ইউজার লগইন

বইমেলা ২০১৪: টুকটাক অভিজ্ঞতার খসড়া

এক.
গতকাল ফেইসবুক-এ একটি স্টাটাসে বলেছিলাম, ফেব্রুয়ারি আসামাত্রই মনটা চাঙ্গা হয়ে উঠে। অন্যরকম সতেজ হয়ে উঠে। মনে একটা উৎসব এর আমেজ ঢেউ খেলে। সারাক্ষণ। এই যে মন চাঙ্গা হয়ে উঠা, সতেজ হয়ে উঠা, হৃদয়ে উৎসব-আমেজের উথাল-পাতাল ঢেউ, সবকিছু মূলত: জেগে উঠে মাসব্যাপী বইমেলাকে ঘিরে। বিষয়টা এমন নয় যে, আমি কোন লেখক, মেলায় গন্ডায় গন্ডায় আমার বই প্রকাশিত হয়; এমনকি প্রকৃতপক্ষে আমি কোন সিরিয়াস পাঠকও নই। বরং সম্ভবত শতভাগ উল্টো। আমার কাছে দশ-বার বছর আগে কেনা বইও আছে, একটি নয়; অনেকগুলো, যেগুলোর একটা পৃষ্ঠাও আমি উল্টে-পাল্টে দেখি নি। কোনকোন বইয়ের নামও মনে নেই। বইগুলো রীতিমত ঝকঝকে রঙিন প্রচ্ছদে অক্ষত আছে। তবু প্রতিবছর মেলায় যাই, স্টলে স্টলে ঘুরি। বইদেখি, হাতে স্পর্শকরি, সূচিপত্রে চোখবুলাই, দেখা বইয়ের কিছু কিনি, বেশিরভাগই কিনি না। কিনতে ইচ্ছে হয়; কিন্তু পকেটে ইচ্ছেমত কেনার পয়সা থাকে না। তবে বইমেলাকে ঘিরে একটা ভীষণরকম আবেগঘন একাত্বতা-অনুভব করি। একটা অন্যরকম উচ্ছাস-আনন্দ মনে লেগেই থাকে। বইমেলা তো শুধু বইয়ের মেলা নয়; এটি ম্যালামানুষের মেলা। পাঠকের মেলা। লেখকের মেলা। প্রকাশকের মেলা। পাঠক-লেখক-প্রকাশকের মেলা। প্রিয়জনদের মেলা। অনেক অনেক দিন ধরে ’না-দেখা বন্ধু বা নিকটজন’-এর সাথে হঠাৎসাক্ষাতের আনন্দে মেতে উঠার মেলা। ফলে পুরোমাসজুড়ে মেলায় গেলেও মেলায় থাকি, না গেলেও মেলায় থাকি।

দুই.
এবার মেলা আয়োজিত হচ্ছে নতুন আঙ্গিকে। বাংলা একাডেমী চত্বর এবং সোহরায়াদী উদ্যান দু’জায়গায়। প্রতিবছরই মেলার জনপ্রিয়তা যেমন বাড়ছে ঠিক তেমনি দর্শক উপস্থিতিও বাড়ছে। একবছর তার আগের বছরকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এ বিপুল জনপ্রিয়তা আর অভাবিত দর্শক সমাগমের কারণে অনেকদিন থেকে মেলার পরিসর বাড়ানোর দাবিটি জোরেশোরে উচ্ছারিত হচ্ছিল। মেলাকর্তৃপক্ষ সে দাবি কখনও শুনেছে অথবা শুনেনি। কিন্তু সে দাবির পক্ষে দৃশ্যমান কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। একাডেমী চত্ত্বর থেকে মেলা যাতে কোনভাবেই অন্যত্র সরিয়ে না নেয়া হয়, সেজন্য কেউ কেউ বিশুদ্ধবাদিতার ফতোয়াও দিয়েছেন। সে যাইহোক, এবারের বইমেলা শেষপর্যন্ত একাডেমি চত্ত্বরের সীমানাদেয়াল ডিঙাতে পেরেছে। পক্ষে-বিপক্ষে অনেক বাতচিতশেষে সোহরাওয়াদী উদ্যানের বিস্তৃত পরিসরে আয়োজিত হয়েছে মেলা। সেদিক থেকে এবার নিশ্চই একটা ভিন্নমাত্রা যুক্ত হয়েছে মেলায়। তবে নতুনমাত্রাটা কতখানি সুখকর হবে, অথবা আদৌ হবে কি না, সেটি হয়তো কিছুদিনের মধ্যে বলা যাবে। শুধু এ মুহূর্তে বলা যায়, প্রতিটি নতুনত্বের মধ্যে, পরিবর্তনের মধ্যে, একটা আশাজাগানিয়া সম্ভাবনা থাকে। আমরা সে সম্ভাবনাময় স্বপ্নটা দেখে যেতে চাই। চলমান ও সম্ভাব্য সমালোচনা-বদনামের ঝুকি নিয়েও একাডেমি কর্তৃপক্ষ মেলার পরিসর বাড়িয়েছেন। সাধুবাদ জানাতে চাই আয়োজক কর্তৃপক্ষকে।

