ইউজার লগইন

নিশ্চুপ প্রকৃতি'এর ব্লগ

ক্ষুদ্র কোনো চরিত্র

কখনো কখনো মৃদু হাওয়া ছুয়ে যায় আমাকে, আমি অনুভব করি শীতল পরশ প্রতিটি শিহরণে। পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর কিছুর রেন্কিং করলে এটা প্রথমেই থাকবে। আকাশটা মেঘলা, চারিদিকে তেমন গরম পড়েনি, রাস্তাটাও ফাকা। বোধ হয় এই নগর ঘুমিয়ে দেখছে অদ্ভুৎ এক
স্বপ্ন, আমি সেই স্বপ্নের ক্ষুদ্র কোনো চরিত্র!

কখনও কখনও একা এই আমি,
বড়ও অসহায় মনে হয় নিজেকে
চারিদিকে তাকিয়ে দেখি কত মানুষ আমার চারিধারে
তবু আজ কেন জানি বড়ও নিঃস্ব আমি
আমার বেদনা গুলো বলার মতো
কাউকেই খুজে পাইনা আমার পাশে,
বড় রাস্তার ফাঁকে ছোট্ট একটা অন্ধকার গলির মাঝে
মুখ থুবড়ে পরে থাকা সেই , একাকী কিশোর
যার মাঝে শত বেদনা লুইয়ে আছে
কিন্তু বলার মতো কেউ নাই,
হঠাৎ পাশে একটি ছায়া দেখে চমকে উঠে
এক জন এসেছে তাঁর সকল বেদনা
ভাগ করার জন্য !!!
সস্থির নিঃশ্বাসে নিজের কিছু অসহ্য বেদনার
সাথী করে নেয় সেই ছায়াটিকে

ভূত

কাল রাত ৮ টার দিকে আমার একটা বন্ধু ফোন দিয়ে বলছে আমার আরেকটা বন্ধুর সাথে ভুত সাক্ষাৎ করেছে Wink । ছোটবেলা থেকেই ভূতের উপর একটু দুর্বলতা মানে ভয় ছিল আর কি Puzzled Puzzled । তাই ফ্রেন্ডরা চান্স পেলেই আমাকে ভূতের গল্প শোনায়ে । আমি বিশেষ করে রাতের বেলায়ে এইসব গল্প শুনতে পারি না এর উপর যদি এইরকম গল্প হয়ে , সেই রাতে তো ঘুমই গায়েব Puzzled Sad( Puzzled । তাই কাল রাতে গুমাতে গুমাতে ৪ টা বেজেছে ( মানে ফজরের আযান দেবার পর ) । এক্ষেত্রে আমার একটা বিশ্বাস হল আযান দেওয়ার পর কোনও কিছুর ভয়ে থাকে না । Smile

নারীর ভালোবাসার জীবন

ভালবাসার যতটুকু স্বীকৃতি আছে সবটুকুই দিয়েছি তোমায়ে , মিথ্যে বুলি, নাটক , অভিনয় অথবা কারও নিকটস্থ হওয়া, অথবা বন্ধুত্বের আলাপন, সব কিছুই দিয়েছি বিসর্জন, শুধুই তোমারি জন্যে । নিজেকে করেছি গঠন তোমারি করে , যতটুকু চাওয়ার ছিল বা যতটুকু পাওয়ার সব করে নিয়েছি পরিপূর্ণ তোমাকে আপন করে, নিজের যত স্বপ্ন ছিল সব তোমারি মাঝে করেছি আবদ্ধ, নিজের জীবনকে চালিত করেছি তোমারি মনের মতন করে, স্বপ্নগুলো গেঁথেছি তোমারি আপন চারিধারে নতুন করে, জীবনের প্রতিটি পদধ্বনি করেছি আবদ্ধ তোমার ইচ্ছার মাঝে। হাসি , কান্না , ঠাট্টা , মান অভিমান, সকল কিছুকে সাজিয়েছি তোমারি চারিধারে, নিজের আপনকে দূরে রেখে তোমার আপনকে করেছি আপন, তোমার পরকে পর। জীবনের প্রতিটি অনুভুতিকে তোমার করে জীবনকে গুছিয়েছি নতুন করে, উচ্ছল্লতাকে করেছি বদ্ধ । মনের গুন গুন সুর গুলোকে চালিত করেছি তোমার ইচ্ছার ডালে ডালে, আমার সুখগুলোকে করতে চেয়েছি তোমার , তোমার দুঃখ

