চালু হলো নতুন বাংলা ওয়েব সাইট: বাংলাদেশের শিক্ষা
আজকে, এই ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে, জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বাংলাদেশের শিক্ষা নামে একটি শিক্ষা বিষয়ক ওয়েব সাইট চালু হলো। এই সাইটে কী আছে বা কী থাকবে, সেই বিষয়ে কথা বলছি একটু পরে। তার আগে কিছু ব্যক্তিগত অনুভূতি বা মতামত শেয়ার করে নিই।

২.
আপনারা অনেকে হয়তো জানেন, প্রায় বছর দুয়েক ধরে প্রায় একক উদ্যোগেই আমি বাংলাদেশের শিক্ষার ওপর একটি ইংরেজি সাইট পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছি। এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমার বেশ কিছু সুখকর অভিজ্ঞতা হয়েছে। ইংরেজি সাইটটি চালু করার সময় একটা ধারণা ছিলো যে আমরা বিশেষত রাজনীতি প্রসঙ্গে লেখালেখি করতে ভালোবাসি। শিক্ষা বিষয়ক সাইট চালু করা হলে, তাও আবার ইংরেজিতে, কী পরিমাণ লেখা পাবো, এবং লেখা পেলেও সেগুলোর মান কীরকম হবে, তা নিয়ে নিজের মধ্যেই যথেষ্ট সংশয় ছিল। কিন্তু সাইট চালুর পর যখন বিভিন্ন মহল থেকে প্রচুর পরিমাণ সাড়া পেলাম, বিশেষত নানা জনের কাছ থেকে যে সংখ্যক গুণগত মানসম্পন্ন লেখা পেলাম, তাতে আমার সব সংশয় কেটে গেল। বাংলাদেশে অনেকে আছেন যারা শিক্ষা নিয়ে প্রতিনিয়ত ভাবেন, লিখেন। প্রথম সুখকর অভিজ্ঞতা এটাই যে, আপাতদৃষ্টিতে কাঠখোট্টা মনে হলেও শিক্ষা, বিশেষত বাংলাদেশের শিক্ষা সম্পর্কে প্রচুর মানুষের আগ্রহ রয়েছে।
দ্বিতীয় সুখকর অভিজ্ঞতাটা অন্যরকম। ততোদিনে ইংরেজি সাইটের বয়স প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেছে। সাইটের অ্যাডমিনের কাছে আসা বিভিন্ন ইমেইল নড়াচড়া করে দেখছিলাম পাঠকরা মূলত কী পছন্দ করেন সেই ইমেইলগুলো। এক পর্যায়ে খুব অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, অনেক পাঠকই চান এই ধরনের একটি সাইট বাংলা ভাষায় করা হোক। একজন পাঠকের একটা মন্তব্য এখনো মনে আছে। তিনি বলেছেন- “বাংলাদেশের শিক্ষা নিয়ে কোনো ওয়েব সাইট তৈরি হলে সেটা প্রথমে বাংলাতেই হওয়া উচিত। বাংলাতে হওয়ার পর তারপর প্রয়োজনে অন্য ভাষায় তৈরি করা যেতে পারে। আপনারা কেন ইংরেজি দিয়ে শুরু করলেন বুঝলাম না”।
এই ইমেইলগুলো দেখার পর বিভিন্ন ব্লগ বা ফোরামে শিক্ষা বিষয়ক লেখা খুঁজতে থাকি এবং এই প্রথমবারের মতো হতাশ হই। ইংরেজি সাইট তৈরি করার সময় যে ধারণা ছিল, সেই ধারণা আরেকটু পোক্ত হয় এই সময়ে। বিভিন্ন ব্লগ বা ফোরামে, এমনকি পত্রিকার পাতায় শিক্ষা বিষয়ক লেখা খুব কম পাওয়া যায়। এতোই কম যে, মাঝে মাঝে দ্বিধায় পড়ে যাই খুঁজতে গিয়ে কোনো ভুল হচ্ছে কিনা। আরেকটু সচেতন হয়ে শিক্ষা বিষয়ক লেখা খুঁজতে থাকি, কিন্তু ফলাফল সেই একই।
