জগতের আনন্দ যজ্ঞে.............
অক্টোবর ৮
কাজ থেকে ফিরেই দৌড়ে গেলাম ল্যাংগুয়েজ শেখার ক্লাসে, সেখান থেকে বাসায় ফিরে হন্তদন্ত হয়ে গেলাম বাজারে। একগাদা বাজার করে ফিরতে ফিরতে রাত আটটা। কি করি ভীষন টায়ার্ড লাগছে। অথচ উপায় নেই। রাঁধতেই হবে। এই সেশনে যারা নতুন এসেছেন, তাদের সহ কিছু পুরোনো বন্ধুদের কাল খেতে বলেছি। এটা এখানকার রুটিন ওয়ার্ক। সবাইকে করতে হয়। ৩০ জন মানুষের রান্না, কিছুটা এগিয়ে না রাখলেই নয়!
রাত দশটায় আমার আদরের এক তরুণ দম্পত্তি এসে হাজির। তরুণী গিন্নি এসেই কোমর বেঁধে লাগার চেষ্টায় ব্রত, "আপু আপনাকে হেল্প করতে চাই..।" কোনরকমে ওকে ক্ষান্ত করলাম। এদিকে আমার ক্লান্তি ওদের দেখে জানালা দিয়ে পালালো। চললো কাজ আর ভোর চারটা পর্যন্ত আড্ডা।
অক্টোবর ৯
সকাল বেলা আট টার দিকে উঠতে হল। রান্না যে কিছুই হয়নি! সরাসরি রান্না ঘরে ছুটলাম। বাইরে দারুণ বৃষ্টি। মনটা খারাপ এত বৃষ্টিতে সবাই আসবে কি করে! তবুও করলাম, কাচ্চি বিরানি, রোষ্টেড চিকেন, চিকেন চপ, গলদা চিংড়ির মালাইকারী আর মিক্সড ভেজিটেবল। সং্গে দেশী ঘরানার সালাড। রান্নার পাশাপাশি ঘর গুছানোর কাজে ফিনিশিং টাচ দিতেই বিকেল চারটা ছাড়িয়ে গেল। এর মধ্যে একবার শিরিন ভাবী ফোন দিলেন। ব্যস্ততার জন্য কথা বলতে পারলাম না ঠিক মত; কর্তাকে ধরিয়ে দিলাম। ভাবী কি করে কর্তাকে ম্যানেজ করিয়ে ফেলল, কাল একবার যেতেই হবে ওনার বাসায়। 'মানুষ যে কি করে এত ভালো হয়!
আমার সব আশংকা ভণ্ডুল করে দিয়ে সন্ধ্যায় সবাই একে একে আসতে শুরু করলো।পুরো বাড়ি গমগম আড্ডা চলছে, চলছে খাওয়া-দাওয়া। এক ঘরে বাচ্চারা হুলস্থূল করছে। ছেলেরা পাশের ঘরে। বরাবরের মত মেয়েদের দখলে আরেক রুম।
এর মধ্যেই একবার দেশ থেকে ফোন। আমি তো নার্ভাস বোধ করছি, হঠাত ফোন কেন? কারণ সাধারণতঃ ফোন আমিই করি। ফোন ধরতেই আম্মু ছেলেমানুষের মত একটা কাজ করল। আনন্দে আমার চোখে পানি এসে যাবার যোগাড়! মা'কে বল্লাম, "মা এখন তো কথা বলতে পারছি না, দু-তিন ঘন্টা পরে ফোন দেব।" চোখের সামনে ভেসে উঠলো মা' হয়তো যত্ন করে পায়েশ রাঁধছেন। আরও কত কথা, কিন্তু ব্যস্ততার জন্য কোন কিছুকেই প্রশ্রয় দেওয়া গেলনা।
রাত সাড়ে ১১ টার দিকে কিছু দম্পত্তি বিদায় নিলেন। কিন্তু রেগুলার আড্ডার সঙ্গী সাথীদের যাবার কোন নাম গন্ধ নেই। বিছানাতেই আড্ডা চলছে, আমি ক্লান্তিতে আধ শোওয়া হয়ে আছি-হঠাত সব গুলো একসাথে চেঁচিয়ে উঠলো "হ্যাপি বার্থডে টু ইউ।" আমি চমকে উঠে বসলাম। হায় আল্লাহ! এরা জানলো কোত্থেকে? মাথার পেছনের দেয়াল ঘড়িটর ছোট অথচ মূল্যবান কাটাটা তখন বারোটার ঘরে আয়েশ করছে। তারপর দেখি, সবার ঝোলা থেকে কিছু না কিছু বেরুলো। গতকাল রাতের আড্ডার সঙ্গিনীর মুখে বিজয়ীর হাসি। সেই আমার এই দিনটার কথা মনে রেখে, সবাইকে বলে দিয়েছে। আমার মানব জীবন ধন্য হবার পালা। আহা! এত ভালোবাসা এই ছোট্ট জীবনে কোথায় রাখি?