তিন.
শুরুতেই বলেছি যে, ফেব্রুয়ারি এলেই মন কেমন যেন আনচান করে উঠে। মেলার জন্য। মেলার মেলামেলা মানুষদের জন্য। বইয়ের জন্য। ফলে ইচ্ছে হয়, প্রথম দিনেই ছুটেযাই। প্রথম দিনেই দেখে আসি। একসময় প্রথম দিনেই মেলায় যাওয়াটা ছিল বাৎসরিক নিয়ম। এখন সে নিয়মটা বদলে গেছে। তবে নিজে বদলাইনি। বদলাতে বাধ্য হয়েছি। নববই পরবর্তী ’গণতান্ত্রিক’ উত্তরণের পরথেকে নতুন রেওয়াজ। সে রেওয়াজই বদলে দিয়েছে পুরনো ইচ্ছেটাকে। একসময় মেলা উদ্বোধন করতেন সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনের অগ্রজব্যক্তিবর্গ। এখন মেলার উদ্ভোধক হন হয় রাষ্ট্রপ্রধান, না হয় সরকার প্রধান। ফলে মেলার প্রথমদিন মানে অতিআবশ্যকীয় মেলামেলা নিরাপত্তাবেষ্টনী। মেলা পুলিশ। আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর মেলা উপস্থিতি। মেলামেলা চেকপোস্ট। সুতরাং সাধারণের পক্ষে প্রথমদিন চাইলেই যাওয়া যায় না। গেলেও মেলানিয়মের গন্ডি পেরুতে হয়। তারপর যাওয়া যায়। তাতে আর স্বত:স্ফুর্ততা থাকে না। ফলে গতকয়েক বছর মেলার প্রথমদিন আর যাওয়া হয় না। কিন্তু এবার গিয়েছি। প্রথম দিনেই। একটা জরুরি কাজে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যেতে হয়েছিল। যানজটের জীবনে মেলার এতকাছ থেকে ফিরে যাবো। মন মানতে চাইলো না। লোভটাও সামলানো যায় নি। তাই এতএতসব বেষ্টনির মধ্যেও একটু ঢু মারা। ঠিক মেলায় নয়; মেলার ধারেকাছে। দু’একটি স্টলে। তখনও বেশিরভাগ স্টল চালু হয়নি। খুব দ্রুত তিনটি বই কিনে অতিদ্রুত ফিরে আসি। ফলে নতুন আঙিকে আয়োজিত বইমলো হলেও ঠিক কিছুই বুঝে উঠতে পারিনি প্রথমদিন।

