ইউজার লগইন

প্রকৃতি তুমি এতো নিষ্ঠুর কেনো!!

আজকে সকালে এক বন্ধুর ফেইসবুক স্টেটাস পইড়া আসলেই কনফিউজ্ড হইলাম। জাপানে প্রলয়ংকরী ভূমিকম্প আর তারই ফলশ্রুতিতে আরো ভয়ঙ্কর জলোচ্ছ্বাস সুনামি ইফেক্টে যখন মানুষের জানমাল অস্তিত্ব আসলেই নিশ্চিহ্ন হইয়া যাওনের আশংকা দেখা দিছে সেইসময় এই পদার্থ বিজ্ঞানী বন্ধু বলতেছে,

জাপানে ব্লাস্টের পর নিউক্লিয়ার পাওয়ার সোর্স নিয়া যেই বিতর্ক তৈরী হইছে, তাতে দেশের বিকল্প জ্বালানীর স্বপ্ন মাঠে মারা যাইবো। কয়লা নিয়া কর্পোরেইট মাল্টি ন্যাশনালগুলি খেয়োখেয়ি শুরু করবো আর সোলার পাওয়ার এই বর্ষা বিধৌত দেশে কখনোই প্রধান জ্বালানীশক্তি হইতে পারে না।

গতোকাল পর্যন্ত আমার মনে হইতেছিলো নিউক্লিয়ার নির্ভরশীলতা মানুষরে এইরম হুমকীর মুখে ফেলতেছে কীনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিদ্ধস্ত জাপান পূণর্গঠিত হইছে, ইষ্পাত শিল্পের বিকাশ ঘটাইয়া প্রযূক্তির মাপকাঠিতে বহুদূর চইলা গেছে। উন্নয়ণ পরিকল্পনায় তাদের তৈরী ডিজাইনের লেইগাই ৯ রিখটার স্কেইলের ভূমিকম্পেও তারা নিশ্চিহ্ন হইয়া যায় নাই। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে তাদের ধারেকাছে থাকা দেশ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে এর চাইতে অনেক কম মাত্রার ভূমিকম্প হওনের পরেও ধ্বংস আর ক্ষতি'র পরিমাণ অনেক বেশি হইছিলো। অথচ সুনামির ধাক্কায় যখন তাগো ফুকুশিমা শহরের নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের তিনটা রিয়্যাক্টর গইলা যাইতে শুরু করলো তখন তারাও এলোমেলো হইলো।

দ্বিতীয় রিয়্যাক্টর ব্লাস্টের পরপরই ইউটিউবে আপলোড দেয়া একটা ভিডিও দেইখা বুঝতে পারলাম জাপানী পদার্থবিদরা আগের থেইকাই অনেক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়া রাখছিলো। কিন্তু সুনামির ভয়াবহতা যে এতোদূর যাইবো সেইটা তাদেরো প্রত্যাশার অতীত ছিলো। একে একে সব প্রতিরোধ ভাইঙ্গা পড়ছে প্রকৃতির নিষ্ঠুরতায়। প্রতিরক্ষার কোনো ধাপেই প্রকৃতি পরাজিত হয় নাই। সে তার মতোন কইরা বিকল করছে বৈজ্ঞানিক সমাধানগুলিরে। যাই হোক, এই তৎপরতায় ঠিকই নামছে যূক্তরাষ্ট্র...যারা চায় না পৃথিবীর আর কোনো দেশে পারমানবিক জ্বালানীর উৎস তৈরী হোক। প্রথম কারণ একটা পারমানবিক জ্বালানী কেন্দ্রেও আসলে পারমানবিক অস্ত তৈরী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর দ্বিতীয় কারণ তাতে তাগো বিকল্প জ্বালানীর কর্পোরেইট ব্যবসা নষ্ট হইবো, বাজার হারাইবো। এই ব্যবসায় তাগো চাইতে আগাইয়া আছে চীন-জাপানের প্রকৌশলীরা।

