ইউজার লগইন

গল্প: পেশাজীবী মীমের ঝিক ঝিক টাইপের আত্মকাহিনী (৪)

মেয়েটি বলে চললো, আগেই বলেছি আমার সঙ্গে কেউ ব্যক্তিগত যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে সেটা গোপনে করতে হতো। আমি সেসব গোপন যোগাযোগ আসলে কতটুকু গোপন, তা গোপনে ক্রসচেক করতাম। মেয়ে হওয়ার অনেক সুবিধা আছে জানেন। একটা মেয়ে যদি কোনো আননোন নাম্বারে ফোন করে ছেলেদের মতো করে কিছুক্ষণ ছোঁক ছোঁক করে, তাহলে অপরপাশ থেকে রাজ্য জয় করে আনা সম্ভব। আমি শুধু খোঁজ করতাম, আমার শিকারগুলাকে সেইসব নম্বরের মালিকেরা কতটুকু চেনে বা আদৌ চেনে কিনা। তবে প্রচুর ইনিয়ে-বিনিয়ে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নাম্বারগুলো হতো ফ্লেক্সিলোডের দোকানের নাম্বার। তাই আমার কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতো। আমি কোনো ছেলের কাছ থেকে টাকা চাই না, বিয়ে করার চাপ দিই না, কখনো ফোন করি না, টেক্সট্ করি না; কিন্তু আমার কাছে এলেই ইচ্ছামতো সেক্স করতে দিই- এ যেন এক কাল্পনিক রাজ্য! একটা লুচ্চা পুরুষ এরচেয়ে বেশি কিছু চায় না। আমি সেই কল্পনার রাজ্যে অনেক যত্ন নিয়ে ওই ক্লায়েন্টটাকে ঢোকালাম। সে হয়ে পড়লো একটা পোষা কুকুরের মতো। যখন একটু আদর দরকার হয়, মনিবের আশপাশে এসে ঘুরঘুর করে। আর মনিব খুব কষে আদর করে দেয়। ক্লায়েন্ট লুচিয়াটা একসময় এতই আজ্ঞাবহ হয়ে পড়লো যে, ও যেদিন ডানহাত দিয়ে আমার ডোরবেলটা বাজাতো, সেদিন ওর বামহাতও জানতো না সেই খবর।
মেয়েটি এই পর্যায়ে উঠে ভেতরে চলে গেলো। আমার কাছেও পুরো পরিবেশটা তখন কাল্পনিক মনে হচ্ছিলো।

আমিও একটু পরেই উঠে ফ্ল্যাটটার ভেতরে গেলাম এবং মীমের কাছে জানতে চাইলাম, কেন ওই লোকের কি গাড়ি ছিলো না? গাড়ির ড্রাইভার?

সে তখন লেবু-টেবু দিয়ে একটা হালকা ধরনের ক্রাশ বানাচ্ছিলো। ওয়াইনের ঘোর থেকে অল্প খানিকটা বের হয়ে আসবার উদ্দেশ্যে হয়তো। প্রশ্নটা শুনে ঘুরে আমার দিকে তাকিয়ে এমন একটা দৃষ্টি হানলো যে, আমি কনফিউসড্ হয়ে গেলাম। মনে হলো, সে বোধহয় আমার বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েছে। এখনি গুগলের মতো কঠিন কোনো ক্যাপচা টেস্ট ধরবে, নিশ্চিত হবার জন্য।

কিন্তু সেরকম কিছু না করে সে ছোট করে শুধু বললো, আমার এখানে আসার সময় নিজের গাড়ি সঙ্গে আনাও বারণ। ট্যাক্সি, সিএনজি, যা খুশি আপনি নিয়ে আসুন, কিন্তু নিজের গাড়ি নিয়ে আসা যাবে না। আমি সেটা শুনে মেয়েটির পেছনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বিনা বাক্য-ব্যয়ে যুক্তি মেনে নেয়ার স্টাইলে মাথা ঝাকালাম। যদিও সেটা দেখার জন্য মেয়েটি পেছনে আর তাকালো না।