চার.
ঐ যে বলেছিলাম, চাই বা না চাই, আমাদের অনেকেরই মনটা ফেব্রুয়ারি এলেই বইমেলায় পড়ে থাকে। কিন্তু কর্মকাবিননামার কারণে যাবার সুযোগ খুব কমই মেলে। আর সুযোগ এলে হাতছাড়া করতে চাই না। গতকাল মেলার দ্বিতীয় দিন এ রকম একটা সুযোগ এসে গেল। দাপ্তরিক কাজে গিয়েছিলাম সুপ্রিমকোর্ট এলাকায়। দুপুরের পর। কাজ শেষ হতে হতে বিকাল পাঁচটা। তারপর বাসরা দিকে নয়; সোজা দোয়েল চত্বর দিয়ে বইমেলায়। দোয়েল চত্বর দিয়ে যখন হেটেহেটে মেলার দিকে এগুচ্ছিলাম, দেখে ভাললাগল যে, মেলার বাইরের রাস্তাটি বেশ পরিচ্ছন্ন-উন্মুক্ত। প্রতিবারের মতো দখল হয়ে যায়নি, রাস্তার দু’ধারে স্টলের কারণে। মূল মেলাস্থল, এবার যেটা প্রকাশকদের জন্য বরাদ্দ, সোহরাওয়াদী উদ্যানে ঢুকেও একই অনুভূতি। প্রশস্ত জায়গা। হাটা যায়। ঘোরাযায়। বইদেখা যায়। অন্তত আমার এ রকম অভিজ্ঞতা হয়েছে গতকাল। তবে এখনও অনেক স্টল চালু হয়নি। তথ্যকেন্দ্রটিও অতটা সক্রিয় নয়; নিশ্চয় দ্বিতীয় দিন বলে। আস্তে আস্তে সচল হয়ে উঠবে। আমরা চাই বা না চাই, পছন্দ করি বা না করি, মৌলবাদ, সন্ত্রাস আর নিরাপত্তাহীনতার বিশ্বায়নের যুগে নিরাপত্তাব্যবস্থা এক অনিবার্য অনুষঙ্গ। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম মেলা, বইমেলায়ও আজ নিরাপত্তার দরকার হয়। পৃথিবী যে এগুবার কথা ছিল, অথবা দেশ হিশেবে আমরা, তার কতখানি এগিয়েছি, তা ভাববার জন্য এটা একটা সূচক হতে পারে। সে যাই হোক নিরাপত্তার জন্য প্রবেশপথেই পুলিশবক্স স্থাপিত হয়েছে। চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। অন্তত ভাবার সুযোগ রয়েছে যে, আমরা অনিরাপদ নই।

পাঁচ.
আমি বইমেলায় গেলে দু’ ধরনের বই খুঁজি। দু’ধরনের বই কিনি। আমার প্রিয় কিছু লেখক আছেন। সবাই রাষ্ট্র-রাজনীতি, অর্থনীতি, গণমাধ্যম, দর্শন ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে লেখেন। কখনওসখনও কবিতা-গল্পের বইও কেনা হয়। অন্যদিকে আছেন সহ-ব্লগাররা। তাঁদের বই বিষয়বিচারে নয়, মানে কবিতা, গল্প, উপন্যাস কিংবা প্রবন্ধ ক্যাটাগরির অগ্রাধিকার দিয়ে নয়; বরং ফেইসবুক-ব্লগ পরিসরে আলাপচারিতা, চেনাজানার মানদন্ডটাও কাজ করে। খুব বড়রকমভাবে। ফলে গত কিছুদিন থেকে ব্লগে- ফেইসবুক-এ যেসব সহ-ব্লগারদের বই এর নাম-প্রচ্ছদ, প্রকাশক, স্টল নম্বর জানতে পেরেছিলাম, প্রথমেই সেগুলোর খোঁজ করেছি। সে খোঁজ করতে গিয়েই প্রথম বিপত্তিটা ঘটলো। বেশির ভাগই স্টলে নম্বর উল্লেখ নেই। এঁকে ওঁকে জিজ্ঞেস করে করেই খুঁজে নিতে হয়েছে প্রার্থিত স্টলটি। এটা ঠিক যে, প্রথমবারের মতো যেহেতু মেলার স্থান বদলেছে, পরিসর বেড়েছে, সেহেতু কিছুটা সমস্যা হয়তো হবে। সেটা আমরা কবুল করতেও রাজি। কিন্তু তারপরও বলবো, মেলাকর্তৃপক্ষ পাঠক-দর্শকদের তথ্য-নির্দেশনার ন্যুনতম প্রয়োজনের প্রতি নজর দেবেন। না হয় নির্দিষ্ট বই, প্রকাশক কিংবা স্টলের খোজে যারা যাবেন, তাদের অভিজ্ঞতাটা সুখের বদলে ’অসুখের’ হয়ে উঠতে পারে। মেলা যেহেতু দু’ভাগে হচ্ছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং একাডেমি চত্বর, সেহেতু মূলসড়কে অন্তত একটি তালিকা থাকা দরকার, যাতে করে পাঠক-দর্শক জানতে পারে, কত থেকে কত নম্বর পর্যন্ত কোনভাগে পড়েছে। স্টলের নামসহ দিতে পারলো তো সোনায়- সোহাগা হয়ে উঠবে।

