আই এ্যাম লোনলি ব্রোকেন এঞ্জেল----
"চাকরীটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছো" গানটা আমার বড় মেয়ের ঘরে বাজছে বার বার। ওর ঘরে উঁকি দিতেই বললো ---মা গানটা কেমন যেন না? মনে হয় শিল্পীটাই বেলাকে প্রান ধরে ডাকছে।
আমি বললাম ---গানটা শুনলেই মনে হয়, যেখান থেকে পারি বেলাকে ধরে এনে ওদের বিয়ে দিয়ে দেই।
আগে তো টেলিফোনে লাইনই পাওয়া যেত না, খালি রং নাম্বার যেত।
---তা হলে তুমি আমাকে মোবাইল ফোন কিনে দাও না কেন?
নিরুত্তর আমি বসে রইলাম পাথরের মত কিছুক্ষন।
---তোমাকে তো ফোন দেব বলেছিই, তোমার বয়স আঠারো হবার পর।
সারাদিন গুন গুন করে গলায় ভাজছি "কজ দিস ইস পিয়র লাভ-"-- মাঝে মাঝে কানে হেড ফোন লাগিয়েও গানটা শুনছি। আমার গান শোনবার বহর দেখে বাড়ির সবার যে চোখ কপালে উঠেছে তা বুঝতেই পারিনি। তাই বলে এটা ভাববার কোন কারন নেই যে আমি গান শুনি না বা মাঝে মাঝে গুন গুন করি না।
একে তো বিদেশী ভাষার গান তার উপর আমি সারা দিন একই গান এর ভেতরে ঘুরছি। আবার হেড ফোনও কানে??? আসলে আমার কানে হেডফোন লাগালেই কি এক অজ্ঞাত কারনে যেন মাথা ঘোরে বমি ভাব হয় তাই আমি সহজে দোলনায় চড়ি না কানে হেডফোন দেই না এবং গাড়িতে কখনই মাথা নিচু করে বই পড়িনা বা মোবাইল দেখি না।
সে যাই হোক রাতে বেলা মোবাইল ফোনে "পিয়র লাভ" গানের ভিডিওটা জানুকে দেখালাম আর খুব করে বুঝালাম , --কী সিম্পল একটা থীম নিয়ে গানটার ভিডিও করেছে গানটা মনে হচ্ছে একেবারে হৃদয়ে গেঁথে যাচ্ছে। দেখ ভিডিওর কাহিনীটা কিন্তু অনেক গল্পে আছে কিন্তু এখানে একেবারেই নতুন কাহিনী মনে হচ্ছে। সত্যিই সত্যিকারের ভালবাসাই মনে হয় যেন পেয়ে গেছে গীতিকার, শিল্পী , সুরকার। এমন করে বেশ কিছুক্ষন বক্তৃতা দিয়েই ফেললাম। হঠাৎ খেয়াল হল শ্রোতা যে একেবারেই নিঃশ্চুপ। সন্দেহ হল, আমাকে চরম অপমান করে আবার ঘুমিয়ে পরেনি তো। জিজ্ঞাসা করলাম-- এই কি ঘুমাইছ?
--না বলো শুনছি।
--কথা বলছ না যে?
--ভাবছি।
--কী?
--সত্যিকারের হৃদয়গ্রাহী গান লিখতে গেলে প্রেমিক/প্রেমিকা একজনকে মরতে হবে। যেহেতু তুমি গান টান লিখতে পার না আর আমি একটু আধটু পারি অতএব তোমার উচিৎ আমার জন্য এতটুকু নিজেকে উৎসর্গ করা।
চরম শোকে পরম কষ্টে চোক্ষে পানি আইসা গেল আর সাথে সাথে ক্ষীন কন্ঠে গলা দিয়ে বের হয়ে এলো --আই এ্যাম লোনলি ব্রোকেন এঞ্জেল----





অনেক দিন পর। আমি ভাবি চট্টগ্রাম গেলেন নাকী!
হা হা হা ---ভাল আছেন তো?
তোমার সংবেদনশীলতা ধরতে তিনি ব্যর্থ
এতদিন কোথায় ছিলেন?
তোমাকে জানাচ্ছি শারদীয় শুভেচ্ছা।
তুমিই আমার মনের কথা বুঝলা বন্ধু।
ক-তদিন পর এলেন। আপনাকে খুব মিস করছিলাম। এবার স্থির হয়ে বসেন। আমাদের সাথে গল্প গুজব করেন, নড়াচড়া কইরেন না।
পায়ের তলায় সরিষা তাই স্থীর হইতে পারছি না।
এতোদিন কোথায় ছিলেন? নাটোরের বনলতা সেন?

