ইউজার লগইন

অপূর্ব সোহাগ'এর ব্লগ

আতকা


সেদিন যখন সুপ্রয় আর রত্নাকে মাতৃমঙ্গল দেখলাম, প্রথমে একটু আবাক হলাম। শেষে নিজে নজে ধরে নিলাম- হয়তো বেড়াতে এসেছে। আবার প্রশ্ন উঁকি মারে! রত্নার পরিবার তো অনেক কঠিন একটি পরিবার, সেখান থেকে সুপ্রয়ের মতো বেকুব কি করে রত্নাকে নিয়ে বের হলো। এইসব কিছু প্রশ্ন সেদিন সর্বক্ষণ আমাকে তাড়িয়ে গেছে তারপরও আমি সুপ্রয় এর কাছে জানতে চাইনি কিভাবে রত্নাকে নিয়ে বের হলো। এতোদূর আসার সাহস জন্মালো কবে?!

রাতের ভেতর হলুদ বারান্দায়

বৃষ্টি ছুঁয়েছে ঘাসফুল
ঘাসফুলে মন ধরেছে খুব।
চিবুকে শুয়ে থাকা মেঘের দৃশ্য
ভেসে উঠছে ভেজা বাতাসের কোরিওগ্রাফিতে!

চিবুকে যখন পড়ে রোদের ফোঁটা
মেঘগুলো হয় সোনালী;
মেঘ ধরার ইচ্ছে অনেকদিনের
এই কথাটি ক্যামনে বলি!

হাত বাড়ালেই ছুঁতে পারি চিবুক
তবু থাকি দ্বিধায়
ছুঁতে গেলে পালায় যদি স্তনের মহিমায়!
তারচে' থাক,
দ্যাখা হোক রাতের ভেতর হলুদ বারান্দায়...

রোদের ফোঁটা

একটা নাম না জানা রাস্তায় চিলতে রোদের ভেতর হঠাৎ তাকে পাওয়া, তারপর অনেকবার হারিয়েছি তাকে!

একটি দীর্ঘশ্বাস নদী হয়ে যায়

এখন আমার ত্রিশ। দশ বছর আগে মুনিরার বয়স ছিলো ত্রিশ। আমার থেকে মুনিরা দশ বছর বেশি বড়। মুনিরার সাথে কোনো যোগাযোগ বা সাক্ষাত নাই প্রায় সাত বছর। এই সাত বছরে আমি ত্রিশে এসে চাকরী করি একটি প্রাইভেট হসপিটালে। মুনিরা সাত বছরে কই পৌছায়ছে জানি না তবে সে যদিও তেমন কিছু না হয়, খারাপ নেই জানি। যখন চিনতাম তখনই সে উচ্চ পরিবারের বঁধূ ছিলো। আজ এই সাত বছর পর মুনিরাকে তুমি করে লিখতেও আমার ক্যামন ক্যামন লাগছে। সত্যি ক

নিঃসঙ্গতার একশ বছর

গত রাতে ব্যাপক পূর্ণিমা ছিলো তবু অন্ধকারে ডুবে ছিলো সারা নগর! এর ১টা
কারণ হতে পারে তুমি এখন নাই বা তুমি কাল এ নগরে ছিলেনা। আমরা তো জানি তুমি
এলেই এমন জ্যোৎস্নায় ভেসে যায় শহর। তবে শুধু তুমি যে মূখ্য বিষয় তাও
কিন্তু নয়। রাতুল ও এর কারণ হতে পারে যেহেতু আমি তাতেও নিশ্চিত না। রাতুল
জ্যোৎস্না নামলেই সে জ্যোৎস্না হতে চাইতো, রোদ্দুর হতে চাইতো, কবি হবে এমন

৩টি কবিতা

সে কোথাও নাই

সে চলে যায়; জ্যোছনায় ভেসে সে যায় হারিয়ে যায়
চিত্রলেখা ভোরে সে কোথাও থাকে না,
দৃশ্যগল্প একা আমি একেলাই রচি...

এই ফাল্গুনের দিনে,
আলো-ছায়ায়-; কান্না ভেজা শূন্যতায়-
আমি নিছক পেয়েছি আমাকে!

সে ছায়া হয়ে গেছে চাঁদের বনে

তার হয়ে নিঃসঙ্গতা জাগিয়ে যায় আমার ঘুমন্ত বোধ কে...

ঘুমবনে মায়া হরিণ

এখন তো কালের স্রোতে দুঃসময় বয়ে
বাতাসে জং ধরা আস্তরণ!

জানি এর আছে শেষ,
একদিন খসে পড়বে তুষার হয়ে।
ঘুমের মধ্যে ছুটবে মায়া হরিণ;
সময়ের চৌকাঠ ডিঙিয়ে নিখিলের চূড়ায়
পৌঁছে যাবে আমাদের যৌথ ডানা...

ঝরে যাওয়া পাতাদের ক্রন্দনে
জেগে ওঠবে ঘুমন্ত বোধ।
দূর দূরাশয় শব হয়েছে আমাদের
যতো বাসনা, তারাও-
ছুটবে পরাণের ডাকে। মানুষের রক্তে নয়
শিমুলের রঙে উজালা হবে মহাকাশের প্রাচীর।