এরপর সঙ্গিনীরা কর্তাকে ধরলেন-"জন্মদিনের গিফট কই, দেখাতে হবে। আমি তো আল্লাহ আল্লাহ করছি, কারণ আমার ভদ্রলোক মানুষ ভালো কিন্তু এসব কাজে ভীষন আনাড়ি। হয়তো দিনটার কথা ভুলেই বসে আছে। (এগুলো পূর্ব অভিজ্ঞতার ফসল।
)
ওমা! সেও দেখি আমার আশংকা অমূলক করে, সবার সামনে একটা প্যাকেট ধরিয়ে দিলেন। প্যাকেট খুলে আমি অবাক! প্যাকেটের ভেতর চোখ মেলে তাকিয়ে আছে একটা ছোট্ট সুন্দর গোলাপী রঙ এর ক্যমেরা।
অক্টোবর ১০
আজ টোকিওতে মেলা। যাবার পথে শিরিন ভাবীর বাসা। সেখানে নামতেই হল। ওমা! সে দেখি বিশাল আয়োজন। তারপর সবাই একসঙ্গে গেলাম টোকিওতে। বেলা ততক্ষণে পড়ে এসেছে। বিকেলের ম্লান আলোতে একজন লোককে দেখে মনে হল, আমি যেন মানুষটাকে চিনি। সাহস করে এগিয়ে একটু কথা বললাম। খুব নার্ভাস লাগছিল।
মানুষটা আর কেউ না। তিনি ব্লগার জ্বিনের বাদশাহ। কি বলবো? নাকি তিনি বিরক্ত হচ্ছেন, এসব ভেবে তাড়াতাড়ি সরে এলাম।
উপভোগ করলাম দেশ বরেণ্য শিল্পি ফেরদৌস আরার গান।
রাতে ফিরে লায়লা ভাবীর বাসায় গেলাম দাওয়াতে, সেখানে ঢুকতেই, সমস্বরে সবাই আরেক প্রস্থ উইশ করলো। সবাই আমাকে ঘিরে গোল হয়ে বসলো। চললো রাত ১২ টা অব্দি।
চলে গেল ১০-১০-১০।
খসে গেল জীবনে থেকে আরো কিছু সময়। কেবল সঞ্চিত রইলো এইসব ভালোবাসারা। এক জীবনে আর কি চাই!!





শুভ জন্মদিন আপু...
কিন্তু জ্বিনজি তো বিরক্ত হওয়ার মানুষ না
... উনি যথেষ্ট ভাললুক .. সত্যি.. আপনি এতটা ভদ্রতা না করলেও পারতেন
... একটা ঝাড়ি দিতেন এই বলে যে, ব্লগিং বাদ দিয়ে এইখানে কি
রোষ্টেড চিকেন... এইটার কোন বিকল্প নাই? চিকেন খাইতে খাইতে আর ভাল্লাগে না ... নয়া জোশিলা একটা রেসিপি দিয়েন...
আবার জন্মদিনের শুভেচ্ছা..
