ইউজার লগইন

বন্ধু আমার---১

bleeding_rose[1].jpg

হঠাৎ সহনীয় অথচ একঘেঁয়ে একটা শব্দে ঘুম ভাঙ্গে স্বাতীর। ঘুমের মধ্যে প্রথমে ঠিক ঠাহর করতে পারে না, কিসের শব্দ এটা?
হাতড়ে মুঠো ফোনটা যখন হাতের নাগালে চলে আসে, তখনই স্বাতী সম্বিত ফিরে পায়, না এটা এলার্ম ক্লক নয়। ঘরের কোনায় ল্যান্ড ফোনটা বেজেই চলেছে। ঝটপট উঠে পড়ে সে। আলসেমি করলেই--আর উঠতে পারবে না জানে।
হ্যালো, মে আই নো হু ইজ দিস? ঘুমে জড়ানো অস্পষ্ট কণ্ঠ স্বাতীর।
-মর্নিং স্যাটি, দিস ইজ কারিনা।
কুড ইউ কাম টু দ্যা অফিস এ্যাজ সুন এ্যাজ পসিবল।
-হোয়াট? ঘুমের মধ্যে স্বাতী কিছু ঠাহর করতে পারে না।
-"রাইট নাউ।" কারিনা লাইনটা কেটে দেয়।
এরকমটা আগে কখনই ঘটেনি। কিন্তু হঠাৎ তার ব্রাজিলিয়ান বস কারিনা কেন এটা করলো সেটা জিজ্ঞাসা করার কোন সুযোগই পেল না। ব্রাজিলিয়ান বসের উপরে সাত সকালেই স্বাতীর মেজাজ চড়ে যায়। কি এমন জরুরী কাজ পড়ল যে সকাল ৭ টার সময় ফোন করতে হবে? ক্যালেন্ডারে চেক করে নেয়, আজ তার শিফট সকাল ৯:০০ টায়।
আসলে ভোর ৬ টা থেকে ৮:০০ টা পর্যন্ত সময়টা তার একদম নিজের। এ সময়টা সে হাল্কা এক্সারসাইজ করে কিছুক্ষণ। তারপর ক্রীমতোলা ঠান্ডা এক গ্লাস দুধ খায়। বাথটাবে একটু সুগন্ধী মিশিয়ে হট বাথ নেয় আধাঘন্টার উপরে তারপর ঠান্ডা পানির শাওয়ার। সবশেষে অনেকটা সময় নিয়ে প্রস্তুতি নেয়, কমপক্ষে রাত ১০ টা পর্যন্ত বাইরে কাটানোর জন্য।
আগের রাতের গুছিয়ে রাখা কাপড়ের সাথে মিলিয়ে প্রয়োজনীয় প্রসাধন সেরে অতঃপর বসে নিজেকে আয়নায় সাজাতে। প্রথমে ক্লীনজীং লোশন দিয়ে মুখটাকে যত্ন নিয়ে পরিস্কার করে, তারপর দু তিন রকমের লোশন ম্যাসাজ করে, বেইজ ফাউন্ডেশনটাকে ত্বকে বসিয়ে নেয়। এরপর পাউডার বুলিয়ে নাক এবং চিকবোনটাকে ঠিক মত ফুটিয়ে তোলে। চোখটাকে সুন্দর করে এঁকে, আই ল্যাশে মাস্কারা এবং চোখের পাতায় রুচি অনুযায়ী যখন নানান শেড বসিয়ে সাজ কমপ্লিট করে- তখন স্বাতীর শরীরে ক্লান্তি বলে কিছু থাকে না।
ঝরঝরে এবং সতেজ ভাব নিয়ে সময়ের সাথে পাল্লা দেয়। ৩৫ ছুঁই ছুঁই স্বাতী শরীরের যত্ন নেয় বলেইএখনও একদম ফিট। সব সময় পরিপাটি। এই বিদেশ বিঁভূয়ে যে কোন মানসিক ধকল কাটিয়ে উঠতে পারে অনায়াসে। প্রতিদিন দুপুরে একটা ইটালীয়ার রেস্টুরেন্টে মোটামুটি নিয়ম করে একগাদা স্যালাড খায়, সাথে শুকনো এক পীস ব্রেড আর এককাপ কফি। রাতে বাড়ি ফিরে তার যেদিন যেটা মন চায়, পরিমাণ মত খেয়ে নিয়ে ১২ টার মধ্যেই বিছানায় চলে যায় । গত তিন বছর ধরে এরকমটাই চলছে।
দেশে সাধারণতঃ স্বাতীর বয়সী মেয়েরা রীতিমত গিন্নী বনে যায়। স্বামীর অর্থ-বিত্তের সাথে নিজের মেদ বাড়িয়ে ফেলে অনায়াসে। তারপর দুপুরে ভাত-ঘুম, শপিঙ আর বাচ্চা পড়ানোকে ব্রত করে নিয়ে সংসারের সালতামামিতে জড়িয়ে হাঁসফাঁস করতে থাকে।
নিয়মিত যত্ন আর সদিচ্ছার কারণে, এখনও যথেষ্ট আকর্ষণীয়া সে। শরীরে কোথাও কোন বাড়তি মেদ নেই। গায়ের রং এবং উচ্চতার কারণে বিজনেস এ্যাটায়ারে স্বাতীকে ভিনদেশী বলেই ভ্রম হয়। এশিয়ান একটা লুক থাকে কিন্তু ঠিক কোন দেশী এটা যে কারও একটা সংশয় দেখা দিতেই পারে।
গত তিন বছরে এসব রুটিনের খুব একটা ব্যত্যয় হয়নি। আজ অনেক দিন পর কারিনা তার রুটিনটা এলোমেলো করে দিল। কোন রকমে প্রস্তুত হয়ে সীট বেল্ট বেঁধে নিজের শস্তা গাড়িটা ব্যাস্ত সড়কে ছোটায় টেলিফোন কাউন্সেলর স্বাতী।