কোনো ধরনের অভিজ্ঞতা ছাড়াই এ সময়টাতে টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য সপ্তাহে একদিন একটি শিক্ষা প্রোগ্রাম চালু করার জন্য একটি আউটলাইন তৈরি করি। আমার জানামতে বাংলাদেশের কোনো টেলিভিশন চ্যানেলে শিক্ষা প্রোগ্রাম চালু নেই। যে দুয়েকটা চালু আছে, সেগুলোকে শিক্ষা প্রোগ্রাম না বলে শিক্ষা বিষয়ে নোট বা গাইড প্রোগ্রাম বলাই যুক্তিসঙ্গত। আমি আমার প্রোগ্রাম আউটলাইন নিয়ে বেশ কয়েকটি চ্যানেলের সাথে যোগাযোগ করি এবং সবগুলো থেকেই বিতাড়িত হই। কারো যুক্তি, এই ধরনের প্রোগ্রাম দর্শক খাবে না; কেউ বলেন, স্পন্সর পাওয়া যাবে না; কেউ বলেন, ফালতু জিনিস চলে না। নানাজনকে নানাভাবে বুঝিয়ে-সুঝিয়েও রাজি করাতে পারি না। মাসে অন্তত আধা ঘণ্টা সময়ও এই কাজে কেউ বরাদ্দ দিতে চায় না।
আমি বলি, প্রোগ্রাম আউটলাইন তৈরি করেছি বলে আমাকে দিয়েই যে কাজটা করাতে হবে তা নয়। আপনারা শিক্ষার সাথে জড়িত কোনো নামকরা ব্যক্তিদের দিয়েও করাতে পারেন, কিন্তু এই ধরনের একটা প্রোগ্রাম চালু করেন। সবাই নিরাশ করেন।
আমার এই নিরাশাটা কেটে যায় এরও বেশ কিছুদিন পর। মিডিয়া বিশেষজ্ঞ ও উপস্থাপক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর একদিন কথাপ্রসঙ্গে জানান, তিনিও এরকম একটি অনুষ্ঠান বেশ কিছুদিন ধরে করতে চাচ্ছেন এবং এর জন্য কথাও বলেছেন অনেকের সাথে। কিন্তু শিক্ষা বিষয়ে প্রোগ্রাম চালাতে কেউ রাজি হচ্ছে না। তাঁর কথা শুনে আমার দুঃখবোধ বেশ কেটে যায়। মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের মতো খ্যাত ব্যক্তি যেখানে ব্যর্থ, আমার কথা সেখানে কে শুনবে!
৩.
এসব অভিজ্ঞতার পর সিদ্ধান্ত নিই যা করার নিজেকেই নিজের মতো করে করতে হবে। ইংরেজি সাইটটি কেন বা কোন পরিপ্রেক্ষিতে তৈরি করেছিলাম তার একটা বিবরণ পাওয়া যাবে এখানে। ইংরেজি সাইটটির অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি ধরে শিক্ষা বিষয়ে বাংলা সাইটটির কাজ টুকটাক করে করতে শুরু করি। আমি কোনো টেকি মানুষ নই। কোনো ধরনের প্রোগ্রামিং জ্ঞান আমার নেই। কিন্তু ব্লগ বা ফোরামে নানাজনের টিউটোরিয়াল দেখে, গুগলিং করে আস্তে আস্তে সাইটটি তৈরি করতে থাকি। ইংরেজি সাইটটি তৈরি করেছিলাম জুমলা দিয়ে। মাঝখানে ওয়ার্ডপ্রেসের জোয়ার দেখে বাংলা সাইটটি ওয়ার্ডপ্রেসে তৈরির সিদ্ধান্ত নিই। এর মধ্যে মুখে মুখে কয়েকজনের কাছে লেখা চাই। কেউ কেউ পুরনো লেখা দেন, কেউ নতুন লেখা দেন, কেউ বা দেন না। এর মধ্যে সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বেশ কয়েকজন পাঠক সাইটটি ভিজিট করে ইমেইলে তাদের মতামত জানিয়ে যান। আমি সেসব মতামত পড়ে অনুপ্রাণিত হই। একজন পাঠক তো ‘একটা সাইট বানাতে কদিন লাগে’ বলে রীতিমতো ঝাড়ি দিয়ে যান। তার ঝাড়ি খেয়ে আমি পুনরায় গুতাগুতি শুরু করতে থাকি। কিন্তু অভিজ্ঞতা না থাকলে যা হয়- কোনো একটা ভুল করে ফেলি। সবকিছু উল্টাপাল্টা হয়ে যায়। আবার নতুন করে শুরু করি। আবার উল্টাপাল্টা হয়ে যায়। সামান্য ফন্ট সাইজ বড় করতে গিয়ে চলে যায় পুরো একটি দিন। একেবারেই কিছু না বুঝলে আশেপাশে অনেককে বিরক্ত করি। এখনো যে সাইটটি ভালোভাবে তৈরি করতে পেরেছি তা নয়। বেশ কিছু ভুলচুক রয়েই গেছে। সেগুলো আস্তে আস্তে সংশোধন করতে হবে।
এই করতে করতেই আজকে শিক্ষা বিষয়ক বাংলা সাইটটি এই অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। এতে এখনো অনেক কিছু বাকি আছে। আজকের দিনটা একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন, একটা আবেগের দিন। পুরোপুরি ঠিক করে সাইট চালু করতে কতোদিন লাগে কে জানে! তার চেয়ে আমাদের ভাষার সাথে সম্পৃক্ত দিনটাকেই বেছে নিই না কেন সাইটটি চালু করার জন্য!- এই ভাবনা থেকেই আজ থেকে পুরোপুরি চালু করে দিলাম এই সাইটটি। আসলে নতুন করে চালু করার কিছু নেই। সাইট আগেই চালু ছিল- ঢিমেতালে কাজ চলতো। কিন্তু তেমন কেউ এর কথা জানতো না। সাইট চালু করার অর্থ আসলে সবাই জানানো যে, আসুন, সাইটের লেখাগুলো পড়ুন। আপনার লেখা দিন। পরামর্শ দিন, মতামত দিন।
আমি তাই সবাইকে সাগ্রহে অনুরোধ জানাই সাইটটি দেখার জন্য, পড়ার জন্য, মতামত দেবার জন্য, লেখা দেবার জন্য।
৪.
নেই নেই করেও গত ছয় মাসে প্রায় ২৫টি লেখা পেয়েছি। সেগুলোর কিছু কিছু সাইটে ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি লেখাগুলো আস্তে আস্তে প্রকাশ করা হবে। এই মুহূর্তে সাইটে খুব বেশি লেখা নেই। এর অনেক লেখাই লেখকের অনুমতিক্রমে পুনঃপ্রকাশিত। অবশ্য আমাদের কাছে লেখা পুরনো বা নতুন বলে কিছু নেই- লেখা লেখাই। লেখা ভালো হলে সেটি সবার কাছে ছড়িয়ে যাওয়াটাই কাম্য। বেশ কিছু মানুষের কাছে লেখা চেয়েছি। আশা করছি সাইট চালু হওয়ার পর তাদের কাছ থেকে আরো অনেক লেখা পাবো। এই সুযোগে আপনাদের কাছেও অনুরোধ করি- শিক্ষা বিষয়ক লেখা দেয়ার জন্য।
আপাতত লেখার চেয়ে সাইটের ফিচারগুলো প্রতি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আশা করছি যে যে ফিচার যোগ করার পরিকল্পনা আছে, সেগুলো আগামী সাত দিনের মধ্যে যোগ করতে পারবো। তারপর একাধারে বেশ কিছু লেখা প্রকাশ করতে পারবো। এই সময়টুকুতে আপনি কি আপনার অন্তত দুটো লেখা পাঠাবেন আমাদের কাছে?
৫.
