বিশুদ্ধ জীবন
বিশুদ্ধ জীবনের অপর নাম কি?
নিজেকে যতবার প্রশ্ন করেছি উত্তর পেয়েছি ‘ছক’ এ চলা।
অমন একটেরে চলা কে কবে মানতে পারে!
অথচ চারিদিকে সেই প্রস্তুতি;
প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া মানে গোল্ডফিশের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অর্জন -
অ্যাকুরিয়ামের সীমিত গন্ডিতে সব তর্জন গর্জন।
এফএম শুনতে শুনতে দাঁড়ি কামানো, ওড়না পিন্আপ,
লাঞ্চ বক্স ব্যাগে পুরে নামানো ঘরের ঝাঁপ;
তারপর দৌড়, ন’টা পঁয়তাল্লিশ বাজি রেখে কার্ড পাঞ্চ,
হাজিরা খাতায় সই-
নিজের মনকে চোখ ঠারা আদতে প্রত্যেকে”বাঁশী” কবিতার
কেরানী ছাড়া অন্য কেউ নই -
খুব ক্যাতা আমি অমুক, ভিজিটিং কার্ড, গলায় টাই
হিলের ঠকঠক, ঠোঁট পালিশ-
কেরানীগিরিটা কেড়ে নিলে বিছানায় শুইয়ে রাখা জীবন্মৃত
কোলবালিশ।
বিশুদ্ধ জীবনে তাই বরাবর ঢেলে দিয়েছি ছাই,
‘ছক’ এর চারপাশ ছেঁড়া, সুযোগ করে যখন তখন
খ্যামটা নেচে গাই।
(১৫.০৭.১১)





এই আশায় বেঁচে থাকি...
আমি লিখলাম দুঃখের কথা, আপনি দন্তবিকশিত করে এমন হর্ষ প্রকাশ করলেন
আসলেই ভাবি এই যে অফিসে অফিসে আমরা যারা নানা ভান নিয়ে বসে আছি, চাকরীটা না থাকলে, রাস্তায় নামলে আমাদের কি আদতে কোন পরিচয় আছে???
জীবনের বাস্তবতা তুলে ধরলেন। আমরা অনুভূতিসম্পন্ন যন্ত্র ছাড়া অন্য কিছুই না। বিবেচনা করলে এর চেয়ে যন্ত্রের 'জীবন'ও শ্রেয়তর।
কবিতাটিতে গদ্যের ছোঁয়া পেলাম। তবে বাস্তবতা ফুটে উঠেছে।
মন্তব্য করুন