বিশ্বাস নিয়ে তর্ক চলে না।

৪০

হাসান রায়হান's picture


তর্ক না করলে জিনিস আগাইবো কেমনে? ধরো নবী মোহাম্মদ বাপ দাদার বিশ্বাস লইয়া বইসা থাকতেন। তাইলে কি ইসলাম ধর্মের জন্ম হইত?

৪১

ভাস্কর's picture


বেশীরভাগ মানুষই আজকাল ঘরপোড়া গরুর মতোন আচরণ করে। সিঁদুইরা মেঘ দেখলো তো দিলো লৌড়। তর্ক সম্পর্কীত সামাজিক মানুষের অ্যাপ্রোচটা আজকাল এমনই হইছে। তর্ক মানেই খারাপ আর অশান্তি। এর কারণটা আসলে আমি বুঝি না...এইটা কি ইগো'র ঝামেলা!? মানে তর্ক করা মানে নিজে ঠিক না এই টাইপ কোন উপলব্ধি তৈরী হয়? নাকি তর্ক করা মানে বাতুলতা আসলে আমিই সঠিক...?

তর্ক বিষয়ে আসলে আমাগো অভিজ্ঞতা খারাপ এই কারণেও তর্কে যাইতে চাই না আমরা। এইটা আসলে কিন্তু ভিন্ন সমস্যা। কারো তর্কের অ্যাপ্রোচ আমাগো হয়তো ভালো লাগে না, আমরা এইরম পরিস্থিতিতে অ্যাপ্রোচের সমস্যার কথা না কইয়া তর্কের দোষ দিতে নামি। অ্যাপ্রোচের দোষ দেওনটা অবশ্য একটু রিস্কি...কারণ ঐখানে খুব সুনির্দিষ্ট না হইলে ঐটা ব্যক্তিগত আক্রমণের কাতারে পইড়া যাওনের সম্ভাবনা থাকে। একবার এই সমস্যায় পড়ছিলাম আমি কোন এক পাড়ায়। আমি যা'ই কই তারেই আমার বিরুদ্ধ পক্ষ কয় ব্যক্তিগত আক্রমণ...মূল তর্কের ধারে কাছেও থাকে না তারা...এইটা সুশীলিয় স্টাইল...তর্করে অপ্রাসঙ্গিক কইরা প্রতিপক্ষরে নার্ভাস করনের চেষ্টা। কিন্তু আমি ভাই তর্কের ক্ষেত্রে নাছোড়বান্দা টাইপ মানুষ...

যাউগ্গা...তর্কের বিরোধীতার নামে আমরা আসলে কীসের বিরোধীতা করি কে জানে। বিজ্ঞান? পৃথিবীর কোন কিছু তর্ক ছাড়া পাল্টাইছে কখনো? এই বাঙালিরা যেই টাইপ ইসলাম মানে তার শুরু হইছিলো তর্ক দিয়া খলিফার দরবার থেইকা আশারীয় মতাদর্শিক পন্থীরা বাইর হইয়া গেছিলো তর্ক করতে গিয়া...আল কিন্দি কিম্বা ফারাবীরেও বহুত কথা শুনতে হইছে তাগো সময়ে...

আমি আবারো কই আমি তর্কের পক্ষের লোক, তয় অপ্রাসঙ্গিকতার না...

৪২

নরাধম's picture


 

 

আমার  রুমমেইট কম্পিউটার সয়েন্সে পিএইচডি করতেছে, বুয়েটের খুবই মেধাবী ছাত্র, এসএসসিতে ২নড আর এইচএসসিতে ৭ম হয়েছিল সারা দেশে। তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে তার কখনও এগনস্টিসিজমের ভিতর দিয়ে যেতে হয়েছে কিনা, কোনদিন তার মনে এসেছে কিনা "আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে", সে বলল কোনদিন মনে আসেনি এসব!!

 

আমি  তাজ্জব হয়ে গেছিলাম! 

৪৩

অদ্রোহ's picture


বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর -

এই কথাটাকে অনেকে  চরম রিডিক্যুল মনে করেন ,আবার অনেকে এটাকে বেদবাক্য বলে মানেন ,তবে আমার কাছে কথাটার পুরোটাই প্রহেলিকাময় ।

আমার মনে হয় ,যে যেই বিশ্বাস (বা অবিশ্বাস ) নিয়ে থাকুননা কেন ,নিজের জানালাটা সবসময় উন্মুক্ত রাখাটাই সবচে জরুরী ।একই সাথে ভিন্নমতের সাথে আপোসহীন হয়ে থাকাটাও কোন কাজের কথা নয় ।