চিকেন ফ্রাই

উপকরনঃ
লবন = পরিমান মত
মুরগির মাংস = ৪ টুকরা
চিনি = ১/২ চা চামুচ
গুড়া মরিচ = ১/২ চা চামচ
আদা, রসুন বাটা = ১ চা চামচ
টক দই = ১ টেবিল চামচ
টেঁসটি সল্ট = সামান্য
তৈল = পরমান মত
তৈল ছাড়া সব উপকরন এক সাথে মাংসের সাথে মাখাতে হবে, মসল্লা মিশ্রিত মাংস ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে, চুলায়ে তেল গরম হলে মাংসের টুকরা গুলো তেলে আলত করে ছেড়ে দিতে হবে( অবশ্যই ডুবো তেলে মাংস ভাজতে হবে), প্রথম ৫ মিনিট চুলার আগুন কমিয়ে মাংসগুলো ভাজতে হবে, তারপর চুলার আগুন বাড়িয়ে মাংসের হাল্কা বাদামি রং না আসা পর্যন্ত ভাজতে হবে( এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে মাংস যাতে পুড়ে না যায়ে)...।।
চটপট তৈরি হয়ে গেল চিকেন ফ্রাই... খেয়ে জানাবেন কেমন হলও...।

জীবন হয়ে গর্ব

নীরব জোছনায়ে
তোমারও ছায়ায়ে
পথ চেয়ে বসে রই
একাকী মনে
ক্লান্ত এ লগণে
শুধু তোমারি হই

দীর্ঘ পথে
নিঃস্ব হতে
তোমাতে রাখি হাত
উদাশ সন্ধ্যায়ে
উদার নীলিমায়ে
তুমি নিয়ে আসো প্রভাত

দীর্ঘ পথ চলা
একাকী কথা বলা
উরন্ত বলাকার স্বাধীনতার উত্তরন
একটি চঞ্চলা পাখি
মেলে দুটি আখি
করে শুধু গুন গুন গুঞ্জন

তোমারও লাগি
প্রাণও হয় বিবাগী
একটি দিনের অন্বেষণ
যত ভালবাসি
যত কাছে আসি
তত হই নির্বাসন

একটি ফুল ফোটে
একটি চাঁদ উঠে
দখিন হাওয়া বহে নিরবধি
নির্জন রাত
আধ ফালি চাঁদ
গাহে তোমারও দুঃখের সমাধি

একটু খানি আশা
একটু ভালবাসা
জীবন করে স্বর্গ
এইটুকুর লাগি
পিছু ফিরে চাহি
জীবন হয়ে গর্ব...

কিছু পাগলামি

একটুকু ছোঁয়া লাগে একটুকু

... এভাবেই প্রতিনিয়ত মনে হয়ে সব ভুলে যাই। বার বার খুজে পেতে ইচ্ছে করে সেই স্মৃতি গুলকে...

দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায়ে রইল না

কেন রইল না... ভেবে ভেবে একাকার হতে হতে আবার নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করি...
অনিশ্চিত জীবন প্রবিত্তে ঘূর্ণিপাকে আমি না ঘুরলেই কি হতো না?
যাই হোক মনের যত আবল তাবোল যত বেসুরের কলরব সব যেন কাজীর জানা, তাইত মনের অজান্তেই গুন গুন রব কানে বেজে উঠে...।
রবিকি তার রশ্মি ছড়ান না?

আমি তোমারও সঙ্গে বেধছি আমারও প্রান...

