ইউজার লগইন

রোবোট'এর ব্লগ

তাফসীরে গিয়ানী লুকের বাণী - সাময়িক পোস্ট

কয়দিনে অনেক নতুন বাণী পাইলাম। সব গিয়ানি মানুষের। সেগুলা জেনে একটু তাফসীর করার চেষ্টা করি।

বাণী ১: কোন চলচ্চিত্র সম্পর্কে মন্তব্য করতে হৈলে সেটা অবশ্যই দেইখা নিতে হবে, রিভিউ পড়ে কিছু বলাযাবে না।

- আমি বানজারান, বাইসাইকেল থিফ বা শিন্ডলার্স লিস্ট কোনটাই দেখি নাই। তাই আমি এই চলচ্চিত্রগুলা নিয়ে কোন মনতব্য করবো না। এগুলা সবই এক কাতারের সিনেমা। কাতারের নাম আমি দেখি নাই। তা ছাড়া আমি আইজ থেকা বাংলাদেশের সিনেমা নিয়া কোন কথা বলবো না।। আমি বাংলাদেশের সিনেমা দেখি ৫ বছরে একটা।। ১ পার্সেন্টও না ।

বাণী ২: কোন কিছু রেখে-ঢেকে বলার কি দরকার। এই যেমন শারীরিক সম্পর্ক না বলে চো**** বললে সমস্যা কি? জীবন ঘনিষ্ঠতা বৈলা কথা।

যৌন হয়রানি ও ইত্যাদি বিষয়ক বিচ্ছিন্ন ভাবনা (প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য)

ইদানিং ইভ টিজিং-যৌন হয়রানি -ধর্ষণ নিয়ে মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। সম্ভবত ইভটিজিংএর মাত্রাও অনেক বেড়েছে।।।

ধর্ষণ যৌনতা নয়, সন্ত্রাস (খানিকটা বিকারও)। সেখানে মেয়েদের পোশাক ভূমিকা রাখে সেটা মনে করিনা। ছেলে শিশু কিশোররা কেন ধর্ষণ/যৌন হয়রানির শিকার হয়? এখানে পোশাকের কি ভূমিকা? আমি আমেরিকার একটা কলেজ টাউনে ২ বছর ছিলাম। ওখানে শর্টস পরা একটা মেয়ে রাত ২টায় নিরাপদে একা হাঁটতে পারে। ঢাকায় কি হিজাব/বোরকা পরেও পারে? পশচিমা দেশে সীবিচ গুলোতে কি ধর্ষণ -ইভ টিজিং অনেক বেশী? মনে হয় না।

নারায়ণগন্জে একটা মেয়ে (সিমি নাম মনে হয়) সিরিয়াস ইভটিজিংএর শিকার হলো। থানার ওসি বললো তোমার মত মেয়ের আত্নহত্যা করা উচিত। পুলিশই যদি এমন হয় তাহলে ইভ টিজিং না হওয়াটাই তো খবর।

বন্ধু তোমায় না পাঠানো এই চিঠি

তোমার সাথে পরিচয় ক্লাস শুরুর আগে। যেদিন হলে সিট দিলো। দুইজন এক ডিপার্টমেন্ট। এমনকি এক সেকশন। হলেও রুমমেট। প্রথম দুএকদিন খুব বেশী কথা হয়নি। সারকিট ল্যাবে খুব বিস্ময়ের সাথে দেখলাম তুমি সবই বুঝে ফেলছো। অথচ তুমি তো আগে এসব পড়নি, বুঝলে কি করে। সেশনালে তোমার মাথাটা বেশ পরিস্কার ছিলো অল্প কদিনেই বুঝে গেলাম। আলাপ-পরিচয়ে জানলাম ঢাকা কলেজে পড়ার আগে তুমি মুন্সীগন্জে ছিলে। ইন্টারমিডিয়েটের হিসাবে তুমি আমার এক বছর সিনিয়র। কোন কারণে প্রকৌশলী হবার জন্য ১ বছর লস দিলে।

১০০ ভাগ হালাল মৌলিক পোস্ট










১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮

হে মডারেটর ইহা হয় একটি সম্পুর্ণ মৌলিক (১০০ ভাগ হালাল) পোস্ট।

সাময়িক পোস্ট- হারানো পোস্ট

ব্লগার জনৈক বাংগালের একটা পোস্ট ছিলো এখানে? কৈ গেলো?

আমার প্রিয় গান ২ - ইংলিশ গান

 

স্কুল বা কলেজ পড়ার সময় কোন একদিন ক্লান্ত হয়ে কলোনীর বাসায় ফিরছি। বাসার কাছে এসে বুঝলাম আমাদের বাসা থেকে একটা গানের সুর ভেসে আসছে। সামান্য সময়ের জন্য হলেও আমার মন থেকে শরীর থেকে যেন সব ক্লানতি চলে গেলো। আমি ইংলিশ গান তখন বেশী শুনিনি। বাসায় এসে বড় বোনের কাছ থেকে শুনলাম কারপেনটার্স হলো এ গানের শিল্পী। জানলাম গানটা হলো জামবালায়া।

http://www.youtube.com/watch?v=-4o86juvMEE&feature=related

যে জীবন ফড়িংএর, দোয়েলের মানুষের সাথে তার কোনদিন হয়নাকো দেখা

(ভদ্রলোককে আমি দেখিনি কোনদিন। নামে চিনতাম বড়বোনের খুব ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর বড় ভাই হিসাবে। সপ্তাহ খানেক আগে শুনলাম তার  আট

বছরের ছেলেটি সুইসাইড করেছে। )

আমার প্রিয় গান ১- নজরুলের গান

গল্পটা শোনা আমার বড় খালার কাছে। আজ থেকে প্রায় ৪৫ বছর আগের কথা। তখন আমার মা বোধ হয় নাইনটেনে পড়েন। আমার বাবামার বিয়ের আগের কথা। ঢাকায় বেড়াতে এসেছেন বড় বোনের বাসায়। মা যেহেতু এক আধটু গান করতেন, বোনের বাসায় গান ধরলেন বোন-দুলাভাইয়ের অনুরোধে। টিনের তৈরী বাসার বসার ঘরে বসে গান গাইলেন। দুটো গান গাওয়ার পর সবাই অবাক হয়ে দেখলো বাইরে রাস্তায় লোক জমে গেছে। আবার "আপা আরেকটা গান করেন" এমন অনুরোধ জানাতেও দ্বিধা করলেন না কেউ একজন । নাহ আমার মা বিরাট কোন সংগীতশিল্পী হননি, সম্ভবত হবার কথাও ছিলোনা। তবে আমার বয়স ৭-৮ বছর হওয়া পর্যন্ত গান টান করতেন। (ষেও প্রায় ৩০ বছর আগের কথা) বাসায় একটা হারমোনিয়ামও ছিলো। আমার মার সুর জ্ঞান খুব ভালো ছিলো এটা বুঝতাম। গত ১৫-২০ বছরে ওনাকে খুব একটা গান শুনতেও দেখিনি। তবে গান শোনাটা যদি কোন খারাপ কাজ হয়, তবে আমার সে খারাপ কাজের দায় পুরো

এলোমেলো কথাবার্তা, অবাস্তব ভাবনা-চিন্তা ১: তবুও আশায় থাকি, তবুও স্বপ্ন দেখি

সব মানুষের না হলেও, কত মানুষের জীবনেই কত দুঃখজনক ঘটনা থাকে আমরা জানিনা।