এই সাইটের স্লোগান ঠিক করা হয়েছে: জ্ঞান হোক উন্মুক্ত, সবার জন্য। আমরা চাই জ্ঞান কখনো কারো কাছে কুক্ষিগত না থাকুক। যে জ্ঞান মানুষ অর্জন করেছে, সেই জ্ঞান সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই হোক জ্ঞান অর্জনের অন্যতম উদ্দেশ্য। জ্ঞান তখনই কাজে লাগবে যখন তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়া যাবে। জ্ঞান তখনই শক্তি হিসেবে দেখা দিবে যখন তা সবাই ব্যবহার করতে পারবে। ঠিক এই বিশ্বাস ও প্রত্যয় থেকে আমরা এই সাইটের কাজ শুরু হয়েছিল। সুতরাং, এই সাইটে যা কিছু প্রকাশিত হবে, তা হবে সবার জন্য উন্মুক্ত। শিক্ষা ও বাংলাদেশের শিক্ষা বিষয়ে যে কেউ এখানে লিখতে পারবেন। অবাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে জ্ঞানার্জনের কাজে যে কেউ এই সাইটের লেখা ব্যবহার করতে পারবেন।
বাংলাদেশের শিক্ষার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যা কিছু সম্পর্কিত, সেই বিষয়গুলো নিয়ে লেখা যাবে এখানে। প্রত্যেকের মধ্যেই দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে, আছে নানা মতামত বা বক্তব্য। কেউ সরাসরি এই শিক্ষা সেক্টরে কাজ করে সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বক্তব্য রাখতে পারেন, কেউ পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে মন্তব্য করতে পারেন আবার কেউ বা ছোটবেলায় নিজ শিক্ষার স্মৃতি মনে করে মতামত ব্যক্ত করতে পারেন। সবার বক্তব্যই কোনো না কোনো দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা এমন কোনো বিষয় নয় যে শুধু এর সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তিরা বা বিশেষজ্ঞরাই এ নিয়ে কথা বলতে পারবেন। একটি দেশের শিক্ষা কেমন হওয়া উচিত, কীভাবে চললে শিক্ষাব্যবস্থার আরো উন্নতি হবে ইত্যাদি নানা বিষয়ে প্রত্যেকের নিজস্ব চিন্তা বা অভিমত রয়েছে। এই সাইটে সব ধরনের মানুষের সব ধরনের মতামত প্রকাশের ব্যবস্থা থাকবে। বাংলাদেশের শিক্ষা নিয়ে পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হবে এই সাইটে, এই আশাটুকু রাখতে চাই।
আজকের এই সাইট চালু হওয়ার মুহূর্তে তাই সবাইকে আবারো আহ্বান জানাই শিক্ষা বিষয়ে লেখা পাঠানোর জন্য। আপনার বক্তব্য, আপনার মতামত, আপনার লেখা, আপনার পরামর্শ, আপনার চিন্তাভাবনা ছড়িয়ে যাক সারা বিশ্বের মানুষের কাছে। কে জানে, আপনার আজকের বক্তব্যই হয়তো আগামী দিনে শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনে দিতে পারে। পাশাপাশি এই সাইটে কোনো প্রকার ভর্তি বা টিউশনির খবর, টিউটোরিয়াল সম্পর্কিত কোনো লেখা বা কনটেন্ট না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সাইটটি বাণিজ্যিক কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হবে না বা এর কোনো ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য নেই। আমরা চাই বাংলাদেশে শিক্ষা নিয়ে সিরিয়াস আলোচনার ক্ষেত্র হয়ে উঠুক এই সাইটটি।
৬.
যে অনুভূতি দিয়ে লেখা শুরু করেছিলাম, সেখানেই ফিরে যাই। ইংরেজি সাইটটি চালুর সময় লেখার ক্ষেত্রে যে সাড়া পেয়েছিলাম, আশা করি শিক্ষা বিষয়ক বাংলা লেখার ক্ষেত্রেও সেরকম সাড়া পাবো, হয়তো আরো বেশি। এখন ব্লগে অনেকেই লেখালেখি করেন। তারা যদি একটু সময় বের করে মাসে দু-একটি লেখাও লিখেন, তাহলে দেখা যাবে শিক্ষাসম্পর্কিত প্রচুর বক্তব্য তৈরি হয়ে গেছে। আর পরস্পরের বক্তব্যগুলো জানা আমাদের সবার কাছেই বোধহয় জরুরি।





আন্তরিক অভিনন্দন গৌতমদা!

ধন্যবাদ বাতিঘর। এই নাচানাচি দেখে আমি অভিভূত।
আন্তরিক অভিনন্দন গৌতম।
ধন্যবাদ তানবীরা আপা।
অসাধারণ একটা উদ্যোগ। আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন।
একলা চল গানের কথা তাহলে সত্যি!
