অশ্লীলতা ছাড়া ভালবাসা আছে কোথায়, বল ?
তুমি অচল হয়ে গেছ ভেবে কষ্ট পাচ্ছ অহর্নিশ কিংবা
বাতিল ভেবে কষ্ট দিচ্ছ নিজেকে,
লাল কিংবা নীল, যা ইচ্ছা- দিয়ে
সাজাতে চেষ্টা করছো তোমার পরিধি, বর্তমান,
যা অনেকেরই সুগত অতীত হয়ে প্রাঞ্জল
ভেসে বেড়াচ্ছে অদৃশ্যে অহরহ।
বন্ধুরা তোমাকে “৬৯ মডেল বলে নির্মম বাক্য ব্যয় করে- আর তুমি
চোখে কৌতূহল জাগিয়ে বিশ্বাস্য হাসিতে মৃদু প্রতিবাদ ক’র।
অথচ, এই তোমাকেই তুলনীয় করে অনেকেই তো হয়েছে (হচ্ছে)সুখ্যাত নায়ক,
পার্শ্ব চরিত্রে তুমি অভিনয় করে যাচ্ছ চমৎকার,
ভেবেছ, এ তোমার সর্বশেষ প্রাপ্য অঢেল।
প্রায়শই এ হাট থেকে ও হাটে বিক্রি হচ্ছো তুমি, আর
অসংখ্য প্রতিবিম্ব হয়ে ভোগ্য হয়ে উঠছো প্রতিনিয়ত,
ভেবেছ, যদি নাই পার নিস্বার্থের আগুনে সবাইকে ছিন্ন ভিন্ন করতে, তবে,
তোমাকেই তুমি পুড়ে ছাই করতে থাকবে এবং
সবার উপর প্রতিশোধ নেয়া হয়েছে ভেবে,
দুচোখে কান্নার ঝড় তুলবে।
তোমাকে দেখে সত্যই হাসি পায়, ভীষণ !
ভালবাসবে বলে কথা দিয়েছিলো কেউ, ক্ষণিক বেসেওছিলে !
পুড়ে যাবে সে, ভেবে, সরিয়ে নিয়েছ হাত,
ভেবেছ,
”অশ্লীলতা ছাড়া ভালবাসা আছে কোথায় ?”
এক্ষণে, তোমাকে কাপুরুষ ভেবে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছে সবাই, দেখ ! দেখেছো ?
কখনো বা ভেবেছ, প্রতিশোধ নেবে,
খাবে মহুয়া নির্যাস
নিরানন্দ চিতায় নিজেকে ভষ্ম করবে অচিরেই,
ভেবেই শেষ হয় তোমার তুমি।
সময় গড়িয়েই যায়
অসাড় সময় আরো ক্লান্ত হয় তুমি’তে এসে।
নির্লজ্জ হাহাকার নিয়ে সভ্যতার দ্বারে নিজেকে করে সমর্পণ
যুগের গুষ্ঠি উদ্ধারে তুমি সদায় ব্যস্ত, ঘুমের মধ্যেও উঁচিয়ে রাখ অঙ্গুলি,
যেন সদায় উদ্যত দিতে দৌড় অবিষ্ট আহরনে,
এ ক’বছরে যা পারনি, আগামী অবশীষ্টে তা নিশ্চিত দূরাগত, জেনো।
কথাচ্ছলে তুমি একদিন বলেছিলে
অকস্মাৎ মৃত্যুতে তোমার বড়ই লোভ,
লোভীই বলবো তোমাকে,কিংবা স্বার্থপর,
আমাদের নষ্ট ভেবে তুমি নিঁখোজ হবে, এটা স্বার্থপরতা নয় ?
অযথা সময় নষ্ট করবে সবার
শেষকৃত্যে যোগদানে বাধ্য’র ছলে।
অবশ্য, আমরা, শবযাত্রায় কেমন গম্ভীর, চোখে বিষাদের ছায়া,
(কৃত্রিম কীনা জানতেও পারবে না!)
তোমাকে পৌঁছে দেবো ঠিক,
সাময়িক অস্থিরতা দূর করতে
অকস্মাৎ দেয়াশলাই জ্বেলে ধরাবো সিগারেট,
কি এক অক্ষমতা তোমার সময়ের,
চেপেচুপে দায়সারা রেখে আসবো, জেনো!
”ব্যস্ততার সিড়ির আঁচলে সপেছি আবেগ” যুক্তিতে
অদৃশ্য খুশিতে গোর দরজা থেকে
বিশ্বস্ত বিদায় জানাবো।
দিনশেষে তুমি সত্যই নিঃস্ব,
নিজেকে অহংকারী করে তুলেছো প্রতিনিয়ত
আর, পরিবর্তনের স্বার্থেই অপাংক্তেয় হয়েছ ক্রমশঃ
যেনবা, হরপ্পা হয়ে নির্বিকার বসে থাকা ঐ সভ্যতারই ঘাড়ে !





শুরুতে কবিতায় ছিলাম, এর পর খেই হারিয়ে ফেলেছি
লিখতে লিখতে আমিও............................। সময় নিয়ে ঠিকঠাক করতে হবে।
'কথাচ্ছলে তুমি একদিন বলেছিলে
অকস্মাৎ মৃত্যুতে তোমার বড়ই লোভ'
কেমন জানি মন খারাপ হয়ে গ্যালো
মরে যাওয়া থেকেও বেশী মন খারাপ আজ।
আপ্নে তো কবি ! কবিদের একটু বাস্তবেও সামলে নিতে হয়
। তাই বলছিলাম কবি আবুল হাসানের অই কবিতাটা একবার পড়তে পারেন ।
ঝিনুক নিরবে সহো . . . . !
আর মনে পড়তেছে না
আরে, মন তো ভাল হয়ে যাচ্ছে !!!!!!!
পড়ে চলে যাওয়ার আগে একখান ঘুষা দিয়া যাইয়েন।............
শুরু বেশ লাগছিল । হঠাৎ যেন কোন পথে নিয়ে গেলেন । আর বুঝে উঠতে পারলাম না ।
এইটা হারানোর গল্পই, ভাঙ্গা ভাঙ্গা কথায় লেখা।
আমি দুঃখিত । সবাইকে পড়ার মধ্যে ফেলে দিলাম।খাটো করা যেত অনায়াসে, কি মনে হল পুরোটায় অপাঠ্য (!) জেনেও পোষ্ট করে দিলাম।গল্প যদিওবা পড়া যায়, কবিতায় অনেকক্ষন ধৈর্য্য রাখা কঠিন।
ভেবেছিলাম তানবীরা আপু রেগে অছেন।মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।সকালেই আপনার টিপসহি দেখে অত্যন্ত আনন্দের সহিত কাজ শুরু করছি।
আমার কি কিছু নিয়ে রাগ হওয়ার কথা ছিল? হায় হায়? আমি কি আবার রাগ করার চান্স হারালাম নাকি?
মন্তব্য করুন