ভাল কাটুক
আনন্দে কাটুক
ধন্যবাদ টুটুল। সত্যি ব্লগে নিজের জন্মদিনের ঢোলটা পেটাতে একটু লজ্জাই লাগছিল কিন্তু কেমন করে যেন পিটিয়েও ফেললাম।
আর সাথে সাথে এরকম শুভেচ্ছা পেয়ে অনেক আপ্লুত বোধ করছি। সত্যি যে কোন ভালোবাসার কাছে এরকম আকণ্ঠ ঋণী থাকতে একটুও লজ্জা করেনা।
ভালো থাকুন।
আর হ্যাঁ জানি, জ্বিনের বাদশাহ মানুষ খুবই ভালো। ইনফ্যাক্ট যে সব ব্লগারদের সাথে আমার ভার্চুয়াল বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে তাদের কে আমার মানুষ হিসেবে দারুন মনে হ্য়। তাদের দলে আপনিও কিন্তু আছেন।
কিন্তু আমি যা লেখালিখি করি তা নিয়ে অন্যের সামনে দঁাড়াতে খুবই লজ্জা করে। মনে হয়, হয়তো আমাকে চিনতেই পারবে না।
জ্বিনের বাদশাহ ছাড়া আজ পর্যন্ত কোন ব্লগারের সাথে আমার দেখা হয়নি। তাই এখনও আমার ফিলিং টা এমন যে, যেহেতু লেখালেখির সূত্রে পরিচয় সেহেতু যা লিখি তা নিয়ে অন্যের সামনে দাঁড়াবো কি করে!!!!!!
আপা ... দেশে আইসা একবার আওয়াজ দিয়েন... আপনার দাড়াতে হবে না... আমরাই আপনার সামনে গিয়ে হাজির হব
আর আম্রা আম্রাইতো
টুটুল বিশেষা বিশেষ সময়ে নাকি মানুষের মন তরল থাকে। তরলমতি হয়ে তো নিজের ঢোল পিটিয়েই সারা হলাম। তারপরও সবাই কত উদার। আমার এই তুচছতাকে খমা করে যে আনতরিকতা নিয়ে বললেন, তাতেই আমি ধন্য।
ইনশাললাহ দেখা হবে।
আবারও অনেক অনেক শুভেচছা।
অটঃ যুকত অকখর লিখতে পারছি না। দুঃখিত।
শুভ জন্মদিন শাপলা। খাবারের বর্ণনা শুনে মনে হলো এখনই জাপান রওয়ানা দেই
ধন্যবাদ মামুন ভাই।
আয়লা এষাকে নিয়ে য়লে আসেন জাপানে। আমি কিন্ত ভালো বাচ্চা ম্যানেজ করতে পারি। আমি আর আমার কন্যা,আয়লা-এষাকে নিয়ে খেলবো আর আপনি ভাবী কে নিয়ে জাপান ঘুরে দেখবেন।
বাচ্চারা আমার যেমন ভক্ত তেমনি আমার মেয়েরও।
এখানে দেড় বছরের একটা মেয়ে বাচ্চা আছে, খুব আল্লাদী। সে পকেটে প্যান্ট ছাড়া পরবে না। মানে তার প্যান্টের অবশ্যই পকেট থাকতে হবে। দুষ্টুটা সারাক্ষণ পকেটে হাত ঢুকিয়ে থাকে। আর মাঝে মাঝে ঃাত বের করে কিন্তু সেটা আমার সাত বছরের মেয়েটাকে মারার জন্য। হঠাত হাত বের করে একটা রাম খামচি দিয়ে আবার পকেটে হাত ঢুকিয়ে ভালো মানুষের মুখ করে ঘুরে বেরায়।
আমার ওর ভয়ে পুরো ঘরময় ছুটে বেরায় আর ও চান্স পেলেই মারে। সে এক দেকহার মত দৃশ্য!
শুভ জন্মদিন
ধন্যবাদ রায়হান ভাই।
আপনাকে অনেক অনেক শুভেচছা।
অটঃ যুকত অকখর লিখতে পারছি না। দুঃখিত।
প্রিয় শাপলা, শুভ জন্মদিন!
ব্লগে ঢুকেই দারুণ উপভোগ করলাম তোমার পোস্ট।
দুলাভাইর জন্য থাম্বস আপ।
জ্বিনজীর দেখা পেয়েছো জেনে মজা পেলাম। পৃথিবী তাহলে বেশি বড় না
ধন্যবাদ নুশেরা।
আমার মত অধমরে নিয়া তো কারও পোষট দেবার কোন সমভাবনা নেই। তাই নিজের পোষট নিজেই দিতে হল আর কি!
গোমেননে বস।
তুমি কেমন আছ? আমার মা'টা?
ধূররররররর>>>>>>>>>!!!!!!!!!! লেখাটা পড়ার পর মনে হলো, ধেৎ, এতো তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল!
