সভ্যতার মৃত্যু
থেমে থেমে শোক হয়ে আসে অব্যর্থ নিশানে।
আশাতীত সভ্যতার অপ্রতুল বক্ষ মর্দনে, ওরা
তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলে নিষিদ্ধ প্রণয়ের,
কেউ বা পুলকে বাহবা দেয় প্রকাশ্যে অসাড় মানবতায়।
ক্ষত বিক্ষত, জ্বলে উঠা মাটি সুযোগ্য মেঘ খুঁজে পেতেই মৃত হয়ে যায় নিমিষেই
ঘুরে ফিরে জীবন টেবিলে টেবিলে
কচিৎ, বেয়নেটে চিরে দুভাগ হয়
প্লেটে উঠে আসে হৃদপিন্ড, উঠে আসে সদ্য বিবাহিতার কঙ্কণের নিষ্পাপ সুখ।
গোগ্রাসে মিশে যাওয়া গাঙচিল
শুভ্র পালক ছেড়ে একাত্ম হয় কিশোরীর কেটে নেয়া যুগল স্তনের সাথে।
কখনো বা সত্যে প্লাবিত হয় ভাটা (অস্বাভাবিকে),বিক্ষুব্ধ হয় পদ্মা, নীল
খন্ডিত মিছিলে ধেয়ে চলে উজানে
হিসেবের উন্মত্ততায় শুরুতেই শেষ হয় মনন।
রন্ধ্রে জেগে উঠা শ্লোগান বারুদের ঝংকারে থেমে যায়
ঝরে মুষ্টিবদ্ধ হাত, ভাসে রক্তে
নীল, পদ্মায় ভেসে যায় কত শত কফিন
এবং
সভ্যতার মৃত্যু দেখি সভ্য মানুষেরই হাতে।





সভ্যতার সেই পর্যায়ে যেতে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে আমাদের। আমরা এখনো সভ্য হয়নি। সভ্যতার কিশোর বয়স চলছে বলা যেতে পারে। তাই বেশী বর্বতার কষ্ট আরো অনেক দিন সংবেদনশীল মানুষকে বহন করতে হবে, এরকম কবিতা রচিত হবে।
কাজেই সভ্যতার মৃত্যু বলা যাচ্ছে না, আমরা আরো খারাপ অবস্থায় আছি।
সভ্যতার মৃত্যুই মনে হয় এর নিয়তি।
কঠিন লেখা। তবে ভালো লেখা
ধন্যবাদ। কেউ কিছু বলছে না দেখে, লজ্জাই পাচ্ছিলাম।
চুপচাপ্পড়েগেলাম
টুটুল ভাই, একটা বড় করে আওয়াজ দেন না।
সভ্যতার মৃত্যু দেখি সভ্য মানুষের হাতে...এ লাইনটা বেশি পছন্দ হলো
টিপ সহির জন্য ধন্যবাদ।
মন্তব্য করুন