প্রথম বরষা
কাজের টেবিলে কদম এসে হাজির জৈষ্ঠ্যের শেষ সন্ধ্যায়। কদম পাতায় আর রেনুতে কয়েক ফোটা বৃষ্টিও ছিল। হণ্যে হয়ে শহর ঘুরে পাওয়া গেছিল পাচটি কদম ফুল। যেই অনুজা সহকর্মী কদম তুলে আনে, তার ভাষ্য হচ্ছে- খুজে না পেয়ে পেয়ে অনেকটা জিদ করেই সে গাছ থেকে সব কদম তুলে এনেছে। কদম ফুলতো এলো, কিন্তু এই ফুল দেখলে যে আমার রস কদম খাবার ইচ্ছে করে। তার যোগান দেবে কে? জিভে জল এলো। সামলে নিলাম। বাড়ি ফেরার সময় সব মিস্টির দোকান বন্ধ। রস কদম টকই রয়ে গেল । ভাবলাম রস কদম না পাই, রাতে বৃষ্টিতেতো ভেজা হবে। আকাশে তখন পুরু মেঘ। হাওয়াটাও বলছে এখনই মেঘ ঝরে পড়তে পারে। বাড়ি ফিরতেই বিদ্যুৎদার বিদায়। ছাদে যেয়ে হাত পেতে বসে রইলাম। ওমা একি আকাশ যে নীল চাদোয়া। মমিন হলে নাকি নিরাশ হতে নেই। নিরাশ না হয়ে চোখ বুজলাম। ভরসা রাখলাম অগোচরে রাতে আকাশ ভেংগে পড়তে পারে। ঘুম ভাংলো দেখি রোদ হাসছে। সেই হাসিতে লাবন্য নেই। ভিলেনের হাসি- বরষার প্রথম দিন বৃষ্টি? হা হা ! নে গরমে ভেজ !





তবুও বর্ষা! যেমন করে ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত তেমন করে বৃষ্টি হোক আর নাই হোক আজ বর্ষার প্রথম দিন।
আমার বাসার সামনে ফুটেছে কদম।
বৃষ্টি হলো তো।
রসকদম খাইতে আমারও মঞ্চায়
সবাই বলছে ঢাকার আকাশে বৃষ্টি নেই। আর আমার ঘিম ভেঙ্গেছে বৃষ্টির শব্দে অর্থাৎ জানালা বন্ধ করবার জন্য না হলে যে ঘরে পানি আসছে। সারাটা দিন চলে গেল বৃষ্টির সাথে ছোঁয়াছুঁয়ি খেলতে খেলতে। এখন এই দুপুরের পর থেকে চলছে এই রোদ এই বৃষ্টির খেলা।
ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত তেমন করে বৃষ্টি হোক আর না হোক আজ বর্ষার প্রথম দিন।
রোদে ভেজাটাও মন্দ না।
ছাদে গিয়ে বৃষ্টি না পাইলে বাথরুমে গিয়ে শাওয়ার ছেড়ে বসে থাকেন!!!
মুক্তর প্রস্তাব মনে ধরছে
মন্তব্য করুন