কার সঙ্গে?

হা হা ... নিজের প্রশ্ন শুনে নিজেই বেকুব হয়ে যাই... একি কথা বলছি আমি। যেমনটি সুদিপ বলেছিল তিস্তাকে...

ইন্টার্ভিউ

এলোমেলো মাথা ঝাঁকড়া চুল
যদি করি একটু ভুল
টেনশন খাচ্ছে কুড়ে কুড়ে
কতো চিন্তা আসছে মাথা জুড়ে

তবু আমি উঠে দাড়াই
ভয়ের পথে পা বাড়াই
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে...

প্রথমে যেতে হবে ফিটফাট করে
দরজাটা একটু শব্দ করে
বলতে হবে ...আসতে পারি স্যার...
ব্যাস ভিতরে ধুকতে পারলেই সব খালাস...

ভাবছি যত সোজা
ভিতরে গেলে যাবে বোঝা
যখন ছুড়বে প্রশ্নের ঝাক
কোথা তখন খুজে পাব বাক.?..
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে

পারিনা তো কিচ্ছু আমি
বাংলাটা শুধু বলতে জানি
যদি বলে ইংরেজি
তখন আমি করব কি?
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে...।

যখন বলবে কাজের কথা
পারি আমি ঘোড়ার মাথা
গাধার মত তাকিয়ে থেকে
বলব আমি একটু বেকে
যা হবার তাই হবে
সময় হলে দেখা যাবে...।

মাথাটা পাতলা করে
ছুটবো এখন নিশানা ধরে
যা হবার তাই হবে...
সময় আমাকে বাঁচিয়ে দিবে...। Smile

কষ্ট

ভাবছিলাম লিখব না। কিন্তু মনটা অনেক খারাপ।লিখে যদি মনটা ভালো হয়...

কষ্ট গুলো আছড়ে পরে বুকের মাঝে রক্তনালী জুড়ে
ছিন্ন করে দিতে চায়ে হিংস্রতার খুন পিয়াসের ছুড়ে
বন্ধ করে দিতে চায়ে জীবন প্রদীপ আশা
যেন মুছে দিয়ে যায়ে জীবনের সকল ভালবাসা

অশ্রু গঙ্গায়ে সিক্ত হয়ে শান্তি পায় নি হৃদয়
আশার ভাঙন সহ্য করতে তাই আরও কিছু অশ্রুর লাগবে সঞ্চয়
রাতের আধার পরে রবে সাথে কষ্টের দিন
স্বপ্ন গুলো মরীচিকায়ে মিলিয়ে কেন হয়ে যায়ে বিলীন?

কষ্টগুলো বাঘের থাবার মতন আছড়ে কেন পড়ে?
শান্তি নামের সুখ পাখিটা কেন বেথার আঘাতে ঝরে?
কেন নেতিয়ে যায়ে জীবনের মধুর স্মৃতি গুলো
জীবন কেন হয়ে উঠে হতাশার ধুলো?

রাতের বেলার শান্ত নির,
কষ্ট গুলো করে ভিড়
আবছা অন্ধকারের রাত জাগা ছায়া
মনের মধ্যে উকি দেয় শুধু জগতের মায়া
অবলীলায়ে ভাবনা আশে কতো কিছু মনে
শুধু আশাটাকে বাঁচাতে চায়ে মনে প্রানে

অচিন্তন অনুভূতি

এক ধোঁয়াশা সকাল
এক মুঠো রোধ
জলকণার রাশি বয়ে চলেছে নদীর কুল ধরে
এরই মাঝে আছড়ে পড়ছে গাঙচিল

বিচিত্র মানুষের এই জীবন প্রকৃতির লীলাখেলা
কখনও ভেসে যায়ে আপন আনন্দে
কখনও বা কারও জোর করা কিছু পদক্ষেপ
তবুও মানুষ চলছে তার জীবনের অববাহিকায়ে

কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু স্মৃতি কালক্ষেপণ চালাচ্ছে জীবনের এই ধারাতে
নষ্ট করতে চাচ্ছে প্রশান্তির ছায়াকে
কিন্তু সে কি তা আসলেই করতে পারছে?
না মরিচিকার মত দুমড়ে মুচড়ে পড়ছে জীবনের অন্ধকার কুটরিতে?