ধন্যবাদ উলটচন্ডাল।
আসলে শুরুটা হয়তো একা করেছি; কিন্তু পরে এর সাথে আরো অনেকে যুক্ত হয়েছেন। কেউ লেখা দিয়ে, কেউ মন্তব্য করে, কেউ সাইট ভিজিট করে- নানাজনের পরামর্শও কাজে লেগেছে। সবার কিছু না কিছু অবদান আছে এতে। এভাবেই সাইটটি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে।
চমৎকার সাইট হয়েছে।
সাইটে লুক এন্ড ফিল খুব ভালো লাগলো ।
আশা করি অনেক দূর যাবে সাইটটি।
-------------------------------------
যদি পারি লিখতে লেখা দেবার চেষ্টা করবো ।
অনেক ধন্যবাদ আরণ্যক।
আমি দুঃখিত, এখনও সময় করে ঊঠতে পারি নি
ব্যাপার না রাসেল ভাই। নিচে অনেকগুলো লিংক দিয়েছেন। অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ। এগুলো আস্তে আস্তে প্রকাশ করতে থাকবো।
অভিনন্দন গৌতমদা আপনার উদ্যোগের জন্য। তবে বাংলা সাইটির ব্যানারে "বেত" "শাস্তি" "নকল" "গাইডবই" শব্দগুলো না থাকলেই কি নয়? একটি পজিটিভ উদ্যোগে এই নেগেটিভ শব্দগুলো দৃষ্টিকটু লাগছে।
এভাবে অবশ্য ভেবে দেখি নি বকলম ভাই। ব্যানার তৈরি করার সময় যে শব্দগুলো গুরুত্বপূর্ণ ও নানা কারণে আলোচিত, সেগুলো রাখার চেষ্টা করেছি। সে কারণেই এগুলো এসেছে। তবে আপনার ভাবনাটাও গুরুত্বপূর্ণ। একাধিক ব্যানার তৈরি করার চেষ্টা করছি। পরেরগুলোতে এই শব্দগুলো আর থাকবে না।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
শিশু শিক্ষা ০১
শিশু শিক্ষা ২
শিশু শিক্ষা ০৩
শিশুশিক্ষা 04
শিশু শিক্ষা ০৫
শিশুশিক্ষা ০৬
শিশুশিক্ষা ০৭
শিশু শিক্ষা ০৮
শিশু শিক্ষা ৯
শিশুদের শৈশবের শবদাহ করছি আমরা
মাদ্রাসা শিক্ষা প্রসঙ্গে
ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্ম নিরপেক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা
আপনাদের সহযোগিতায়
অনেক ধন্যবাদ রাসেল ভাই। এগুলো একে একে প্রকাশিত হবে।
ব্লগারদের একটা অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা বন্ধুতে ইতোমধ্যে শিক্ষাবিষয়ক যে লেখাগুলো প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলোর লিঙ্ক যদি লেখকরা দেন তাহলে তাদের লেখাগুলো পরবর্তীতে আস্তে আস্তে যুক্ত করে নেয়া হবে।
ভাল লাগল।
ধন্যবাদ সাহাদাত ভাই।
অভিনন্দন ও রাশি রাশি শুভেচ্ছা। সাইট ভালো হয়েছে।
ধন্যবাদ মীর ভাই। কোনো পরামর্শ থাকলে জানাবেন কিন্তু।
ইয়েস্ অভ কোর্স মিস্টার। আই উইল।
অপেক্ষায় থাকলাম...
সশ্রদ্ধ অভিনন্দন। অসাধারণ উদ্যোগ।
অনেক ধন্যবাদ নুশেরা আপা।
অশেষ শুভকামনা ও অভিনন্দন। আপনার ইংরেজী সাইটে মাঝে সাজে যাওয়া হয়, তবে নিজের ডোমেইন না বলে বা আগ্রহের কমতি বলে সময় তেমন কাটানো হয় না সেখানে।
আরেকটা ব্যপার,
আপনার পোস্ট খানা কি নীতিমালার এ ধারায় আটকে যায় ?
