ইউজার লগইন

উত্তরাধিকারঃ প্রাসঙ্গিক বিষয়ে (অ)প্রাসঙ্গিক ভাবনা

জজ হবার খায়েশ নিয়ে ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা দিচ্ছি। গতকাল “পারিবারিকসম্পর্ক বিষয়ক আইন” এর লিখিত পরীক্ষা দিয়ে আসলাম। যেহেতু পরীক্ষার জন্যে প্রয়োজনীয় পড়াশুনার পরিমান অত্যন্ত কম, কাজেই লেখার সময় অনেক ভাবনাচিন্তা করে লিখতে হয়। পরীক্ষায় উত্তর লিখতে গিয়েই ভাবতে ভাবতে একটা বিষয়ের দিকে আমার মনোযোগ চলে গেল, এবং আজকের লেখার বিষয়টা সেই ভাবনা থেকেই উৎসরিত।

২০১০ সালে বাংলাদেশে যে নারীনীতি প্রণয়ন করা হয় তাতে বেশ কিছু ভোটাবেদনময় বিষয় আছে, এরকমটাই আমার ধারনা। কেননা এতে বেশ কিছু মূলনীতি রয়েছে যা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বাস্তবায়ন করা একেবারেই সম্ভব না। সেগুলো গালভরা গল্প হিসাবে মোটামুটি ঠিক আছে। এরকমই একটা বিষয় হলো সম্পত্তিতে নারীর উত্তরাধিকার বিষয়ক মূলনীতিটি। আবার নারীনীতিতে এমন কিছু দিককে অবহেলা করে ফেলে রাখা হয়েছে যা করে ফেলতে পারলে সব সমস্যাই দূর হয়ে যেত চোখের পলকে এবং চাইলেই তা করে ফেলা যাবে।

আমার যতদূর মনে পড়ে সেখানে লেখা ছিল যে সম্পত্তি যখন নারী উত্তরাধিকারসূত্রে অর্জন করবে তখন সে ততখানি অর্জন করবে যতটা সমমাত্রার একজন পুরুষ (নারীর সমমাত্রার পুরুষ, যেমনঃ ভাই-বোন, বাবা-মা, ছেলে-মেয়ে) অর্জন করে থাকে।

এই মূলনীতির বিরোধিতা করে অনেকে রাস্তায় নেমে “কোরানের আইন বদলাইয়া ফালাইলো রে” প্রভৃতি হুঙ্কার তুলে কোরানের সম্মান রক্ষার্থে রাস্তায় নেমে পড়েছিল । তারা পুলিশের উপর আক্রমণ চালিয়েছিল, পুলিশ পিটিয়েছিল, ইট পাটকেলও মেরেছিল। আবার তাদের দিকে ধেয়ে আসা টিয়ার গ্যাস শেল বা ইটের টুকরোগুলোকে “বল” মনে করে হাতে থাকা পবিত্র কোরানকে “ব্যাট” বানিয়ে সেই বলগুলো ঠেকিয়ে শরীর বাঁচানোর চেষ্টা করে করে তারা কোরানকে প্রকৃতই যে “বাঁচিয়েছিল” সেটা আমরা সবাই দেখেছি। সেদিন হুজুরদের কারো কারো মার্শাল আর্টের দক্ষতাও আমাদের নজর এড়ায় নি।

সমস্যা হলো “সম্পত্তি যখন নারী উত্তরাধিকারসূত্রে অর্জন করবে তখন সে ততখানি অর্জন করবে যতটা সমমাত্রার একজন পুরুষ অর্জন করে থাকে” এই মূলনীতিটা বাস্তবায়ন করা আসলে সম্ভব না কারন এর ফলে কোরানের বাণীর প্রত্যক্ষ পরিবর্তন আসলেই ঘটবে।