আধাঘন্টা পর

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুমে বসেও স্বাতী কিছুটা অস্বস্তি বোধ করছে। তার গরম অনভূত হচ্ছে। বস কারিনাকে এ অফিসে সবাই সমীহ করে চলে। খানিকটা ভয়ও পায়। কাজেই সরাসরি স্বাতী কিছু জিজ্ঞাসা করতে সাহস পাচ্ছে না।
মুখোমুখি বসে আছে দুজনে। কিন্তু কারিনা কিছুতেই ঝেড়ে কাশছে না।
অনেক ক্ষণ পরে মুখ খুললো ব্রাজিলিয়ান, ওয়েল স্যাটি---------
-স্বাতী ওকে আন্দাজ করার চেষ্টা করে, কি হতে পারে?
-আমরা একটা কলার পেয়েছি, সে তোমার দেশের লোক।
-তাতে কি? কথা তো যা হয় তা ইংরেজীতেই।
-না, মানে ছেলেটা-- একটা বিশেষ সমস্যা নিয়ে বেশ কিছুদিন আমাদের হেল্প লাইনে কথা বলছিল।
-তো? স্বাতী একটু বিরক্ত হয়।
-আজ সকালে একটা থার্ড পার্টির কল পেলাম, মানে ছেলেটার পরিচিত একজন ফোন করে আমাদের আরেক কাউন্সেলরকে বল্লো, ছেলেটা আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে , সাথে একটা সুইসাইড নোটও আছে। আমরা ছেলেটার বন্ধুকে পুলিশ এবং এ্যাম্বুলেন্স এর জন্য নাম্বার দিয়ে দিয়েছি। তোমার অ্যাম্বেসীর নাম্বার , এখানে যে হসপিটাল সুইসাইডাল কেইস হ্যান্ডল করে তাদের ফোন নাম্বার সবই দিয়েছি।
-স্বাতী বিরক্ত হয়-মনে মনে বলে, তাহলে তো মিটেই গেল। এসবের সাথে তার সম্পর্ক কি? তাকে এত জরুরী তলব করার মানে কি? কিছুতেই সেই অজানা ছেলেটার কাহিনী স্বাতীকে টানছে না। বরং মেজাজটা ক্রমাগত খিঁচড়ে যাচ্ছে বসের উপর। প্রতিদিন শত শত বিদেশীর নানান রকম সমস্যা শুনতে শুনতে মনটা অনেক শক্ত হয়ে যায়। এদিকে মুখ বুঁজে কথা শোনার বিশেষ ট্রনিং থাকায়, মেজাজ সপ্তমে চড়লেও স্বাতীও মুখ খুলতে পারছে না। ধৈর্যের অবতার হয়ে বসে থাকে।
বরং স্বাতী খুব মনোযোগ দিয়ে কারিনার দিকে তাকিয়ে আছে। সে কারিনার চোখ এবং কপলের ভাঁজ আন্দাজ করছে। তাতে যদি কিছু আঁচ করা যায়। যে কোন ধরণের বিপদে নিজেকে খুব ঠান্ডা রাখার বিশেষ ট্রেনিং এর আছে। কাজেই স্বাতীর চেষ্টা খুব একটা সফল হল না। সে বিশেষ কিছু উদ্ধার করতে পারছে না।
-ছেলেটার বন্ধু যখন আমাদেরকে তার ঠিকানাটা বলছিল, আবার শুরু করে কারিনা।তখন দেখলাম- ছেলেটা তোমার বাড়ির কয়েক ব্লক পাশেই থাকে। সাত মিনিটের ওয়াকিং ডিসট্যান্স।
তুমি যেই ইউনিভার্সিটি থেকে পি এইচ ডি করেছ, সেই একই ইউনিভার্সিটিতে পড়তো।