ছয়.
বইমেলা নিয়ে মেলা মেলা সংবাদ হয়। প্রবিবছর। আমরাও আরো আরো সংবাদ চাই। লেখক-প্রকাশক-আয়োজকরাও চান। মেলা মেলা সংবাদ আমাদের বই পড়তে, কিনতে আগ্রহী করে তুলে। কিন্তু গতকাল মেলার প্রবেশ পথেই আমাদের নেতিবাচক সাংবাদিকতার ধারবাহিক দৃষ্টান্তের একটা বড় সম্মিলিতউদাহরণ চোখে পড়ল। কোন একটি প্রাইভেট চ্যানেল (নামটি ইচ্ছে করেই বললাম না), দর্শক প্রতিক্রিয়া জানতে চাইছেন। বিশেষ করে মেলার স্থান পরিবর্তন বিষয়ে দর্শক প্রতিক্রিয়া। দর্শক বলছেন, খুউব ভাল হয়েছে। খোলামেলা। অনেক জায়গা। আমরা খুব খুশী। কিন্তু প্রতিবেদক খুশী হতে পারলেন না। আবার জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা ভাল হয়েছে, ঠিক আছে। কিন্তু মেলার স্থানবদলের কারণে নিশ্চই কোন অসুবিধাও হচ্ছে। একটু অসুবিধার কথা বলুন। তারপরও কোন অসুবিধার কথা বের করতে না পেরে প্রতিবেদকের আবারও প্রশ্ন, ধরুন, এ রকম এ রকম সমস্যা। ভেতরে ঢুকেও একই উদাহরণ চোখে পড়লো। অন্য আরও কয়েকটি চ্যানেলের। তারপর পেলাম ইলেক্রটনিক মিডিয়া নয়; প্রিন্ট মিডিয়া। একটি দৈনিক এর প্রতিবেদক। তিনি একজন প্রকাশক এর সাথে কথা বলছেন। একই কায়দায় তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইছেন। প্রকাশক বললেন, আমরা খুব খুশী। মেলা বড়পরিসরে আয়োজিত হয়েছে। প্রতিবেদক বললেন, আপনার কি মনে হয় পাঠক এখানে আসবে? স্টল খুজে পাবে? প্রকাশক বললেন, আমি তো মনে করি, খুব খুজে পাবে। পাঠক যে খুজে পাবে আপনার চারপাশের লোকজন দেখেই তো বুঝা যাচ্ছে। কিন্তু প্রবিবেদক খুশী নন; তিনি নেতিবাচক কিছু শুনতে চান। তখন এ প্রকাশক খুব বিনীতভাবে বলেন, দয়াকরে কোন নেতিবাচক রিপোর্ট করবেন না। মেলার ক্ষতি করবেন না। প্রথমবারের মতো মেলা নতুন জায়গায় এসেছে। নিশ্চই কিছু কিছু সীমাবদ্ধতা থাকবে। কিন্তু অভিজ্ঞতা দিয়েই সে সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠা যাবে। আমার সাথেও একজন প্রতিবেদকের কথা হয়। আমিও মেলার পরিসর বড় হওয়ার কারণে অনেক অনেক সুবিধার কথা বলেছি। স্টল নম্বর থাকলে আরও ভাল হত- সেটিও বলেছি। আজ দেখি ঐ প্রতিবেদক আমাকে রেফার করেছে। তবে আমি যে যে সুবিধার কথা বলেছি সেগুলোর কোনটাই লিখেনি। বরং স্টল খুজেপেতে কষ্ট হচ্ছে, আমার সে একটি কথা বড় করে প্রকাশ করেছে। অনকেটা এমনযে, আপনি যতই পরিপাটি হন, আপনি যেহেতু খাওয়া-দাওয়া করেন, আপনার পেটের ভেতর ময়লা থাকতেই হবে, অতএব সে ময়লানুসন্ধানমূলক সাংবাদিকতা করতেই হবে-আমি জানি না, এ রকম ছবক আমাদের প্রতিবেদকরা কোথা থেকে পাচ্ছেন। আমরা এ ধরনের ময়লানুসন্ধানমূলক সাংবাদিকতা থেকে মুক্তি চাই। সত্যিকারের অনুসন্ধানমূলক সাংবাদিকতা চাই।