এতো এতো ভালো লাগলো।
এত সুনদর করে বললেন, চোখে পানি েসে গেল।
অটঃ যুকত অকখর লিখতে পারছি না। দুঃখিত।
জন্মদিনের লক্ষ-কোটি শুভেচ্ছা শাপলা'পু। আপনার জাপানের বাসাটা নিয়ে কিছু লেখা দিয়েন তো। মনে হচ্ছে পুরোনো যৌথ পরিবারের বিরাট বাড়িতে থাকেন। এবং ব্যপক আরামে আছেন। ওস্তাদ আপনার সুখ চিরস্থায়ী করুক।
আর জ্বিনদা'র লগে দেখা হৈসে এতো দারুণ কথা। সে আপনারে কি কয়?
ওরে বাচচু আরিগাতো। তোর সব ক'টা গলপই পড়লাম। মনতব্য করার সময় পাই নাই। ভীষন দৌড়ের উপর আছি।
হ জিন দা মানুষ ভালো, ভাব দেখাইল আমারে চিনতে পারছে, কিনতু ঘটনা বেশী সুবিধার মনে হইল না। তাই তা
ড়াতাড়ি কেটে পড়লাম। হা হা হা

সবাই এমন জন্মদিন করছে কেন। আমিও শুভেচ্ছা জানাইলাম।
আমি শুভেচছা আননদের সঙগে নিলাম। ধন্যবাদ।
অটঃ যুকত অকখর লিখতে পারছি না। দুঃখিত।
পাখী তোমার জন্মদিন ছিল----জানতামনাতো! অশেষ শুভেচ্ছা। বাকী সব জন্মদিনগুলোও যেন এমনি আনন্দে কাটে---------এই শুভকামনা।
ধন্যবাদ আপু। আমি বিনীত।
ভালো আছি। আসলে এতই তুচছ মানুষ আমি, কাউকে বলতে লজজা লাগে।
তাই ফেইস বুক স হ কোথাও ই ইনফরমেশনটা নাই।
আপু কাল শেষ রাতে তোমার একটা লেখা পড়লাম। মনতব্য করা হ্য়নি, করবো।
তুমি ভালো আছ তো?
অটঃ যুকত অকখর লিখতে পারছি না। দুঃখিত।
জন্মদিনের বাসি শুভেচ্ছা।
আমার কপাল্টাই খারাপ এই হাংগুক আসার আগে এক বড় আপু ছিলো আমার পাশের সিটিতে সে এখন দূরে যাইতে যাইতে অনেক দূর চলে গেছে।আর আপনি তো আরেক দেশে।
এত কিছু রান্না করেন।খালি ব্লগেই পড়ি।খাইতে পারলাম না।আফসুস
(
(
দুলাভাই গোলাপী ক্যামেরাটা কি আলমারীতে তুলে রাকাহ্র জন্য দিছে?এরপর থেকে ব্লগে ছবি না দিলে খবর আছে??

রাসেল ভাই ঈমানে কইতেছি, জাপানে আইসা বেরায় যান। আমি নিজের হাতে আপনারে রাননা করে খাওয়াবো।
ভালো থাকবেন।
আপনার ক্যাডেট নিয়া ঘর-সংসারের গল্প পড়তাম আগে...এখন দেখি জাপানেও একই অবস্থা করে ফেলছেন!
হ বাচচু, আছি ভালোই। সবাইকে নিয়ে।
তুমি কেমন আছ?
বেঁচে আছি
শুভ জন্মদিন আপু....অনেক অনে.........ক শুভেচ্ছা
ধন্যবাদ রুমিয়া। তোমার নামের মধ্যে দারুণ একটা কাব্যিকভাব আছে। কেমন আছ ভাই?
শুভ জন্মদিন, জাতীয় ফুল !
শোনেন, খাবার-দাবারের বর্ণনা, একটু কম দিবেন, আমগো মতন ব্যাচেলরগো সমস্যা হয় !
জীবিত থেকে বিবাহীত হওয়া মানুষগুলা এই একটা জায়গায় খুব সুখে আছে
আচছা যান দেব না। আসলে রাননা ছাড়া আর তো তেমন কিছু জানিনা। তাই ঘুরে ফিরে রাননার কথা চলে আসে।
গোমেননে।
জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা আপনাকে।
ধন্যবাদ মেঘ। খুব ভালো লাগলো আপনাদের পেয়ে।
শুভ জন্মদিন!!!