আমি ওর পুরো ফ্ল্যাটটা দেখেও যারপরনাই মুগ্ধ হলাম। তিনরুমের বিশাল ফ্ল্যাট। ড্রইং স্পেসটা অনেকখানি বাইরে। ওখানে বসে টের পাওয়াই কঠিন, ভেতরে এত আলিশান একটা জিনিস পড়ে আছে। ডাইনিং করিডরটা বিশাল। পুরো ডাইনিং টেবিলটা গ্লাসের তৈরি, এমনকি পায়াগুলোও। একটা রুম ভর্তি হয়ে আছে নানারকম কাগজ আর বইপত্রে। একটা বড় বুকশেলফও দেখলাম টাইট হয়ে ফুলে আছে। এত পড়াশোনা কে করে বুঝতে পারলাম না। মেয়েটি যদি এত পড়ুয়া হয়, তাহলে তো সমূহ বিপদ।

অপর দু'টো রুম এত সুন্দর করে সাজানো যে, মনে হলো কোনো পরিবার বুঝি বাস করে সেখানে। আমার প্রশ্নভরা দৃষ্টি দেখে মীম বললো, মামুন মাঝে মাঝে আমার এখানেই থেকে যায় রাতে। এখন তো ও ছাড়া আর কেউ আসে না। আমি একসঙ্গে দুইজনকে আসতে দিইও না। তবে ঘর সাজিয়েছি আমি নিজেই। নিজের জন্য। সেই ছোটবেলা থেকে আমি নিজের একটা সুন্দর সাজানো-গোছানো, টিপ-টপ ঘরের স্বপ্ন দেখি। স্বামী লোকটার সঙ্গে সংসার করা হয়ে ওঠে নি। তাই বলে নিজের সবচে' প্রিয় স্বপ্নটা অধরা রয়ে যাবে, সেটাও আমি বিশ্বাস করি নি। ড্রইংরুমের ঝাড়বাতিটা খেয়াল করেছিলেন? ওটা এনেছি লন্ডন থেকে। সেখানকার পুরোনো বাড়িতে ঝোলানোর জন্য ওই ঝাড়বাতিগুলো বিশেষভাবে তৈরি হয়।

আমি মীমের পেছন পেছন গেলাম, ও যে ঘরটায় শোয় সেখানে। ঘরের একপাশে মস্ত একটা বাতিদান রাখা। দেখলেই মনের ভেতর কেমন যেন একটা ভাবগাম্ভীর্য এসে ভর করে। মীম জানালো, ওটা ফ্রান্স থেকে আনা। ওখানকার গীর্জায় নাকি অমন বাতিদান ব্যবহার হয়। আমি অবশ্য ওই ঘরের মধ্যে ওটার ব্যবহারটা কি, তা ঠিক ধরতে পারলাম না।

সে বলেই গেলো, আমার পড়া সবগুলো বইয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালোলাগা জড়িয়ে আছে ভিক্টর হুগো'র লা মিজারেবলের সঙ্গে। যতবার জ্যঁ ভালজার কথা মনে পড়ে ততবার আমার কান্না পায়। আমি জানতে চাইলাম, ভিক্টর হুগো'র হাঞ্চব্যাক অভ নটরডেম পড়েছেন? ও জানালো, না। আমি বই পড়ার ক্ষেত্রেও লেখক ধরে ধরে পড়ে যাওয়াটা করতে পারি নি। জীবনে কতকিছুই যে না করা থেকে গেলো!

আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ডিভোর্স নিয়েছিলেন কেন? মেয়েটি উজ্জ্বল হাসি দিলো। বললো, দারুণ একটা প্রশ্ন করেছেন। তারপর খাটের উপর উঠে পা গুটিয়ে হাঁটুর ওপর থুতনি ঠেকিয়ে বসলো মেয়েটি, এবং বলতে থাকলো- ওকে আমি একদিন হাতেনাতে ধরে ফেলেছিলাম, ওর এক ছাত্রীকে লাগানোর সময়। আমি যখন দরজা খুলে দাঁড়িয়েছিলাম, তখন ও ছিলো সেই ছাত্রীটির নিচে। ভীষণ গতিতে ছুটছিলো সে। ছাত্রীটি যেন ওর ওপরে বসে তুমুল বেগে একটা ঘোড়া দৌঁড়ে নিয়ে বেড়াচ্ছিলো। আমি যে পেছনে এসে দাঁড়িয়েছি মেয়েটি দেখে নি। তবে লোকটা প্রায় ঢোকার সাথে সাথেই আমায় দেখতে পেয়েছিলো। কিন্তু তার তখন কিছু করার ছিলো না। কারণ কি, সেটা বুঝতে পারবেন; আপনি শুধু আমার গল্পটা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