বিকালে অবশ্য এক টুইটার বচনে পাইলাম ফুকুশিমা শহরে এখনো মানুষ সাইকেল চালাইয়া ঘুরতেছে। সরকার বলতেছে রেডিয়েশনের মাত্রা এতোই উচ্চমাত্রায় হইতেছে যেইটা মানব শরীরে সরাসরি কোনো ক্ষতি করবো না। যেমন হইছিলো হিরোশিমা-নাগাসাকি কিম্বা বিকিনিতে মার্কিন বাহিনীর পারমানবিক বোমা বিষ্ফোরনের সময়। আমি পদার্থ বিদ্যারে এতো ডিটেইল লেভেলে বুঝি না, তাই হয়তো বিষয়টারে প্রায় এড়াইয়াই যাইতে চাই। কিন্তু তবুও গুজবের ডালপালা মেলে। সারা বিকাল আর সন্ধ্যা গেলো ফেইসবুকে এক উইয়ার্ড চেইন স্টেটাস পড়তে পড়তে। দেশে নাকি এসএমএস টেক্সটে ছড়াইতেছে জাপানে নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টর ব্লাস্টের জন্য নাকি বাংলাদেশের পরিবেশ নিরাপত্তাও হুমকীর সম্মুখিন। এসিড রেইনে আমাগো সবকিছু ঝলসাইয়া যাইবো। এইসময় যাতে কেউ বাড়ির বাইরে না আসে। জানালা দরজা আটকাইয়া গৃহবন্দী হইয়া বইসা থাকাটাই হইবো বুদ্ধিমানের কাজ।

পৃথিবীর ম্যাপ নিয়া আমার স্বল্প হইলেও কিছু ধারণা ছিলো আর প্রায় রিয়েল টাইমেই ফুকুশিমা আপডেট পাইতেছিলাম গুগল ভায়া টুইটার তথ্যে। তাই একটু খোঁজাখুঁজি করতেই জানলাম এই হোক্স মেসেইজ খালি বাংলাদেশে না, ফিলিপাইন সাগরবর্তী ফিলিপাইন-তাইওয়ানেও ভালোই ছড়াইছে। তাই ভরকাইয়া না গিয়া আবারো খবর নিতে গিয়া জানলাম এরমধ্যেই চতুর্থ রিয়্যাক্টরের অবস্থাও করুণ। যূক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গীর নিউজ এজেন্সীগুলি যদিও জাপানের প্রযূক্তি পুরানা বইলা একটা ধোঁয়া তোলার চেষ্টা করছে এরমধ্যে, কিন্তু সফল হয় নাই বিশ্ববাসীর জাপান সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকায়। যারা প্রায় অসম্ভব অবস্থান থেইকা নিজেগো ঠিকই কথিত সভ্যতার পথে নিয়া আসছে। সভ্যতার মূল হাতিয়ারগুলির বাজারও তারাই নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করছে তা'ও বহুদিন হইছে।

হয়তো জাপান অতি শীঘ্রই তাগো অভ্যাস অনুযায়ী ঘুইরা দাঁড়াইবো। কিন্তু আমরা যারা কখনো পরিকল্পিত কোনো বাস্তবতায় বাস করি নাই, তাগো আরো সংশয়ী করলো মনে হয় প্রকৃতি। আমাগো দেশেও স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প চলতেছে বহুদিন হয়। কম মাত্রার হইলেও এর ধারাবাহিকতা অনুসরণ করলে কিন্তু বাংলাদেশরেও ভূমিকম্প প্রবণ দেশ বইলাই ঘোষণা করতে হয়। আমার এক নগর পরিকল্পণাবিদ বন্ধু বহুদিন ধইরাই দেশের ভূমিকম্প প্রতিরোধ ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়া চীৎকার চেচামেচি করতেছে। যদিও তার চেচামেচি কারো কানে পৌছায় কীনা সেই বিষয়ে আমি এখনো সন্দিহান। সেই বন্ধু মাসছয়েক আগেই ঘোষণা দিছে মোটামুটি ৬ মাত্রার ভূমিকম্প হইলে ঢাকা শহরের প্রায় ৮০% বাড়িঘর হেইলা পড়বো। কিন্তু বাড়িঘর বাঁচানের কোনো সমাধান আর করা সম্ভব না। শহরের প্রায় সব বাড়িঘর ভূমিকম্প প্রতিরোধ বিষয়ক নীতিমালা না মাইনা তৈরী হইছে। কিন্তু ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধারকাজের জন্য রাস্তাঘাটও নাকি নাই। তার হিসাব মতোন শহরের ৪০% লোক মারা যাইবো সঠিক সময়ে উদ্ধারকারী দল না পৌছাইতে পারার জন্য।