সব্বনাশ আমি নাটরে না সৈয়দপুরে---
ভাল আছেন তো? অনেক অনেক ভাল থাকুন।
ছেলেরা মনের কথা মুখে বলতে আসলে এতটা পটু না,
ভালবাসার অনুভূতির জবাবে 'ভালবাসি' বলার ক্ষেত্রে জড়তা টা আরো বেড়ে যায়।
আপনার লেখা আরো নিয়মিত পেতে মঞ্চায়!ভাল থাকুন সবসময়।।
ভাই বিবা এতদিন জেনে আসলাম বঙ্গললনার বুক ফাটে তবু মুখ ফুটে না। এই বারই জানলাম বাঙ্গললনরাও বলতে পারে তাইলে বন্ধু হইবেটা কি?? এ জাতি থেকে কি প্রেম উধাও হয়ে যাবে?
মেয়েরা হবে লাজুকলতা,
আর
ছেলেরা হবে ম্যাচো ম্যান..
এটাই এখন নিয়ম হয়ে গেছে,এর বাইরে কিছু হলেই সবার চোখ বড় হয়ে যায়!
ছেলেরা এমনিতে অনেক বড় বড় কথা বলে ফেলে বটে।কিন্তু ইমোশন প্রকাশ করার ক্ষেত্রে, বিশেষত ভালবাসা প্রকাশের ক্ষেত্র দেখা যায় পৌরষত্বের গৌরবে লজ্জায় গুম হয়ে যায়!
তাছাড়া
গান শোনেন নাই?
পিথিমিতে পেম বলে কিছু নেই..!
ঠিক বলেছেন ভাই, পিরথিবীতে পেরেম বলে কিছু নাই কিছু নাইইইইই নইলে এত্ত বড় কথা আমাকে বলতে পাড়লো। চোখ তার চোরা বালি মনটা পাত্থর।
উনি কি মমতাজ মারা যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন? তাজমহলের ড্রয়িং রেডি?

তাজমহলের ড্রইং নাকি নতুন সঙ্গী নির্বাচনের প্লানিং---আবার ও চোক্ষে পানি আইসা পড়লো------------আই এ্যাম লোনলি ব্রোকেন এঞ্জেল---- ---------।
পিওর লাভ গানটা শুনতে ভাল লাগে। তবে ভিডিওটায় কাহিনী অনেকটা বাংলা সিনেমা মনে হয়েছে।
অ্যাম সো লোনলি , ব্রোকেন এ্যাঞ্জেল ....এটাও বেশ শ্রুতিমধুর। ভিডিওটা দেখা হয়নি এখনো।
আপনি কি আউল সিটির ভ্যানিলা টোয়াইলাইট (ও ডার্লিং, আই উইশ ইউ আর হেয়ার..) গানটা শুনেছেন? না শুনে থাকলে, ইউটিউবে সার্চ দিলেই পাবেন। গানটা আপনার ভাল লাগবে।
শুভেচ্ছা । গানে থাকুন। ভাল থাকুন।
ধন্যবাদ আইরিন । গান খুঁজে অবশ্যই বের করবো। মেয়ে স্কুল থেকে ফিরলেই ওকে বসিয়ে দেব।
উল্লেখিত তিনটা গানই খুব ভালো পাই।
কেমন আছেন আপু?
ভাল আছি মায়াবতী । ভাল লাগছে আপনাকে পেয়ে।
মন্দ নয়।
চোখর পানি... বলাতেও, কখনো সখনো সুখ বোধ হয়।
”ভালবাসি “র তীব্রতা প্রকাশ্যই বড় অচীন।
মন্তব্য করুন