শিমূলে শিমূলে বিলম্বিত যাত্রা আমার ও একটি দূরপত্র
(১)
শিমূলে শিমূলে বিলম্বিত যাত্রা আমার,
তারপর দীর্ঘ অনুশোচনা
ব্যর্থতার গ্লানী নিয়ে শোকের নাচানাচি
এবং আমি হঠাৎই বর্নহীন হয়ে যাই।
(২)
অল্পপোঁড়া চাঁদ সবে জ্যোৎস্না ছড়াচ্ছে সর্বত্র
সামনে আবছাযা সুপুরী বাগান,
আামি এবং তারাগুলো।
তুমি বললে “ভুলে যেও”।
আমিতো আর নিষ্ঠুর হাতে গোলাপ ছাঁটতে পারি না।
(৩)
প্রিয়,
তোমাকে শেষ কখন কোথায় দেখেছিলাম মনে পড়ে না আর।
যদিও, যখন তখন তোমাকে নিখুঁত ভাবতে কষ্ট হয় না এখনো।
লাল একটা গোলাপ পাঠিয়েছিলে একদিন, মনে পড়ে?
কেন পাঠিয়েছিলে জিজ্ঞেস করা হয়নি কখনো,
শীত-কুয়াশা ছাপিয়ে কতদিন তোমার জানালা ঘেষে ঠিক হেটে গিয়েছি রাত্রিতে,
যদি দেখা হয়, দেখা পাই আশায়।
মজাটা হল, তুমি চেয়েও দেখনি কখনো, তাতে কী হেসেছি মনে মনে।
কখনো বা শীতের কোমল রোদ ছায়ায় পুকুর ধারে দাড়িয়ে
সিঁদুরে লাল শেওলা বাতাসের ছোঁয়ায় জড়ো হওয়া দেখতে দেখতে মৃদু হাসতে তুমি।
বিকেলের রোদ মিহি হতে না হতেই সেই রং কখন যে ফিকে হয়ে গেল,
তুমি চলে গেলে।
কথা নয়, নীরব চাহনি, এইটুকুই সম্বল,
সুতো ছেঁড়া ঘুড়ির মতো কেটেছে বেশ কদিন।
কার কাছে যেন ঠিকানা পেয়েছিলাম একটা।
চিঠি লিখেছি তোমাকে, একে একে অসংখ্য প্রেরকবিহীন খামে
কোন উত্তর পাব না, জেনেও।
তুমি কি পেতে সেই চিঠি?
খুলে দেখতে কখনো ?
ভাবতে, কে লিখেছে এমন?
তুমি কি জান ?
এখনো এই শ্রাবণে,
তোমার চোখে কাজল পরাতে বড়ই শখ হয়।





পুরো কবিতাটাই মিষটি, তবে এই লাইনগুলো বেশি বেশি মিষটি এই যা
ধন্যবাদ।
কাজল পরাতে চাওয়ার শখটি ইউনিক।
কবিতা দারুণ।
"শিমূলে শিমূলে বিলম্বিত যাত্রা আমার"
ফুল কাউকে দেরী করিয়ে দেয় ভাবনাটি বেশ নিটোল ও কাব্যিক।
চাঁদের পুড়ে যাবার ব্যাপারটিও তাই।
লিখবেন।
কবিতাটা খুব ভালো লাগলো। কিন্তু আমি এত দেরীতে কেন দেখলাম
সময়ের দেরী হয়
জীবনের নয়।
ফিলোসফি মারলাম....
মন্তব্য করুন