৪৪

মুক্ত বয়ান's picture


ধর্মের ক্ষেত্রে আমার মতামত হইল, এইটা একটা বিশ্বাসের স্থান। আমার বিশ্বাস আমার কাছে, তাই আমি ধর্ম পালন করি, আমি ধর্মের মাঝে আমার প্রশ্নের উত্তর পাইনা, তাই আমি ধর্ম পালন করি না।
এইটা নিয়ে তর্ক চলতে পারে। কিন্তু, কুযুক্তি গ্রহণযোগ্য না। আবার যদি তর্কের কোন পর্যায়ে নিজের অবস্থান টলে যায়, তাইলেও ধর্মের ক্ষেত্রে "বিচার মানি, কিন্তু তালগাছটা আমার" অবস্থান গ্রহণের ব্যাপারে ব্যাঙ্গ করি না।

৪৫

বাফড়া's picture


আমি রিয়েল লাইফের যেইরকম এই ক্ষেত্রেও সেইরকম কইরা সুশীতল ছায়াতলে বইসা বাইরের গনগনে রোদ উপভোগ করি.. Smile... সাথে হাতে থাকে এক গ্লাস ডাবের পানি Smile

৪৬

রায়েহাত শুভ's picture


ডাবের পানি? আমি ভাবতেছিলাম শরাবন তহুরা Tongue

৪৭

বাফড়া's picture


সব কথা কুইলা বলা নিষেধ আছে Wink.. চাল্লুরা বুইঝা নিব নিজেদের গরজে Wink

৪৮

রায়েহাত শুভ's picture


আসলে আমি এরকমটাই চাই... আলোচনা তর্ক-বিতর্ক যাই হোক, সেটা অন্তত জারি থাকুক... অপ্রাসঙ্গিক দিকে না গেলেই হইলো...

৪৯

বাফড়া's picture


তর্কে বিতর্কে ফায়দা নাইরে আংকুল.. সব আলোচনা শেষে ''সব বাতি নিভে গেলে, সব পাখি ঘরে ফিরলে পান্ডুলিপি করে আয়োজন'' সবাই তালগাছটা নিজেরই দাবি করে... Smile... আলোচনা শেষে কেউ নিজের মতামত/বিশ্বাস বদলাইছে বইলা দেখিনাই Smile.। খেক খেক খেক...

৫০

নরাধম's picture


 

 

পড়েছিলাম  অনেক আগে সামুতে। মনে হয় সামুতে একবার কে কেন নাস্টিক হইছে এরকম পোস্ট ছিল, সেখানে অনেকেই পোস্ট দিছিল, এটাও তখনই দেওয়া।

 

পোস্টগুলাতে যে কার‌্যকারন বর্ণনা করা হয়েছে আমি এরকম ফেইজ (এগনস্টিক ফেইজ) সেই কলেজে টিন-এইজে ফেলে এসেছি এবং যেসব প্রশ্ন করা হয়েছে এসব পোস্টে সেগুলার উত্তর হুজুরদের কাছ থেকে না পেয়ে নিজে এগনস্টিক হয়ে যাওয়ার পর নিজে নিজেই এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করেছি এবং খুব যৌক্তিক উত্তরই বের করেছি।

 

আমি গোঁড়া আস্তিক মুসলিম, বলা যায় মোল্লাটাইপ। এবং আমার ধর্মে বিশ্বাস অন্ধবিশ্বাস না, সম্পূর্ণ‌  ভাবে যুক্তির উপর দাড়ানো। আমার পোস্ট যদি কে্য ফলো করেন দেখবেন আমি খুবই যৌক্তিক মানুষ, ম্যাথেমেটিকস অরিয়েন্টেড। যুক্তির সিঁড়ির মাধ্যমে  আমি যতক্ষণ কোন একটা বিশ্বাসকে জাস্টিফাই করতে না পারি, ততক্ষণ আমি কোন ধর্মীয় বিশ্বাসকেই নিইনা। সেটা আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে সেখানে যেমন সত্যি তেমনি এপস্টেইটকে কেন ইসলামে একসময় হত্যা করা হত সেসবও আছে। এবং আমি মনে করি আমার বিশ্বাস যেকোন নাস্তিকের তুলনায় অনেক বেশি যৌক্তিক। 

নাস্তিকরা যখন বলে "যুক্তির" মাধ্যমে তারা নাস্তিক হয়েছে, সেটা আমার কাছে তেমন উপাদেয় মনে হয়না। নাস্তিকতা সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাস, কোনমতেই যুক্তি দ্বারা জাস্টিফাই করা যায়না। তারা সাধারণত যেভাবে জাস্টিফাই করে সেটা হচ্ছে আস্তিকদের বিশ্বাস কেন অযৌক্তিক সেটা প্রমাণ করতে চায়। অথচ আস্তিকদের বিশ্বাস কেন অযৌক্তিক সেটা প্রমাণ করলে "নাস্তিকদের বিশ্বাস কেন যৌক্তিক" সেটা প্রমাণ হয়না। যুক্তিবিদ্যা এবং গণিতে একটা ধারণা আছে সেটা হচ্ছে "কেবল মাত্র (ইফ এনড অনলি ইফ)", এই ধারণাটা নাস্তিকদেরকে প্রয়োগ করতে একদমই দেখিনা। অথচ এই "কেবল মাত্র" ধারণাটা না আনলে কোনমতেই যুক্তি সম্পূর্ণ না। বেশিরভাগ (৯৯%??) আস্তিকদের ও অন্ধবিশ্বাস তাতে সন্দেহ নেই। তবে নাস্তিকদের বিশ্বাস আস্তিকদের তুলনায় অনেক বেশি অযৌক্তিক, এটাই আমার ধারণা।