বাংলাদেশের মুসলমানদের উত্তরাধিকার, বিয়ে, তালাক, দেনমোহর, দান, ওয়াসিয়াত ইত্যাদি মুসলিম আইন দ্বারা মূলতঃ নিয়ন্ত্রিত। মুসলিম আইনের প্রধানতম উৎস হলো পবিত্র কোরান যার সূরা নিসার এগার, বারো এবং একশত ছিয়াত্তর নাম্বার আয়াত তিনটিকে উত্তরাধিকার আইনের মূল উৎস হিসাবে বিবেচনা করা হয়, যেখানে স্পষ্ট করে নির্দেশিত আছে যে সমান অধিকার সম্পন্ন নারী ও পুরুষ (যেমনঃ পুত্র-কন্যা কিংবা ভাই-বোন) এর মাঝে উত্তরাধিকারসূত্রে যে সম্পদ বন্টিত হবে তাতে “তসিব” বা ২:১ নীতি প্রযোজ্য হবে অর্থাৎ নারী যা পাবেন পুরুষজন পাবেন তার দ্বিগুণ অংশ। অর্থাৎ নারীকে পুরুষের সমান অংশ দিলে কোরানের আইনকে অবমাননা করা হবে।

কেউ কেউ এখানে প্রশ্ন তুলতেই পারেন যে ১৫০০ বছর আগের পুরানো আইন এখন কেন প্রযোজ্য হবে। প্রশ্নটি একার্থে বেঠিক নয়, কিন্তু খোলা চোখে দেখলে মুসলমানদের পারিবারিক বিষয়াদির ক্ষেত্রে সবাইকেই এই আইন মেনে চলতে হয় এবং অনেকেই অনেক আগ্রহ করে এই আইনগুলো মেনেও চলেন কারো কোনরকম ক্ষতি না করেই। তাঁরা ঠিক করেন না ভুল করেন সেটা আমার দৃষ্টিতে তর্কসাপেক্ষ নয়। আমি মনে করি যার যার বিশ্বাস তার তার কাছে যদি সেই বিশ্বাস অন্যের কোন ক্ষতির কারন না হয়ে থাকে।

দৃঢ় ভাবে বলা যেতে পারে যে “বাকশালী”ই হোক আর “জনতার রায়ে দুই তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে বিজয়ী”ই হোক, সরকারের এই ক্ষমতা আদৌ নেই যে কোরানের এই আইনকে তাঁরা বদলে ফেলবে, এটি সংসদের পাশ হওয়া আইন বা সংবিধানের ধারা নয়। সরকার সেটা খুব ভালো করেই জানে। তার পরেও তারা এই পথে হেঁটেছে জনমনে একটা সেন্টিমেন্ট তৈরি করার জন্যে; তাদের আসলে কিছু করারই কোন আগ্রহ নেই। তাঁরা যদি কিছু করতেই চাইতেন তাহলে তাঁরা একটি চমৎকার সমাধানের পথে আসতে পারতেন।

সমাধানটি হলো বাংলাদেশে প্রচলিত “সন্তান” শব্দটির অর্থটা তাঁরা বদলে দিতে পারতেন।

এই বিষয়টা একটু ব্যাখ্যা না করলে বোঝা কঠিন হয়ে যাবে। সারা বিশ্বের মুসলমানেরা মূলতঃ দুইটি ভাগে বিভক্ত। শিয়া এবং সুন্নী। সুন্নীদের মাঝে চারটি ভাগ রয়েছে; হানাফি, মালিকী, শাফি’ই এবং হাম্বালি। ইরাক, মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অংশ এবং উপমহাদেশের বেশিরভাগ মুসলমানগণ ইসলাম ধর্মের হানাফী মতাদর্শে বিশ্বাসী। সূরা নিসায় একশ ছিয়াত্তর নাম্বার আয়াতে যে “আওলাদ” শব্দটি রয়েছে তার অর্থ হানাফি স্কুলে হলো “পুরুষ-সন্তান”, যেখানে বাকি সব সুন্নী স্কুল এবং শিয়াদের মাঝে “আওলাদ” শব্দটির অর্থ “সন্তান” অর্থাৎ “সন্তান, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে”। বাংলাদেশের অধিকাংশ মুসলমান যেহেতু সুন্নী এবং হানাফী মতের অনুসারী, কাজেই প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশে “সন্তান” বলতে মুসলিম আইনে “পুরুষসন্তান”কেই শুধু বোঝানো হয় এবং সেই অনুযায়ীই উত্তরাধিকার আইন পরিচালিত হয়।

লক্ষণীয় বিষয়টি হলো হানাফি স্কুল অফ থটের প্রণেতা ইমাম আবু হানিফার বিবেচনায় যা এসেছে তা কোরানের analogical deduction বা কিয়াস এর মাধ্যমে এসেছে, এটা আইনের ব্যাখ্যা বা এক ধরনের interpretation; সেই সময়ের প্রয়োজনে এরকম নিয়ম করা হয়েছিল এবং এই সময়ের প্রয়োজনে ওই নিয়ম এখন বদলে ফেলাই যায় এবং এতে কোরানের আইনের সামান্যতম অবমাননা করা হয় না। বরং ভবিষ্যতে এটা “ইস্তিহসান” হিসাবে মুসলিম আইনে একটা প্রাসঙ্গিক উদাহরণ হয়ে থাকবে।

দেশের বিদগ্ধ ইসলামিক চিন্তাবিদগণ এরকম একটা সমাধানের দিকে একটুও নজর দেন নাই অথচ জানা গেছে যে এই বিষয়টা নিয়ে অনেক অধ্যাপক গবেষণা করেছেন; এবং এই গবেষকদের সবাই আইনের লোক বলে ইসলামিক চিন্তাবিদগণ এমনটাও বলেছেন যে,”উনারা ইসলামের কী বুঝেন?”

অথচ সংজ্ঞায়িত করার ক্ষেত্রেই যদি নারী এবং পুরুষকে যদি সমান মর্যাদা দেওয়া হয় তাহলেই নারী পুরুষের উত্তরাধিকার প্রশ্নে অনেক সমস্যার সমাধান চলে আসে, যেমনটা শিয়া স্কুলগুলোতে এসেছে, এসেছে শাফি’ই আর মালিকী স্কুলে। হাম্বালি স্কুল কখনও কিয়াসকে সেইভাবে গুরুত্ব দেয় নি, কঠিনভাবে কোরান আর হাদিসকেই অনুসরণ করেছে, তাই গোড়া থেকেই উত্তরাধিকার প্রশ্নে তারা সাবলীল ছিল।

আরেকটু ব্যাখ্যা করার ইচ্ছা হচ্ছে। ধরা যাক, বাংলাদেশে একজন লোক তার স্ত্রী, একটি ছেলে সন্তান এবং একজন বোন রেখে মারা গেলেন, আর আরেকজন লোক স্ত্রী, কন্যা সন্তান এবং একজন বোন রেখে মারা গেলেন।
প্রথম ক্ষেত্রে বোনটি কোন সম্পদ পাবেন না, কারন পুত্র সন্তান তাকে exclude করে দেবে। কিন্তু দ্বিতীয় ক্ষেত্রে বোনটি সম্পদ পাবেন কারন তাকে exclude করার ক্ষমতা কন্যা সন্তানটি পায় নাই।

এইখানেই সংজ্ঞায়িত করার বিষয়টি আসে। যদি কন্যাসন্তান এবং পুরুষসন্তানকে একই ক্ষমতা দেওয়া হয় তাহলে কন্যাসন্তানটির বঞ্চিত হতে হতো না, অর্থাৎ তাদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হত, অর্থাৎ এই ঘটনাটি এবং এরকম আরো অনেকগুলো ঘটনা ঘটানো যেত অর্থাৎ কোরানকে অবমাননা না করেই নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়ন করা যেত এবং এত কিছু করা যেত শুধু একটা লাইন নারীনীতিতে যোগ করে, সেটা হলো “সন্তান বলতে উত্তরাধিকার আইনে পুরুষ-সন্তান এবং নারী-সন্তান উভয়কেই বোঝানো হবে এবং সেই অনুযায়ীই উত্তরাধিকার আইনের বণ্টন ব্যবস্থা পরিচালিত হবে”*।