জাপানের জন্য প্রার্থনামূলক অনেকগুলি ফেইসবুক গ্রুপ তৈরী হইছে দেখলাম। লাখে লাখে বাঙালি সেইসব গ্রুপগুলিতে জয়েন করতেছে। কিন্তু আমাগো দেশে যদি আরেকটু বেশিমাত্রার ভূমিকম্প হয় তাইলে তার পরিণতি কি হইবো সেইটা নিয়া দেখলাম খুব বেশি মানুষের আগ্রহ নাই। সবাই কি তবে আশা করতেছে আমরা জাপানের মানুষের লেইগা প্রার্থনা করলে তারাও আমাগো লেইগা পাল্টা প্রার্থনা কইরা ঈশ্বররে জাগাইয়া তুলবো!? আর জ্বালানী প্রসঙ্গটাও বেশ বিব্রতকর মনে হয়। ঠিক যখন বাংলাদেশে পারমানবিক বিদ্যুতকেন্দ্র নিয়া প্রস্তুতি শুরু হইছে সেইসময়টায় জাপানের পরিণতি নিশ্চয় বেদনাদায়ক। আমি আসলেই কনফিউজ্ড...আসলে কোথায় যাইতেছে পৃথিবী! প্রকৃতি তুমি এতো নিষ্ঠুরতা কেনো দেখাও!

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মীর's picture


জাপান একটা সিরিয়াস ঝামেলার মধ্যে পড়ে গেছে। একটা ঐতিহাসিক সময় শুরু হয়ে গেল সেখানে। এবং কে জানে, হয়তো সারা পৃথিবীতেও।

ভাস্কর's picture


ঝামেলাটা মনে হয় সারা পৃথিবীরো...

তানবীরা's picture


সবাই কি তবে আশা করতেছে আমরা জাপানের মানুষের লেইগা প্রার্থনা করলে তারাও আমাগো লেইগা পাল্টা প্রার্থনা কইরা ঈশ্বররে জাগাইয়া তুলবো!?

ঈশ্বর কখন জাগেন?

ভাস্কর's picture


মানুষে চিন্তা যখন মইরা যায় তখন ঈশ্বর জাগে মনে হয়...

টুটুল's picture


জাপান একটা ভয়াবহ সময় পার করতেছে... প্রকৃতি কখন কোথয় তার উন্মত্ততা দেখায় কেউ জানে না ... জাপানের জন্য ভালবাসা

হাসান রায়হান's picture


ভয় লাগে। এখন একটু নড়াচড়াতেই ভয় পাই খুব।

ভাস্কর's picture


আপনের ভয় জাস্টিফাইড...কিন্তু তারপরের পরিণতি নিয়া এই মুহুর্তেই আমাগো চিন্তার পরিসর তৈরী করাটা জরুরী তার চেয়ে...

টুটুল's picture


জাপানের নিউক্লিয়ার প্লান্টের কিছু ছবি এখানে পাবেন। একি সাথে পূর্বের এবং বর্তমান ছবিও দেখা যাবে।

লীনা দিলরুবা's picture


জাপানের জন্য সমবেদনা।

১০

ভাস্কর's picture


কয়দিন পর নিজের লেইগা সমবেদনা জানাইবেন...

১১

শওকত মাসুম's picture


নতুন এক সময়ে ঢুকলো পৃথিবী, এখন অনেক কিছু বদলাবে

১২

ভাস্কর's picture


এই নতুন পৃথিবীরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পৃথিবীর চাইতেও অন্য কিছু লাগতেছে...বিশ্ব যুদ্ধোত্তর পৃথিবীতে যেমনে দূর্ভিক্ষ আর দারিদ্রের প্রকোপ বাড়ছিলো এইবারো কি সেইটা বাড়বো বইলা মনে করেন? সেই অবস্থায় বাংলাদেশ এমন প্রাকৃতিক নিষ্ঠুরতার সম্মুখিন হইলে তারে ঠেকানের কৌশল আসলে কি হইতে পারে?

১৩

শওকত মাসুম's picture


বাংলাদেশের আদৌ কোনো প্রস্তুতি নাই। মাস কয়েক আগে ভুমিকম্প হওয়ার পর একনেকে একটা প্রকল্প উঠছিল, কেনাকাটার। কয়শ কোটি টাকা এই মুহূর্তে মনে নাই, তবে বেশ বড় অংকই। উদ্ধার কাজের জন্য যন্ত্রপাতি কেনা। আর এখানে কেনাকাটা মানেই তো বোঝেন। সেই প্রকল্প নিয়া আবার হয়তো নাড়াচাড়া হবে কয়দিন পরে।

১৪

ভাস্কর's picture


জাপানে আবারো ভূমিকম্প হইছে ৬ মাত্রার...