সাত.
গত দু’ দিন মেলা থেকে যেবইগুলো কিনেছি তার একটি তালিকা দিতে চাই:
১. শামসুর রাহমান- শ্রেষ্ঠ কবিতা
২. হুমায়ুন আজাদ- শ্রেষ্ঠ কবিতা
৩. আহমদ ছফা- মরণ বিলাস
৪. আহমদ শরীফ- সময়-সমাজ-মানুষ
৫. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী- আমার আপন তিনজন
৬. সলিমুল্লাহ খান ও অন্যান্য- ধর্মের রাজনীতি ও বাংলাদেশ
৭. শওকত হোসেন মাসুম- সাদা কালোর অর্থনীতি
৮. কবির মোঃ আশরাফ আলম- লোকপ্রশাসনকোষ
৯. ব্লগারদের লেখা (অনেক নাম) ভালবাসার গল্পসংকলন
১০. হাসান মাহবুব, নাজিম-উদ-দ্দৌলা, অপর্ণা মন্ময় এবং ইনকগনিটো- স্বপ্ন ব্যাধি ভ্রম ও অন্যান্য

আট.
মেলায় একটা স্টল। তার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন কয়েকজন তরুন। সবার হাতে বই। একই বই। বই হাতে নিয়ে উল্টে-পাল্টে দেখছেন। বন্ধ করছেন। আবার খুলছেন। উল্টাচ্ছেন। নাকে লাগিয়ে বারবার ঘ্রাণ নিচ্ছেন। বলার দরকার নেই যে, তারা প্রত্যেকেই নবীন লেখক। ব্লগারও। এবার প্রথমবার মলাটবন্দী হয়েছেন।সম্মিলিত উদ্যোগে। প্রথম মলাটবন্দী হওয়ার আনন্দটা লুকোতে পারছেন না, অথবা লুকোতে চাইছেন না। এ যে সৃষ্টিশীল মানুষের সৃষ্টির আনন্দ, আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, একুশের বইমেলার সবচেয়ে শৈল্পিক সৌন্দর্যটা এখানেই। নতুন নতুন সৃষ্টিশীল মানুষ সৃষ্টির প্রেরণা নিয়েই আমাদের বইমেলা এগিয়ে যাক অনাগত কালধরে। জয়তু বইমেলা।

পোস্টটি ১৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

আরাফাত শান্ত's picture


জয়তু বইমেলা!
চমৎকার লিখছেন শামীম ভাই!

মুনীর উদ্দীন শামীম's picture


ধন্যবাদ আরাফাত পড়বার জন্য। আন্তরিক মন্তব্যের জন্য।
শুভেচ্ছা।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

সাম্প্রতিক মন্তব্য