মাঝে মাঝে সুখের অবসন্নতায়ে মানুষের একি মাখমাখি...!
তার মাঝে কি দুঃখ গুলো তাকে মলিন পরশ বুলাতে চাচ্ছে?
মানুষ কি ভুলে যাচ্ছে জীবনটাকে?
রোবটের তৈরি ইঞ্জিনকে বেছে নিচ্ছে?

না, একটি শুভ্র সকালের প্রতীক্ষায়ে তীর্থের কাকের মত নুড়ি কুরচ্ছে?
সেই সুন্দর সকাল যা মানুষকে এনেদিবে অনাবিল প্রশান্তি
একগুচ্ছ মেঘ আর কিছু শিশির যুক্ত ঘাসের মুক্ত ছড়ান আবেশ

আমার দেশ

নীল সমুদ্রের রং মেখে তাই আকাশ হল নীল
তাকিয়ে দেখ নদীর তালে নাচছে যেন বিল
তাকিয়ে দেখ মাছরাঙ্গাটা মেলছে রঙের পাখা
এসব বলে ,আমার দেশটা ছবির মতন আঁকা।

হরিন দেখ তিড়িং বিরিং লাফিয়ে লাফিয়ে চলে
ময়না যেন কণ্ঠ ছেড়ে দেশের কথা বলে
মাঝি দেখ দাড় বেয়ে গায়, ভাটিয়ালি গান
এসব যেন প্রকাশ করে দেশের জন্য টান।

রোদে পুড়ে কৃষক দেখ কাটছে সোনার ধান
নকশি কাথা গাইছে যেন দেশের জয়গান
বিলের দেখ পানকৌড়ি নাচছে মনের সুখে
দেশের নামটি ভাসছে যেন সবার মুখে মু...

বাদল দিনে আমটি কুড়ে যখন ঘরে আসা
বারান্দা পেতে মায়ের হাতের গরম খিচুরি নিয়ে বসা
সাথে থাকে টিনের চালে রিমঝিমঝিম শব্দ
ঠাণ্ডা হওয়ায়ে আমের চাটনি...আহা !! মনটা করে জব্দ।

রোজ সন্ধ্যায় আসর বসে,গাজির পালা গান
ঘরে ঘরে জাগে যেন আনুন্দেরই বান
আরও আছে সবুজ মাঠ আর শান বাধানো ঘাট
এসব নয়ত রুপকথা, নয় কোন প্রবাদ।

দেশের কথা বলব কি আর, বলব তোমায়ে কিতা

মনটা ভালো হয়ে যায়

প্রায়ই মনটা খুব খারাপ থাকত...কিন্তু বন্ধু ব্লগে আসার পর থেকে মনটা খারাপ থাকলেও বন্ধুদের অসাধারন সব লেখা পড়ে মনের অজান্তেই মনটা খুব ভালো হয়ে যায় ... আমি বন্ধু ব্লগে এসে আসলেই ধন্য.।তাই বন্ধুদের জন্য কিছু লেখার চেষ্টা করছি...

বন্ধু মোদের চির সাথী বন্ধু মনের টান
কাছে দূরে যেখানেই থাকি ,বন্ধু অনির্বাণ
বন্ধু মোদের খুশির সাথী,আনুন্দের বান
জীবন ভর থাকবে এই বন্ধুত্তের টান......