আমি নিজের চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিলাম- পৃথিবীর সবচেয়ে দ্বন্দ্বাকুল সময়ের ভেতর দিয়ে পার হতে থাকা একটা লুচ্চাকে। ওরা দু'জনে তখন এমন একটা পর্যায়ে গিয়ে উঠেছে যে, লাগাম টেনে ধরা সম্ভব ছিলো না। বিশেষ করে ছাত্রীটির পক্ষে। মূহুর্তকাল আগে যে তার ঘোড়া মাঝপথে জমে গিয়েছে, সেটা সে টের পায় নি। একদিকে চলছিলো তার টগবগ-টগবগ, আর আরেকদিকে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। ফাঁপড়ে পড়ে যাওয়া ঘোড়া বেচারা আর কিছু করতে না পেরে, নিজের জল ছেড়ে দিলো তড়িঘড়ি করে। ওটা অবশ্য সে সবসময় তড়িঘড়ি করেই ছাড়তো, বলেছি আগেই।

আমি কিন্তু অমন একটা দৃশ্য দেখেই সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার দিয়ে উঠি নি, দৌড়ে ঘর থেকে বের হয়ে যাই নি; এমনকি হুইস্কি লুলাবাঈয়ের সেই সৈনিকের মতো আস্তে করে দরজাটা আবার লাগিয়ে দিয়ে চলেও আসি নি। দেখছিলাম, একটি ছাত্রী সর্বোচ্চ কতটা সুখী হতে পারে তার শিক্ষকের দ্বারা। আর দেখছিলাম, কতটা অবিশ্বস্ত হতে পারে একটা পুরুষ।

আমি ওই লোকটার প্রত্যেকটা নড়াচড়া খুব ভালো করে চিনতাম। ছয় বছর তো কম সময় না, তাই না? ওর মাল বের হয়ে যাওয়াটা আমি এমনকি ওই ছাত্রীরও আগে বুঝে ফেলেছিলাম, শুধু ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থেকেই। বেচারার দৃষ্টিতে কি যে একটা লজ্জা, ভয় আর কুঁকড়ে যাবার অনুভূতি দৌঁড়ে বেড়াচ্ছিলো তখন; সেটা যদি আপনে দেখতেন তাহলে বুঝতে পারতেন। আমার কাছ থেকে শুনে মূল ঘটনার এইট্টি পারসেন্ট ফ্লেভারই আসলে আপনার মিস্ হচ্ছে। আমি শিওর।

ওদিকে মেয়েটির তো তখনো শেষ হয় নি। তাই সে আরো কিছুক্ষণ টগবগ-টগবগ করলো। সেটা দেখে আমার খানিকটা হাসিও পাচ্ছিলো। মনে মনে বললাম, আহারে অবুঝ লোভী মেয়ে! তুমি বরং বাকী পাওনাটুকু পরীক্ষার খাতায় আদায় করে নিও। অবশ্য অল্প সময় পরেই মেয়েটি বুঝতে পারলো, বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দিলো সে এবং তখনি বুঝতে পারলো, ভয়ংকর একটা কিছু ঘটছে তার পিঠের পেছনটায়।

চমকে যখনই সে উল্টাদিকে ঘুরতে যাবে, আমি ঠিক তার আগের মূহুর্তটিতে ওই ঘরটা থেকে নিঃশব্দে বের হয়ে আসলাম। মেয়েটি আমাকে দেখে নি, কিন্তু আমার স্বামীর চোখে একজন পুরুষের সলিল সমাধিস্থ হবার পূর্বমূহুর্তের অভিব্যক্তি দেখেছে; আমি নিশ্চিত। আমি সেদিন মেয়েটিকে কোনো লজ্জাই দিতে চাই নি। চাই নি নিজের কোনো এক সময়কার আত্মস্বীকৃতি প্রভুকেও আর বেশি লজ্জা দিতে। তাই ওভাবে বের হয়ে চলে এসেছিলাম। ভালো কথা, স্বামী শব্দটার একটা প্রতিশব্দ তো বোধহয় প্রভুই, তাই না?