১৫

নাজ's picture


আজ সকালে নাশতার টেবিলে আব্বা বলছিলো

পুরো পৃথিবী'টার চেহারা-ই বুঝি বদলে যাবার দিন এসেছে

পোষ্ট পড়ে বেশ কিছু তথ্য জানলাম।
আসলে হতবাক হওয়া ছাড়া আমারদের আর কিছুই করার/বলার নেই। Sad

১৬

ভাস্কর's picture


সরকার যদি এই মুহুর্তে না ভাবে তাইলে এই পরিবর্তীত চেহারায় আমরা আর কখনোই নিজেগো অভিযোজিত করতে পারুম না...

১৭

জ্যোতি's picture


আসলে কোথায় যাইতেছে পৃথিবী! প্রকৃতি তুমি এতো নিষ্ঠুরতা কেনো দেখাও!

সেটাই তো। খুব ভয় লাগে আজকাল। প্রকৃতি এত নিষ্ঠুর হয়ে উঠছে কেন কে জানে! সৃষ্টিকর্তা সদয় হোক।

১৮

লিজা's picture


জাপানের জন্য প্রার্থনামূলক অনেকগুলি ফেইসবুক গ্রুপ তৈরী হইছে দেখলাম। লাখে লাখে বাঙালি সেইসব গ্রুপগুলিতে জয়েন করতেছে। কিন্তু আমাগো দেশে যদি আরেকটু বেশিমাত্রার ভূমিকম্প হয় তাইলে তার পরিণতি কি হইবো সেইটা নিয়া দেখলাম খুব বেশি মানুষের আগ্রহ নাই। সবাই কি তবে আশা করতেছে আমরা জাপানের মানুষের লেইগা প্রার্থনা করলে তারাও আমাগো লেইগা পাল্টা প্রার্থনা কইরা ঈশ্বররে জাগাইয়া তুলবো!?

ঢাকায় ভূমিকম্প হইলে নেট ইউজ করার লোক কয়জন টিকে থাকবে কে জানে ! নিজেদের সব প্রার্থনা তাই জাপানীদের জন্য করছি আমরা । আর নিজেদের জন্য আগাম প্রার্থনা করে রাখছি । এখন সম্ভবত শহরকে ভূমিকম্পরোধী করার আর কোন উপায় নাই । তীর ছুটে গেছে ।

সুনামীর দিন টিভিতে জাপানের একটা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের ভিডিও দেখাচ্ছিল । দোকানের লোকেরা ওই ভয়ংকর ঝাকুনির মধ্যেও শেলফ এ রাখা জিনিসপত্র রক্ষা করছিল । হাত দিয়ে ঠেকাচ্ছিল যাতে কিছু পড়ে না যায় । কেউ চিপায় চুপায় লুকায়নাই । এইটা কি ওদের শক্ত নার্ভ এর জন্য, নাকি দায়িত্বসচেতনতার জন্য ? নাকি জানে যে, বিল্ডিং সহজে ধ্বংস হবে না ? ওদের দেখে অবাক হইছিলাম ।

১৯

ভাস্কর's picture


আপনের অনুমান মনে হয় নির্ভুল...

২০

সামছা আকিদা জাহান's picture


জাপান কয়েক'শ বছর পিছিয়ে গেল। আমাদের দেশের লোড শেডিং ভাল তবুও পারমানবিক বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র নয়।

২১

ভাস্কর's picture


আমার মনে হয় এতো সহজে নিউক্লিয়ার পাওয়ারের বিষয়টারে রিজেক্ট কইরা দেয়া ঠিক না...আরেকটু আলোচনা থাকা দরকার।

২২

সাঈদ's picture


প্রকৃতি কে মনে হয় আমরা আরো বেশী নিষ্ঠুরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছি ।

২৩

মীর's picture


বস্ জাপানের জন্য সত্যি কষ্ট হইতেসে। এক অবাণিজ্যিক কষ্ট। Sad

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

ভাস্কর's picture

নিজের সম্পর্কে

মনে প্রাণে আমিও হয়েছি ইকারুস, সূর্য তপ্ত দিনে গলে যায় আমার হৃদয়...