মা

মা...প্রতিটি সকালের সূর্যের হাসি
ভোরের সবুজ ঘাসে শিশিরের রাশি
মা...এক জলক মমতা আর একটু কঠোরতা
মনের মধ্যে নব পুষ্পের আবহগতা

মা...এক মধুর বানি,প্রশান্তির আবেশ
তুমি যাই বল,লাগে বড় বেশ
মা...রুক্ষ চোখে তাকিয়ে বল ,করবি না এটা বাছা
তোমার কঠোরতার মাঝেই মমতার ছায়ায় আমাদের বাঁচা

মা... জীবন তুমি চিন্তে শিখাও জীবনের মত করে
বাঁচতে তুমি শিখাও মোদের মমতার ডরে
মা... ভালবাসতে শিখাও তুমি নিষ্ঠুর জীবনটাকে
মমতা দিয়ে ঢেকে ফেলো সকল বর্বরতাকে

মা...তুমি আমার জীবনে সবচেয়ে বড় পাওয়া
তুমি না থাকলে হতনা এই জীবনটা পাওয়া
মা..তোমার কথা বলতে গিয়ে শেষ হয় না বলা
শব্দ গুলো একত্র হয়ে গাথে সুরের মালা

মা... তোমার কথা বলে আমি পারবনা করতে শেষ
তুমি মোদের জীবনে সুখের আবেশ
মা...তুমি জীবনের শুরু, জীবন তোমাতে শেষ

আশা

আশা আচ্ছাদিত এক গুচ্ছ কল্পনার রাশি
বারে বারে সেই বিন্দুতেই ফিরে আসি
কতগুলো মুহূর্তের অবণ্টিত শাখা
উরন্ত পাখির আচ্ছাদিত পাখা

ভালো আর মন্দের নাই কোন মত বিরোধ
এ যেন একাকীত্ব মনের কিছু ক্ষোভ
গুঞ্জরিত মনের অপ্রকাশিত বানী
কল্পনার অংকিত ইচ্ছের রানী

আশা সেতো কণ্ঠনালীর অপ্রকাশিত শব্দ
জীবনকে করে এক গণ্ডীর মধ্যে জব্দ
আশা যেন কুলকুল রবে বয়ে যাওয়া এক নদী
মনকে তৃপ্ত করে,বাস্তব হয় যদি

আশা যেন নিঃশেষিত ভালবাসার এক প্রবাহমান ধারা
মন ও কল্পনার মিলনের অলংকিত বারা
আশা সেতো জীবনেরই এক অংশ
আশা সেতো ভালোবাসার বংশ......।

জীবন

জীবন একটি আলংকরিক পাতা
জীবন সেতো হিসেবের খাতা
জীবন একটি সদ্য ফোটা ফুল
জীবন যেন ঘটে যাওয়া ভুল

জীবন সেতো রহসসের জাল
জীবন কতো সৃতির পাল
জীবন যেন আঁকা কোন ছবি
জীবন সেতো জীবনেরই কবি

জীবন তুমি তোমার মত চল
জীবন তুমি কার কথা বল?
জীবন তুমি একি আনুন্দ মহীয়সী
জীবন তুমি রং ধনু্র ঋষি

জীবন ...সেতো আমাদেরই গল্প
জীবন... সেতো সুখের সাথে দুঃখ অল্প
জীবন... কিছু আশার বনবাস
জীবন... সবার সাথে সবার বন্ধুত্তের আভাস......। Smile

জীবন

জীবন একটি আলংকরিক পাতা
জীবন সেতো হিসেবের খাতা
জীবন একটি সদ্য ফোটা ফুল
জীবন যেন ঘটে যাওয়া ভুল

জীবন সেতো রহসসের জাল
জীবন কতো সৃতির পাল
জীবন যেন আঁকা কোন ছবি
জীবন সেতো জীবনেরই কবি

জীবন তুমি তোমার মত চল
জীবন তুমি কার কথা বল?
জীবন তুমি একি আনুন্দ মহীয়সী
জীবন তুমি রং ধনু্র ঋষি

জীবন ...সেতো আমাদেরই গল্প
জীবন... সেতো সুখের সাথে দুঃখ অল্প
জীবন... কিছু আশার বনবাস
জীবন... সবার সাথে সবার বন্ধুত্তের আভাস......। Smile