 

আমি  আবার জোর গলায় বলছি, আমি গোঁড়া আস্তিক হলেও আমার প্রত্যেকটা বিশ্বাস আমি ইনফালিবল যুক্তি দিয়ে সাপোর্ট করতে সক্ষম। সেটা আরজ আলীর "ঈশ্বর সময় সৃষ্টি করেছেন কোন সময়ে, স্থানে সৃষ্টি করেছেন কোন স্থানে, বা শেষ যারা কবরে যাবে তারা কম সময় কবরের আযাব ভোগ করবে কিনা, আল্লাহ সর্বশক্তিমান হলে ইসরাফীল (আঃ)কে শিংগা দিয়ে বসিয়ে রাখার দরকার আছে কিনা, আর গাছের কোন পাতাই যদি ঈশ্বরের নির্দেশ ছাড়া না নড়ে, তাহলে আমার পাপের জন্য আমি দায়ী থাকব কিনা" বা কোরানে ঈশ্বরকে এত বেশি তেল দিতে হয় কেন সেরকম প্রশ্নের জন্য যেমন সত্যি তেমনি ডকিনস বা হিচেনসের সাম্প্রতিক কালের রেইজ করা প্রশ্নের জন্যেও সত্যি। 

 যাই  হোক, আমার কমেন্টটা একটু এরোগ্যান্ট হয়ে গেছে, ক্ষমা করবেন। ভাল থাকুন, নাস্তিক হওয়া আস্তিক হওয়া ব্যাপারনা, ভাল মানুষ হওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ। সেটা‌ যদি কেউ আপনার মতে "তথাকথিত ধর্মের সুশীতল বাতাসে থেকে হয়" অথবা কেউ আপনাদের মত "মুক্তমনা, স্বাধীন" হয়, তাতে যায় আসেনা। শুধুমাত্র উগ্র না হয়ে সহাবস্থানে বিশ্বাস করাটাই গুরুত্বপূর্ণ,‌ যেটা সামুর নাস্তিকদের মধ্যে খুব কমই দেখেছি। সেখানে "আরিফুর রহমান" নামে মৌলবাদী নাস্তিকের ছাগলামিও অন্য নাস্তিকরা সমর্থন করে‌ যায়।

 

 

 

৫১

নরাধম's picture


@অচিনদা, টুটুলদাকে হাদিসে বিশ্বাস করে কিনা প্রশ্ন করেছেন, আমাকে না করলেও মনে হয় উত্তর দেওয়াতে সমস্যা নাই।

 

আমি  হাদিসে বিশ্বাস করি, এবং হাদিস যে ইসলামের অবিচ্ছেদ্য পার্ট সেটাও মনে করি। তবে সহীহ হাদিস গুলোর মধ্যে ১০০% সহী হাদিস আছে বলে মনে করিনা। বিশেষ করে‌ যেসব হিসটরিকাল্ সিগনিফিকেন্স অলা হাদিস আছে সেসবের মধ্যে ঘাপলা আছে বলে মনে করি। তাছাড়া ইজতেহাদ বন্ধ হয়ে যাওয়াতে হাদিস সমূহের ক্রিটিক করাটাও বন্ধ হয়ে গেছিল, সেজন্যও সমস্যা আছে বলে মনে করি।

৫২

নরাধম's picture


 

 

@বাফড়া, তোমার সাথে একমত। তর্ক করে কেউ অবস্থান বদলায় বলে মনে হয়না, শেষ পর‌্যন্ত কাঁদা ছুড়াছুড়িই হয় দেখা যায়। তালগাছ কেউ কাউকে দেয়না।

৫৩

নরাধম's picture


 

 

কোরাণের  কোন কথাটা বিজ্ঞানের সাথে মিলেনা সেটাও একটু বলবেন? আমি নিজে সেরকম কিছুই পাইনি। আমাকে কয়েকটা আয়াত দেন (আমার মুহাম্মদ আসাদ ভাল লাগে) আর তার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞানের কোন ফাইন্ডিংসের সাথে কন্ট্রাডিকটরি সেটা বলেন। হাদিসের কথা বলছিনা, কোরাণের কথা বলছি। আর নেট থেকে কপি-পেস্ট করে দিয়েননা, সেসব আমি পড়েছি, সবই ম্যানিপুলেশান করা। আপনার নিজের নাস্তিক হওয়ার সময় যেসব আয়াত বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক মনে হয়েছে সেগুলোই বলবেন। 

 

ধন্যবাদ।  

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

রায়েহাত শুভ's picture

নিজের সম্পর্কে

©
সকল লেখালেখি ও হাবিজাবির সর্বসত্ব সংরক্ষিত...