হঠাৎ স্বাতীর মনে হল, সে আর তার নিজের মধ্যে নেই। মাথাটা কেমন দুলে উঠলো।
নাম কি ছেলেটার? অস্ফুট কণঠে বলে ওঠে স্বাতী, বুঝতে পারে-গলায় কোন জোর নেই । বুকের ভেতরটা ফাঁকা ফাঁকা ঠেকে।
-ছেলেটার নাম বিজয়। কারিনা সরাসরি স্বাতীর চোখের দিকে তাকায়।
স্বাতী বিড়বিড় করে বলে, ও কি বেঁচে আছে? স্বাতী বুঝতে পারে, গলার কাছে উঠে আসা কান্নাটা কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছে না। তার দুচোখ ভিজে উঠে। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। চারিদিকে বাতাসের এত অভাব!!!!!
স্বাতী আর কিছু মনে করতে পারে না, ওর চারপাশ কেমন দুলে ওঠে। নিউরো সাইকোলজিষ্ট কারিনা দ্রুত চেয়ার ছাড়ে,
হেই স্যাটি, আর ইউ ওকে? খুব নরম এবং সাবধানী গলায় বলে,
হোয়াট হ্যাপেনড?

পোস্টটি ৬ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

নাজমুল হুদা's picture


কবিতায় মন্তব্য করতেই মুছে গিয়েছিল, আজও কি তেমন হবে? ভয়ে ভয়ে আছি ।
গল্পের শুরু সুন্দর । আশা করি শেষ পর্যন্ত আমরা একটা সুন্দর কিছু পেতে চলেছি ।
শুরুটা হলো স্বাতীকে নিয়ে, পরে আবার গল্পের প্রধান চরিত্রে শাপলা চলে এল যে ? নাকি আমার ভুল হচ্ছে ?

শাপলা's picture


অভিজ্ঞ চোখের ভুল হবার কথা না, আপনি ঠিকই ধরেছিলেন, নাজমুল ভাই। ভুল আমারই হয়েছিল। ঠিক করে দিলাম।
অসংখ্য ধন্যবাদ গল্পটা মনযোগ দিয়ে পড়বার জন্য।

নাজমুল হুদা's picture


ধন্যবাদ ।

শাপলা's picture


নাজমুল ভাই, ওটা শাপলা না, স্বাতীই আমি আমি করে কথা বলছিল...। Big smile Big smile Big smile

নাজমুল হুদা's picture


তা্ই নাকি ? শাপলা আর স্বাতীর চেহারা একই রকম প্রায়, তাই চিনতে পারিনি । তা'ছাড়া চোখেরও তো বয়স হয়েছে, দেখতে হয় বেশী আলোয় ।

টুটুল's picture


একটা টেনশনে পইরা গেলাম Sad

আর এটাই হয়তো লেখকের স্বার্থকতা Smile
দ্রুত চলুক

শাপলা's picture


থ্যান্ক ইউ টুটুল ভাই, আপনার মন্তব্য আমাকে অনেক অনেক সাহস যোগালো।

রশীদা আফরোজ's picture


এটা কি হলো? টেনশন আমার সয় না, খুব দ্রুত পরের কিস্তি দিন।
এতো ভালো লাগলো, ভালোবাসা নিন, শাপলা।

শাপলা's picture


ধন্যবাদ রশীদা, এত সুন্দর করে বলেন, যে কি বলব?

ভালো থাকুন আর পরে যদি লিখতে ইচ্ছা না করে, যদি সময় না পাই, তাই আরেকটা পর্ব সাথে সাথে দিলাম। পড়লে খুশী হব।

১০

তানবীরা's picture


গল্পের নায়িকার নাম "স্বাতী" Cool , ব্রেশ ব্রেশ

পরের পর্ব দ্রুত আসুক, এ কয়দিন রান্না বান্না বন্ধ থাকুক।

লাষ্ট সেনটেন্স কি হবে? ওয়াট না হোয়াট? জানতে চাইছি জাষ্ট

Laughing out loud

১১

শাপলা's picture


কায়দা করে যখন ইংরেজরা বলে, তখন হো্যাট কে তো ওয়াট ের মতই শুনি, বন্ধু তুমি বলো, ওটাকে মানে ও টাকে কি হো করে দিলে ভালো লাগবে?
তুমি তো সারা চামড়ার দেশের মানুষ।

১২

আবদুর রাজ্জাক শিপন's picture


গল্প উপাদেয় ।

নায়িকার জায়গায় স্বাতি না হইয়া শাপলা হলেও সমস্যা নাই !
শাপলা'বু যে সাজগোজ করেনা, সেই কথা আমরা জানি ! Cool

১৩

শাপলা's picture


আড়াশি তোমারে সাঁড়াষি দি্যে ধরবো। তুমি আমারে পঁচাইতেছ কেন দাদা?