তবে মুদ্রার অপরপিঠে লেখা কথাটাও আপনাকে বলি, যেহেতু অনেক কথাই আজ আপনাকে বলছি; দয়া করে এই কথাগুলো শুধু মোবাইলে রেকর্ড করে নিয়ে যায়েন না আপনি, কেমন?

আমার কিন্তু বড় ভালো লেগেছিলো সেদিন। চোরটাকে হাতেনাতে ধরতে পেরে। কেন তা আমি জানি না। মানুষ হিসাবে আমি যে খুব উঁচুদরের, তা আসলে আমি দাবি করি না।

আমি তখন মেয়েটির বিছানার একপ্রান্তে বালিশ হাতের কনুইয়ের নিচে এবং মাথা তালুর ওপর দিয়ে আধশোয়া অবস্থায়, একমনে মেয়েটির গল্প শুনে যাচ্ছিলাম। সে খাটের অপরপ্রান্তে কি ভঙ্গিতে বসেছিলো, সেটা বলেছি আগেই।

(চলবে)
---

পোস্টটি ১২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

অনিমেষ রহমান's picture


পড়লাম।
চমতকার।
ভালো কথা-প্রথম পাতায় একটা পোষ্ট থাকা অবস্থায় আরেকটা পোষ্ট দেওয়া যায়?

মীর's picture


অবশ্যই দেয়া যায়। নিশ্চিন্তে দিয়ে ফেলেন ভাইজান।

অনিমেষ রহমান's picture


আজকে আর দিতাম না; ঘুমাইতে যাই।
শুভ রাত্রী।
ভালা থাইক্কেন।

মীর's picture


ওকে। গুড নাইট, স্লীপ টাইট Smile
তয় কালকে কিন্তু মিস্ কৈরেন্না কৈলাম বস্।

অনিমেষ রহমান's picture


দিছি তো মীর ভাই।
Big smile Big smile

জ্যোতি's picture


Good Morning.
Golpota agroho barai er por ki hobe janar.shesh kothai,erpor ki ami kemne jantam!

মীর's picture


thank you! agroho jehetu bereche shehetu porer porber jonno toiri hon. shuveccha.

জ্যোতি's picture


মানুষ কিরম নিষ্ঠুর! আমি বাংলিশ লিখলাম তাই বাংলিশে জবাব!
সকালে চোখ মেলেই মোবাইলে ব্লগ দেখি, অথবা অফিস যাওয়ার পথে।মাঝে মাঝে কমেন্ট করার আগ্রহটা বেশী থাকে তাই বাংলিশেই লেখি। Sad
পরের পর্বের অপক্ষোয়।

মীর's picture


জানি জানেমান! ওই জন্যই তো বাংলিশের জবাব বাংলিশে Wink

১০

রাসেল আশরাফ's picture


পড়লাম।মীমের মুখের ভাষাটা কেমন জানি কলেজ ইউনি পড়া পোলাপাইনের মতো লাগলো অবশ্য এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করতেই পারে কিন্তু তার যে বিবরণ দিয়েছেন তার সাথে আমার কাছে মনে হলো খাপ খায় নাই। Smile

১১

মীর's picture


ভালো একটা পয়েন্ট পিক করছেন রাসেল ভাই। অভিনন্দন!

আসলে ইচ্ছা করেই মীমের মুখে এই ভাষাটা বসানো হয়েছে। মীম ১২ ঘাটের পানি খাওয়া মেয়ে, দারিদ্র দেখেছে, ধর্ষণ দেখেছে, বঞ্চনা দেখেছে, দীর্ঘ ৬ বছর ইউনি শিক্ষকের স্ত্রী ছিলো, সেখানে তথাকথিত ভদ্দরলোকদের মুখোশের পেছনের চেহারাটা দেখেছে, পরে সমাজের উঁচু তলার মানুষদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে গিয়ে সাফল্য-যন্ত্রণা দু'টোই পেয়েছে, তার বাসায় গেলে ফুলে থাকা বইয়ের আলমারি দেখা যায়; সো সে যে কথার মধ্যে রকমারি টোন য়ু'জ করবে এটাই স্বাভাবিক। সে যেমন কথার ভেতরে ইন্টারকোর্স শব্দটা বলবে, তেমনি লাগালাগিও বলবে। তাকে টিপিক্যাল কোনো একটা সিস্টেমে ফেলে বিচার করতে গেলে আসলেই সে খাপ খাবে না। তাকে আপনে খাপে না ঢোকা তরবারি হিসাবে বোঝার ট্রাই করে দেখুন।