টোকিওতে শীত পড়ছে নাকি?
জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা আপনাকে
বলেন কি? আমাকে দেখে কি বিরক্ত মনে হয়েছে?
... সর্বনাশ! 
আমিও আসলে বন্ধুবান্ধবদের কাছে ব্লগিং করার বিষয়টা গোপনই রেখেছি। তাই একটু যে নার্ভাস হয়ে যাইনি তা না।
) দেখা হবে।। তখন এই এলাকায় আরো কিছু ব্লগার বাড়ানো যাবে, কি বলেন?
তবে আশা রাখি পরে আড্ডা-টাড্ডায় (আশা করি আপনার রন্ধনযজ্ঞের সৌজন্যে
বস, ছি ছি কি যে বলেন? আপনে হইলেন কামেল মানুষ। আপনি কি অধমের প্রতি বিরক্ত হতে পারেন?!!
ইনশাল্লাহ! একদিন আপনাকে স্বপরিবারে খাও্যাবো যান---।
শুভ জন্মদিন।
বৃষ্টির মেনুতো এটা না। খিচুড়ি, ইলিশ, গরু হবে বৃষ্টির মেনু। হবে না হবে না হবে না। আবার রাধো আমরা আসতেছি
তাতাপু চলে এসো, তোমার জন্য তাই সই। খুব বৃষ্টি হচ্ছে এখানে।
জাপান না কতো উন্নত দেশ? সেই জাপানে জ্বিন পাওয়া যায় তাইলে?
জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
বস আমি জ্বিন পাইনি তো, জ্বিনের বাদষহাকে পেয়েছিলাম। তাও একটুখানির জন্য। টারপর দেখি ভ্যানিশ হয়ে গেল।
শুভ জন্মদিন আপু।
ধন্যবাদ আসিফ।
এইসব মায়াবীসময়, ভালোবাসা যতো অক্ষয় থাকুক বুকের পাঁজরজুড়ে।

কবে আসবো আপনার বাড়িতে জলদি কন এখন 
প্রতিটি দিন জেগে উঠুন প্রথম জন্মের সিগ্ধতা নিয়ে। শুভ জন্মদিন শাপলামণি!!!
আপনি অসম্ভব সুন্দর মনের একজন মানুষ গো আপুনি। অনেক শুভ কামনা( যদিও দেরীতে শুভেচ্ছা দিলাম) ভালো থাকা হোক
বাতিঘর কেন বলে লোকে জানেন তো! আপনার মত সুন্দর মনের হয়তো হতে পারবো না, তবে আপনি এত সুন্দর করে বললেন যে বিশ্বাস করতে ইচ্চা করে অনেক কিছু।
পারলে এখুনি চলে আসুন। আমি কিন্তু অপেক্ষা করে রইলাম।
কবে যে বিদ্যাশ যামু !!
হ বিদেশ কত্ত ভালো, বউরে ফ্রী কাজের লোক বানানো যায়..

জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
শুভেচ্ছা বিন্যের সাথে গৃহীত হল।
কথাটা বিনয় হবে।
জন্মদিনের শুভকামনা অনেক অনেক... দোক না দেরিতে দিচ্ছি, শুভেচ্ছা, শুভকামনা র কোন 'লেট লতিফ' নাই...
লেখাটা পড়তে ভাল্লাগছে... মায়াময়ী শাপলা, চলতে থাকুক নিরন্তর ভালবাসার এহেন ঘাপলা!!...
এত সুন্দর করে লিখলে আমি কিন্তু রোজ রোজ ঘাপলা করবো।
যা হোক সব শেষে বলি,
আজ আমি চলি....
দিলাম ডুব, কিছুদিন চুপ
শুভ জন্মদিন.. অনেক দেরী হয়ে গেলো যদিও... ভালো খাকেন সবসময়ে।
এই রে! লেইট করাতে দেরী হয়ে গেল আপূ।
জ্বিনজীর দেখা পাইছেন তাইলে। জ্বিনজীর সাথে দেখা করুমনে ইনশাআল্লাহ, কোন সময় দেশে অথবা জাপানে!
জ্বিনজীরে জাপানে দেখতে আসলে, আমারেও একটু আপনার পায়ের ধুলা দিয়েন গো!
মন্তব্য করুন