*বিষয়টিকে আমার কাছে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। মতামতের জন্য তাই আমার চিন্তা ব্লগে উন্মুক্ত করলাম।

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

লিজা's picture


লেখাটি পছন্দ হয়েছে । ভালো যুক্তি এসেছে এখানে । সন্তান বিষয়ক হানাফি মতবাদটি আগে জানা ছিলনা । নিশ্চই কোরানে নারী পুরুষ সমান অধিকার প্রাপ্ত । আমাদের হয়তো বুঝতে কোথাও ভুল হচ্ছে ।

আনন্দবাবু's picture


ভুল তো হচ্ছেই বুঝতে, কোথাও না কোথাও। লেখাটা পছন্দ করার জন্যে ধন্যবাদ। আপু, ভালো থাকবেন।

একজন মায়াবতী's picture


তাঁরা যদি কিছু করতেই চাইতেন তাহলে তাঁরা একটি চমৎকার সমাধানের পথে আসতে পারতেন।

কথা তো এখানেই!! তারা সমাধান চান না, তারা চান রাজনীতি করতে।

আনন্দবাবু's picture


হুমম. কথাটা এখানেই।

তানবীরা's picture


হুমম।

আনন্দবাবু's picture


" । " দিসেন বলে বুঝলাম যে আপনের কথা শেষ। আরো কিছু শুনতে চাইসিলাম আপনাদের কাছে।

সাঈদ's picture


এত কঠিন কথা দেইখা কেউ মন্তব্য করার সাহস পায় নাই মনে হয় ।

আনন্দবাবু's picture


অথচ, খুব কঠিন কিছু তো লিখি নি। অনেক পরিবারেই এই ধরনের ব্যবস্থার কোন দরকার নেই। যেমন আমার পরিবার। এখানে উত্তরাধিকার সূত্রে হোক বা না হোক, আমার বোন ততটাই সম্পদ পাবে, যতটা আমি পাবো। এখানে আমারও কোন আপত্তি থাকবে না। এখানে অন্যান্য অনেকেরই এরকম অবস্থা বলেই হয়তো তারা এই পোস্টটাকে তেমন গুরুত্ব দেন নাই।

রাসেল's picture


শুধুমাত্র একটা শব্দের অর্থ অদল-বদলের বিষয় নয় এটা। আওলাদ শব্দের অর্থ নারী কিংবা পুরুষবাচক বিশেষণ ব্যতীত শুধুমাত্র সন্তান লিখে দিলেই সমাধানটা হয়ে যায় না।

ওয়ালিদ আর ওয়ালিদা শব্দদুটো আলাদা এবং আলাদা অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে সবখানেই।

They ask thee for a legal decision. Say: Allah directs (thus) about those who leave no descendants or ascendants as heirs. If it is a man that dies, leaving a sister but no child, she shall have half the inheritance: if (such a deceased was) a woman, who left no child, her brother takes her inheritance: if there are two sisters, they shall have two-thirds of the inheritance (between them): if there are brothers and sisters, (they share), the male having twice the share of the female. Thus doth Allah make clear to you (His law) lest ye err. And Allah hath knowledge of all things.
এটা সুরা নি'সার ১৭৬ তম আয়াত, সেখানে আওলাদ একক ভাবে নেই। সুতরাং যারা ধর্মের ভিত্তিতে আন্দোলনটা করছেন তারা অন্তত তাদের অনুধাবনের জায়গায় শিয়া সুন্নী, মালিকী হানিফী বিভ্রান্তিতে নেই, সেটা স্পষ্টভাবেই বর্তমান কিতাবে।

অন্যান্য ক্ষেত্রেও এই ব্যবধানটুকু আছে, সাক্ষ্য আইনের একটা দুর্বল ধারা আছে কুরানে, সেইখানেও একই ভাবে বলা হয়েছে একজন নারীর সাক্ষ্যের জোর একজন পুরুষের অর্ধেক, কোনো চুক্তিতে অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে একজন পুরুষ কিংবা দুইজন নারীর সম্মতি সমান।