এবং আর কোনো পয়েন্ট থাকলে অনুগ্রহ করে পিক করুন, প্রিয় ঝিক ঝিক বাবু Big smile

১২

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


চমৎকার
চলুক

১৩

মীর's picture


ধন্যবাদ নিভৃত, সাথে থাকার জন্য।

১৪

প্রিয়'s picture


সবগুলা পার্টই পড়সি। কিন্তু কমেন্ট করা হয়না আসলে নানা কারনে। তবে এই পার্টটা অন্যগুলা থেকে বেশি ভালো লাগসে।

১৫

মীর's picture


ধইন্যা পাতা

১৬

মেসবাহ য়াযাদ's picture


বেচারী মীম ! বেচারা লেখকের জন্য মায়া হচ্ছে... সামনে সমূহ বিপদ দেখতে পাচ্ছি... Sad

১৭

মীর's picture


আমারো বেচারা লেখকের জন্য মায়া হচ্ছে, সামনে বড় অভাগা এক মানবসন্তানকে দেখতে পাচ্ছি Big smile

১৮

আরাফাত শান্ত's picture


বেচারি মীম!

১৯

মীর's picture


গুড পিকাপ ডিউড, ভেরি কুল!

২০

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


লেখকের লেখায় ও লেখার চরিত্রের এভুল্যুশনটা দরশনীয় হয়েছে।

মীর ভাই,
এই পর্বটা আমার মতে সবচাইতে ম্যাচিওর হইছে,
এই গল্প টা একটা উপন্যাস হলে অনেক ভাল লাগবে।

২১

মীর's picture


শেষ পর্বটা দিয়ে দিয়েছি। এখন পুরো লেখাটার ওপর একটা কমেন্ট দেন।

অ.ট. যদিও বলার দরকার আছে বলে মনে করি না, ফিল ফ্রী টু সে নিথিং Smile

২২

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


মীম ক্যারেক্টারটা চমত্‍কার ফুটাইয়া তুলছেন। শেষে তার পরিনতিটা একটু সিনেমাটিক হলেও তার লাইফ বলে এটা তার পাওনা ছিল।

তবে শেষে নায়কের কথাবার্তা বাকী পর্বগুলোর সাথে একটু বেমানান লেগেছে। অবশ্য তার চরিত্রটা আরো প্রকাশ করলে হয়তো গল্পটার তাল একটু হলেও কেটে যেত।

আমার মতে,
এখন পর্যন্ত এটাই আপনার লেখক স্বত্বার সেরা সৃষ্টি। দশে সোয়া নয়।

আমি আপনার লেখার একজন একনিষ্ঠ ভক্ত হিসেবে অনুরোধ করছি,
আমাকে তুমি করেই বলবেন।

অনেক অনেক ভাল থাকুন, সুপ্রিয় মীর ভাই।

২৩

মীর's picture


এই ধরনের বিশ্লেষণগুলো খুবই ভালো পাই। কারণ এই কথাগুলো পরবর্তীতে লেখার সময় মাথার ভেতর সচেতনভাবে কাজ করতে থাকে। যা অনেক ছোট-বড় খুঁত এড়িয়ে যেতে সাহায্য করে।

তাই বিষণ্ন বাউন্ডুলেকে এই কমেন্টের জন্য পাঁচ কেজি ফ্রেশ ধইন্যা পাতা ,

পাঁচটা নাচুনে মৌমাছি
THNX

এবং পাঁচ Star Star Star Star Star

দেয়া হলো উপঢৌকন হিসেবে Smile

২৪

অনিমেষ রহমান's picture


নতুন পর্ব কই?
Smile

২৫

মীর's picture


প্রথম পাতায়।
আছেন কেমন?

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম। আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। জীবিকার তাগিদে পরবাসী। মাঝে মাঝে টুকটাক গল্প-কবিতা-আত্মজীবনী ইত্যাদি লিখি। সেসব প্রধানত এই ব্লগেই প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগে আমার সব লেখার কপিরাইট আমার নিজেরই। অনুগ্রহ করে সূ্ত্র উল্লেখ না করে লেখাগুলো কেউ ব্যবহার করবেন না। যেকোন যোগাযোগের জন্য ই-মেইল করুন: bd.mir13@gmail.com.
ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং!