বিদিকে পথ চলা
অনন্তকাল ধরে আমি হেটে চলছি শত শত অলোকবর্ষ দূরের অনন্ত নক্ষত্রের মায়াভরা পথে
আমার চলার পথ আঁধারের নিষ্ঠুরতায় মোড়ানো- কিন্তু আমি চলছি আলোর পথে
নক্ষত্রের রূপালি রাত , শিশিরের কোমল স্পর্শ , মৃদুমন্দ বাতাস আমার ক্লান্তিকে শুষে নেয়- আমি জড়া-মৃত্যুহীন অনন্ত যৌবনা ২২ বছরের তরুণ যুবক। আমার জন্ম হয়েছে সেই সে আদিম যুগে । পৃথিবীর বয়স আমার বয়স সমান । আমার পথের কোনো শেষ নেই - আমি পথ দিয়ে চলি না ; আমার পায়ের তলায় পথের জন্ম হয় ।
নক্ষত্রের মায়াভরা রাত সুদূরে জ্বলছে সপ্তর্ষিমণ্ডল , পৃথিবীর তাবৎ বৃক্ষ উর্ধ্বপানে আপন গতিতে চলছে , নিরবিচ্ছিন্ন গতির মায়ায় অনন্তের পথে ওদের অবিরাম ছুটে চলা ।
পরিব্রাজকের পথ চলা আর আমার পথ চলায় পার্থক্য যোজন যোজন; আবিষ্কারের নেশা আমাকে কখনও টানে না- আমি বেখেয়ালে চলি বিদিকে ।
আকাশের ছায়া আমার মাথায় ছাতার মতো পড়ে না । সূর্যের শোষণ প্রক্রিয়ায় তা রয়ে যায় কালের গর্ভে । মেঘেরা গর্জে ওঠে সূর্যের আলোক রুখে দেয়ার বীরত্বে । আমি হেসে উঠি বৃথাই আসফালন দেখে ।
সূর্যের আগুনে পৃথিবীর সমস্ত কষ্ট পুড়িয়ে শান্তি ফিরিয়ে আনব বলে , আকাশের ফিকে নীল ছায়ায় একটু বিশ্রাম নেব বলে আমি অনন্তকাল ধরে পথ চলছি............
লোকে বলে আমি বিদিকে হাটছি ।





ধন্যবাদ
ভালো লাগলো।
ধন্যবাদ
লেখাটা আরেকটু বড় হইলে কি খুব বেশী ক্ষতি হইতো
বড় বড় লেখা চাই
স্বাগতম জানাইয়া গেলাম
না ক্ষতি এমন কিছু হতো না । আমি চেষ্টা করব । ভালো থাকবেন ।
খুব সুন্দর গদ্য লিখেনতো আপনি। দারুন।
নির্মলেন্দু গুণ তখন দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক- আমি তাঁর কাছে লেখা দিয়ে আসতাম । দাদা বলতেন- সুন্দর হয়েছে.....কিন্তু আমার লেখা কখনও ছাপা হয় নি । এখনও হয় না ।
মন্তব্য করুন