নারী নীতিতে উত্তরাধিকার প্রসঙ্গে অন্তত ২০০৮ সালের প্রণীত নারী নীতিতে নারী ও পুরুষ সন্তানের সম্পদের সমান উত্তরাধিকার এমন কোনো বিধান নেই। চুক্তি আইনের একটা জায়গায় বলা হয়েছে যেকোনো চুক্তিতে একজন নারী ও পুরুস সমকক্ষ, এবং একই সাথে উত্তরাধিকার আইনে তার মুসলীম আইনে প্রাপ্ত সম্পদের অধিকারী হবে সে। সে সম্পদ ধারণের ক্ষেত্রে তার লৈঙ্গিক পরিচয় কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

অন্তত ২০০৮ সালের নারী নীতি পাঠ করে আমার সেখানে কোরান বিরোধী কোনো উত্তরাধিকার আইনের ধারা চোখে পরে নি। আপনি অবশ্য আইনের ছাত্র আপনি সেখানে উত্তরাধিকার সূত্রে নারী পুরুষ সন্তানের সম্পদে সমান অংশীদারিত্ব খুঁজে পেয়েছেন ।

১০

রাসেল's picture


শুধুমাত্র একটা শব্দের অর্থ অদল-বদলের বিষয় নয় এটা। আওলাদ শব্দের অর্থ নারী কিংবা পুরুষবাচক বিশেষণ ব্যতীত শুধুমাত্র সন্তান লিখে দিলেই সমাধানটা হয়ে যায় না।

ওয়ালিদ আর ওয়ালিদা শব্দদুটো আলাদা এবং আলাদা অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে সবখানেই।

এই ১৭৬ নং আয়াতে আদতে ওয়ালিদ আর ওয়ালিদা আলাদা শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় নি, বরং পুরুষ সন্তান চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়েছে [ রি-যালান] এবং নারী সন্তান চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়েছে [ ওয়ানি-সান] শব্দ দুটো।

তবে ১৭৬ নং আয়াতই আসলে সম্পদের উত্তরাধিকারিত্ব নিশ্চিত করে না, এর আগে আছে একই সুরার ১১ নং আয়াত
Allah instructs you concerning your children: for the male, what is equal to the share of two females. But if there are [only] daughters, two or more, for them is two thirds of one's estate. And if there is only one, for her is half. And for one's parents, to each one of them is a sixth of his estate if he left children. But if he had no children and the parents [alone] inherit from him, then for his mother is one third. And if he had brothers [or sisters], for his mother is a sixth, after any bequest he [may have] made or debt. Your parents or your children - you know not which of them are nearest to you in benefit. [These shares are] an obligation [imposed] by Allah . Indeed, Allah is ever Knowing and Wise.

এবং ১২ নং আয়াত

And for you is half of what your wives leave if they have no child. But if they have a child, for you is one fourth of what they leave, after any bequest they [may have] made or debt. And for the wives is one fourth if you leave no child. But if you leave a child, then for them is an eighth of what you leave, after any bequest you [may have] made or debt. And if a man or woman leaves neither ascendants nor descendants but has a brother or a sister, then for each one of them is a sixth. But if they are more than two, they share a third, after any bequest which was made or debt, as long as there is no detriment [caused]. [This is] an ordinance from Allah , and Allah is Knowing and Forbearing.

এবং আয়াত ১৩

These are the limits [set by] Allah , and whoever obeys Allah and His Messenger will be admitted by Him to gardens [in Paradise] under which rivers flow, abiding eternally therein; and that is the great attainment.

এই আয়াতের উপর ভিত্তি করেই বুকে কুরআন বেধে সবাই নারী আইন বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে লাফিয়ে নেমেছিলো পথে।

১১

আনন্দবাবু's picture


কিছু নতুন জিনিস আমার জানা হলো।

কিন্তু কিছু বিভ্রান্তি ঠিক হলো না। সমস্যার সমাধানটা দেন।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আনন্দবাবু's picture

নিজের সম্পর্কে

বলি... থাম, একটু দাঁড়া...