ভীত সময় মিথ্যা আলিঙ্গনেও পোয়াতী হয়
(১)
একটু খানি বাতাস এলেই
হেলে দুলে পড়তে থাকি,
অথচ ওই ঝড়ের রাতে
বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম তুলি হাতে,
জলের ভাঁজে রঙ জড়াতে,
নীলে নীলে মাখামাখি।
(২)
হলুদাভ রংয়ের ক্লান্ত বিষন্ন নগর,
পিঠে উপবিষ্ট আমি, তুমি এবং বহুরং এর সময়।
জেনো,
ভীত সময় মিথ্যা আলিঙ্গনেও পোয়াতী হয়।
(৩)
কখনো তুমি, কখনো আমি,
এখন আর আড়া্ল কিছু নয়, প্রায় প্রকাশ্যেই হই খুন ।
ওই উঁচুতে যতগুলো শিমুল ফুটেছে
তার একটিও আর আমার নয়।
ভরা জ্যোৎস্নায় যতটুকু বান ডাকে
তার কাছাকাছি কিছু প্রখর রৌদ্রেও বেসুরো, প্রায় অমিল।
সরল মিথ্যার খুঁজেই সুচতুর হামাগুড়ি,
পরিত্যক্ত ভাগাড়ের কোনে বেমানান
প্রাপ্য চিলতেখানি নিয়েই হাঁটু মুড়ে বসে থাকি, স্থির।
কে যেন বললো, ”সাবধান,
মিউনিসিপালিটির লোকেরা কুকুর মারতে বেড়িয়েছে”
একটু সোজা হই, হাঁটার চেষ্টা করি,
ওরা যেন মানুষ চিনতে পারে।





দ্বিতীয়টা অনেক ভাবনাদায়ী...
হুমমমমমমমমমমম.......
চলুন ভাবনা শেষ করি।
এই ভাবনা আসলে শেষ হবার নয়।
তাহলে চলুক। এতো ভেবে কী হবে

লাইন গুলো একটু একটু করে ধাক্কা দিলো বুকের মধ্যে। এমন কেন হলো? মনটাই বা কেন খারাপ হয়ে গেল?
মন খারাপে পরিত্রান নেই
নেই শত আনন্দেও।
মন খারাপে পরিত্রান নেই
নেই শত আনন্দেও।
শিরোনমটাই পাঙখা বানাইয়া দিল। ভিতরের মাল-মশলার কথা আর না কৈ...
শেষেরটুকু চমৎকার লাগলো।
ধন্যবাদ।
এত সুন্দর কবিতা !
কী করে যে লেখেন আপনারা ?
আমিও লেখতে চাই, পারিনা...
পাবলিক লাইব্রেরীর পাশেই একটা শিমুল গাছ দেখেছি ।কদিন আগেও মাথা ভর্তি লাল ফুল নিয়ে দাড়িয়েছিল।আফসুস ওর একটিও আমি ছুঁতে পারিনি। কেন যেন, এই ফুলটাকে আমার ভীষন পছন্দ।ভীষন।
মন্তব্য করুন