কারন কিছু দিন আগে আরেকজন ব্লগার তার সাইটের প্রচার করতে গিয়ে আপত্তির শিকার হয়েছিলেন, মডুরা সেটা প্রথম পাতা থেকে সড়িয়েও দিয়েছিলো । একই যাত্রায় দু বিচার বৈষম্য হয়ে যায়।
ধন্যবাদ সুমন ভাই।
এই পোস্টটা আসলে যতোটা না বিজ্ঞাপন, তার চেয়ে বেশি কিছু আহ্বান, কিছু অনুভূতি শেয়ার করার। তবে মডারেটররা মনে করলে অবশ্যই সরিয়ে দিবেন প্রথম পাতা থেকে। আমি কোনো বৈষম্য চাই না।
ব্যক্তিগত ভাবে আমি এটাকে বিজ্ঞাপন বলে মনে করছি না আদৌ, এটাকে একটা উদ্যোগে আহবান হিসেবেই সব সময়ই ভেবেছি। শিক্ষা নিয়ে এরকম একটা সাইট অবশ্যই সাধুবাদ পাবার যোগ্যতা রাখে।
অফ টপিক: আই.ই.আর থেকে আমার একবন্ধু পাশ করে বের হয়েছে, সম্ভবত ১ম বা ২য় ব্যাচের হবে। সজল, বাংলা একাডেমীতে কাজ করছে এখন। চেনা আছে ?
আমি চতুর্থ ব্যাচের। প্রথম তিন ব্যাচের সবাইকে চিনি। কিন্তু সজল ভাইকে এই মুহূর্তে মনে করতে পারছি না। আমরা বোধহয় অন্য নামে জানতাম।
সুন্দর উদ্যোগ
সফলতা কামনা করি.....
ধন্যবাদ নাজ আপা।
অনুসরণ করবো।
সাফল্য কামনা করি- গৌতমদা।
ধন্যবাদ লীনা আপা।
অসাধারণ একটা কাজ একাকী করে যাচ্ছে গৌতম!! শিক্ষা নিয়ে আপনার লেখাগুলি অতি সাবলীল।
আমার সকল ফেসবুক বন্ধুদের শেয়ার করলাম। সুযোগ পেলে নিজেও লিখবো।
একা কোথায় ভাই! এই যে, আপনাদের অনুপ্রেরণাগুলো পড়ার পর মনে হয় আরো কিছু করার দরকার ছিল, কিন্তু আলস্যের কারণে করতে পারছি না।
লেখার অপেক্ষায় থাকলাম। বিশেষ করে যদি পুরনো লেখা থাকে, সেগুলোও দিতে পারেন।
গৌতমের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তার সাবলীল লেখা পড়েও আনন্দ। এসব বিষয়ে এমন ভাবে আগে কখনো চিন্তা করিনি, নতুন চিন্তা ঢুকলো মাথায় ! অভিনন্দন গৌতম।
অনেক অনেক ধন্যবাদ নাজমুল ভাই। আপনার মন্তব্য পেয়ে অনেক খুশি লাগছে।
mone pore ier teacher appointment er kotha. vabi, vabchi ar vabte chai karo karo dharon korar khomota ier er nai. tai bolbo ier ek khuprir nam sekhane innovationer sugug nei. eito besh korcho. pronam korte icche hoy, valobaste sadh jage, snehe bigolito hoi, sroddhay matha noto hoy, buk thomke jay ar bishwase nishwase bole uthi Goutam tomi sottoi goutam jake dekhle jar kotha mone porle jar lekha porle boroi gorbo hoy.....
amran (1st batch)
education officer, DPE, Dhaka
ইমরান ভাই, আপনার মন্তব্য পড়ে আমি আসলে খুবই লজ্জ্বা পাচ্ছি।। এটা ঠিক যে, আমার ইচ্ছে ছিল শিক্ষক হওয়ার। কিন্তু যে যে কারণে শিক্ষক হতে পারি নি, সেগুলো আপনি ভালোভাবেই জানেন- এবং ভবিষ্যতেও কোনো কিছুর বিনিময়ে শিক্ষক হতে চাই না। ...আমি শুধু আমার অবস্থান থেকে কিছু কাজ করে যাচ্ছি। এর বেশি কিছু না।
আপনি ভালো থাকবেন।। পরামর্শ ও মতামত পেলে খুশি হবো।
মন্তব্য করুন