১৪

জেবীন's picture


শুরুটা পছন্দ হইছে .।।। পরবর্তীটার অপেক্ষায় রইলাম Smile

আমাদের তাতা'পু মানে স্বাতী'পু ও কিন্তু একদম ফিটফাট.।.।। Wink

১৫

তানবীরা's picture


সব বিদেশী শক্তির ষড়যন্ত্র। জেনে জেনেই "স্বাতী" নাম দেয়া হয়েছে তাও আমি জানি। Cool

১৬

শাপলা's picture


ধন্যবাদ জেবীন। আপনারা এই ব্লগের প্রাণ। আপনি একটা লেখা দিয়েছেন, সময়ের অভাবে পড়তে পারিনি। আমি দুঃখিত। তাড়াতাড়ি পড়ে আসবো।

ভালো থাকুন সব সময়।

১৭

শাপলা's picture


হায় হায় তাতার নাম কি স্বাতী নাকি? ওয়াও তাহলে তো মানাবে বেশ!

১৮

জেবীন's picture


নামটা পড়তেই   আমিতো সাজগোজের চিত্রকল্পটায় তাতা'পু কেই দেখছিলাম...  Tongue

১৯

শাপলা's picture


Big smile Big smile Big smile

২০

নীড় সন্ধানী's picture


ধুরো টেনশান, পরের পর্বে যাই Sad

২১

শাপলা's picture


নীড় দা, কেমন আছেন?

সব সময় ভালো থাকুন, এই কামনাই করি।

২২

রাসেল আশরাফ's picture


যাই পরের পর্ব পড়ি।

২৩

শাপলা's picture


রাসেল ভাই, সব সময় সঙ্গে থাকার জন্য, অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৪

রুমিয়া's picture


লেখা বেশ পছন্দ হইছে ..যাই পরের পর্ব পড়ি..Smile

২৫

শাপলা's picture


ধন্যবাদ রুমিয়া। ভালো আছেন তো?

আপনাদের অনেকের লেখাই স হজে পড়তে যেতে পারি না বলে, আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ইচ্ছা থাকে খুব।
শুভেচ্ছা, ভালো থাকুন সব সময়।

২৬

সাহাদাত উদরাজী's picture


চুপচাপ পড়ে গেলাম - ১।

২৭

শাপলা's picture


ধন্যবাদ উদরাজী ভাই।

২৮

হালিম আলী's picture


পড়লাম । পরেরটা পড়তে যাই।

২৯

শাপলা's picture


ধন্যবাদ হালিম ভাই।

৩০

নীড় _হারা_পাখি's picture


শাপলা দি , কেমন আছ? তোমার লেখা বেশ ভাল লাগে মজাও পাই।কিন্তু এইবার এমন হোয়াট এর মধ্যে আটকে রাখলেন কেন? শেষ করেন মানে পরের পর্ব কবে পাব? আমিও নাজমুল হুদা ভাই এর মত বেহুদা টেনশন করছিলাম স্বাতী কেন শাপলা লাগছে? তার পর আপনি যখন বললেন স্বাতী শাপলা না। আপনার দাবী মেনে নিলাম । ভাল থাকুন। আর জলদি করে পরবর্তি পর্ব ছারুন।

৩১

শাপলা's picture


ধন্যবাদ নীড় দা।
আর বইলেন না, আমি তো আর লিখিয়ে নই, তাই ভুল ভ্রান্ত থাকেই, মানে ম্যান ইজ মরটাল।

৩২

শওকত মাসুম's picture


স্বাতীর একটা ছবি দেওন যায় না?

৩৩

শাপলা's picture


না বস, ছবি দিলেই সে আবার আপনার ভক্ত হয়ে যেতে পারে। যখন তখন আপনার অফিসে যদি হানা দেয়....।

৩৪

শাওন৩৫০৪'s picture


হেহে, এই পর্বে দেখি অনেক খানি সাজুগুজুর বর্ননা!
ডিটেইলিংয়ে, স্বাতীর হাইট টা বাদ পৈড়া যাওয়ায়, স্বাতীরে চোখে ভাসাইতে একটু....
লেখা ছোটো ছোটো পর্বে জলদি জলদি দেয়া অনেক ভালো, পৈড়া পাঠকের আরাম।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
নেক্সট পর্বে যাই.....

৩৫

শাপলা's picture


বিলাই এর কি স্বাতীরে পছন্দ হইছে? দাঁড়াও আগে বিজয়েে একটা গতি করে নেই।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

শাপলা's picture

নিজের সম্পর্কে

আমি ভালোবাসি, মা, মাটি, আমার আত্মজা এবং আমার বন্ধুদের যারা আমাকে প্রকৃতই বুঝতে পারেন।